শিরোনাম

গ্রুপসেরা হয়ে নকআউটে ইংল্যান্ড

সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক
গ্রুপসেরা হয়ে নকআউটে ইংল্যান্ড
পানামার বিপক্ষে গোল করার পর জুড বেলিংহ্যাম

প্রথমার্ধের একের পর এক সুযোগ হারানোর হতাশা কাটিয়ে দ্বিতীয়ার্ধের দারুণ পারফরম্যান্সে পানামাকে হারিয়েছে ইংল্যান্ড। ২-০ ব্যবধানের জয়ে গ্রুপসেরা হয়ে বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে পা রাখল থ্রি-লায়ন্সরা। দলের হয়ে গোল দুটি করেন জুড বেলিংহ্যাম ও হ্যারি কেইন। এ গোলের মধ্য দিয়ে কিংবদন্তি গ্যারি লিনেকারকে ছাড়িয়ে বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতা হওয়ার এক নতুন কীর্তি গড়লেন কেইন।

যুক্তরাষ্ট্রের নিউ জার্সির নিউ ইয়র্ক স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচের প্রথমার্ধে আধিপত্য বিস্তার করেও গোলমুখে ব্যর্থতার পরিচয় দেয় দুই দলই। ম্যাচের ৮ম মিনিটেই মার্কাস রাশফোর্ডের জোরালো শট দারুণভাবে রুখে দেন পানামার গোলরক্ষক মসকেরা। এরপর কর্নার থেকে পাওয়া বলে বুকায়ো সাকার শট লক্ষ্যভ্রষ্ট হলে লিড নেওয়া হয়নি ইংলিশদের। ১৫ মিনিটে পানামার হোসে লুইস রদ্রিগেসের একটি বিপজ্জনক আক্রমণ নসাৎ করেন জুড বেলিংহ্যাম। প্রথমার্ধের শেষদিকে বক্সে সাকাকে ফাউল করা হলেও পেনাল্টির আবেদন নাকচ করেন রেফারি এবং যোগ করা সময়ে রাশফোর্ডের ফ্রি-কিক অল্পের জন্য লক্ষ্যভ্রষ্ট হলে গোলশূন্য সমতায় শেষ হয় প্রথমার্ধ।

বিরতির পর ম্যাচের ৫২ ও ৫৫ মিনিটে যথাক্রমে কেইন ও রাশফোর্ড আরও দুটি সুবর্ণ সুযোগ হাতছাড়া করেন। তবে ম্যাচের ৬২ মিনিটে কাঙ্ক্ষিত ডেডলক ভাঙেন জুড বেলিংহ্যাম। বুকায়ো সাকার চমৎকার কর্নার কিক থেকে শরীর বাঁকিয়ে দর্শনীয় এক ভলিতে বল জালে পাঠান রিয়াল মাদ্রিদ তারকা। প্রথম গোলের ঠিক পাঁচ মিনিট পর, অর্থাৎ ৬৭ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করে ম্যাচ পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে নেয় ইংলিশরা। এবার বেলিংহ্যামের ভাসানো ক্রস থেকে নিখুঁত হেডে লক্ষ্যভেদ করেন অধিনায়ক হ্যারি কেইন।

এই ঐতিহাসিক গোলের মাধ্যমে বিশ্বকাপে নিজের ১১তম গোলটি উদযাপন করেন কেইন। এটি তাকে গ্যারি লিনেকারকে টপকে বিশ্বমঞ্চে ইংল্যান্ডের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতার আসনে বসায়। ম্যাচের শেষ মুহূর্তে ৮৯ মিনিটে পানামার হোসে ফাখার্দো ইংল্যান্ডের জালে বল জড়ালেও তা অফসাইডের কারণে বাতিল হয়ে যায়। শেষ পর্যন্ত ২-০ ব্যবধানের জয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হিসেবেই নকআউটের টিকিট নিশ্চিত করল ইংল্যান্ড।

/এমএকে/