সৈকতে খোলা আকাশের নিচে পরীক্ষা দিচ্ছেন ফিলিস্তিনি শিক্ষার্থীরা

সৈকতে খোলা আকাশের নিচে পরীক্ষা দিচ্ছেন ফিলিস্তিনি শিক্ষার্থীরা
সিটিজেন ডেস্ক

যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজার খান ইউনেস সমুদ্র সৈকতে খোলা আকাশের নিচে তাওজিহি (উচ্চ মাধ্যমিক) পরীক্ষা দিচ্ছে গৃহহীন ফিলিস্তিনি শরণার্থী শিক্ষার্থীরা।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এমন কিছু ছবি ভাইরাল হয়েছে। সেখানে দেখা গেছে প্লাস্টিকের চেয়ারে বসে কোলের ওপর খাতা রেখে পরীক্ষা দিচ্ছেন শিক্ষার্থীরা।
এমন একটি ছবি শেয়ার করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একটি পোস্ট দিয়েছেন লেখক ও অ্যাক্টিভিস্ট মোজাম্মেল হোসেন ত্বোহা। পোস্টে তিনি লেখেন, ‘গাজার খান ইউনেস সমুদ্র সৈকতে প্লাস্টিকের চেয়ারে বসে কোলের ওপর খাতা রেখে তাওজিহি (উচ্চ মাধ্যমিক) পরীক্ষা দিচ্ছে গৃহহীন ফিলিস্তিনি শরণার্থী শিক্ষার্থীরা। এদের অধিকাংশেরই স্থায়ী কোনো থাকার জায়গা নাই। গত দুই বছরে তারা বাড়িঘর, আত্মীয়-স্বজন সব হারিয়েছে। তারা রাত কাটায় খান ইউনেসের শরণার্থী শিবিরের অস্থায়ী তাঁবুগুলোতে।
কিন্তু তারপরও তাদের জীবন থেমে থাকেনি। গত দুই বছর ধরে এরকম ছবি এবং ভিডিও আমরা অনেক দেখেছি। এই গণহত্যার মধ্য দিয়েও তারা পড়াশোনা করেছে।
অনেকে কুরআন হিফয করেছে। অনেকে প্রাথমিক, উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা দিয়েছে। রমযান এবং ঈদ উপলক্ষে কাপড়ের তাবুগুলোকেও আলোকসজ্জায় সজ্জিত করেছে।
গাযার প্রশাসনও এক বিস্ময়। এই গণহত্যার পরেও তারা ঘুরে দাঁড়াতে সময় নেয়নি। অপ্রতিরোধ্য এক জাতি। শোকর এবং সবরের জ্বলন্ত উদাহরণ।’
উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজায় হামলা চালিয়ে যাচ্ছে দখলদার ইসরায়েল। তাদের হামলায় এখন পর্যন্ত ৭২ হাজারের অধিক ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। এছাড়া আহত হয়েছেন ১ লাখ ৭০ হাজারের অধিক ফিলিস্তিনি। হামলায় পুরো গাজা ধ্বংসস্তুপে পরিণত হয়েছে।

যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজার খান ইউনেস সমুদ্র সৈকতে খোলা আকাশের নিচে তাওজিহি (উচ্চ মাধ্যমিক) পরীক্ষা দিচ্ছে গৃহহীন ফিলিস্তিনি শরণার্থী শিক্ষার্থীরা।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এমন কিছু ছবি ভাইরাল হয়েছে। সেখানে দেখা গেছে প্লাস্টিকের চেয়ারে বসে কোলের ওপর খাতা রেখে পরীক্ষা দিচ্ছেন শিক্ষার্থীরা।
এমন একটি ছবি শেয়ার করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একটি পোস্ট দিয়েছেন লেখক ও অ্যাক্টিভিস্ট মোজাম্মেল হোসেন ত্বোহা। পোস্টে তিনি লেখেন, ‘গাজার খান ইউনেস সমুদ্র সৈকতে প্লাস্টিকের চেয়ারে বসে কোলের ওপর খাতা রেখে তাওজিহি (উচ্চ মাধ্যমিক) পরীক্ষা দিচ্ছে গৃহহীন ফিলিস্তিনি শরণার্থী শিক্ষার্থীরা। এদের অধিকাংশেরই স্থায়ী কোনো থাকার জায়গা নাই। গত দুই বছরে তারা বাড়িঘর, আত্মীয়-স্বজন সব হারিয়েছে। তারা রাত কাটায় খান ইউনেসের শরণার্থী শিবিরের অস্থায়ী তাঁবুগুলোতে।
কিন্তু তারপরও তাদের জীবন থেমে থাকেনি। গত দুই বছর ধরে এরকম ছবি এবং ভিডিও আমরা অনেক দেখেছি। এই গণহত্যার মধ্য দিয়েও তারা পড়াশোনা করেছে।
অনেকে কুরআন হিফয করেছে। অনেকে প্রাথমিক, উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা দিয়েছে। রমযান এবং ঈদ উপলক্ষে কাপড়ের তাবুগুলোকেও আলোকসজ্জায় সজ্জিত করেছে।
গাযার প্রশাসনও এক বিস্ময়। এই গণহত্যার পরেও তারা ঘুরে দাঁড়াতে সময় নেয়নি। অপ্রতিরোধ্য এক জাতি। শোকর এবং সবরের জ্বলন্ত উদাহরণ।’
উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজায় হামলা চালিয়ে যাচ্ছে দখলদার ইসরায়েল। তাদের হামলায় এখন পর্যন্ত ৭২ হাজারের অধিক ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। এছাড়া আহত হয়েছেন ১ লাখ ৭০ হাজারের অধিক ফিলিস্তিনি। হামলায় পুরো গাজা ধ্বংসস্তুপে পরিণত হয়েছে।

সৈকতে খোলা আকাশের নিচে পরীক্ষা দিচ্ছেন ফিলিস্তিনি শিক্ষার্থীরা
সিটিজেন ডেস্ক

যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজার খান ইউনেস সমুদ্র সৈকতে খোলা আকাশের নিচে তাওজিহি (উচ্চ মাধ্যমিক) পরীক্ষা দিচ্ছে গৃহহীন ফিলিস্তিনি শরণার্থী শিক্ষার্থীরা।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এমন কিছু ছবি ভাইরাল হয়েছে। সেখানে দেখা গেছে প্লাস্টিকের চেয়ারে বসে কোলের ওপর খাতা রেখে পরীক্ষা দিচ্ছেন শিক্ষার্থীরা।
এমন একটি ছবি শেয়ার করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একটি পোস্ট দিয়েছেন লেখক ও অ্যাক্টিভিস্ট মোজাম্মেল হোসেন ত্বোহা। পোস্টে তিনি লেখেন, ‘গাজার খান ইউনেস সমুদ্র সৈকতে প্লাস্টিকের চেয়ারে বসে কোলের ওপর খাতা রেখে তাওজিহি (উচ্চ মাধ্যমিক) পরীক্ষা দিচ্ছে গৃহহীন ফিলিস্তিনি শরণার্থী শিক্ষার্থীরা। এদের অধিকাংশেরই স্থায়ী কোনো থাকার জায়গা নাই। গত দুই বছরে তারা বাড়িঘর, আত্মীয়-স্বজন সব হারিয়েছে। তারা রাত কাটায় খান ইউনেসের শরণার্থী শিবিরের অস্থায়ী তাঁবুগুলোতে।
কিন্তু তারপরও তাদের জীবন থেমে থাকেনি। গত দুই বছর ধরে এরকম ছবি এবং ভিডিও আমরা অনেক দেখেছি। এই গণহত্যার মধ্য দিয়েও তারা পড়াশোনা করেছে।
অনেকে কুরআন হিফয করেছে। অনেকে প্রাথমিক, উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা দিয়েছে। রমযান এবং ঈদ উপলক্ষে কাপড়ের তাবুগুলোকেও আলোকসজ্জায় সজ্জিত করেছে।
গাযার প্রশাসনও এক বিস্ময়। এই গণহত্যার পরেও তারা ঘুরে দাঁড়াতে সময় নেয়নি। অপ্রতিরোধ্য এক জাতি। শোকর এবং সবরের জ্বলন্ত উদাহরণ।’
উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজায় হামলা চালিয়ে যাচ্ছে দখলদার ইসরায়েল। তাদের হামলায় এখন পর্যন্ত ৭২ হাজারের অধিক ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। এছাড়া আহত হয়েছেন ১ লাখ ৭০ হাজারের অধিক ফিলিস্তিনি। হামলায় পুরো গাজা ধ্বংসস্তুপে পরিণত হয়েছে।




