টানা তিন শূন্যে অনাকাঙ্ক্ষিত রেকর্ড গড়া অভিষেকের সমস্যা ‘মানসিক’

টানা তিন শূন্যে অনাকাঙ্ক্ষিত রেকর্ড গড়া অভিষেকের সমস্যা ‘মানসিক’
সিটিজেন স্পোর্টস ডেস্ক

‘টানা তিন শূন্য…কেউ কি বিশ্বাস করবেন…’, অভিষেক শর্মা আউট হতেই ধারাভাষ্যকার কক্ষে এমন কথা বললেন নাসের হুসেইন। চলমান টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে শূন্য রানে আউট হন অভিষেক। তাতে টি-টোয়েন্টি র্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষে থাকা এই ব্যাটসম্যান টানা তিন ম্যাচে শূন্য রানে ফিরলেন।
সাবেক ইংল্যান্ড অধিনায়ক নাসির হুসেইনের মতে, এই শূন্যের বলয় থেকে বের হতে মানসিকভাবে চাঙা হয়ে উঠতে হবে ভারতীয় ওপেনারকে।
এবারের বিশ্বকাপ শুরুর আগে সবচেয়ে আলোচিত ব্যাটসম্যানদের একজন ছিলেন অভিষেক। এবার তিনি বিশ্বমঞ্চে ঝড় তুলবেন বলেই ধারণা করা হচ্ছিলো। তবে তিন শূন্যের পর অনেকেই করছেন সমালোচনা।
ভারত-নেদারল্যান্ডস ম্যাচের পর আইসিসি ডিজিটালে আলোচনায় নাসের হুসেইন বলেন, ‘আমার মনে হয়, তিন শূন্যের ব্যাপারটি অবশ্য মানসিক। ১০, ১৫, ২০ করে আউট হলে বলা যায়, ‘ওকে, ঠিক আছে।’ কিন্তু সে যে অবস্থায় ছিল, সেখান থেকে তিনটি শূন্য মানে এত বেশি পতন! সে বলে টানা হিট করে যেতে পারে।’
তবে অভিষেকের পাশে দাঁড়ালেন নাসের হুসেইন। তিনি বলেন, ‘এখন প্রয়োজন তার একটু পিঠ চাপড়ে দেওয়া, এমনকি প্রয়োজন পড়লে আগামী দিন দুয়েক কেউ তার রুমে গিয়ে ভিডিও ছেড়ে দেওয়া। দলের অ্যানালিস্টকে বলা হোক তার সব ভালো ইনিংসের ভিডিও তাকে পাঠাতে, প্রচুর আছে এমন ইনিংস। এরপর দুই দিন ঘরে বসে ভিডিও দেখে নিজেকে মনে করিয়ে দিক, সে কত ভালো ব্যাটসম্যান, কত ভালো শট খেলতে পারে। এভাবে নিজের মানসিক অবস্থা ভালো জায়গায় আসতে পারে।’
অভিষেক প্রথম ম্যাচে প্রথম বলে আউট হন কাভারের ওপর দিয়ে ছক্কা মারার চেষ্টায়। পরের ম্যাচে খেলতে পারেননি পেটের সমস্যায়। পাকিস্তানের বিপক্ষে একাদশে ফিরে সালমান আগার বল তুলে মারার চেষ্টায় ধরা পড়েন তিনি মিড অনে। ডাচদের বিপক্ষেও রানে ফেরা হয়নি তার। ভারতীয় বংশোদ্ভুত অফ স্পিনার আরিয়ান দত্তর বলে বোল্ড হন।
আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে ওপেনারদের মধ্যে এক বছরে সর্বোচ্চবার শূন্য রানে আউট হওয়ার রেকর্ড আপাতত পাকিস্তানি ওপেনার সাইম আইয়ুবের দখলে। গত বছর ২৫ ইনিংসে ওপেন করে ৬ বার শূন্য রানে আউট হন সাইম। এই সংস্করণে ওপেনারদের মধ্যে এক বছরে এটি সবচেয়ে বেশিবার শূন্য রানে আউট হওয়ার রেকর্ড। টেস্ট খেলুড়ে দলগুলোর মধ্যে এ তালিকায় যৌথভাবে দ্বিতীয় ভারতের অভিষেক ও বাংলাদেশের পারভেজ হোসেন ইমন।
গত বছর ২১ ইনিংসে ওপেন ৫ বার শূন্য রানে আউট হন পারভেজ। আর অভিষেক এ বছর মাত্র ৮ ইনিংসে ৫ বার আউট হয়েছেন শূন্য রানে।
সহযোগী দেশগুলোর ওপেনারদের বিবেচনায় নিলে এক বছরে ৫ বার শূন্য রানে আউট হয়েছেন আরও তিনজন-নেপালের কুশল ভুরতেল, থাইল্যান্ডের চালোমেং চ্যাটফিয়াসন ও ইন্দোনেশিয়ার ধর্ম কেশুমা।
সব পজিশনের ব্যাটসম্যান মিলিয়ে এক বছরে সর্বোচ্চবার শূন্য রানে আউট হওয়ার রেকর্ড যৌথভাবে তিনজনের- রুয়ান্ডার জ্যাপি বিমিয়েনইয়ামিনা, অর্চাইড তুয়েসিঙ্গে ও পাকিস্তানের সাইমের। তিনজনই এক বছরে সর্বোচ্চ ৭ বার করে শূন্য রানে আউট হয়েছেন।
রবিবার দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে সুপার এইট শুরু করবে ভারত।

‘টানা তিন শূন্য…কেউ কি বিশ্বাস করবেন…’, অভিষেক শর্মা আউট হতেই ধারাভাষ্যকার কক্ষে এমন কথা বললেন নাসের হুসেইন। চলমান টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে শূন্য রানে আউট হন অভিষেক। তাতে টি-টোয়েন্টি র্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষে থাকা এই ব্যাটসম্যান টানা তিন ম্যাচে শূন্য রানে ফিরলেন।
সাবেক ইংল্যান্ড অধিনায়ক নাসির হুসেইনের মতে, এই শূন্যের বলয় থেকে বের হতে মানসিকভাবে চাঙা হয়ে উঠতে হবে ভারতীয় ওপেনারকে।
এবারের বিশ্বকাপ শুরুর আগে সবচেয়ে আলোচিত ব্যাটসম্যানদের একজন ছিলেন অভিষেক। এবার তিনি বিশ্বমঞ্চে ঝড় তুলবেন বলেই ধারণা করা হচ্ছিলো। তবে তিন শূন্যের পর অনেকেই করছেন সমালোচনা।
ভারত-নেদারল্যান্ডস ম্যাচের পর আইসিসি ডিজিটালে আলোচনায় নাসের হুসেইন বলেন, ‘আমার মনে হয়, তিন শূন্যের ব্যাপারটি অবশ্য মানসিক। ১০, ১৫, ২০ করে আউট হলে বলা যায়, ‘ওকে, ঠিক আছে।’ কিন্তু সে যে অবস্থায় ছিল, সেখান থেকে তিনটি শূন্য মানে এত বেশি পতন! সে বলে টানা হিট করে যেতে পারে।’
তবে অভিষেকের পাশে দাঁড়ালেন নাসের হুসেইন। তিনি বলেন, ‘এখন প্রয়োজন তার একটু পিঠ চাপড়ে দেওয়া, এমনকি প্রয়োজন পড়লে আগামী দিন দুয়েক কেউ তার রুমে গিয়ে ভিডিও ছেড়ে দেওয়া। দলের অ্যানালিস্টকে বলা হোক তার সব ভালো ইনিংসের ভিডিও তাকে পাঠাতে, প্রচুর আছে এমন ইনিংস। এরপর দুই দিন ঘরে বসে ভিডিও দেখে নিজেকে মনে করিয়ে দিক, সে কত ভালো ব্যাটসম্যান, কত ভালো শট খেলতে পারে। এভাবে নিজের মানসিক অবস্থা ভালো জায়গায় আসতে পারে।’
অভিষেক প্রথম ম্যাচে প্রথম বলে আউট হন কাভারের ওপর দিয়ে ছক্কা মারার চেষ্টায়। পরের ম্যাচে খেলতে পারেননি পেটের সমস্যায়। পাকিস্তানের বিপক্ষে একাদশে ফিরে সালমান আগার বল তুলে মারার চেষ্টায় ধরা পড়েন তিনি মিড অনে। ডাচদের বিপক্ষেও রানে ফেরা হয়নি তার। ভারতীয় বংশোদ্ভুত অফ স্পিনার আরিয়ান দত্তর বলে বোল্ড হন।
আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে ওপেনারদের মধ্যে এক বছরে সর্বোচ্চবার শূন্য রানে আউট হওয়ার রেকর্ড আপাতত পাকিস্তানি ওপেনার সাইম আইয়ুবের দখলে। গত বছর ২৫ ইনিংসে ওপেন করে ৬ বার শূন্য রানে আউট হন সাইম। এই সংস্করণে ওপেনারদের মধ্যে এক বছরে এটি সবচেয়ে বেশিবার শূন্য রানে আউট হওয়ার রেকর্ড। টেস্ট খেলুড়ে দলগুলোর মধ্যে এ তালিকায় যৌথভাবে দ্বিতীয় ভারতের অভিষেক ও বাংলাদেশের পারভেজ হোসেন ইমন।
গত বছর ২১ ইনিংসে ওপেন ৫ বার শূন্য রানে আউট হন পারভেজ। আর অভিষেক এ বছর মাত্র ৮ ইনিংসে ৫ বার আউট হয়েছেন শূন্য রানে।
সহযোগী দেশগুলোর ওপেনারদের বিবেচনায় নিলে এক বছরে ৫ বার শূন্য রানে আউট হয়েছেন আরও তিনজন-নেপালের কুশল ভুরতেল, থাইল্যান্ডের চালোমেং চ্যাটফিয়াসন ও ইন্দোনেশিয়ার ধর্ম কেশুমা।
সব পজিশনের ব্যাটসম্যান মিলিয়ে এক বছরে সর্বোচ্চবার শূন্য রানে আউট হওয়ার রেকর্ড যৌথভাবে তিনজনের- রুয়ান্ডার জ্যাপি বিমিয়েনইয়ামিনা, অর্চাইড তুয়েসিঙ্গে ও পাকিস্তানের সাইমের। তিনজনই এক বছরে সর্বোচ্চ ৭ বার করে শূন্য রানে আউট হয়েছেন।
রবিবার দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে সুপার এইট শুরু করবে ভারত।

টানা তিন শূন্যে অনাকাঙ্ক্ষিত রেকর্ড গড়া অভিষেকের সমস্যা ‘মানসিক’
সিটিজেন স্পোর্টস ডেস্ক

‘টানা তিন শূন্য…কেউ কি বিশ্বাস করবেন…’, অভিষেক শর্মা আউট হতেই ধারাভাষ্যকার কক্ষে এমন কথা বললেন নাসের হুসেইন। চলমান টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে শূন্য রানে আউট হন অভিষেক। তাতে টি-টোয়েন্টি র্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষে থাকা এই ব্যাটসম্যান টানা তিন ম্যাচে শূন্য রানে ফিরলেন।
সাবেক ইংল্যান্ড অধিনায়ক নাসির হুসেইনের মতে, এই শূন্যের বলয় থেকে বের হতে মানসিকভাবে চাঙা হয়ে উঠতে হবে ভারতীয় ওপেনারকে।
এবারের বিশ্বকাপ শুরুর আগে সবচেয়ে আলোচিত ব্যাটসম্যানদের একজন ছিলেন অভিষেক। এবার তিনি বিশ্বমঞ্চে ঝড় তুলবেন বলেই ধারণা করা হচ্ছিলো। তবে তিন শূন্যের পর অনেকেই করছেন সমালোচনা।
ভারত-নেদারল্যান্ডস ম্যাচের পর আইসিসি ডিজিটালে আলোচনায় নাসের হুসেইন বলেন, ‘আমার মনে হয়, তিন শূন্যের ব্যাপারটি অবশ্য মানসিক। ১০, ১৫, ২০ করে আউট হলে বলা যায়, ‘ওকে, ঠিক আছে।’ কিন্তু সে যে অবস্থায় ছিল, সেখান থেকে তিনটি শূন্য মানে এত বেশি পতন! সে বলে টানা হিট করে যেতে পারে।’
তবে অভিষেকের পাশে দাঁড়ালেন নাসের হুসেইন। তিনি বলেন, ‘এখন প্রয়োজন তার একটু পিঠ চাপড়ে দেওয়া, এমনকি প্রয়োজন পড়লে আগামী দিন দুয়েক কেউ তার রুমে গিয়ে ভিডিও ছেড়ে দেওয়া। দলের অ্যানালিস্টকে বলা হোক তার সব ভালো ইনিংসের ভিডিও তাকে পাঠাতে, প্রচুর আছে এমন ইনিংস। এরপর দুই দিন ঘরে বসে ভিডিও দেখে নিজেকে মনে করিয়ে দিক, সে কত ভালো ব্যাটসম্যান, কত ভালো শট খেলতে পারে। এভাবে নিজের মানসিক অবস্থা ভালো জায়গায় আসতে পারে।’
অভিষেক প্রথম ম্যাচে প্রথম বলে আউট হন কাভারের ওপর দিয়ে ছক্কা মারার চেষ্টায়। পরের ম্যাচে খেলতে পারেননি পেটের সমস্যায়। পাকিস্তানের বিপক্ষে একাদশে ফিরে সালমান আগার বল তুলে মারার চেষ্টায় ধরা পড়েন তিনি মিড অনে। ডাচদের বিপক্ষেও রানে ফেরা হয়নি তার। ভারতীয় বংশোদ্ভুত অফ স্পিনার আরিয়ান দত্তর বলে বোল্ড হন।
আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে ওপেনারদের মধ্যে এক বছরে সর্বোচ্চবার শূন্য রানে আউট হওয়ার রেকর্ড আপাতত পাকিস্তানি ওপেনার সাইম আইয়ুবের দখলে। গত বছর ২৫ ইনিংসে ওপেন করে ৬ বার শূন্য রানে আউট হন সাইম। এই সংস্করণে ওপেনারদের মধ্যে এক বছরে এটি সবচেয়ে বেশিবার শূন্য রানে আউট হওয়ার রেকর্ড। টেস্ট খেলুড়ে দলগুলোর মধ্যে এ তালিকায় যৌথভাবে দ্বিতীয় ভারতের অভিষেক ও বাংলাদেশের পারভেজ হোসেন ইমন।
গত বছর ২১ ইনিংসে ওপেন ৫ বার শূন্য রানে আউট হন পারভেজ। আর অভিষেক এ বছর মাত্র ৮ ইনিংসে ৫ বার আউট হয়েছেন শূন্য রানে।
সহযোগী দেশগুলোর ওপেনারদের বিবেচনায় নিলে এক বছরে ৫ বার শূন্য রানে আউট হয়েছেন আরও তিনজন-নেপালের কুশল ভুরতেল, থাইল্যান্ডের চালোমেং চ্যাটফিয়াসন ও ইন্দোনেশিয়ার ধর্ম কেশুমা।
সব পজিশনের ব্যাটসম্যান মিলিয়ে এক বছরে সর্বোচ্চবার শূন্য রানে আউট হওয়ার রেকর্ড যৌথভাবে তিনজনের- রুয়ান্ডার জ্যাপি বিমিয়েনইয়ামিনা, অর্চাইড তুয়েসিঙ্গে ও পাকিস্তানের সাইমের। তিনজনই এক বছরে সর্বোচ্চ ৭ বার করে শূন্য রানে আউট হয়েছেন।
রবিবার দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে সুপার এইট শুরু করবে ভারত।




