রাজস্ব আয়ে নতুন ইতিহাস গড়লো বার্সেলোনা

রাজস্ব আয়ে নতুন ইতিহাস গড়লো বার্সেলোনা
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক

করোনাভাইরাস মহামারির সময় আর্থিক সংকটে পড়েছিল বার্সেলোনা। সেই ক্লাবই ঘুরে দাঁড়িয়ে নতুন ইতিহাস গড়েছে। ২০২৫-২৬ মৌসুমে ১ বিলিয়ন ইউরোর বেশি রাজস্ব আয় করেছে কাতালান ক্লাবটি। বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ প্রায় ১৫ হাজার ৭০০ কোটি টাকা।
বার্সেলোনার প্রকাশিত আর্থিক প্রতিবেদনে উঠে আসা তথ্যে দেখা গেছে, সদ্য শেষ হওয়া মৌসুমে ক্লাবটির মোট আয় দাঁড়িয়েছে প্রায় ১ দশমিক ১ বিলিয়ন ইউরো। আগের মৌসুমে এই অঙ্ক ছিল ৯৯৪ মিলিয়ন ইউরো, অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে রাজস্ব আয় উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে।
রেকর্ড আয়ের পেছনে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রেখেছে বার্সেলোনার ঐতিহ্যবাহী স্টেডিয়াম ক্যাম্প ন্যু। সংস্কারকাজ চলার কারণে মৌসুমজুড়ে স্টেডিয়ামটি পুরোপুরি ব্যবহার করা সম্ভব হয়নি। মৌসুমের শুরুতে কিছু ম্যাচ এস্তাদি জোহান ক্রুইফ ও অলিম্পিক স্টেডিয়ামে আয়োজন করতে হয়েছে। এছাড়া ক্যাম্প ন্যুতে ফেরার পরও দর্শক ধারণক্ষমতা সীমিত ছিল ৪২ হাজারে।
সীমাবদ্ধতা থাকা সত্ত্বেও বাজেটের প্রায় পুরোটা রাজস্ব আদায় করতে পারাকে বড় সাফল্য হিসেবে দেখছে ক্লাবটি। বার্সেলোনার ভাষ্য, অর্থনৈতিক দিক থেকে এটি ছিল তাদের ইতিহাসের সবচেয়ে সফল মৌসুম।
স্টেডিয়াম আয় ছাড়াও পৃষ্ঠপোষকতা খাত এবং ক্লাবের মার্চেন্ডাইজিং প্রতিষ্ঠান বার্সা লাইসেন্সিং অ্যান্ড মার্চেন্ডাইজিং (বিএলএম) থেকে উল্লেখযোগ্য রাজস্ব এসেছে।
এক মৌসুমে ১ বিলিয়ন ইউরো রাজস্ব আয়ের লক্ষ্য বার্সেলোনা প্রথম নির্ধারণ করেছিল ২০১৮ সালে। আট বছর পর কাঙ্ক্ষিত মাইলফলকে পৌঁছাতে সক্ষম হয়েছে ক্লাবটি।

করোনাভাইরাস মহামারির সময় আর্থিক সংকটে পড়েছিল বার্সেলোনা। সেই ক্লাবই ঘুরে দাঁড়িয়ে নতুন ইতিহাস গড়েছে। ২০২৫-২৬ মৌসুমে ১ বিলিয়ন ইউরোর বেশি রাজস্ব আয় করেছে কাতালান ক্লাবটি। বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ প্রায় ১৫ হাজার ৭০০ কোটি টাকা।
বার্সেলোনার প্রকাশিত আর্থিক প্রতিবেদনে উঠে আসা তথ্যে দেখা গেছে, সদ্য শেষ হওয়া মৌসুমে ক্লাবটির মোট আয় দাঁড়িয়েছে প্রায় ১ দশমিক ১ বিলিয়ন ইউরো। আগের মৌসুমে এই অঙ্ক ছিল ৯৯৪ মিলিয়ন ইউরো, অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে রাজস্ব আয় উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে।
রেকর্ড আয়ের পেছনে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রেখেছে বার্সেলোনার ঐতিহ্যবাহী স্টেডিয়াম ক্যাম্প ন্যু। সংস্কারকাজ চলার কারণে মৌসুমজুড়ে স্টেডিয়ামটি পুরোপুরি ব্যবহার করা সম্ভব হয়নি। মৌসুমের শুরুতে কিছু ম্যাচ এস্তাদি জোহান ক্রুইফ ও অলিম্পিক স্টেডিয়ামে আয়োজন করতে হয়েছে। এছাড়া ক্যাম্প ন্যুতে ফেরার পরও দর্শক ধারণক্ষমতা সীমিত ছিল ৪২ হাজারে।
সীমাবদ্ধতা থাকা সত্ত্বেও বাজেটের প্রায় পুরোটা রাজস্ব আদায় করতে পারাকে বড় সাফল্য হিসেবে দেখছে ক্লাবটি। বার্সেলোনার ভাষ্য, অর্থনৈতিক দিক থেকে এটি ছিল তাদের ইতিহাসের সবচেয়ে সফল মৌসুম।
স্টেডিয়াম আয় ছাড়াও পৃষ্ঠপোষকতা খাত এবং ক্লাবের মার্চেন্ডাইজিং প্রতিষ্ঠান বার্সা লাইসেন্সিং অ্যান্ড মার্চেন্ডাইজিং (বিএলএম) থেকে উল্লেখযোগ্য রাজস্ব এসেছে।
এক মৌসুমে ১ বিলিয়ন ইউরো রাজস্ব আয়ের লক্ষ্য বার্সেলোনা প্রথম নির্ধারণ করেছিল ২০১৮ সালে। আট বছর পর কাঙ্ক্ষিত মাইলফলকে পৌঁছাতে সক্ষম হয়েছে ক্লাবটি।

রাজস্ব আয়ে নতুন ইতিহাস গড়লো বার্সেলোনা
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক

করোনাভাইরাস মহামারির সময় আর্থিক সংকটে পড়েছিল বার্সেলোনা। সেই ক্লাবই ঘুরে দাঁড়িয়ে নতুন ইতিহাস গড়েছে। ২০২৫-২৬ মৌসুমে ১ বিলিয়ন ইউরোর বেশি রাজস্ব আয় করেছে কাতালান ক্লাবটি। বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ প্রায় ১৫ হাজার ৭০০ কোটি টাকা।
বার্সেলোনার প্রকাশিত আর্থিক প্রতিবেদনে উঠে আসা তথ্যে দেখা গেছে, সদ্য শেষ হওয়া মৌসুমে ক্লাবটির মোট আয় দাঁড়িয়েছে প্রায় ১ দশমিক ১ বিলিয়ন ইউরো। আগের মৌসুমে এই অঙ্ক ছিল ৯৯৪ মিলিয়ন ইউরো, অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে রাজস্ব আয় উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে।
রেকর্ড আয়ের পেছনে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রেখেছে বার্সেলোনার ঐতিহ্যবাহী স্টেডিয়াম ক্যাম্প ন্যু। সংস্কারকাজ চলার কারণে মৌসুমজুড়ে স্টেডিয়ামটি পুরোপুরি ব্যবহার করা সম্ভব হয়নি। মৌসুমের শুরুতে কিছু ম্যাচ এস্তাদি জোহান ক্রুইফ ও অলিম্পিক স্টেডিয়ামে আয়োজন করতে হয়েছে। এছাড়া ক্যাম্প ন্যুতে ফেরার পরও দর্শক ধারণক্ষমতা সীমিত ছিল ৪২ হাজারে।
সীমাবদ্ধতা থাকা সত্ত্বেও বাজেটের প্রায় পুরোটা রাজস্ব আদায় করতে পারাকে বড় সাফল্য হিসেবে দেখছে ক্লাবটি। বার্সেলোনার ভাষ্য, অর্থনৈতিক দিক থেকে এটি ছিল তাদের ইতিহাসের সবচেয়ে সফল মৌসুম।
স্টেডিয়াম আয় ছাড়াও পৃষ্ঠপোষকতা খাত এবং ক্লাবের মার্চেন্ডাইজিং প্রতিষ্ঠান বার্সা লাইসেন্সিং অ্যান্ড মার্চেন্ডাইজিং (বিএলএম) থেকে উল্লেখযোগ্য রাজস্ব এসেছে।
এক মৌসুমে ১ বিলিয়ন ইউরো রাজস্ব আয়ের লক্ষ্য বার্সেলোনা প্রথম নির্ধারণ করেছিল ২০১৮ সালে। আট বছর পর কাঙ্ক্ষিত মাইলফলকে পৌঁছাতে সক্ষম হয়েছে ক্লাবটি।

মেসি অবসর নেওয়ায় আর্জেন্টিনার এশিয়া সফর বাতিল






