শিরোপাহীন মৌসুমেও আয়ে শীর্ষে রিয়াল মাদ্রিদ

শিরোপাহীন মৌসুমেও আয়ে শীর্ষে রিয়াল মাদ্রিদ
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক

ইতিহাসে প্রথম কোনো ক্রীড়া সংস্থা হিসেবে ১.২ বিলিয়ন ইউরোর বেশি আয়ের রেকর্ড গড়েছে স্প্যানিশ ফুটবল জায়ান্ট রিয়াল মাদ্রিদ। ২০২৫-২৬ অর্থবছরের হিসাব অনুমোদন করেছে রিয়াল মাদ্রিদ, যা ক্লাবটিকে বৈশ্বিক ক্রীড়া অর্থনীতির ইতিহাসে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছে।
গেল ২০২৫-২৬ মৌসুমে কোনো শিরোপা জিততে পারেনি রিয়াল মাদ্রিদ। খেলোয়াড় ট্রান্সফার ফি বাদ দিয়েই ক্লাবের মোট পরিচালনা আয় দাঁড়িয়েছে ১.২২১ বিলিয়ন ইউরোতে (প্রায় ১.৩৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলার)। যা আগের বছরের তুলনায় ৩.১ শতাংশ বেশি। একই সময়ে নিট মুনাফা ৮ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৬.৩ মিলিয়ন ইউরোতে।
২০১৮-১৯ মৌসুম (স্টেডিয়াম সংস্কার কাজ শুরু করার আগের শেষ পূর্ণাঙ্গ বছর) থেকে এখন পর্যন্ত রিয়াল মাদ্রিদের আয় ৬১ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।
চ্যাম্পিয়ন্স লিগের পারফরম্যান্সের ওপর নির্ভর টেলিভিশন ও আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টের আয় বেড়েছে মাত্র ১১ শতাংশ (৩১৯ মিলিয়ন ইউরো)।
রিয়াল মাদ্রিদ জানিয়েছে, আধুনিকায়নের পর বার্নাব্যু স্টেডিয়াম থেকে আয় এখন আগের চেয়ে অর্ধেকেরও বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে। ডেলয়েটের ‘ফুটবল মানি লিগ’-এর বার্ষিক তালিকা অনুযায়ী, রিয়াল মাদ্রিদ টানা তিন বছর শীর্ষে অবস্থান করছে এবং তারা একমাত্র ক্লাব যারা টানা কয়েক বছর ধরে ১ বিলিয়ন ইউরোর বেশি আয় বজায় রেখেছে।
রিয়াল মাদ্রিদের পেছনে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে বার্সেলোনা (৯৭৪.৮ মিলিয়ন ইউরো)। তালিকায় পরবর্তী স্থানগুলোতে রয়েছে বায়ার্ন মিউনিখ (৮৬০.৬ মিলিয়ন ইউরো), পিএসজি (৮৩৭ মিলিয়ন ইউরো) এবং লিভারপুল (৮৩৬.১ মিলিয়ন ইউরো)।
উল্লেখ্য, ফুটবল মানি লিগের ২৯ বছরের ইতিহাসে এবারই প্রথমবারের মতো সেরা চারের মধ্যে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের কোনো ক্লাব জায়গা করে নিতে পারেনি।
রিয়ালে আয় ও ব্যয়ে ভারসাম্য
আয় বাড়লেও রিয়াল মাদ্রিদ তাদের খরচ নিয়ন্ত্রণে কঠোর শৃঙ্খলা বজায় রেখেছে। ২০১৮-১৯ মৌসুম থেকে খেলোয়াড়দের বেতন ও ট্রান্সফার ফি মিলিয়ে স্কোয়াডের খরচ ৩৭ শতাংশ বেড়ে ৬১৮ মিলিয়ন ইউরোতে দাঁড়িয়েছে, যা মোট আয়ের ৪৬ শতাংশ। ক্লাব কর্তৃপক্ষ বেতনের এই অনুপাতকে সবসময় ৫০ শতাংশের নিচে রাখার নীতি অনুসরণ করে।

ইতিহাসে প্রথম কোনো ক্রীড়া সংস্থা হিসেবে ১.২ বিলিয়ন ইউরোর বেশি আয়ের রেকর্ড গড়েছে স্প্যানিশ ফুটবল জায়ান্ট রিয়াল মাদ্রিদ। ২০২৫-২৬ অর্থবছরের হিসাব অনুমোদন করেছে রিয়াল মাদ্রিদ, যা ক্লাবটিকে বৈশ্বিক ক্রীড়া অর্থনীতির ইতিহাসে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছে।
গেল ২০২৫-২৬ মৌসুমে কোনো শিরোপা জিততে পারেনি রিয়াল মাদ্রিদ। খেলোয়াড় ট্রান্সফার ফি বাদ দিয়েই ক্লাবের মোট পরিচালনা আয় দাঁড়িয়েছে ১.২২১ বিলিয়ন ইউরোতে (প্রায় ১.৩৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলার)। যা আগের বছরের তুলনায় ৩.১ শতাংশ বেশি। একই সময়ে নিট মুনাফা ৮ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৬.৩ মিলিয়ন ইউরোতে।
২০১৮-১৯ মৌসুম (স্টেডিয়াম সংস্কার কাজ শুরু করার আগের শেষ পূর্ণাঙ্গ বছর) থেকে এখন পর্যন্ত রিয়াল মাদ্রিদের আয় ৬১ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।
চ্যাম্পিয়ন্স লিগের পারফরম্যান্সের ওপর নির্ভর টেলিভিশন ও আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টের আয় বেড়েছে মাত্র ১১ শতাংশ (৩১৯ মিলিয়ন ইউরো)।
রিয়াল মাদ্রিদ জানিয়েছে, আধুনিকায়নের পর বার্নাব্যু স্টেডিয়াম থেকে আয় এখন আগের চেয়ে অর্ধেকেরও বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে। ডেলয়েটের ‘ফুটবল মানি লিগ’-এর বার্ষিক তালিকা অনুযায়ী, রিয়াল মাদ্রিদ টানা তিন বছর শীর্ষে অবস্থান করছে এবং তারা একমাত্র ক্লাব যারা টানা কয়েক বছর ধরে ১ বিলিয়ন ইউরোর বেশি আয় বজায় রেখেছে।
রিয়াল মাদ্রিদের পেছনে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে বার্সেলোনা (৯৭৪.৮ মিলিয়ন ইউরো)। তালিকায় পরবর্তী স্থানগুলোতে রয়েছে বায়ার্ন মিউনিখ (৮৬০.৬ মিলিয়ন ইউরো), পিএসজি (৮৩৭ মিলিয়ন ইউরো) এবং লিভারপুল (৮৩৬.১ মিলিয়ন ইউরো)।
উল্লেখ্য, ফুটবল মানি লিগের ২৯ বছরের ইতিহাসে এবারই প্রথমবারের মতো সেরা চারের মধ্যে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের কোনো ক্লাব জায়গা করে নিতে পারেনি।
রিয়ালে আয় ও ব্যয়ে ভারসাম্য
আয় বাড়লেও রিয়াল মাদ্রিদ তাদের খরচ নিয়ন্ত্রণে কঠোর শৃঙ্খলা বজায় রেখেছে। ২০১৮-১৯ মৌসুম থেকে খেলোয়াড়দের বেতন ও ট্রান্সফার ফি মিলিয়ে স্কোয়াডের খরচ ৩৭ শতাংশ বেড়ে ৬১৮ মিলিয়ন ইউরোতে দাঁড়িয়েছে, যা মোট আয়ের ৪৬ শতাংশ। ক্লাব কর্তৃপক্ষ বেতনের এই অনুপাতকে সবসময় ৫০ শতাংশের নিচে রাখার নীতি অনুসরণ করে।

শিরোপাহীন মৌসুমেও আয়ে শীর্ষে রিয়াল মাদ্রিদ
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক

ইতিহাসে প্রথম কোনো ক্রীড়া সংস্থা হিসেবে ১.২ বিলিয়ন ইউরোর বেশি আয়ের রেকর্ড গড়েছে স্প্যানিশ ফুটবল জায়ান্ট রিয়াল মাদ্রিদ। ২০২৫-২৬ অর্থবছরের হিসাব অনুমোদন করেছে রিয়াল মাদ্রিদ, যা ক্লাবটিকে বৈশ্বিক ক্রীড়া অর্থনীতির ইতিহাসে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছে।
গেল ২০২৫-২৬ মৌসুমে কোনো শিরোপা জিততে পারেনি রিয়াল মাদ্রিদ। খেলোয়াড় ট্রান্সফার ফি বাদ দিয়েই ক্লাবের মোট পরিচালনা আয় দাঁড়িয়েছে ১.২২১ বিলিয়ন ইউরোতে (প্রায় ১.৩৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলার)। যা আগের বছরের তুলনায় ৩.১ শতাংশ বেশি। একই সময়ে নিট মুনাফা ৮ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৬.৩ মিলিয়ন ইউরোতে।
২০১৮-১৯ মৌসুম (স্টেডিয়াম সংস্কার কাজ শুরু করার আগের শেষ পূর্ণাঙ্গ বছর) থেকে এখন পর্যন্ত রিয়াল মাদ্রিদের আয় ৬১ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।
চ্যাম্পিয়ন্স লিগের পারফরম্যান্সের ওপর নির্ভর টেলিভিশন ও আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টের আয় বেড়েছে মাত্র ১১ শতাংশ (৩১৯ মিলিয়ন ইউরো)।
রিয়াল মাদ্রিদ জানিয়েছে, আধুনিকায়নের পর বার্নাব্যু স্টেডিয়াম থেকে আয় এখন আগের চেয়ে অর্ধেকেরও বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে। ডেলয়েটের ‘ফুটবল মানি লিগ’-এর বার্ষিক তালিকা অনুযায়ী, রিয়াল মাদ্রিদ টানা তিন বছর শীর্ষে অবস্থান করছে এবং তারা একমাত্র ক্লাব যারা টানা কয়েক বছর ধরে ১ বিলিয়ন ইউরোর বেশি আয় বজায় রেখেছে।
রিয়াল মাদ্রিদের পেছনে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে বার্সেলোনা (৯৭৪.৮ মিলিয়ন ইউরো)। তালিকায় পরবর্তী স্থানগুলোতে রয়েছে বায়ার্ন মিউনিখ (৮৬০.৬ মিলিয়ন ইউরো), পিএসজি (৮৩৭ মিলিয়ন ইউরো) এবং লিভারপুল (৮৩৬.১ মিলিয়ন ইউরো)।
উল্লেখ্য, ফুটবল মানি লিগের ২৯ বছরের ইতিহাসে এবারই প্রথমবারের মতো সেরা চারের মধ্যে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের কোনো ক্লাব জায়গা করে নিতে পারেনি।
রিয়ালে আয় ও ব্যয়ে ভারসাম্য
আয় বাড়লেও রিয়াল মাদ্রিদ তাদের খরচ নিয়ন্ত্রণে কঠোর শৃঙ্খলা বজায় রেখেছে। ২০১৮-১৯ মৌসুম থেকে খেলোয়াড়দের বেতন ও ট্রান্সফার ফি মিলিয়ে স্কোয়াডের খরচ ৩৭ শতাংশ বেড়ে ৬১৮ মিলিয়ন ইউরোতে দাঁড়িয়েছে, যা মোট আয়ের ৪৬ শতাংশ। ক্লাব কর্তৃপক্ষ বেতনের এই অনুপাতকে সবসময় ৫০ শতাংশের নিচে রাখার নীতি অনুসরণ করে।

বিশ্বকাপ ইস্যুতে ইনফান্তিনোর উপদেষ্টার পদত্যাগ
বিশ্বকাপ ইস্যুতে উয়েফার সঙ্গে একমত এএফসি







