জামাতে নামাজ পড়লে যে সওয়াব মেলে

জামাতে নামাজ পড়লে যে সওয়াব মেলে
সিজেডএন ডেস্ক

নামাজ মুমিনের দেহ-মনে প্রশান্তি ও পবিত্রতার পরশ বুলিয়ে চোখের শীতলতা এনে দেয়। নিয়মিত জামাতে নামাজ আদায় করলে ব্যক্তিকে পার্থিব-পরকালে অফুরন্ত নেয়ামত ও কল্যাণের অংশীদার বানায়।
আল্লাহতায়ালা বলেন, ‘তোমরা নামাজ কায়েম করো, জাকাত আদায় করো এবং রুকুকারীদের সঙ্গে রুকু করো।' (সুরা বাকারা: ৪৩)। আয়াতের শেষাংশে জামাতের সঙ্গে নামাজ পড়ার ব্যাপারে গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। অন্যদিকে রাসুল (সা.) বলেছেন, 'যার হাতে আমার প্রাণ, তার শপথ! আমার ইচ্ছা হয়, জ্বালানি কাঠ সংগ্রহ করতে আদেশ দিই, অতঃপর নামাজ আদায়ের আদেশ দিই, তারপর নামাজের আজান দেওয়া হলে এক ব্যক্তিকে লোকদের ইমামতি করার নির্দেশ দিই। অতঃপর আমি ওই লোকদের কাছে যাই এবং তাদের (যারা নামাজে শামিল হয়নি) ঘর জ্বালিয়ে দিই।’ (মুসলিম : ৬৫১)।
মহান আল্লাহ নামাজের মধ্যে বান্দার জন্য অতীত গুনাহ মাফ, সওয়াব অর্জন ও মর্যাদা বৃদ্ধির অবারিত সুযোগ রেখে দিয়েছেন। আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, 'আমি কি তোমাদের এমন বস্তুর সন্ধান দেব না, যা দ্বারা আল্লাহ তায়ালা গুনাহগুলো ক্ষমা এবং মর্যাদা বৃদ্ধি করবেন? তা হলো- কষ্টকর অবস্থায়ও পূর্ণরূপে ওজু করা, মসজিদের দিকে অধিক পদচারণা এবং এক নামাজের পর অন্য নামাজের অপেক্ষা করা। এটি রিবাত (এতে ইসলামী রাষ্ট্রের সীমানা পাহারা দেওয়ার ন্যায় সওয়াব রয়েছে)। এ কথা তিনি তিনবার বলেন।' (মুসলিম : ২৫১)।
রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘একাকী নামাজ আদায়ের চেয়ে ইমামের সঙ্গে জামাতে নামাজ আদায়ের ফজিলত ২৫ গুণ বেশি।' (বোখারি : ৬৪৬)। আরেক হাদিসে বলেছেন, 'জামাতে নামাজ আদায়ের ফজিলত একাকী নামাজের চেয়ে ২৭ সাতাশ গুণ বেশি।’ (মুসলিম : ৬৫০)।
সাধারণত ইমামের পেছনে জামাতে নামাজ আদায়ের কারণে মসজিদের সঙ্গে ব্যক্তির আলাদা একটা সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এমন ব্যক্তি সম্পর্কে নবীজি বলেছেন, ‘যেদিন আল্লাহর আরশের ছায়া ব্যতীত কোনো ছায়া থাকবে না, সেদিন আল্লাহ তায়ালা ৭ শ্রেণির মানুষকে সেই ছায়ায় আশ্রয় দেবেন। তন্মধ্যে একশ্রেণি হচ্ছে, যাদের অন্তরের সম্পর্ক সর্বদা মসজিদের সঙ্গে লেগে থাকে।’ (বোখারি : ১৪২৩)।
যথাসময়ে নামাজ আদায় ব্যক্তিকে নেফাকি (দ্বিচারিতা) ও জাহান্নাম থেকে মুক্তির নিশ্চয়তা দেয়। নবীজি (সা.) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি আল্লাহর জন্য চল্লিশ দিন জামাতের সঙ্গে তাকবিরে উলাসহ (তাকবিরে উলা বলা হয়- ইমাম যখন তাকবির দেন, তখন সেও তাকবির দিয়ে তার সঙ্গে নামাজ শুরু করে) নামাজ আদায় করবে, তার জন্য দুটি মুক্তির নিশ্চয়তা লেখা হয়; একটি হলো জাহান্নাম থেকে আর অন্যটি নেফাকি থেকে মুক্তি।’ (তিরমিজি : ২৪১)।
এ ছাড়া সামাজিক সৌহার্দপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তুলতে জামাতে নামাজ আদায়ের ভূমিকা অপরিসীম। নিয়মিত নামাজিদের দেখা-সাক্ষাৎ ও খোঁজখরব নেওয়ার সুযোগ হয়। পারস্পরিক সম্প্রীতির বন্ধন গড়ে ওঠে এবং সাম্য ও বৈষম্যহীন সমাজ বিনির্মাণে ঐক্যবদ্ধ হয়।

নামাজ মুমিনের দেহ-মনে প্রশান্তি ও পবিত্রতার পরশ বুলিয়ে চোখের শীতলতা এনে দেয়। নিয়মিত জামাতে নামাজ আদায় করলে ব্যক্তিকে পার্থিব-পরকালে অফুরন্ত নেয়ামত ও কল্যাণের অংশীদার বানায়।
আল্লাহতায়ালা বলেন, ‘তোমরা নামাজ কায়েম করো, জাকাত আদায় করো এবং রুকুকারীদের সঙ্গে রুকু করো।' (সুরা বাকারা: ৪৩)। আয়াতের শেষাংশে জামাতের সঙ্গে নামাজ পড়ার ব্যাপারে গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। অন্যদিকে রাসুল (সা.) বলেছেন, 'যার হাতে আমার প্রাণ, তার শপথ! আমার ইচ্ছা হয়, জ্বালানি কাঠ সংগ্রহ করতে আদেশ দিই, অতঃপর নামাজ আদায়ের আদেশ দিই, তারপর নামাজের আজান দেওয়া হলে এক ব্যক্তিকে লোকদের ইমামতি করার নির্দেশ দিই। অতঃপর আমি ওই লোকদের কাছে যাই এবং তাদের (যারা নামাজে শামিল হয়নি) ঘর জ্বালিয়ে দিই।’ (মুসলিম : ৬৫১)।
মহান আল্লাহ নামাজের মধ্যে বান্দার জন্য অতীত গুনাহ মাফ, সওয়াব অর্জন ও মর্যাদা বৃদ্ধির অবারিত সুযোগ রেখে দিয়েছেন। আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, 'আমি কি তোমাদের এমন বস্তুর সন্ধান দেব না, যা দ্বারা আল্লাহ তায়ালা গুনাহগুলো ক্ষমা এবং মর্যাদা বৃদ্ধি করবেন? তা হলো- কষ্টকর অবস্থায়ও পূর্ণরূপে ওজু করা, মসজিদের দিকে অধিক পদচারণা এবং এক নামাজের পর অন্য নামাজের অপেক্ষা করা। এটি রিবাত (এতে ইসলামী রাষ্ট্রের সীমানা পাহারা দেওয়ার ন্যায় সওয়াব রয়েছে)। এ কথা তিনি তিনবার বলেন।' (মুসলিম : ২৫১)।
রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘একাকী নামাজ আদায়ের চেয়ে ইমামের সঙ্গে জামাতে নামাজ আদায়ের ফজিলত ২৫ গুণ বেশি।' (বোখারি : ৬৪৬)। আরেক হাদিসে বলেছেন, 'জামাতে নামাজ আদায়ের ফজিলত একাকী নামাজের চেয়ে ২৭ সাতাশ গুণ বেশি।’ (মুসলিম : ৬৫০)।
সাধারণত ইমামের পেছনে জামাতে নামাজ আদায়ের কারণে মসজিদের সঙ্গে ব্যক্তির আলাদা একটা সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এমন ব্যক্তি সম্পর্কে নবীজি বলেছেন, ‘যেদিন আল্লাহর আরশের ছায়া ব্যতীত কোনো ছায়া থাকবে না, সেদিন আল্লাহ তায়ালা ৭ শ্রেণির মানুষকে সেই ছায়ায় আশ্রয় দেবেন। তন্মধ্যে একশ্রেণি হচ্ছে, যাদের অন্তরের সম্পর্ক সর্বদা মসজিদের সঙ্গে লেগে থাকে।’ (বোখারি : ১৪২৩)।
যথাসময়ে নামাজ আদায় ব্যক্তিকে নেফাকি (দ্বিচারিতা) ও জাহান্নাম থেকে মুক্তির নিশ্চয়তা দেয়। নবীজি (সা.) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি আল্লাহর জন্য চল্লিশ দিন জামাতের সঙ্গে তাকবিরে উলাসহ (তাকবিরে উলা বলা হয়- ইমাম যখন তাকবির দেন, তখন সেও তাকবির দিয়ে তার সঙ্গে নামাজ শুরু করে) নামাজ আদায় করবে, তার জন্য দুটি মুক্তির নিশ্চয়তা লেখা হয়; একটি হলো জাহান্নাম থেকে আর অন্যটি নেফাকি থেকে মুক্তি।’ (তিরমিজি : ২৪১)।
এ ছাড়া সামাজিক সৌহার্দপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তুলতে জামাতে নামাজ আদায়ের ভূমিকা অপরিসীম। নিয়মিত নামাজিদের দেখা-সাক্ষাৎ ও খোঁজখরব নেওয়ার সুযোগ হয়। পারস্পরিক সম্প্রীতির বন্ধন গড়ে ওঠে এবং সাম্য ও বৈষম্যহীন সমাজ বিনির্মাণে ঐক্যবদ্ধ হয়।

জামাতে নামাজ পড়লে যে সওয়াব মেলে
সিজেডএন ডেস্ক

নামাজ মুমিনের দেহ-মনে প্রশান্তি ও পবিত্রতার পরশ বুলিয়ে চোখের শীতলতা এনে দেয়। নিয়মিত জামাতে নামাজ আদায় করলে ব্যক্তিকে পার্থিব-পরকালে অফুরন্ত নেয়ামত ও কল্যাণের অংশীদার বানায়।
আল্লাহতায়ালা বলেন, ‘তোমরা নামাজ কায়েম করো, জাকাত আদায় করো এবং রুকুকারীদের সঙ্গে রুকু করো।' (সুরা বাকারা: ৪৩)। আয়াতের শেষাংশে জামাতের সঙ্গে নামাজ পড়ার ব্যাপারে গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। অন্যদিকে রাসুল (সা.) বলেছেন, 'যার হাতে আমার প্রাণ, তার শপথ! আমার ইচ্ছা হয়, জ্বালানি কাঠ সংগ্রহ করতে আদেশ দিই, অতঃপর নামাজ আদায়ের আদেশ দিই, তারপর নামাজের আজান দেওয়া হলে এক ব্যক্তিকে লোকদের ইমামতি করার নির্দেশ দিই। অতঃপর আমি ওই লোকদের কাছে যাই এবং তাদের (যারা নামাজে শামিল হয়নি) ঘর জ্বালিয়ে দিই।’ (মুসলিম : ৬৫১)।
মহান আল্লাহ নামাজের মধ্যে বান্দার জন্য অতীত গুনাহ মাফ, সওয়াব অর্জন ও মর্যাদা বৃদ্ধির অবারিত সুযোগ রেখে দিয়েছেন। আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, 'আমি কি তোমাদের এমন বস্তুর সন্ধান দেব না, যা দ্বারা আল্লাহ তায়ালা গুনাহগুলো ক্ষমা এবং মর্যাদা বৃদ্ধি করবেন? তা হলো- কষ্টকর অবস্থায়ও পূর্ণরূপে ওজু করা, মসজিদের দিকে অধিক পদচারণা এবং এক নামাজের পর অন্য নামাজের অপেক্ষা করা। এটি রিবাত (এতে ইসলামী রাষ্ট্রের সীমানা পাহারা দেওয়ার ন্যায় সওয়াব রয়েছে)। এ কথা তিনি তিনবার বলেন।' (মুসলিম : ২৫১)।
রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘একাকী নামাজ আদায়ের চেয়ে ইমামের সঙ্গে জামাতে নামাজ আদায়ের ফজিলত ২৫ গুণ বেশি।' (বোখারি : ৬৪৬)। আরেক হাদিসে বলেছেন, 'জামাতে নামাজ আদায়ের ফজিলত একাকী নামাজের চেয়ে ২৭ সাতাশ গুণ বেশি।’ (মুসলিম : ৬৫০)।
সাধারণত ইমামের পেছনে জামাতে নামাজ আদায়ের কারণে মসজিদের সঙ্গে ব্যক্তির আলাদা একটা সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এমন ব্যক্তি সম্পর্কে নবীজি বলেছেন, ‘যেদিন আল্লাহর আরশের ছায়া ব্যতীত কোনো ছায়া থাকবে না, সেদিন আল্লাহ তায়ালা ৭ শ্রেণির মানুষকে সেই ছায়ায় আশ্রয় দেবেন। তন্মধ্যে একশ্রেণি হচ্ছে, যাদের অন্তরের সম্পর্ক সর্বদা মসজিদের সঙ্গে লেগে থাকে।’ (বোখারি : ১৪২৩)।
যথাসময়ে নামাজ আদায় ব্যক্তিকে নেফাকি (দ্বিচারিতা) ও জাহান্নাম থেকে মুক্তির নিশ্চয়তা দেয়। নবীজি (সা.) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি আল্লাহর জন্য চল্লিশ দিন জামাতের সঙ্গে তাকবিরে উলাসহ (তাকবিরে উলা বলা হয়- ইমাম যখন তাকবির দেন, তখন সেও তাকবির দিয়ে তার সঙ্গে নামাজ শুরু করে) নামাজ আদায় করবে, তার জন্য দুটি মুক্তির নিশ্চয়তা লেখা হয়; একটি হলো জাহান্নাম থেকে আর অন্যটি নেফাকি থেকে মুক্তি।’ (তিরমিজি : ২৪১)।
এ ছাড়া সামাজিক সৌহার্দপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তুলতে জামাতে নামাজ আদায়ের ভূমিকা অপরিসীম। নিয়মিত নামাজিদের দেখা-সাক্ষাৎ ও খোঁজখরব নেওয়ার সুযোগ হয়। পারস্পরিক সম্প্রীতির বন্ধন গড়ে ওঠে এবং সাম্য ও বৈষম্যহীন সমাজ বিনির্মাণে ঐক্যবদ্ধ হয়।






-CznNewsLab-37ecd8-480x270.webp)


