প্রথমার্ধ শেষে গোলশূন্য ইংল্যান্ড-পানামা ম্যাচ

প্রথমার্ধ শেষে গোলশূন্য ইংল্যান্ড-পানামা ম্যাচ
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক

নকআউট পর্ব আগেই নিশ্চিত হওয়া ইংল্যান্ডকে প্রথমার্ধে রুখে দিয়েছে পানামা। যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্কের নিউ জার্সি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচে দুই দলের একের পর এক আক্রমণ সত্ত্বেও ম্যাচের প্রথমার্ধ শেষ হয়েছে গোলশূন্য ব্যবধানে। ম্যাচের সিংহভাগ সময় বল নিয়ন্ত্রণে রেখেও ফিনিশিংয়ের অভাবে গোলের দেখা পায়নি ইংলিশরা, অন্যদিকে কাঙ্ক্ষিত সুযোগ কাজে লাগাতে পারেনি পানামাও।
ম্যাচের শুরু থেকেই চড়াও হয়ে খেলা ইংল্যান্ড অষ্টম মিনিটেই প্রথম অন-টার্গেট শট নেয়। বাঁ প্রান্ত থেকে ভেতরে ঢুকে মার্কাস রাশফোর্ডের নেওয়া জোরালো শট নিচু হয়ে চমৎকারভাবে ঠেকিয়ে দেন পানামার গোলরক্ষক মসকেরা। এরপর কর্নার থেকে পাওয়া ফিরতি বলে সুযোগ তৈরি হলেও বুকায়ো সাকার শটটি লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। পাল্টা আক্রমণে ১৫ মিনিটে চমৎকার পাসিংয়ে রদ্রিগেজের সামনে সুযোগ তৈরি করেছিল পানামাও, তবে জুড বেলিংহ্যামের সময়োপযোগী ডিফেন্সে সে যাত্রা বেঁচে যায় ইংল্যান্ড।
হাইড্রেশন ব্রেকের আগে মরগান রজার্স ও হ্যারি কেইনের দারুণ বোঝাপড়ায় বক্সের ভেতর শট নেওয়ার সুযোগ পেয়েছিলেন সাকা, তবে তার শটটি পানামার ডিফেন্ডাররা ব্লক করে দেন। ম্যাচের ৩৮ মিনিটে ডি-বক্সে সাকাকে ফেলে দেওয়া হলে পেনাল্টির জোরালো আবেদন জানায় ইংলিশরা, তবে রেফারি খেলায় কোনো বাঁশি বাজাননি। এর পরপরই রাশফোর্ডের একটি নিশ্চিত হেড রুখে দেয় পানামার রক্ষণভাগ।
প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ের প্রথম মিনিটে জর্ডান পিকফোর্ডের লম্বা পাস নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার সময় হ্যারি কেইন ফাউলের শিকার হলে বক্সের ঠিক বাইরে ফ্রি-কিক পায় ইংল্যান্ড। রাশফোর্ডের নেওয়া চমৎকার বাঁকানো শটটি অল্পের জন্য পোস্টের বাইরে দিয়ে চলে গেলে গোলবঞ্চিত হয় তারা। প্রথমার্ধে ৭২ শতাংশ বল দখলে রাখা ইংল্যান্ড ৯টি শটের ৪টি লক্ষ্যে রাখে, বিপরীতে ২৮ শতাংশ বল দখলে রাখা পানামা ৩টি শটের ২টি লক্ষ্যে রাখলেও ডেডলক ভাঙতে পারেনি কোনো দলই।

নকআউট পর্ব আগেই নিশ্চিত হওয়া ইংল্যান্ডকে প্রথমার্ধে রুখে দিয়েছে পানামা। যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্কের নিউ জার্সি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচে দুই দলের একের পর এক আক্রমণ সত্ত্বেও ম্যাচের প্রথমার্ধ শেষ হয়েছে গোলশূন্য ব্যবধানে। ম্যাচের সিংহভাগ সময় বল নিয়ন্ত্রণে রেখেও ফিনিশিংয়ের অভাবে গোলের দেখা পায়নি ইংলিশরা, অন্যদিকে কাঙ্ক্ষিত সুযোগ কাজে লাগাতে পারেনি পানামাও।
ম্যাচের শুরু থেকেই চড়াও হয়ে খেলা ইংল্যান্ড অষ্টম মিনিটেই প্রথম অন-টার্গেট শট নেয়। বাঁ প্রান্ত থেকে ভেতরে ঢুকে মার্কাস রাশফোর্ডের নেওয়া জোরালো শট নিচু হয়ে চমৎকারভাবে ঠেকিয়ে দেন পানামার গোলরক্ষক মসকেরা। এরপর কর্নার থেকে পাওয়া ফিরতি বলে সুযোগ তৈরি হলেও বুকায়ো সাকার শটটি লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। পাল্টা আক্রমণে ১৫ মিনিটে চমৎকার পাসিংয়ে রদ্রিগেজের সামনে সুযোগ তৈরি করেছিল পানামাও, তবে জুড বেলিংহ্যামের সময়োপযোগী ডিফেন্সে সে যাত্রা বেঁচে যায় ইংল্যান্ড।
হাইড্রেশন ব্রেকের আগে মরগান রজার্স ও হ্যারি কেইনের দারুণ বোঝাপড়ায় বক্সের ভেতর শট নেওয়ার সুযোগ পেয়েছিলেন সাকা, তবে তার শটটি পানামার ডিফেন্ডাররা ব্লক করে দেন। ম্যাচের ৩৮ মিনিটে ডি-বক্সে সাকাকে ফেলে দেওয়া হলে পেনাল্টির জোরালো আবেদন জানায় ইংলিশরা, তবে রেফারি খেলায় কোনো বাঁশি বাজাননি। এর পরপরই রাশফোর্ডের একটি নিশ্চিত হেড রুখে দেয় পানামার রক্ষণভাগ।
প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ের প্রথম মিনিটে জর্ডান পিকফোর্ডের লম্বা পাস নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার সময় হ্যারি কেইন ফাউলের শিকার হলে বক্সের ঠিক বাইরে ফ্রি-কিক পায় ইংল্যান্ড। রাশফোর্ডের নেওয়া চমৎকার বাঁকানো শটটি অল্পের জন্য পোস্টের বাইরে দিয়ে চলে গেলে গোলবঞ্চিত হয় তারা। প্রথমার্ধে ৭২ শতাংশ বল দখলে রাখা ইংল্যান্ড ৯টি শটের ৪টি লক্ষ্যে রাখে, বিপরীতে ২৮ শতাংশ বল দখলে রাখা পানামা ৩টি শটের ২টি লক্ষ্যে রাখলেও ডেডলক ভাঙতে পারেনি কোনো দলই।

প্রথমার্ধ শেষে গোলশূন্য ইংল্যান্ড-পানামা ম্যাচ
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক

নকআউট পর্ব আগেই নিশ্চিত হওয়া ইংল্যান্ডকে প্রথমার্ধে রুখে দিয়েছে পানামা। যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্কের নিউ জার্সি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচে দুই দলের একের পর এক আক্রমণ সত্ত্বেও ম্যাচের প্রথমার্ধ শেষ হয়েছে গোলশূন্য ব্যবধানে। ম্যাচের সিংহভাগ সময় বল নিয়ন্ত্রণে রেখেও ফিনিশিংয়ের অভাবে গোলের দেখা পায়নি ইংলিশরা, অন্যদিকে কাঙ্ক্ষিত সুযোগ কাজে লাগাতে পারেনি পানামাও।
ম্যাচের শুরু থেকেই চড়াও হয়ে খেলা ইংল্যান্ড অষ্টম মিনিটেই প্রথম অন-টার্গেট শট নেয়। বাঁ প্রান্ত থেকে ভেতরে ঢুকে মার্কাস রাশফোর্ডের নেওয়া জোরালো শট নিচু হয়ে চমৎকারভাবে ঠেকিয়ে দেন পানামার গোলরক্ষক মসকেরা। এরপর কর্নার থেকে পাওয়া ফিরতি বলে সুযোগ তৈরি হলেও বুকায়ো সাকার শটটি লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। পাল্টা আক্রমণে ১৫ মিনিটে চমৎকার পাসিংয়ে রদ্রিগেজের সামনে সুযোগ তৈরি করেছিল পানামাও, তবে জুড বেলিংহ্যামের সময়োপযোগী ডিফেন্সে সে যাত্রা বেঁচে যায় ইংল্যান্ড।
হাইড্রেশন ব্রেকের আগে মরগান রজার্স ও হ্যারি কেইনের দারুণ বোঝাপড়ায় বক্সের ভেতর শট নেওয়ার সুযোগ পেয়েছিলেন সাকা, তবে তার শটটি পানামার ডিফেন্ডাররা ব্লক করে দেন। ম্যাচের ৩৮ মিনিটে ডি-বক্সে সাকাকে ফেলে দেওয়া হলে পেনাল্টির জোরালো আবেদন জানায় ইংলিশরা, তবে রেফারি খেলায় কোনো বাঁশি বাজাননি। এর পরপরই রাশফোর্ডের একটি নিশ্চিত হেড রুখে দেয় পানামার রক্ষণভাগ।
প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ের প্রথম মিনিটে জর্ডান পিকফোর্ডের লম্বা পাস নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার সময় হ্যারি কেইন ফাউলের শিকার হলে বক্সের ঠিক বাইরে ফ্রি-কিক পায় ইংল্যান্ড। রাশফোর্ডের নেওয়া চমৎকার বাঁকানো শটটি অল্পের জন্য পোস্টের বাইরে দিয়ে চলে গেলে গোলবঞ্চিত হয় তারা। প্রথমার্ধে ৭২ শতাংশ বল দখলে রাখা ইংল্যান্ড ৯টি শটের ৪টি লক্ষ্যে রাখে, বিপরীতে ২৮ শতাংশ বল দখলে রাখা পানামা ৩টি শটের ২টি লক্ষ্যে রাখলেও ডেডলক ভাঙতে পারেনি কোনো দলই।

সুচিচের গোলে প্রথমার্ধে এগিয়ে ক্রোয়েশিয়া

