কেন ক্রস সংকেত দেখালেন মিসরের কোচ

কেন ক্রস সংকেত দেখালেন মিসরের কোচ
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক

আর্জেন্টিনার বিপক্ষে রোমাঞ্চকর ম্যাচে রেফারিং নিয়ে চরম নাটকীয়তার সৃষ্টি হয়েছে। ম্যাচে আলবিসেলেস্তেদের জয়ের পাশাপাশি আলোচনায় এসেছে মিসরের কোচ হোসাম হাসানের ফিফার বিশেষ ক্রস সংকেত প্রদর্শন। পেনাল্টি না দেওয়া, গোল বাতিল এবং মিসরীয় শিবিরের পক্ষ থেকে ম্যাচ পাতানোর গুরুতর অভিযোগের মধ্যেই মাঠের এ নতুন ঘটনাটি ফুটবলবিশ্বে তোলপাড় সৃষ্টি করেছে। ৩-২ ব্যবধানে আর্জেন্টিনার জয়ের পর মাঠের ভেতরের সেই উত্তেজনা এখন রূপ নিয়েছে এক গভীর রহস্যে।
ঘটনার সূত্রপাত ম্যাচের শেষ দিকে, যখন টাচলাইনে আর্জেন্টিনার অধিনায়ক লিওনেল মেসির সাথে মিসরের কোচ হোসাম হাসানের উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় হয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, মেসির কিছু বলার পরপরই হাসান তার দুই হাত আড়াআড়ি করে ক্রস আকৃতি তৈরি করেন। ২০২৪ সালে ফিফা কর্তৃক প্রবর্তিত বর্ণবাদবিরোধী নো রেসিজম প্রটোকল অনুযায়ী এ সংকেত দেওয়া হয়। এর উদ্দেশ্য খেলোয়াড় বা কর্মকর্তাদের বর্ণবাদী আচরণের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক প্রতিবাদ জানানো। নিয়ম অনুযায়ী, এই সংকেত পাওয়ার পর রেফারির খেলা থামিয়ে তদন্ত করার বিধান থাকলেও, এই ম্যাচে খেলা তো থামানো হয়ইনি, উল্টো রেফারি হোসাম হাসানকে হলুদ কার্ড দেখান।
ফিফার স্পষ্ট নির্দেশিকায় এ সংকেত দেওয়ার কারণে কাউকে কার্ড দেখানোর কোনো নিয়ম নেই। ফলে রেফারি কেন তাকে সতর্ক করলেন এবং মেসি আসলে হাসানকে কী বলেছিলেন, তা নিয়ে এখনো ধোঁয়াশা কাটেনি। ম্যাচ শেষে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করে মিসরীয় কোচ হোসাম হাসান দাবি করেন, তার দল মাঠের ভেতর বড় ধরনের অবিচারের শিকার হয়েছে। মেসি এবং আর্জেন্টিনাকে টুর্নামেন্টে টিকিয়ে রাখতেই এমন পক্ষপাতিত্ব করা হয়েছে বলে ইঙ্গিত দিয়ে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নেওয়া হাসান ঘোষণা করেছেন, তিনি এই বিশ্বকাপের আর কোনো ম্যাচই দেখবেন না। মাঠের অনাকাঙ্ক্ষিত এ বিতর্ক আর্জেন্টিনার জয় উদযাপনকে অনেকটাই ম্লান করে দিয়েছে।

আর্জেন্টিনার বিপক্ষে রোমাঞ্চকর ম্যাচে রেফারিং নিয়ে চরম নাটকীয়তার সৃষ্টি হয়েছে। ম্যাচে আলবিসেলেস্তেদের জয়ের পাশাপাশি আলোচনায় এসেছে মিসরের কোচ হোসাম হাসানের ফিফার বিশেষ ক্রস সংকেত প্রদর্শন। পেনাল্টি না দেওয়া, গোল বাতিল এবং মিসরীয় শিবিরের পক্ষ থেকে ম্যাচ পাতানোর গুরুতর অভিযোগের মধ্যেই মাঠের এ নতুন ঘটনাটি ফুটবলবিশ্বে তোলপাড় সৃষ্টি করেছে। ৩-২ ব্যবধানে আর্জেন্টিনার জয়ের পর মাঠের ভেতরের সেই উত্তেজনা এখন রূপ নিয়েছে এক গভীর রহস্যে।
ঘটনার সূত্রপাত ম্যাচের শেষ দিকে, যখন টাচলাইনে আর্জেন্টিনার অধিনায়ক লিওনেল মেসির সাথে মিসরের কোচ হোসাম হাসানের উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় হয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, মেসির কিছু বলার পরপরই হাসান তার দুই হাত আড়াআড়ি করে ক্রস আকৃতি তৈরি করেন। ২০২৪ সালে ফিফা কর্তৃক প্রবর্তিত বর্ণবাদবিরোধী নো রেসিজম প্রটোকল অনুযায়ী এ সংকেত দেওয়া হয়। এর উদ্দেশ্য খেলোয়াড় বা কর্মকর্তাদের বর্ণবাদী আচরণের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক প্রতিবাদ জানানো। নিয়ম অনুযায়ী, এই সংকেত পাওয়ার পর রেফারির খেলা থামিয়ে তদন্ত করার বিধান থাকলেও, এই ম্যাচে খেলা তো থামানো হয়ইনি, উল্টো রেফারি হোসাম হাসানকে হলুদ কার্ড দেখান।
ফিফার স্পষ্ট নির্দেশিকায় এ সংকেত দেওয়ার কারণে কাউকে কার্ড দেখানোর কোনো নিয়ম নেই। ফলে রেফারি কেন তাকে সতর্ক করলেন এবং মেসি আসলে হাসানকে কী বলেছিলেন, তা নিয়ে এখনো ধোঁয়াশা কাটেনি। ম্যাচ শেষে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করে মিসরীয় কোচ হোসাম হাসান দাবি করেন, তার দল মাঠের ভেতর বড় ধরনের অবিচারের শিকার হয়েছে। মেসি এবং আর্জেন্টিনাকে টুর্নামেন্টে টিকিয়ে রাখতেই এমন পক্ষপাতিত্ব করা হয়েছে বলে ইঙ্গিত দিয়ে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নেওয়া হাসান ঘোষণা করেছেন, তিনি এই বিশ্বকাপের আর কোনো ম্যাচই দেখবেন না। মাঠের অনাকাঙ্ক্ষিত এ বিতর্ক আর্জেন্টিনার জয় উদযাপনকে অনেকটাই ম্লান করে দিয়েছে।

কেন ক্রস সংকেত দেখালেন মিসরের কোচ
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক

আর্জেন্টিনার বিপক্ষে রোমাঞ্চকর ম্যাচে রেফারিং নিয়ে চরম নাটকীয়তার সৃষ্টি হয়েছে। ম্যাচে আলবিসেলেস্তেদের জয়ের পাশাপাশি আলোচনায় এসেছে মিসরের কোচ হোসাম হাসানের ফিফার বিশেষ ক্রস সংকেত প্রদর্শন। পেনাল্টি না দেওয়া, গোল বাতিল এবং মিসরীয় শিবিরের পক্ষ থেকে ম্যাচ পাতানোর গুরুতর অভিযোগের মধ্যেই মাঠের এ নতুন ঘটনাটি ফুটবলবিশ্বে তোলপাড় সৃষ্টি করেছে। ৩-২ ব্যবধানে আর্জেন্টিনার জয়ের পর মাঠের ভেতরের সেই উত্তেজনা এখন রূপ নিয়েছে এক গভীর রহস্যে।
ঘটনার সূত্রপাত ম্যাচের শেষ দিকে, যখন টাচলাইনে আর্জেন্টিনার অধিনায়ক লিওনেল মেসির সাথে মিসরের কোচ হোসাম হাসানের উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় হয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, মেসির কিছু বলার পরপরই হাসান তার দুই হাত আড়াআড়ি করে ক্রস আকৃতি তৈরি করেন। ২০২৪ সালে ফিফা কর্তৃক প্রবর্তিত বর্ণবাদবিরোধী নো রেসিজম প্রটোকল অনুযায়ী এ সংকেত দেওয়া হয়। এর উদ্দেশ্য খেলোয়াড় বা কর্মকর্তাদের বর্ণবাদী আচরণের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক প্রতিবাদ জানানো। নিয়ম অনুযায়ী, এই সংকেত পাওয়ার পর রেফারির খেলা থামিয়ে তদন্ত করার বিধান থাকলেও, এই ম্যাচে খেলা তো থামানো হয়ইনি, উল্টো রেফারি হোসাম হাসানকে হলুদ কার্ড দেখান।
ফিফার স্পষ্ট নির্দেশিকায় এ সংকেত দেওয়ার কারণে কাউকে কার্ড দেখানোর কোনো নিয়ম নেই। ফলে রেফারি কেন তাকে সতর্ক করলেন এবং মেসি আসলে হাসানকে কী বলেছিলেন, তা নিয়ে এখনো ধোঁয়াশা কাটেনি। ম্যাচ শেষে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করে মিসরীয় কোচ হোসাম হাসান দাবি করেন, তার দল মাঠের ভেতর বড় ধরনের অবিচারের শিকার হয়েছে। মেসি এবং আর্জেন্টিনাকে টুর্নামেন্টে টিকিয়ে রাখতেই এমন পক্ষপাতিত্ব করা হয়েছে বলে ইঙ্গিত দিয়ে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নেওয়া হাসান ঘোষণা করেছেন, তিনি এই বিশ্বকাপের আর কোনো ম্যাচই দেখবেন না। মাঠের অনাকাঙ্ক্ষিত এ বিতর্ক আর্জেন্টিনার জয় উদযাপনকে অনেকটাই ম্লান করে দিয়েছে।

আর্জেন্টিনার বিপক্ষে ম্যাচ নিয়ে আনুষ্ঠানিক বিবৃতি মিসরের 

