টাকার ভোটে মেসিকে হারালেন রোনালদো

টাকার ভোটে মেসিকে হারালেন রোনালদো
সিটিজেন জার্নাল স্পোর্টস ডেস্ক

ব্যালন ডি’অরের ৭০ বছর পূর্তি উপলক্ষে এ বছর উয়েফা এবং ‘ফ্রান্স ফুটবল’ সাময়িকী নতুন একটি পুরস্কারের আয়োজন করে। ‘ব্যালন ডি’অর অব অলটাইম’(বোট)। ব্যালন ডি’অর জেতা মৌসুমগুলোর মধ্যে কোন মৌসুম সেরা, বৈশ্বিকভাবে তা ভোটের মাধ্যমে ঠিক করতে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়। সেই ভোটের ফলাফলে ব্যালন ডি’অর অব অলটাইম জিতেছেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো।
‘বোট’ এর জন্য ভোটের পোল চালু করা হয়েছিল গত ১ অক্টোবর থেকে। প্রতিটি ভোটের জন্য ১ ইউরো (১৩৮ টাকা) খরচ করে যত খুশি তত ভোট দিতে পেরেছেন ভক্তরা। গত মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) রাতে এই ভোটগ্রহণ শেষ হয়।
রোনালদোর জেতা পাঁচটি ব্যালন ডি’অরের মধ্যে প্রথমটির পারফরম্যান্স সেরা হিসেবে বিজয়ী হয়েছে। অর্থাৎ ২০০৮ সালে তার জেতা ব্যালন ডি’অরের মৌসুম ‘বোট’ জিতেছে।
আয়োজকরা আগেই জানিয়েছেন, এজন্য বিজয়ীকে কোনো ট্রফি দেওয়া হবে না।
অন্তত দুবার ব্যালন ডি’অরজয়ী খেলোয়াড়দের নিয়ে এই ভোটের আয়োজন করা হয়েছিল। সেই লড়াইয়ে রোনালদোকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয় ব্যালন ডি’অরের ওয়েবসাইটে। ভোটে দ্বিতীয় হয়েছে মেসির ২০১২ সালের ব্যালন ডি’অর জয়।

তালিকায় ব্যালন ডি’অরজয়ী শীর্ষ ১২টি মৌসুম মেসি-রোনালদোর দখলে। ব্রাজিলিয়ান কিংবদন্তি রোনালদো নাজারিওর ২০০২ সালের ব্যালন ডি’অর জয় আছে ১৩তম স্থানে।
ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডে থাকতে প্রথম ব্যালন ডি’অর জেতেন রোনালদো। ২০০৭-০৮ মৌসুমে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ ও চ্যাম্পিয়নস লিগ জয়ের পাশাপাশি সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে ৪৯ ম্যাচে করেছিলেন ৪২ গোল।
মেসির জন্য ২০১১-১২ মৌসুম ছিল ঐতিহাসিক। সেবার এক পঞ্জিকাবর্ষে গার্ড মুলারের ৮৫ গোলের রেকর্ড ভেঙে ৬৯ ম্যাচে ৯১ গোল করেন আর্জেন্টাইন কিংবদন্তি। বার্সেলোনার হয়ে জিতেছিলেন কোপা দেল রে ও স্প্যানিশ সুপার কাপ।
‘বোট’ পুরস্কারের এই ভোটাভুটিতে এর আগে জালিয়াতির অভিযোগ উঠেছিল। কিন্তু ব্যাপারটা উড়িয়ে দিয়েছে ব্যালন ডি’অরের অফিশিয়াল ওয়েবসাইট। তারা জানিয়েছে মাত্র ৫ হাজার ৯ জন একাধিকবার ভোট দিয়েছেন।

ব্যালন ডি’অরের ৭০ বছর পূর্তি উপলক্ষে এ বছর উয়েফা এবং ‘ফ্রান্স ফুটবল’ সাময়িকী নতুন একটি পুরস্কারের আয়োজন করে। ‘ব্যালন ডি’অর অব অলটাইম’(বোট)। ব্যালন ডি’অর জেতা মৌসুমগুলোর মধ্যে কোন মৌসুম সেরা, বৈশ্বিকভাবে তা ভোটের মাধ্যমে ঠিক করতে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়। সেই ভোটের ফলাফলে ব্যালন ডি’অর অব অলটাইম জিতেছেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো।
‘বোট’ এর জন্য ভোটের পোল চালু করা হয়েছিল গত ১ অক্টোবর থেকে। প্রতিটি ভোটের জন্য ১ ইউরো (১৩৮ টাকা) খরচ করে যত খুশি তত ভোট দিতে পেরেছেন ভক্তরা। গত মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) রাতে এই ভোটগ্রহণ শেষ হয়।
রোনালদোর জেতা পাঁচটি ব্যালন ডি’অরের মধ্যে প্রথমটির পারফরম্যান্স সেরা হিসেবে বিজয়ী হয়েছে। অর্থাৎ ২০০৮ সালে তার জেতা ব্যালন ডি’অরের মৌসুম ‘বোট’ জিতেছে।
আয়োজকরা আগেই জানিয়েছেন, এজন্য বিজয়ীকে কোনো ট্রফি দেওয়া হবে না।
অন্তত দুবার ব্যালন ডি’অরজয়ী খেলোয়াড়দের নিয়ে এই ভোটের আয়োজন করা হয়েছিল। সেই লড়াইয়ে রোনালদোকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয় ব্যালন ডি’অরের ওয়েবসাইটে। ভোটে দ্বিতীয় হয়েছে মেসির ২০১২ সালের ব্যালন ডি’অর জয়।

তালিকায় ব্যালন ডি’অরজয়ী শীর্ষ ১২টি মৌসুম মেসি-রোনালদোর দখলে। ব্রাজিলিয়ান কিংবদন্তি রোনালদো নাজারিওর ২০০২ সালের ব্যালন ডি’অর জয় আছে ১৩তম স্থানে।
ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডে থাকতে প্রথম ব্যালন ডি’অর জেতেন রোনালদো। ২০০৭-০৮ মৌসুমে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ ও চ্যাম্পিয়নস লিগ জয়ের পাশাপাশি সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে ৪৯ ম্যাচে করেছিলেন ৪২ গোল।
মেসির জন্য ২০১১-১২ মৌসুম ছিল ঐতিহাসিক। সেবার এক পঞ্জিকাবর্ষে গার্ড মুলারের ৮৫ গোলের রেকর্ড ভেঙে ৬৯ ম্যাচে ৯১ গোল করেন আর্জেন্টাইন কিংবদন্তি। বার্সেলোনার হয়ে জিতেছিলেন কোপা দেল রে ও স্প্যানিশ সুপার কাপ।
‘বোট’ পুরস্কারের এই ভোটাভুটিতে এর আগে জালিয়াতির অভিযোগ উঠেছিল। কিন্তু ব্যাপারটা উড়িয়ে দিয়েছে ব্যালন ডি’অরের অফিশিয়াল ওয়েবসাইট। তারা জানিয়েছে মাত্র ৫ হাজার ৯ জন একাধিকবার ভোট দিয়েছেন।

টাকার ভোটে মেসিকে হারালেন রোনালদো
সিটিজেন জার্নাল স্পোর্টস ডেস্ক

ব্যালন ডি’অরের ৭০ বছর পূর্তি উপলক্ষে এ বছর উয়েফা এবং ‘ফ্রান্স ফুটবল’ সাময়িকী নতুন একটি পুরস্কারের আয়োজন করে। ‘ব্যালন ডি’অর অব অলটাইম’(বোট)। ব্যালন ডি’অর জেতা মৌসুমগুলোর মধ্যে কোন মৌসুম সেরা, বৈশ্বিকভাবে তা ভোটের মাধ্যমে ঠিক করতে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়। সেই ভোটের ফলাফলে ব্যালন ডি’অর অব অলটাইম জিতেছেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো।
‘বোট’ এর জন্য ভোটের পোল চালু করা হয়েছিল গত ১ অক্টোবর থেকে। প্রতিটি ভোটের জন্য ১ ইউরো (১৩৮ টাকা) খরচ করে যত খুশি তত ভোট দিতে পেরেছেন ভক্তরা। গত মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) রাতে এই ভোটগ্রহণ শেষ হয়।
রোনালদোর জেতা পাঁচটি ব্যালন ডি’অরের মধ্যে প্রথমটির পারফরম্যান্স সেরা হিসেবে বিজয়ী হয়েছে। অর্থাৎ ২০০৮ সালে তার জেতা ব্যালন ডি’অরের মৌসুম ‘বোট’ জিতেছে।
আয়োজকরা আগেই জানিয়েছেন, এজন্য বিজয়ীকে কোনো ট্রফি দেওয়া হবে না।
অন্তত দুবার ব্যালন ডি’অরজয়ী খেলোয়াড়দের নিয়ে এই ভোটের আয়োজন করা হয়েছিল। সেই লড়াইয়ে রোনালদোকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয় ব্যালন ডি’অরের ওয়েবসাইটে। ভোটে দ্বিতীয় হয়েছে মেসির ২০১২ সালের ব্যালন ডি’অর জয়।

তালিকায় ব্যালন ডি’অরজয়ী শীর্ষ ১২টি মৌসুম মেসি-রোনালদোর দখলে। ব্রাজিলিয়ান কিংবদন্তি রোনালদো নাজারিওর ২০০২ সালের ব্যালন ডি’অর জয় আছে ১৩তম স্থানে।
ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডে থাকতে প্রথম ব্যালন ডি’অর জেতেন রোনালদো। ২০০৭-০৮ মৌসুমে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ ও চ্যাম্পিয়নস লিগ জয়ের পাশাপাশি সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে ৪৯ ম্যাচে করেছিলেন ৪২ গোল।
মেসির জন্য ২০১১-১২ মৌসুম ছিল ঐতিহাসিক। সেবার এক পঞ্জিকাবর্ষে গার্ড মুলারের ৮৫ গোলের রেকর্ড ভেঙে ৬৯ ম্যাচে ৯১ গোল করেন আর্জেন্টাইন কিংবদন্তি। বার্সেলোনার হয়ে জিতেছিলেন কোপা দেল রে ও স্প্যানিশ সুপার কাপ।
‘বোট’ পুরস্কারের এই ভোটাভুটিতে এর আগে জালিয়াতির অভিযোগ উঠেছিল। কিন্তু ব্যাপারটা উড়িয়ে দিয়েছে ব্যালন ডি’অরের অফিশিয়াল ওয়েবসাইট। তারা জানিয়েছে মাত্র ৫ হাজার ৯ জন একাধিকবার ভোট দিয়েছেন।

সেঞ্চুরির যে তালিকায় তামিমের পরেই সাদমান







