শিরোনাম

এটাই আমার টেস্ট কোচিং ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বড় জয়: সিমন্স

সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক
এটাই আমার টেস্ট কোচিং ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বড় জয়: সিমন্স
বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের প্রধান কোচ ফিল সিমন্স

অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে স্বাগতিকদের হারিয়ে এক অবিশ্বাস্য গল্প লিখেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। আর ঐতিহাসিক এ জয়কে নিজের টেস্ট কোচিং ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বড় সাফল্য হিসেবে মন্তব্য করছেন টাইগারদের প্রধান কোচ ফিল সিমন্স।

২০২৪ সালে পাকিস্তানের মাটিতে স্বাগতিকদের ২-০ ব্যবধানে হারিয়ে টেস্টে ইতিহাস গড়েছিল বাংলাদেশ। সেই সিরিজ জয়ের পরপরই দলের দায়িত্ব নেন সিমন্স। এরপর ঘরের মাঠেও সাফল্য ধরে রাখে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। তবে ক্যাঙ্গারুর দেশে এসে পাওয়া এ জয় আগের সবকিছুকে ছাড়িয়ে গেছে বলে মনে করেন তিনি। সম্প্রতি ভারতীয় ক্রীড়া সংবাদমাধ্যম ‘রেভস্পোর্টজ’কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে নিজের উচ্ছ্বাস ব্যক্ত করেন এ ক্যারিবীয় কোচ।

সিমন্স জানান, অস্ট্রেলিয়াকে তাদের মাটিতে হারানো বাংলাদেশের ক্রিকেট ইতিহাসের অন্যতম বড় মুহূর্ত। তার মতে, অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে অস্ট্রেলিয়াকে হারানো যেকোনো দলের জন্যই বড় অর্জন। কারণ সেখানে স্বাগতিকদের হারানো অত্যন্ত কঠিন। তিনি মনে করেন, গত এক-দুই বছরে বাংলাদেশ টেস্ট দল ধাপে ধাপে নিজেদের শক্ত ভিতের ওপর দাঁড় করিয়েছে এবং সেই ধারাবাহিক পারফরম্যান্স থেকেই দলে এই জয়ের বিশ্বাস তৈরি হয়েছে।

সাম্প্রতিক সময়ের ইতিবাচক মানসিকতাই অজিদের বিপক্ষে সাহসের সঙ্গে লড়াই করার রসদ জুগিয়েছে। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে একটি টেস্টে কিছুটা হোঁচট খেলেও, সামগ্রিকভাবে দল চমৎকার ক্রিকেট খেলেছে। মূল ম্যাচের আগে প্রস্তুতি ম্যাচে দল প্রত্যাশামতো খেলতে পারেনি, অলআউট হয়েছিল মাত্র ৫৪ রানে। তবে সেখান থেকে পাওয়া শিক্ষাই আসল লড়াইয়ে দারুণ কাজে এসেছে।

টাইগারদের পেস আক্রমণের প্রশংসা করে সিমন্স বলেন, চোটের কারণে গতি তারকা নাহিদ রানাকে স্কোয়াডে মিস করলেও অন্য তিন পেসার সেই ঘাটতি বুঝতেই দেননি। পুরো ম্যাচে তারা অত্যন্ত শৃঙ্খলাবদ্ধ ও নিখুঁত বোলিং করে প্রতিপক্ষকে চাপে রেখেছেন।

ব্যক্তিগতভাবে এ জয় তার কাছে কতটা বিশেষ, সে কথা ড্রেসিংরুমে শিষ্যদেরও খোলাসা করেছেন সিমন্স। তিনি জানান, ক্যারিয়ারে ওয়েস্ট ইন্ডিজের কোচ হয়েও অস্ট্রেলিয়া সফরে এসে স্বাগতিকদের হারাতে পারেননি। তাই সব মিলিয়ে বাংলাদেশের এ জয়টিই তার টেস্ট কোচিং ক্যারিয়ারের সেরা মুহূর্ত হয়ে থাকবে।

/এমএকে/