‘অস্থিরতা নিয়ে বিশ্বকাপ জেতা সম্ভব নয়’

‘অস্থিরতা নিয়ে বিশ্বকাপ জেতা সম্ভব নয়’
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক

বিশ্বমঞ্চ থেকে ব্রাজিলের বিদায়ের পর দলের ব্যর্থতার গ্লানি নিজের কাঁধে তুলে নিয়েছেন অধিনায়ক মার্কিনিওস। গত চার বছর ধরে সেলেসাওদের অন্দরমহলে চলা চরম অস্থিরতা ও সমন্বয়হীনতাই যে বিশ্বজয়ের পথে মূল অন্তরায় ছিল তা ম্যাচ শেষে অকপটে স্বীকার করেছেন এ ডিফেন্ডার। একই সঙ্গে সমর্থকদের বড় আশার বিপরীতে কাঙ্ক্ষিত পারফরম্যান্স উপহার দিতে না পারায় দেশের ফুটবলপ্রেমীদের কাছে আন্তরিক দুঃখ প্রকাশ করেছেন তিনি।
ম্যাচ পরবর্তী প্রতিক্রিয়ায় মার্কিনিওস জানান, অধিনায়ক হিসেবে এ বিপর্যয়ের পূর্ণ দায়ভার তিনি এবং দলের সিনিয়র ফুটবলাররাই বহন করছেন। এর মাধ্যমে তিনি মূলত তরুণ প্রজন্মের খেলোয়াড়দের ওপর থেকে মানসিক চাপ সরিয়ে এক নতুন ও স্বস্তিদায়ক অধ্যায় শুরুর সুযোগ করে দিতে চান। মাঠের লড়াইয়ে সর্বোচ্চ উজাড় করে দিয়েও চূড়ান্ত মুহূর্তে কিছু ভুলের চড়া মূল্য দিতে হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, যে দীর্ঘমেয়াদি অস্থিরতা নিয়ে দল বিশ্বকাপে পা রেখেছিল, তাতে বড় কোনো সাফল্যের আশা করা মোটেও বাস্তবসম্মত ছিল না।
এ বিদায়ের ফলে ১৯৯০ সালের পর সবচেয়ে হতাশাজনক বিশ্বকাপ অভিযানের রেকর্ড গড়ল পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। এই ধাক্কায় ২০৩০ সাল নাগাদ ব্রাজিলের শিরোপাহীন সময় গিয়ে ঠেকবে দীর্ঘ ২৮ বছরে। এটি দলটির ফুটবল ইতিহাসে দীর্ঘতম ট্রফি খরা হিসেবে যুক্ত হতে যাচ্ছে। ফুটবল বিশ্লেষকদের মতে, গত চার বছরে বারবার কোচ পরিবর্তনের অবিবেচকমূলক সিদ্ধান্তই সেলেসাওদের এই পতনের প্রধান কারণ। বর্তমান কোচ কার্লো আনচেলত্তির আগে রামোন মেনেজেস, ফার্নান্দো দিনিজ এবং দরিভাল জুনিয়রের মতো একের পর এক ডাগআউট পরিবর্তন দলের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার ধারাবাহিকতা পুরোপুরি ধ্বংস করে দিয়েছে। তবে এ নজিরবিহীন ভরাডুবির পরও কার্লো আনচেলত্তির ওপর আস্থা হারাচ্ছে না ব্রাজিল ফুটবল কনফেডারেশন (সিবিএফ)। সংস্থাটি ইতোমধ্যে ইতালিয়ান এই হাইপ্রোফাইল কোচের চুক্তির মেয়াদ ২০৩০ সাল পর্যন্ত বৃদ্ধি করে দল পুনর্গঠনের ইঙ্গিত দিয়েছে।

বিশ্বমঞ্চ থেকে ব্রাজিলের বিদায়ের পর দলের ব্যর্থতার গ্লানি নিজের কাঁধে তুলে নিয়েছেন অধিনায়ক মার্কিনিওস। গত চার বছর ধরে সেলেসাওদের অন্দরমহলে চলা চরম অস্থিরতা ও সমন্বয়হীনতাই যে বিশ্বজয়ের পথে মূল অন্তরায় ছিল তা ম্যাচ শেষে অকপটে স্বীকার করেছেন এ ডিফেন্ডার। একই সঙ্গে সমর্থকদের বড় আশার বিপরীতে কাঙ্ক্ষিত পারফরম্যান্স উপহার দিতে না পারায় দেশের ফুটবলপ্রেমীদের কাছে আন্তরিক দুঃখ প্রকাশ করেছেন তিনি।
ম্যাচ পরবর্তী প্রতিক্রিয়ায় মার্কিনিওস জানান, অধিনায়ক হিসেবে এ বিপর্যয়ের পূর্ণ দায়ভার তিনি এবং দলের সিনিয়র ফুটবলাররাই বহন করছেন। এর মাধ্যমে তিনি মূলত তরুণ প্রজন্মের খেলোয়াড়দের ওপর থেকে মানসিক চাপ সরিয়ে এক নতুন ও স্বস্তিদায়ক অধ্যায় শুরুর সুযোগ করে দিতে চান। মাঠের লড়াইয়ে সর্বোচ্চ উজাড় করে দিয়েও চূড়ান্ত মুহূর্তে কিছু ভুলের চড়া মূল্য দিতে হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, যে দীর্ঘমেয়াদি অস্থিরতা নিয়ে দল বিশ্বকাপে পা রেখেছিল, তাতে বড় কোনো সাফল্যের আশা করা মোটেও বাস্তবসম্মত ছিল না।
এ বিদায়ের ফলে ১৯৯০ সালের পর সবচেয়ে হতাশাজনক বিশ্বকাপ অভিযানের রেকর্ড গড়ল পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। এই ধাক্কায় ২০৩০ সাল নাগাদ ব্রাজিলের শিরোপাহীন সময় গিয়ে ঠেকবে দীর্ঘ ২৮ বছরে। এটি দলটির ফুটবল ইতিহাসে দীর্ঘতম ট্রফি খরা হিসেবে যুক্ত হতে যাচ্ছে। ফুটবল বিশ্লেষকদের মতে, গত চার বছরে বারবার কোচ পরিবর্তনের অবিবেচকমূলক সিদ্ধান্তই সেলেসাওদের এই পতনের প্রধান কারণ। বর্তমান কোচ কার্লো আনচেলত্তির আগে রামোন মেনেজেস, ফার্নান্দো দিনিজ এবং দরিভাল জুনিয়রের মতো একের পর এক ডাগআউট পরিবর্তন দলের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার ধারাবাহিকতা পুরোপুরি ধ্বংস করে দিয়েছে। তবে এ নজিরবিহীন ভরাডুবির পরও কার্লো আনচেলত্তির ওপর আস্থা হারাচ্ছে না ব্রাজিল ফুটবল কনফেডারেশন (সিবিএফ)। সংস্থাটি ইতোমধ্যে ইতালিয়ান এই হাইপ্রোফাইল কোচের চুক্তির মেয়াদ ২০৩০ সাল পর্যন্ত বৃদ্ধি করে দল পুনর্গঠনের ইঙ্গিত দিয়েছে।

‘অস্থিরতা নিয়ে বিশ্বকাপ জেতা সম্ভব নয়’
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক

বিশ্বমঞ্চ থেকে ব্রাজিলের বিদায়ের পর দলের ব্যর্থতার গ্লানি নিজের কাঁধে তুলে নিয়েছেন অধিনায়ক মার্কিনিওস। গত চার বছর ধরে সেলেসাওদের অন্দরমহলে চলা চরম অস্থিরতা ও সমন্বয়হীনতাই যে বিশ্বজয়ের পথে মূল অন্তরায় ছিল তা ম্যাচ শেষে অকপটে স্বীকার করেছেন এ ডিফেন্ডার। একই সঙ্গে সমর্থকদের বড় আশার বিপরীতে কাঙ্ক্ষিত পারফরম্যান্স উপহার দিতে না পারায় দেশের ফুটবলপ্রেমীদের কাছে আন্তরিক দুঃখ প্রকাশ করেছেন তিনি।
ম্যাচ পরবর্তী প্রতিক্রিয়ায় মার্কিনিওস জানান, অধিনায়ক হিসেবে এ বিপর্যয়ের পূর্ণ দায়ভার তিনি এবং দলের সিনিয়র ফুটবলাররাই বহন করছেন। এর মাধ্যমে তিনি মূলত তরুণ প্রজন্মের খেলোয়াড়দের ওপর থেকে মানসিক চাপ সরিয়ে এক নতুন ও স্বস্তিদায়ক অধ্যায় শুরুর সুযোগ করে দিতে চান। মাঠের লড়াইয়ে সর্বোচ্চ উজাড় করে দিয়েও চূড়ান্ত মুহূর্তে কিছু ভুলের চড়া মূল্য দিতে হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, যে দীর্ঘমেয়াদি অস্থিরতা নিয়ে দল বিশ্বকাপে পা রেখেছিল, তাতে বড় কোনো সাফল্যের আশা করা মোটেও বাস্তবসম্মত ছিল না।
এ বিদায়ের ফলে ১৯৯০ সালের পর সবচেয়ে হতাশাজনক বিশ্বকাপ অভিযানের রেকর্ড গড়ল পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। এই ধাক্কায় ২০৩০ সাল নাগাদ ব্রাজিলের শিরোপাহীন সময় গিয়ে ঠেকবে দীর্ঘ ২৮ বছরে। এটি দলটির ফুটবল ইতিহাসে দীর্ঘতম ট্রফি খরা হিসেবে যুক্ত হতে যাচ্ছে। ফুটবল বিশ্লেষকদের মতে, গত চার বছরে বারবার কোচ পরিবর্তনের অবিবেচকমূলক সিদ্ধান্তই সেলেসাওদের এই পতনের প্রধান কারণ। বর্তমান কোচ কার্লো আনচেলত্তির আগে রামোন মেনেজেস, ফার্নান্দো দিনিজ এবং দরিভাল জুনিয়রের মতো একের পর এক ডাগআউট পরিবর্তন দলের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার ধারাবাহিকতা পুরোপুরি ধ্বংস করে দিয়েছে। তবে এ নজিরবিহীন ভরাডুবির পরও কার্লো আনচেলত্তির ওপর আস্থা হারাচ্ছে না ব্রাজিল ফুটবল কনফেডারেশন (সিবিএফ)। সংস্থাটি ইতোমধ্যে ইতালিয়ান এই হাইপ্রোফাইল কোচের চুক্তির মেয়াদ ২০৩০ সাল পর্যন্ত বৃদ্ধি করে দল পুনর্গঠনের ইঙ্গিত দিয়েছে।

বিশ্বকাপ থেকে ব্রাজিলের বিদায়, ক্ষমা চাইলেন অধিনায়ক

