ভূমিকম্পে ধ্বংসস্তূপে বেলচা-কোদাল হাতে স্বজন খোঁজার চেষ্টা

ভূমিকম্পে ধ্বংসস্তূপে বেলচা-কোদাল হাতে স্বজন খোঁজার চেষ্টা
সিজেডএন ডেস্ক

একটি বেলচা, দস্তানা এবং একটি কোদাল নিয়ে লা গুয়াইরায় ধ্বংসস্তূপের মধ্যে খোঁড়াখুঁড়ি করছিলেন সাইমন মেদিনা। এই আশায় যে তিনি তার মা ও ভাইকে খুঁজে পাবেন। ভেনেজুয়েলায় জোড়া ভূমিকম্প আঘাত হানার সময় একটি অ্যাপার্টমেন্ট ভবনে তারা।
শুক্রবার (২৬ জুন) ধ্বংসস্তূপের মধ্যে খোঁজাখুঁজি করতে করতে তিনি বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে বলেন, কী ঘটেছিল তা জানার জন্য আমরা যেকোনো কিছু খুঁজে পাওয়ার চেষ্টা করছি। কোনো ছোট অংশ কিংবা তাদের কোনো জিনিসপত্র বা কাগজপত্র পেলেও আমাদের জন্য অনেক।
বুধবার (২৪ জুন) স্থানীয় সময় সন্ধ্যায় ভেনেজুয়েলায় দুটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হানে। যুক্তরাষ্ট্রের জিওলজিক্যাল সার্ভে জানিয়েছে, প্রথম আঘাত হানা ভূমিকম্পটির মাত্রা ছিল ৭.২। এর কেন্দ্র ছিল ইয়ারাকুয়ি অঙ্গরাজ্যের সান ফেলিপে। এর ৩৯ সেকেন্ড পর আরও শক্তিশালী একটি ভূমিকম্প হয়, যার মাত্রা ছিল ৭.৫। দ্বিতীয় ভূমিকম্পটির কেন্দ্র ভেনেজুয়েলার ইউমারে শহর থেকে প্রায় ২৩ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থিত।
ভূমিকম্পের সময় মেদিনা প্রায় ১৪ মাইল (২৩ কিলোমিটার) দূরের শহর নাইগুয়াতাতে ছিলেন। পরে স্বজনদের সঙ্গে নিয়ে নিখোঁজ মা ও ভাইয়ের সন্ধানে ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন।
তিনি বলেন, ‘ওখানেও কেঁপে উঠেছিল, কিন্তু আমি জানতাম না যে এটা এতটা শক্তিশালী ছিল। স্বজনরা যখন বাড়ির ভেতরে থাকে, তখন এমন পরিস্থিতির সম্মুখীন হওয়া সত্যিই ভীতিকর।
মেদেনির মতো আরও অনেকেই ধ্বংসস্তূপের সামনে রয়েছেন। তারাও তাদের প্রিয়জনকে খুঁজে বের করার চেষ্টা করছেন।
ভেনিজুয়েলায় আঘাত হানা দুটি শক্তিশালী ভূমিকম্পে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৯২০ জনে দাঁড়িয়েছে। জীবিতদের উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। জাতিসংঘ অনুমান করেছে, এখনও ৫০ হাজারেরও বেশি মানুষ নিখোঁজ রয়েছে।
এদিকে দেশটির ইতিহাসে অন্যতম ভয়াবহ এই ভূমিকম্পে ভেনেজুয়েলা সরকার বড় পরিসরে উদ্ধার অভিযান শুরু করেছে। শুক্রবার থেকে আন্তর্জাতিক উদ্ধারকারী দল এতে যোগ দিতে শুরু করেছে। তবে অভিযোগ উঠেছে, কয়েকটি এলাকায় পর্যাপ্ত জনবল নেই, এজন্য উদ্ধারকাজ ধীরগতিতে চলছে।
উপকূলীয় কাতিয়া লা মার এলাকায় স্থানীয় বাসিন্দাদের ধ্বংসাবশেষ সরাতে সাহায্য করার জন্য সাধারণ মানুষকে কোদাল ও বেলচা নিয়ে এগিয়ে আসার আহ্বান জানানো হয়েছে।
এর আগে, সাইমন বলিভার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এলাকায় ভূমিকম্পে ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত স্থানে উদ্ধার অভিযান পুনরায় শুরু হতে বিলম্ব হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন বাসিন্দারা। ধ্বংসস্তূপ থেকে নিহতদের মরদেহ উদ্ধারের জন্যও সাহায্যের আবেদন জানানো হয়েছে।
সূত্র: সিএনএন

একটি বেলচা, দস্তানা এবং একটি কোদাল নিয়ে লা গুয়াইরায় ধ্বংসস্তূপের মধ্যে খোঁড়াখুঁড়ি করছিলেন সাইমন মেদিনা। এই আশায় যে তিনি তার মা ও ভাইকে খুঁজে পাবেন। ভেনেজুয়েলায় জোড়া ভূমিকম্প আঘাত হানার সময় একটি অ্যাপার্টমেন্ট ভবনে তারা।
শুক্রবার (২৬ জুন) ধ্বংসস্তূপের মধ্যে খোঁজাখুঁজি করতে করতে তিনি বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে বলেন, কী ঘটেছিল তা জানার জন্য আমরা যেকোনো কিছু খুঁজে পাওয়ার চেষ্টা করছি। কোনো ছোট অংশ কিংবা তাদের কোনো জিনিসপত্র বা কাগজপত্র পেলেও আমাদের জন্য অনেক।
বুধবার (২৪ জুন) স্থানীয় সময় সন্ধ্যায় ভেনেজুয়েলায় দুটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হানে। যুক্তরাষ্ট্রের জিওলজিক্যাল সার্ভে জানিয়েছে, প্রথম আঘাত হানা ভূমিকম্পটির মাত্রা ছিল ৭.২। এর কেন্দ্র ছিল ইয়ারাকুয়ি অঙ্গরাজ্যের সান ফেলিপে। এর ৩৯ সেকেন্ড পর আরও শক্তিশালী একটি ভূমিকম্প হয়, যার মাত্রা ছিল ৭.৫। দ্বিতীয় ভূমিকম্পটির কেন্দ্র ভেনেজুয়েলার ইউমারে শহর থেকে প্রায় ২৩ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থিত।
ভূমিকম্পের সময় মেদিনা প্রায় ১৪ মাইল (২৩ কিলোমিটার) দূরের শহর নাইগুয়াতাতে ছিলেন। পরে স্বজনদের সঙ্গে নিয়ে নিখোঁজ মা ও ভাইয়ের সন্ধানে ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন।
তিনি বলেন, ‘ওখানেও কেঁপে উঠেছিল, কিন্তু আমি জানতাম না যে এটা এতটা শক্তিশালী ছিল। স্বজনরা যখন বাড়ির ভেতরে থাকে, তখন এমন পরিস্থিতির সম্মুখীন হওয়া সত্যিই ভীতিকর।
মেদেনির মতো আরও অনেকেই ধ্বংসস্তূপের সামনে রয়েছেন। তারাও তাদের প্রিয়জনকে খুঁজে বের করার চেষ্টা করছেন।
ভেনিজুয়েলায় আঘাত হানা দুটি শক্তিশালী ভূমিকম্পে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৯২০ জনে দাঁড়িয়েছে। জীবিতদের উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। জাতিসংঘ অনুমান করেছে, এখনও ৫০ হাজারেরও বেশি মানুষ নিখোঁজ রয়েছে।
এদিকে দেশটির ইতিহাসে অন্যতম ভয়াবহ এই ভূমিকম্পে ভেনেজুয়েলা সরকার বড় পরিসরে উদ্ধার অভিযান শুরু করেছে। শুক্রবার থেকে আন্তর্জাতিক উদ্ধারকারী দল এতে যোগ দিতে শুরু করেছে। তবে অভিযোগ উঠেছে, কয়েকটি এলাকায় পর্যাপ্ত জনবল নেই, এজন্য উদ্ধারকাজ ধীরগতিতে চলছে।
উপকূলীয় কাতিয়া লা মার এলাকায় স্থানীয় বাসিন্দাদের ধ্বংসাবশেষ সরাতে সাহায্য করার জন্য সাধারণ মানুষকে কোদাল ও বেলচা নিয়ে এগিয়ে আসার আহ্বান জানানো হয়েছে।
এর আগে, সাইমন বলিভার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এলাকায় ভূমিকম্পে ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত স্থানে উদ্ধার অভিযান পুনরায় শুরু হতে বিলম্ব হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন বাসিন্দারা। ধ্বংসস্তূপ থেকে নিহতদের মরদেহ উদ্ধারের জন্যও সাহায্যের আবেদন জানানো হয়েছে।
সূত্র: সিএনএন

ভূমিকম্পে ধ্বংসস্তূপে বেলচা-কোদাল হাতে স্বজন খোঁজার চেষ্টা
সিজেডএন ডেস্ক

একটি বেলচা, দস্তানা এবং একটি কোদাল নিয়ে লা গুয়াইরায় ধ্বংসস্তূপের মধ্যে খোঁড়াখুঁড়ি করছিলেন সাইমন মেদিনা। এই আশায় যে তিনি তার মা ও ভাইকে খুঁজে পাবেন। ভেনেজুয়েলায় জোড়া ভূমিকম্প আঘাত হানার সময় একটি অ্যাপার্টমেন্ট ভবনে তারা।
শুক্রবার (২৬ জুন) ধ্বংসস্তূপের মধ্যে খোঁজাখুঁজি করতে করতে তিনি বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে বলেন, কী ঘটেছিল তা জানার জন্য আমরা যেকোনো কিছু খুঁজে পাওয়ার চেষ্টা করছি। কোনো ছোট অংশ কিংবা তাদের কোনো জিনিসপত্র বা কাগজপত্র পেলেও আমাদের জন্য অনেক।
বুধবার (২৪ জুন) স্থানীয় সময় সন্ধ্যায় ভেনেজুয়েলায় দুটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হানে। যুক্তরাষ্ট্রের জিওলজিক্যাল সার্ভে জানিয়েছে, প্রথম আঘাত হানা ভূমিকম্পটির মাত্রা ছিল ৭.২। এর কেন্দ্র ছিল ইয়ারাকুয়ি অঙ্গরাজ্যের সান ফেলিপে। এর ৩৯ সেকেন্ড পর আরও শক্তিশালী একটি ভূমিকম্প হয়, যার মাত্রা ছিল ৭.৫। দ্বিতীয় ভূমিকম্পটির কেন্দ্র ভেনেজুয়েলার ইউমারে শহর থেকে প্রায় ২৩ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থিত।
ভূমিকম্পের সময় মেদিনা প্রায় ১৪ মাইল (২৩ কিলোমিটার) দূরের শহর নাইগুয়াতাতে ছিলেন। পরে স্বজনদের সঙ্গে নিয়ে নিখোঁজ মা ও ভাইয়ের সন্ধানে ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন।
তিনি বলেন, ‘ওখানেও কেঁপে উঠেছিল, কিন্তু আমি জানতাম না যে এটা এতটা শক্তিশালী ছিল। স্বজনরা যখন বাড়ির ভেতরে থাকে, তখন এমন পরিস্থিতির সম্মুখীন হওয়া সত্যিই ভীতিকর।
মেদেনির মতো আরও অনেকেই ধ্বংসস্তূপের সামনে রয়েছেন। তারাও তাদের প্রিয়জনকে খুঁজে বের করার চেষ্টা করছেন।
ভেনিজুয়েলায় আঘাত হানা দুটি শক্তিশালী ভূমিকম্পে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৯২০ জনে দাঁড়িয়েছে। জীবিতদের উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। জাতিসংঘ অনুমান করেছে, এখনও ৫০ হাজারেরও বেশি মানুষ নিখোঁজ রয়েছে।
এদিকে দেশটির ইতিহাসে অন্যতম ভয়াবহ এই ভূমিকম্পে ভেনেজুয়েলা সরকার বড় পরিসরে উদ্ধার অভিযান শুরু করেছে। শুক্রবার থেকে আন্তর্জাতিক উদ্ধারকারী দল এতে যোগ দিতে শুরু করেছে। তবে অভিযোগ উঠেছে, কয়েকটি এলাকায় পর্যাপ্ত জনবল নেই, এজন্য উদ্ধারকাজ ধীরগতিতে চলছে।
উপকূলীয় কাতিয়া লা মার এলাকায় স্থানীয় বাসিন্দাদের ধ্বংসাবশেষ সরাতে সাহায্য করার জন্য সাধারণ মানুষকে কোদাল ও বেলচা নিয়ে এগিয়ে আসার আহ্বান জানানো হয়েছে।
এর আগে, সাইমন বলিভার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এলাকায় ভূমিকম্পে ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত স্থানে উদ্ধার অভিযান পুনরায় শুরু হতে বিলম্ব হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন বাসিন্দারা। ধ্বংসস্তূপ থেকে নিহতদের মরদেহ উদ্ধারের জন্যও সাহায্যের আবেদন জানানো হয়েছে।
সূত্র: সিএনএন

ভেনেজুয়েলায় ভূমিকম্পে নিখোঁজ ৫০ হাজার
ভেনেজুয়েলায় ভূমিকম্পে ৪ ফুবলার নিহত

