বাংলাদেশকে নিষিদ্ধ করতে আইসিসিতে চিঠি দিয়েছেন আমিনুল ইসলাম বুলবুল

বাংলাদেশকে নিষিদ্ধ করতে আইসিসিতে চিঠি দিয়েছেন আমিনুল ইসলাম বুলবুল
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক

আমিনুল ইসলাম বিষয়টি উড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছেন। গতকাল শুক্রবার (২৬ জুন) কয়েকটি সংবাদমাধ্যমে খবর এসেছে বাংলাদেশের পূর্ণ সদস্যপদ স্থগিত, আইসিসির তহবিল বন্ধ করতে এবং আইসিসি টুর্নামেন্টগুলো থেকে বাদ দিতে আইসিসিকে চিঠি দিয়েছেন সাবেক বিসিবি সভাপতি। কিন্তু তিনি এটাকে ‘সম্পূর্ণ মিথ্যা কথা’ বলছেন। তবে তার স্বাক্ষর করা চিঠির কিছু অংশ সাংবাদিকদের হাতে এসেছে।
এপ্রিল মাসে আমিনুলের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) ভেঙে দিয়েছিল জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ। কিন্তু আমিনুল নিজেকে বৈধ সভাপতি দাবি করে আসছেন। আইসিসির চিঠিতেও বৈধ সভাপতি হিসেবেই নিজেকে উল্লেখ করেছেন তিনি। একই সঙ্গে ওই চিঠিতে তিনি আইসিসির কাছে অনুরোধা করেছেন তাকে আবার বোর্ড সভাপতির দায়িত্বে ফেরানোর জন্য। সেটা না হওয়ার আগ পর্যন্ত আইসিসিকে বিসিবির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধও করেছেন আমিনুল। তবে আইনজীবীর মাধ্যমে আইসিসিতে পাঠানো আমিনুলের বিশাল চিঠির একটি অংশে লেখা হয়েছে, ‘বিসিবিকে বর্তমানে প্রদেয় বা পরিশোধযোগ্য আইসিসির সকল তহবিল এসক্রোতে (শর্তসাপেক্ষে আটকে রাখা) রাখা হবে বা স্থগিত করা হবে বলে নির্দেশনা দেওয়া, যতক্ষণ না: (ক) নির্বাচিত বোর্ডের পুনঃস্থাপন অথবা আইসিসি ডিআরসি কর্তৃক একটি চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়; এবং (গ) বাংলাদেশে অভ্যন্তরীণ আদালতের মামলার নিষ্পত্তি হয়। ০৭ জুন ২০২৬-এর নির্বাচনের ভিত্তিতে বিসিবির কর্তৃত্ব দাবি করে এমন কোনো ব্যক্তিকে আইসিসির কোনো তহবিল প্রদান করা যাবে না।’
‘বাংলাদেশ সরকারকে আনুষ্ঠানিক সতর্কবার্তা জারি’ শিরোনামে আরেকটি অংশে লেখা হয়েছে, ‘একটি আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তি জারি করে বাংলাদেশ সরকার, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় এবং জাতীয় ক্রীড়া পরিষদকে জানানো যে: (ক) একটি অবৈধভাবে গঠিত অ্যাডহক কমিটি দ্বারা রাজনৈতিকভাবে কারসাজি করা ভোটার তালিকার মাধ্যমে পরিচালিত ২০২৬ সালের ৭ম মাসের নির্বাচনটি আইসিসি সংবিধানের ২.৪(গ) এবং ২.৪(ঘ) ধারার আরও একটি গুরুতর লঙ্ঘন; (খ) আইসিসি ২০২৬ সালের ৭ই জুন তারিখে নির্বাচিত কোনো বোর্ডকে বিসিবির বৈধ পরিচালনা কর্তৃপক্ষ হিসেবে স্বীকৃতি দেয় না; (গ) আইসিসি নির্বাচিত বোর্ডকে অবিলম্বে পুনর্বহাল করার দাবি জানাচ্ছে, এবং (ঘ) আইসিসি কর্তৃক নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে নির্বাচিত বোর্ডকে পুনর্বহাল করতে ব্যর্থ হলে, আইসিসির ২.১০(ক) ধারার অধীনে প্রদত্ত ক্ষমতা প্রয়োগ করা হবে, যার মধ্যে রয়েছে বিসিবির পূর্ণ সদস্যপদ স্থগিতকরণ, আইসিসির তহবিল জব্দকরণ এবং আইসিসি ইভেন্টগুলো থেকে বাংলাদেশ দলকে বাদ দেওয়া।’

আমিনুল ইসলাম বিষয়টি উড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছেন। গতকাল শুক্রবার (২৬ জুন) কয়েকটি সংবাদমাধ্যমে খবর এসেছে বাংলাদেশের পূর্ণ সদস্যপদ স্থগিত, আইসিসির তহবিল বন্ধ করতে এবং আইসিসি টুর্নামেন্টগুলো থেকে বাদ দিতে আইসিসিকে চিঠি দিয়েছেন সাবেক বিসিবি সভাপতি। কিন্তু তিনি এটাকে ‘সম্পূর্ণ মিথ্যা কথা’ বলছেন। তবে তার স্বাক্ষর করা চিঠির কিছু অংশ সাংবাদিকদের হাতে এসেছে।
এপ্রিল মাসে আমিনুলের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) ভেঙে দিয়েছিল জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ। কিন্তু আমিনুল নিজেকে বৈধ সভাপতি দাবি করে আসছেন। আইসিসির চিঠিতেও বৈধ সভাপতি হিসেবেই নিজেকে উল্লেখ করেছেন তিনি। একই সঙ্গে ওই চিঠিতে তিনি আইসিসির কাছে অনুরোধা করেছেন তাকে আবার বোর্ড সভাপতির দায়িত্বে ফেরানোর জন্য। সেটা না হওয়ার আগ পর্যন্ত আইসিসিকে বিসিবির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধও করেছেন আমিনুল। তবে আইনজীবীর মাধ্যমে আইসিসিতে পাঠানো আমিনুলের বিশাল চিঠির একটি অংশে লেখা হয়েছে, ‘বিসিবিকে বর্তমানে প্রদেয় বা পরিশোধযোগ্য আইসিসির সকল তহবিল এসক্রোতে (শর্তসাপেক্ষে আটকে রাখা) রাখা হবে বা স্থগিত করা হবে বলে নির্দেশনা দেওয়া, যতক্ষণ না: (ক) নির্বাচিত বোর্ডের পুনঃস্থাপন অথবা আইসিসি ডিআরসি কর্তৃক একটি চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়; এবং (গ) বাংলাদেশে অভ্যন্তরীণ আদালতের মামলার নিষ্পত্তি হয়। ০৭ জুন ২০২৬-এর নির্বাচনের ভিত্তিতে বিসিবির কর্তৃত্ব দাবি করে এমন কোনো ব্যক্তিকে আইসিসির কোনো তহবিল প্রদান করা যাবে না।’
‘বাংলাদেশ সরকারকে আনুষ্ঠানিক সতর্কবার্তা জারি’ শিরোনামে আরেকটি অংশে লেখা হয়েছে, ‘একটি আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তি জারি করে বাংলাদেশ সরকার, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় এবং জাতীয় ক্রীড়া পরিষদকে জানানো যে: (ক) একটি অবৈধভাবে গঠিত অ্যাডহক কমিটি দ্বারা রাজনৈতিকভাবে কারসাজি করা ভোটার তালিকার মাধ্যমে পরিচালিত ২০২৬ সালের ৭ম মাসের নির্বাচনটি আইসিসি সংবিধানের ২.৪(গ) এবং ২.৪(ঘ) ধারার আরও একটি গুরুতর লঙ্ঘন; (খ) আইসিসি ২০২৬ সালের ৭ই জুন তারিখে নির্বাচিত কোনো বোর্ডকে বিসিবির বৈধ পরিচালনা কর্তৃপক্ষ হিসেবে স্বীকৃতি দেয় না; (গ) আইসিসি নির্বাচিত বোর্ডকে অবিলম্বে পুনর্বহাল করার দাবি জানাচ্ছে, এবং (ঘ) আইসিসি কর্তৃক নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে নির্বাচিত বোর্ডকে পুনর্বহাল করতে ব্যর্থ হলে, আইসিসির ২.১০(ক) ধারার অধীনে প্রদত্ত ক্ষমতা প্রয়োগ করা হবে, যার মধ্যে রয়েছে বিসিবির পূর্ণ সদস্যপদ স্থগিতকরণ, আইসিসির তহবিল জব্দকরণ এবং আইসিসি ইভেন্টগুলো থেকে বাংলাদেশ দলকে বাদ দেওয়া।’

বাংলাদেশকে নিষিদ্ধ করতে আইসিসিতে চিঠি দিয়েছেন আমিনুল ইসলাম বুলবুল
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক

আমিনুল ইসলাম বিষয়টি উড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছেন। গতকাল শুক্রবার (২৬ জুন) কয়েকটি সংবাদমাধ্যমে খবর এসেছে বাংলাদেশের পূর্ণ সদস্যপদ স্থগিত, আইসিসির তহবিল বন্ধ করতে এবং আইসিসি টুর্নামেন্টগুলো থেকে বাদ দিতে আইসিসিকে চিঠি দিয়েছেন সাবেক বিসিবি সভাপতি। কিন্তু তিনি এটাকে ‘সম্পূর্ণ মিথ্যা কথা’ বলছেন। তবে তার স্বাক্ষর করা চিঠির কিছু অংশ সাংবাদিকদের হাতে এসেছে।
এপ্রিল মাসে আমিনুলের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) ভেঙে দিয়েছিল জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ। কিন্তু আমিনুল নিজেকে বৈধ সভাপতি দাবি করে আসছেন। আইসিসির চিঠিতেও বৈধ সভাপতি হিসেবেই নিজেকে উল্লেখ করেছেন তিনি। একই সঙ্গে ওই চিঠিতে তিনি আইসিসির কাছে অনুরোধা করেছেন তাকে আবার বোর্ড সভাপতির দায়িত্বে ফেরানোর জন্য। সেটা না হওয়ার আগ পর্যন্ত আইসিসিকে বিসিবির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধও করেছেন আমিনুল। তবে আইনজীবীর মাধ্যমে আইসিসিতে পাঠানো আমিনুলের বিশাল চিঠির একটি অংশে লেখা হয়েছে, ‘বিসিবিকে বর্তমানে প্রদেয় বা পরিশোধযোগ্য আইসিসির সকল তহবিল এসক্রোতে (শর্তসাপেক্ষে আটকে রাখা) রাখা হবে বা স্থগিত করা হবে বলে নির্দেশনা দেওয়া, যতক্ষণ না: (ক) নির্বাচিত বোর্ডের পুনঃস্থাপন অথবা আইসিসি ডিআরসি কর্তৃক একটি চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়; এবং (গ) বাংলাদেশে অভ্যন্তরীণ আদালতের মামলার নিষ্পত্তি হয়। ০৭ জুন ২০২৬-এর নির্বাচনের ভিত্তিতে বিসিবির কর্তৃত্ব দাবি করে এমন কোনো ব্যক্তিকে আইসিসির কোনো তহবিল প্রদান করা যাবে না।’
‘বাংলাদেশ সরকারকে আনুষ্ঠানিক সতর্কবার্তা জারি’ শিরোনামে আরেকটি অংশে লেখা হয়েছে, ‘একটি আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তি জারি করে বাংলাদেশ সরকার, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় এবং জাতীয় ক্রীড়া পরিষদকে জানানো যে: (ক) একটি অবৈধভাবে গঠিত অ্যাডহক কমিটি দ্বারা রাজনৈতিকভাবে কারসাজি করা ভোটার তালিকার মাধ্যমে পরিচালিত ২০২৬ সালের ৭ম মাসের নির্বাচনটি আইসিসি সংবিধানের ২.৪(গ) এবং ২.৪(ঘ) ধারার আরও একটি গুরুতর লঙ্ঘন; (খ) আইসিসি ২০২৬ সালের ৭ই জুন তারিখে নির্বাচিত কোনো বোর্ডকে বিসিবির বৈধ পরিচালনা কর্তৃপক্ষ হিসেবে স্বীকৃতি দেয় না; (গ) আইসিসি নির্বাচিত বোর্ডকে অবিলম্বে পুনর্বহাল করার দাবি জানাচ্ছে, এবং (ঘ) আইসিসি কর্তৃক নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে নির্বাচিত বোর্ডকে পুনর্বহাল করতে ব্যর্থ হলে, আইসিসির ২.১০(ক) ধারার অধীনে প্রদত্ত ক্ষমতা প্রয়োগ করা হবে, যার মধ্যে রয়েছে বিসিবির পূর্ণ সদস্যপদ স্থগিতকরণ, আইসিসির তহবিল জব্দকরণ এবং আইসিসি ইভেন্টগুলো থেকে বাংলাদেশ দলকে বাদ দেওয়া।’

বিসিবি সভাপতি হলেন তামিম ইকবাল


