বিশ্বকাপ দেখতে স্কুল না যাওয়ার পরামর্শ ইংল্যান্ড কোচের

বিশ্বকাপ দেখতে স্কুল না যাওয়ার পরামর্শ ইংল্যান্ড কোচের
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক

ইংল্যান্ডের বিশ্বকাপ ম্যাচ দেখতে শিশুদের স্কুল ফাঁকি দেওয়ার পক্ষে কোচ থমাস টুখেলের করা মন্তব্য নিয়ে এবার সরাসরি মুখ খুলেছেন যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার। টুখেলের এ মজার পরামর্শ নাকচ করে দিয়েছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার জানিয়েছেন, ম্যাচ যতই গুরুত্বপূর্ণ হোক না কেন, শিশুদের অবশ্যই স্কুলে যেতে হবে।
মেক্সিকো সিটির আজতেকা স্টেডিয়ামে মেক্সিকোর বিপক্ষে ইংল্যান্ডের শেষ ষোলোর হাইভোল্টেজ ম্যাচটি সোমবার (৬ জুলাই) অনুষ্ঠিত হবে ব্রিটিশ সময় রাত ১টায়। কঙ্গো গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্রের বিপক্ষে ২-১ গোলের জয়ের পর এক সংবাদ সম্মেলনে দলের জার্মান কোচ থমাস টুখেল কৌতুকচ্ছলে অভিভাবকদের বলেছিলেন, প্রয়োজনে একটা অজুহাত লিখে দিয়ে হলেও যেন শিশুদের এ ঐতিহাসিক ম্যাচটি দেখতে দেওয়া হয়। তার মতে, স্কুল প্রতিদিন থাকলেও বিশ্বকাপ আসে চার বছর পর পর, তাই এই সময়ে শিশুদের পূর্ণ সমর্থন প্রয়োজন।
টুখেলের এমন মন্তব্যে ব্রিটিশ সরকারের অন্দরমহলে বেশ আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর মুখপাত্র জানিয়েছেন, সন্তানদের স্কুলে পাঠানো পুরোপুরি অভিভাবকদের ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত হলেও সরকারের অবস্থান অত্যন্ত স্পষ্ট। সোমবার শিশুদের স্কুলে যাওয়া উচিত। এ প্রসঙ্গে যুক্তরাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী জ্যাকি স্মিথ সমর্থকদের উচ্ছ্বাসকে সম্মান জানিয়েও শিক্ষার্থীদের পড়াশোনাকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিয়েছেন। গভীর রাতের ম্যাচ দেখার ক্লান্তি এড়াতে তিনি রবিবার (৫ জুলাই) বিকেলে কিছুটা ঘুমিয়ে নেওয়ার বা 'ডিস্কো ন্যাপ' দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন, যাতে সোমবার যথারীতি সবাই স্কুল ও কর্মক্ষেত্রে ফিরতে পারেন।
গভীর রাতের এ ম্যাচের প্রভাব ইতোমধ্যে ব্রিটিশদের সাধারণ জীবনে পড়তে শুরু করেছে। শিশু দেখাশোনার জনপ্রিয় অ্যাপ 'বাবল' জানিয়েছে, সোমবার সকালের জন্য তাদের বুকিং প্রায় ৫০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে, যা থেকে বোঝা যায় অনেক অভিভাবকই রাত জেগে খেলা দেখার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। ম্যাচটি ঘিরে দেশজুড়ে বিশেষ সরকারি ছুটির জোর দাবি উঠলেও সরকারের পক্ষ থেকে তা নাকচ করা হয়েছে। তবে প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার ইঙ্গিত দিয়েছেন, ইংল্যান্ড যদি শেষ পর্যন্ত বিশ্বকাপ ট্রফি জিততে পারে, তবে বিশেষ জাতীয় ছুটি ঘোষণার বিষয়টি গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করা হতে পারে।

ইংল্যান্ডের বিশ্বকাপ ম্যাচ দেখতে শিশুদের স্কুল ফাঁকি দেওয়ার পক্ষে কোচ থমাস টুখেলের করা মন্তব্য নিয়ে এবার সরাসরি মুখ খুলেছেন যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার। টুখেলের এ মজার পরামর্শ নাকচ করে দিয়েছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার জানিয়েছেন, ম্যাচ যতই গুরুত্বপূর্ণ হোক না কেন, শিশুদের অবশ্যই স্কুলে যেতে হবে।
মেক্সিকো সিটির আজতেকা স্টেডিয়ামে মেক্সিকোর বিপক্ষে ইংল্যান্ডের শেষ ষোলোর হাইভোল্টেজ ম্যাচটি সোমবার (৬ জুলাই) অনুষ্ঠিত হবে ব্রিটিশ সময় রাত ১টায়। কঙ্গো গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্রের বিপক্ষে ২-১ গোলের জয়ের পর এক সংবাদ সম্মেলনে দলের জার্মান কোচ থমাস টুখেল কৌতুকচ্ছলে অভিভাবকদের বলেছিলেন, প্রয়োজনে একটা অজুহাত লিখে দিয়ে হলেও যেন শিশুদের এ ঐতিহাসিক ম্যাচটি দেখতে দেওয়া হয়। তার মতে, স্কুল প্রতিদিন থাকলেও বিশ্বকাপ আসে চার বছর পর পর, তাই এই সময়ে শিশুদের পূর্ণ সমর্থন প্রয়োজন।
টুখেলের এমন মন্তব্যে ব্রিটিশ সরকারের অন্দরমহলে বেশ আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর মুখপাত্র জানিয়েছেন, সন্তানদের স্কুলে পাঠানো পুরোপুরি অভিভাবকদের ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত হলেও সরকারের অবস্থান অত্যন্ত স্পষ্ট। সোমবার শিশুদের স্কুলে যাওয়া উচিত। এ প্রসঙ্গে যুক্তরাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী জ্যাকি স্মিথ সমর্থকদের উচ্ছ্বাসকে সম্মান জানিয়েও শিক্ষার্থীদের পড়াশোনাকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিয়েছেন। গভীর রাতের ম্যাচ দেখার ক্লান্তি এড়াতে তিনি রবিবার (৫ জুলাই) বিকেলে কিছুটা ঘুমিয়ে নেওয়ার বা 'ডিস্কো ন্যাপ' দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন, যাতে সোমবার যথারীতি সবাই স্কুল ও কর্মক্ষেত্রে ফিরতে পারেন।
গভীর রাতের এ ম্যাচের প্রভাব ইতোমধ্যে ব্রিটিশদের সাধারণ জীবনে পড়তে শুরু করেছে। শিশু দেখাশোনার জনপ্রিয় অ্যাপ 'বাবল' জানিয়েছে, সোমবার সকালের জন্য তাদের বুকিং প্রায় ৫০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে, যা থেকে বোঝা যায় অনেক অভিভাবকই রাত জেগে খেলা দেখার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। ম্যাচটি ঘিরে দেশজুড়ে বিশেষ সরকারি ছুটির জোর দাবি উঠলেও সরকারের পক্ষ থেকে তা নাকচ করা হয়েছে। তবে প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার ইঙ্গিত দিয়েছেন, ইংল্যান্ড যদি শেষ পর্যন্ত বিশ্বকাপ ট্রফি জিততে পারে, তবে বিশেষ জাতীয় ছুটি ঘোষণার বিষয়টি গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করা হতে পারে।

বিশ্বকাপ দেখতে স্কুল না যাওয়ার পরামর্শ ইংল্যান্ড কোচের
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক

ইংল্যান্ডের বিশ্বকাপ ম্যাচ দেখতে শিশুদের স্কুল ফাঁকি দেওয়ার পক্ষে কোচ থমাস টুখেলের করা মন্তব্য নিয়ে এবার সরাসরি মুখ খুলেছেন যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার। টুখেলের এ মজার পরামর্শ নাকচ করে দিয়েছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার জানিয়েছেন, ম্যাচ যতই গুরুত্বপূর্ণ হোক না কেন, শিশুদের অবশ্যই স্কুলে যেতে হবে।
মেক্সিকো সিটির আজতেকা স্টেডিয়ামে মেক্সিকোর বিপক্ষে ইংল্যান্ডের শেষ ষোলোর হাইভোল্টেজ ম্যাচটি সোমবার (৬ জুলাই) অনুষ্ঠিত হবে ব্রিটিশ সময় রাত ১টায়। কঙ্গো গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্রের বিপক্ষে ২-১ গোলের জয়ের পর এক সংবাদ সম্মেলনে দলের জার্মান কোচ থমাস টুখেল কৌতুকচ্ছলে অভিভাবকদের বলেছিলেন, প্রয়োজনে একটা অজুহাত লিখে দিয়ে হলেও যেন শিশুদের এ ঐতিহাসিক ম্যাচটি দেখতে দেওয়া হয়। তার মতে, স্কুল প্রতিদিন থাকলেও বিশ্বকাপ আসে চার বছর পর পর, তাই এই সময়ে শিশুদের পূর্ণ সমর্থন প্রয়োজন।
টুখেলের এমন মন্তব্যে ব্রিটিশ সরকারের অন্দরমহলে বেশ আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর মুখপাত্র জানিয়েছেন, সন্তানদের স্কুলে পাঠানো পুরোপুরি অভিভাবকদের ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত হলেও সরকারের অবস্থান অত্যন্ত স্পষ্ট। সোমবার শিশুদের স্কুলে যাওয়া উচিত। এ প্রসঙ্গে যুক্তরাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী জ্যাকি স্মিথ সমর্থকদের উচ্ছ্বাসকে সম্মান জানিয়েও শিক্ষার্থীদের পড়াশোনাকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিয়েছেন। গভীর রাতের ম্যাচ দেখার ক্লান্তি এড়াতে তিনি রবিবার (৫ জুলাই) বিকেলে কিছুটা ঘুমিয়ে নেওয়ার বা 'ডিস্কো ন্যাপ' দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন, যাতে সোমবার যথারীতি সবাই স্কুল ও কর্মক্ষেত্রে ফিরতে পারেন।
গভীর রাতের এ ম্যাচের প্রভাব ইতোমধ্যে ব্রিটিশদের সাধারণ জীবনে পড়তে শুরু করেছে। শিশু দেখাশোনার জনপ্রিয় অ্যাপ 'বাবল' জানিয়েছে, সোমবার সকালের জন্য তাদের বুকিং প্রায় ৫০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে, যা থেকে বোঝা যায় অনেক অভিভাবকই রাত জেগে খেলা দেখার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। ম্যাচটি ঘিরে দেশজুড়ে বিশেষ সরকারি ছুটির জোর দাবি উঠলেও সরকারের পক্ষ থেকে তা নাকচ করা হয়েছে। তবে প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার ইঙ্গিত দিয়েছেন, ইংল্যান্ড যদি শেষ পর্যন্ত বিশ্বকাপ ট্রফি জিততে পারে, তবে বিশেষ জাতীয় ছুটি ঘোষণার বিষয়টি গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করা হতে পারে।

হ্যারি কেইনের জোড়া গোলে শেষ ষোলোতে ইংল্যান্ড


