দেশের বিপদে ছাত্রসমাজ এগিয়ে আসবে: মঈন খান

দেশের বিপদে ছাত্রসমাজ এগিয়ে আসবে: মঈন খান
ঢাবি সংবাদদাতা

বিএনপির সঙ্গে নিজের পারিবারিক সম্পর্কের কথা তুলে ধরে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান বলেছেন, দেশের বিপদে ছাত্রসমাজ এগিয়ে আসবে। জুলাই আন্দোলনেও শিক্ষার্থীরা এগিয়ে এসে দেশকে নতুন দিকনির্দেশনা দিয়েছে এবং অন্যায়, অত্যাচার, জুলুম, নির্যাতন ও স্বৈরশাসন থেকে দেশকে মুক্ত করেছে।
বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে জিয়া স্মৃতি পাঠাগার আয়োজিত ‘জিয়া স্মৃতি বইমেলা-২০২৬’-এর আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
ড. আবদুল মঈন খান বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান তার বাবাকে বিএনপিতে যুক্ত করেছিলেন। এ কারণে বিএনপি তাদের ‘রক্তে ঢুকে রয়েছে’ উল্লেখ করে তিনি সেই রক্তের ঋণ পরিশোধের চেষ্টা করবেন বলে জানান।
শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘কাজটি আপনারা করবেন, এটা ছাত্ররাই করতে পারে। আমরা হয়তো পারব না। কিন্তু লেখাপড়া ছেড়ে দিয়ে নয়। ক্লাস ছেড়ে দিয়ে আমি অন্য কিছু করব, সেটা হতে পারে না। আমি সবকিছু করব, কিন্তু ক্লাসের লেখাপড়া কোনোদিন ছেড়ে দেব না।’
বই ও পাঠাগারের গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, নতুন প্রজন্ম মোবাইল ফোন, ই-বুক কিংবা লাইব্রেরিতে গিয়ে পড়ার চর্চা ধরে রাখুক। লেখাপড়ায় ফিরে আসতে হবে। কারণ লেখাপড়া ছাড়া বিশ্বের বুকে কোনো জাতি গৌরব অর্জন করতে পারে না।
নতুন প্রযুক্তি প্রসঙ্গে মঈন খান বলেন, মোবাইল ফোনের মাধ্যমে অনেক ভালো বিষয়ও পাওয়া যায়। নতুন প্রজন্ম ও শিশুদের সঠিকভাবে পরিচালিত করতে পারলে প্রযুক্তিকে ভয় পাওয়ার কারণ নেই। ভবিষ্যৎ নেতৃত্বকে তরুণ সমাজ ও নতুন প্রজন্মকে সঠিক পথে পরিচালিত করতে হবে।
জিয়া স্মৃতি পাঠাগারের আহ্বায়ক সৈয়দা ফাতেমা সালামের সভাপতিত্বে এবং ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক আমানুল্লাহ আমানের সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শ্যামা ওবায়েদ, সংসদ সদস্য নিলোফার চৌধুরী মনি এবং বিএনপি ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা।

বিএনপির সঙ্গে নিজের পারিবারিক সম্পর্কের কথা তুলে ধরে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান বলেছেন, দেশের বিপদে ছাত্রসমাজ এগিয়ে আসবে। জুলাই আন্দোলনেও শিক্ষার্থীরা এগিয়ে এসে দেশকে নতুন দিকনির্দেশনা দিয়েছে এবং অন্যায়, অত্যাচার, জুলুম, নির্যাতন ও স্বৈরশাসন থেকে দেশকে মুক্ত করেছে।
বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে জিয়া স্মৃতি পাঠাগার আয়োজিত ‘জিয়া স্মৃতি বইমেলা-২০২৬’-এর আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
ড. আবদুল মঈন খান বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান তার বাবাকে বিএনপিতে যুক্ত করেছিলেন। এ কারণে বিএনপি তাদের ‘রক্তে ঢুকে রয়েছে’ উল্লেখ করে তিনি সেই রক্তের ঋণ পরিশোধের চেষ্টা করবেন বলে জানান।
শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘কাজটি আপনারা করবেন, এটা ছাত্ররাই করতে পারে। আমরা হয়তো পারব না। কিন্তু লেখাপড়া ছেড়ে দিয়ে নয়। ক্লাস ছেড়ে দিয়ে আমি অন্য কিছু করব, সেটা হতে পারে না। আমি সবকিছু করব, কিন্তু ক্লাসের লেখাপড়া কোনোদিন ছেড়ে দেব না।’
বই ও পাঠাগারের গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, নতুন প্রজন্ম মোবাইল ফোন, ই-বুক কিংবা লাইব্রেরিতে গিয়ে পড়ার চর্চা ধরে রাখুক। লেখাপড়ায় ফিরে আসতে হবে। কারণ লেখাপড়া ছাড়া বিশ্বের বুকে কোনো জাতি গৌরব অর্জন করতে পারে না।
নতুন প্রযুক্তি প্রসঙ্গে মঈন খান বলেন, মোবাইল ফোনের মাধ্যমে অনেক ভালো বিষয়ও পাওয়া যায়। নতুন প্রজন্ম ও শিশুদের সঠিকভাবে পরিচালিত করতে পারলে প্রযুক্তিকে ভয় পাওয়ার কারণ নেই। ভবিষ্যৎ নেতৃত্বকে তরুণ সমাজ ও নতুন প্রজন্মকে সঠিক পথে পরিচালিত করতে হবে।
জিয়া স্মৃতি পাঠাগারের আহ্বায়ক সৈয়দা ফাতেমা সালামের সভাপতিত্বে এবং ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক আমানুল্লাহ আমানের সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শ্যামা ওবায়েদ, সংসদ সদস্য নিলোফার চৌধুরী মনি এবং বিএনপি ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা।

দেশের বিপদে ছাত্রসমাজ এগিয়ে আসবে: মঈন খান
ঢাবি সংবাদদাতা

বিএনপির সঙ্গে নিজের পারিবারিক সম্পর্কের কথা তুলে ধরে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান বলেছেন, দেশের বিপদে ছাত্রসমাজ এগিয়ে আসবে। জুলাই আন্দোলনেও শিক্ষার্থীরা এগিয়ে এসে দেশকে নতুন দিকনির্দেশনা দিয়েছে এবং অন্যায়, অত্যাচার, জুলুম, নির্যাতন ও স্বৈরশাসন থেকে দেশকে মুক্ত করেছে।
বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে জিয়া স্মৃতি পাঠাগার আয়োজিত ‘জিয়া স্মৃতি বইমেলা-২০২৬’-এর আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
ড. আবদুল মঈন খান বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান তার বাবাকে বিএনপিতে যুক্ত করেছিলেন। এ কারণে বিএনপি তাদের ‘রক্তে ঢুকে রয়েছে’ উল্লেখ করে তিনি সেই রক্তের ঋণ পরিশোধের চেষ্টা করবেন বলে জানান।
শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘কাজটি আপনারা করবেন, এটা ছাত্ররাই করতে পারে। আমরা হয়তো পারব না। কিন্তু লেখাপড়া ছেড়ে দিয়ে নয়। ক্লাস ছেড়ে দিয়ে আমি অন্য কিছু করব, সেটা হতে পারে না। আমি সবকিছু করব, কিন্তু ক্লাসের লেখাপড়া কোনোদিন ছেড়ে দেব না।’
বই ও পাঠাগারের গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, নতুন প্রজন্ম মোবাইল ফোন, ই-বুক কিংবা লাইব্রেরিতে গিয়ে পড়ার চর্চা ধরে রাখুক। লেখাপড়ায় ফিরে আসতে হবে। কারণ লেখাপড়া ছাড়া বিশ্বের বুকে কোনো জাতি গৌরব অর্জন করতে পারে না।
নতুন প্রযুক্তি প্রসঙ্গে মঈন খান বলেন, মোবাইল ফোনের মাধ্যমে অনেক ভালো বিষয়ও পাওয়া যায়। নতুন প্রজন্ম ও শিশুদের সঠিকভাবে পরিচালিত করতে পারলে প্রযুক্তিকে ভয় পাওয়ার কারণ নেই। ভবিষ্যৎ নেতৃত্বকে তরুণ সমাজ ও নতুন প্রজন্মকে সঠিক পথে পরিচালিত করতে হবে।
জিয়া স্মৃতি পাঠাগারের আহ্বায়ক সৈয়দা ফাতেমা সালামের সভাপতিত্বে এবং ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক আমানুল্লাহ আমানের সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শ্যামা ওবায়েদ, সংসদ সদস্য নিলোফার চৌধুরী মনি এবং বিএনপি ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা।









