শুভ জন্মদিন ফুটবলের বরপুত্র লিওনেল মেসি

শুভ জন্মদিন ফুটবলের বরপুত্র লিওনেল মেসি
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক

বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসের অন্যতম স্মরণীয় দিন ২৪ জুন। ১৯৮৭ সালের এ দিনে আর্জেন্টিনার রোজারিওতে জন্ম নেওয়া সেই শিশুটিই আজকের ফুটবল জাদুকর লিওনেল আন্দ্রেস মেসি। যিনি বদলে দিয়েছেন ফুটবলের চিরচেনা সংজ্ঞা। আজ ৩৯ বছর বয়সে পদার্পণ করলেন এ জীবন্ত কিংবদন্তি। বয়সকে কেবলই সংখ্যায় পরিণত করে এখনো বিশ্বজুড়ে কোটি কোটি ফুটবল ভক্তের হৃদয়ে রাজত্ব করছেন তিনি। রোজারিওর গণ্ডি পেরিয়ে তিনি লিখেছেন বিশ্বজয়ের এক মহাকাব্য।
মেসির ফুটবলার হয়ে ওঠার গল্প যেকোনো রূপকথাকেও হার মানায়। শৈশবে গ্রোথ হরমোনের গুরুতর সমস্যা জয় করে বার্সেলোনার ঐতিহ্যবাহী ‘লা মাসিয়া’ একাডেমিতে যোগ দিয়েছিলেন তিনি। এরপর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। মাঠের একের পর এক জাদুকরী পারফরম্যান্সে নিজেকে নিয়ে গেছেন অনন্য উচ্চতায়। স্প্যানিশ ক্লাব বার্সেলোনার জার্সিতে সম্ভাব্য সব ক্লাব ট্রফি জয়ের পাশাপাশি রেকর্ডসংখ্যক ব্যালন ডি’অর নিজের করে নিয়েছেন। মাঠে নামলেই যেন রেকর্ড ভাঙা-গড়ার খেলায় মাতেন তিনি, তাই তো তাকে বলা হয় রেকর্ডের বরপুত্র। ন্যু ক্যাম্পের অধ্যায় চুকিয়ে এখন আমেরিকার ক্লাব ইন্টার মায়ামির হয়ে মাঠ কাঁপাচ্ছেন এ ফুটবল জাদুকর।
তবে মেসির দীর্ঘ ও বর্ণিল ক্যারিয়ারের সবচেয়ে মধুর এবং গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায়টি রচিত হয়েছে ২০২২ সালের কাতার বিশ্বকাপে। লুসাইল স্টেডিয়ামে ক্যারিয়ারের একমাত্র অধরা ট্রফিটি উঁচিয়ে ধরে আর্জেন্টিনার দীর্ঘ ৩৬ বছরের আক্ষেপ ঘোচানোর পাশাপাশি সর্বকালের সেরা কে সেই বিতর্কেরও চিরতরে অবসান ঘটান তিনি। চলতি বিশ্বকাপেও তার পায়ের জাদু অব্যাহত রয়েছে। জন্মদিনের ঠিক দুদিন আগেই বিশ্বমঞ্চে ২৮ ম্যাচে রেকর্ড ১৮ গোল করে ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতার অনন্য কীর্তি গড়েছেন তিনি। এমনকি চলতি আসরে একাই আর্জেন্টিনার পাঁচটি গোলের সবকটি করে দলকে টেনে নিয়ে যাচ্ছেন এই অতিমানব।
চল্লিশের দোরগোড়ায় দাঁড়িয়েও মেসির পাসিং অ্যাকুরেসি, নিখুঁত ফ্রি-কিক এবং পুরো মাঠজুড়ে ম্যাচ নিয়ন্ত্রণ করার ক্ষমতা তরুণদের জন্যও ঈর্ষণীয়। ইউরোপিয়ান ফুটবলের রাজত্ব ছেড়ে আমেরিকান ফুটবলে যোগ দেওয়ার পর ইন্টার মায়ামির পাশাপাশি পুরো যুক্তরাষ্ট্রের ফুটবলকেই এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেছেন তিনি। বারবার আন্তর্জাতিক ফাইনালের মঞ্চে হেরে গিয়েও হাল না ছাড়ার যে মানসিকতা মেসি দেখিয়েছেন, তা বিশ্ব ক্রীড়াঙ্গনে এক অনন্য দৃষ্টান্ত।
পেলে কিংবা ম্যারাডোনার মতোই ইতিহাসের পাতায় স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে লা পুলগার নাম। ৩৯তম জন্মদিনের এই শুভ ক্ষণে বিশ্বজুড়ে ফুটবলপ্রেমীদের একটাই প্রার্থনা, চল্লিশেও চলুক মেসির এ চিরসবুজ পায়ের জাদু। প্রীতি আর আবেগে রাঙাতে থাকুক কোটি ভক্তের হৃদয়।

বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসের অন্যতম স্মরণীয় দিন ২৪ জুন। ১৯৮৭ সালের এ দিনে আর্জেন্টিনার রোজারিওতে জন্ম নেওয়া সেই শিশুটিই আজকের ফুটবল জাদুকর লিওনেল আন্দ্রেস মেসি। যিনি বদলে দিয়েছেন ফুটবলের চিরচেনা সংজ্ঞা। আজ ৩৯ বছর বয়সে পদার্পণ করলেন এ জীবন্ত কিংবদন্তি। বয়সকে কেবলই সংখ্যায় পরিণত করে এখনো বিশ্বজুড়ে কোটি কোটি ফুটবল ভক্তের হৃদয়ে রাজত্ব করছেন তিনি। রোজারিওর গণ্ডি পেরিয়ে তিনি লিখেছেন বিশ্বজয়ের এক মহাকাব্য।
মেসির ফুটবলার হয়ে ওঠার গল্প যেকোনো রূপকথাকেও হার মানায়। শৈশবে গ্রোথ হরমোনের গুরুতর সমস্যা জয় করে বার্সেলোনার ঐতিহ্যবাহী ‘লা মাসিয়া’ একাডেমিতে যোগ দিয়েছিলেন তিনি। এরপর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। মাঠের একের পর এক জাদুকরী পারফরম্যান্সে নিজেকে নিয়ে গেছেন অনন্য উচ্চতায়। স্প্যানিশ ক্লাব বার্সেলোনার জার্সিতে সম্ভাব্য সব ক্লাব ট্রফি জয়ের পাশাপাশি রেকর্ডসংখ্যক ব্যালন ডি’অর নিজের করে নিয়েছেন। মাঠে নামলেই যেন রেকর্ড ভাঙা-গড়ার খেলায় মাতেন তিনি, তাই তো তাকে বলা হয় রেকর্ডের বরপুত্র। ন্যু ক্যাম্পের অধ্যায় চুকিয়ে এখন আমেরিকার ক্লাব ইন্টার মায়ামির হয়ে মাঠ কাঁপাচ্ছেন এ ফুটবল জাদুকর।
তবে মেসির দীর্ঘ ও বর্ণিল ক্যারিয়ারের সবচেয়ে মধুর এবং গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায়টি রচিত হয়েছে ২০২২ সালের কাতার বিশ্বকাপে। লুসাইল স্টেডিয়ামে ক্যারিয়ারের একমাত্র অধরা ট্রফিটি উঁচিয়ে ধরে আর্জেন্টিনার দীর্ঘ ৩৬ বছরের আক্ষেপ ঘোচানোর পাশাপাশি সর্বকালের সেরা কে সেই বিতর্কেরও চিরতরে অবসান ঘটান তিনি। চলতি বিশ্বকাপেও তার পায়ের জাদু অব্যাহত রয়েছে। জন্মদিনের ঠিক দুদিন আগেই বিশ্বমঞ্চে ২৮ ম্যাচে রেকর্ড ১৮ গোল করে ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতার অনন্য কীর্তি গড়েছেন তিনি। এমনকি চলতি আসরে একাই আর্জেন্টিনার পাঁচটি গোলের সবকটি করে দলকে টেনে নিয়ে যাচ্ছেন এই অতিমানব।
চল্লিশের দোরগোড়ায় দাঁড়িয়েও মেসির পাসিং অ্যাকুরেসি, নিখুঁত ফ্রি-কিক এবং পুরো মাঠজুড়ে ম্যাচ নিয়ন্ত্রণ করার ক্ষমতা তরুণদের জন্যও ঈর্ষণীয়। ইউরোপিয়ান ফুটবলের রাজত্ব ছেড়ে আমেরিকান ফুটবলে যোগ দেওয়ার পর ইন্টার মায়ামির পাশাপাশি পুরো যুক্তরাষ্ট্রের ফুটবলকেই এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেছেন তিনি। বারবার আন্তর্জাতিক ফাইনালের মঞ্চে হেরে গিয়েও হাল না ছাড়ার যে মানসিকতা মেসি দেখিয়েছেন, তা বিশ্ব ক্রীড়াঙ্গনে এক অনন্য দৃষ্টান্ত।
পেলে কিংবা ম্যারাডোনার মতোই ইতিহাসের পাতায় স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে লা পুলগার নাম। ৩৯তম জন্মদিনের এই শুভ ক্ষণে বিশ্বজুড়ে ফুটবলপ্রেমীদের একটাই প্রার্থনা, চল্লিশেও চলুক মেসির এ চিরসবুজ পায়ের জাদু। প্রীতি আর আবেগে রাঙাতে থাকুক কোটি ভক্তের হৃদয়।

শুভ জন্মদিন ফুটবলের বরপুত্র লিওনেল মেসি
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক

বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসের অন্যতম স্মরণীয় দিন ২৪ জুন। ১৯৮৭ সালের এ দিনে আর্জেন্টিনার রোজারিওতে জন্ম নেওয়া সেই শিশুটিই আজকের ফুটবল জাদুকর লিওনেল আন্দ্রেস মেসি। যিনি বদলে দিয়েছেন ফুটবলের চিরচেনা সংজ্ঞা। আজ ৩৯ বছর বয়সে পদার্পণ করলেন এ জীবন্ত কিংবদন্তি। বয়সকে কেবলই সংখ্যায় পরিণত করে এখনো বিশ্বজুড়ে কোটি কোটি ফুটবল ভক্তের হৃদয়ে রাজত্ব করছেন তিনি। রোজারিওর গণ্ডি পেরিয়ে তিনি লিখেছেন বিশ্বজয়ের এক মহাকাব্য।
মেসির ফুটবলার হয়ে ওঠার গল্প যেকোনো রূপকথাকেও হার মানায়। শৈশবে গ্রোথ হরমোনের গুরুতর সমস্যা জয় করে বার্সেলোনার ঐতিহ্যবাহী ‘লা মাসিয়া’ একাডেমিতে যোগ দিয়েছিলেন তিনি। এরপর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। মাঠের একের পর এক জাদুকরী পারফরম্যান্সে নিজেকে নিয়ে গেছেন অনন্য উচ্চতায়। স্প্যানিশ ক্লাব বার্সেলোনার জার্সিতে সম্ভাব্য সব ক্লাব ট্রফি জয়ের পাশাপাশি রেকর্ডসংখ্যক ব্যালন ডি’অর নিজের করে নিয়েছেন। মাঠে নামলেই যেন রেকর্ড ভাঙা-গড়ার খেলায় মাতেন তিনি, তাই তো তাকে বলা হয় রেকর্ডের বরপুত্র। ন্যু ক্যাম্পের অধ্যায় চুকিয়ে এখন আমেরিকার ক্লাব ইন্টার মায়ামির হয়ে মাঠ কাঁপাচ্ছেন এ ফুটবল জাদুকর।
তবে মেসির দীর্ঘ ও বর্ণিল ক্যারিয়ারের সবচেয়ে মধুর এবং গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায়টি রচিত হয়েছে ২০২২ সালের কাতার বিশ্বকাপে। লুসাইল স্টেডিয়ামে ক্যারিয়ারের একমাত্র অধরা ট্রফিটি উঁচিয়ে ধরে আর্জেন্টিনার দীর্ঘ ৩৬ বছরের আক্ষেপ ঘোচানোর পাশাপাশি সর্বকালের সেরা কে সেই বিতর্কেরও চিরতরে অবসান ঘটান তিনি। চলতি বিশ্বকাপেও তার পায়ের জাদু অব্যাহত রয়েছে। জন্মদিনের ঠিক দুদিন আগেই বিশ্বমঞ্চে ২৮ ম্যাচে রেকর্ড ১৮ গোল করে ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতার অনন্য কীর্তি গড়েছেন তিনি। এমনকি চলতি আসরে একাই আর্জেন্টিনার পাঁচটি গোলের সবকটি করে দলকে টেনে নিয়ে যাচ্ছেন এই অতিমানব।
চল্লিশের দোরগোড়ায় দাঁড়িয়েও মেসির পাসিং অ্যাকুরেসি, নিখুঁত ফ্রি-কিক এবং পুরো মাঠজুড়ে ম্যাচ নিয়ন্ত্রণ করার ক্ষমতা তরুণদের জন্যও ঈর্ষণীয়। ইউরোপিয়ান ফুটবলের রাজত্ব ছেড়ে আমেরিকান ফুটবলে যোগ দেওয়ার পর ইন্টার মায়ামির পাশাপাশি পুরো যুক্তরাষ্ট্রের ফুটবলকেই এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেছেন তিনি। বারবার আন্তর্জাতিক ফাইনালের মঞ্চে হেরে গিয়েও হাল না ছাড়ার যে মানসিকতা মেসি দেখিয়েছেন, তা বিশ্ব ক্রীড়াঙ্গনে এক অনন্য দৃষ্টান্ত।
পেলে কিংবা ম্যারাডোনার মতোই ইতিহাসের পাতায় স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে লা পুলগার নাম। ৩৯তম জন্মদিনের এই শুভ ক্ষণে বিশ্বজুড়ে ফুটবলপ্রেমীদের একটাই প্রার্থনা, চল্লিশেও চলুক মেসির এ চিরসবুজ পায়ের জাদু। প্রীতি আর আবেগে রাঙাতে থাকুক কোটি ভক্তের হৃদয়।

মেসির বয়সটা না বাড়ুক


