৯ জেলায় আওয়ামী লীগের কার্যালয় খুললো

৯ জেলায় আওয়ামী লীগের কার্যালয় খুললো
নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রায় ১৮ মাস পর দেশের বিভিন্ন জেলায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের প্রকাশ্য উপস্থিতি দেখা গেছে। বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) নোয়াখালী, বরগুনা, কুড়িগ্রাম, নারায়ণগঞ্জ, শরীয়তপুর, হবিগঞ্জ, রাজবাড়ী, চট্টগ্রাম এবং পার্বতীপুরে দলটির পরিত্যক্ত কার্যালয়ের তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ, জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও শেখ হাসিনার ছবি টানানোর ঘটনা ঘটে।
এর আগে সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) চার জেলা এবং রোববার ছয় জেলায় নেতাকর্মীরা উপস্থিতি জানান দেন। ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের সময় এসব কার্যালয় ভাঙচুর করে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল।
বিভিন্ন স্থানে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিয়ে সংক্ষিপ্ত সমাবেশও করা হয়। তবে কর্মসূচির পরপরই কয়েক জায়গায় পুলিশ অভিযান চালিয়ে কয়েকজনকে আটক করেছে। হবিগঞ্জে কার্যালয়ে অগ্নিসংযোগের ঘটনাও ঘটেছে।
নোয়াখালী
নোয়াখালী জেলা কার্যালয়ের তালা ভেঙে প্রধান ফটকে ব্যানার টানান বাংলাদেশ ছাত্রলীগ ও যুবলীগ–এর নেতাকর্মীরা। পরে ব্যানারটি সরিয়ে নেওয়া হয়। সকাল ৮টার দিকে মাইজদীর টাউন হল মোড়ে এ ঘটনা ঘটে। জড়িত অভিযোগে পাঁচজনকে আটক করেছে পুলিশ। বিষয়টি নিশ্চিত করেন সুধারাম থানার ওসি মো. তৌহিদুল ইসলাম।
বরগুনা
বরগুনা জেলা কার্যালয়ে জাতীয় পতাকা উত্তোলন এবং বঙ্গবন্ধু ও শেখ হাসিনার ছবি টানানো হয়। বরগুনা সদর থানার ওসি মোহাম্মদ আবদুল আলীম বলেন, জড়িতদের শনাক্তে কাজ করছে পুলিশ।
কুড়িগ্রাম
কুড়িগ্রামে জেলা কার্যালয়ে পতাকা উত্তোলন ও ব্যানার টানানো হয়। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. মাসুদ রানা জানান, ঘটনা জানার পর টহল জোরদার করা হয়েছে।
নারায়ণগঞ্জ
নগরের দুই নম্বর রেলগেটে জেলা ও মহানগর কার্যালয়ের সামনে পাঁচ কর্মী স্লোগান দেন এবং ব্যানার টানান। তাদের নেতৃত্ব দেন মহানগর ছাত্রলীগের সাবেক মানব ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক সৈয়দ সাদিম আহমেদ।
শরীয়তপুর
পালং বাজারে জেলা কার্যালয় খুলে স্লোগান দেন নেতাকর্মীরা এবং বঙ্গবন্ধু ও শেখ হাসিনার ছবি টানানো হয়। এ ঘটনার ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। পালং মডেল থানার ওসি শাহ আলম বলেন, বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
হবিগঞ্জ
জেলা কার্যালয় খোলার কয়েক ঘণ্টা পরই সেখানে আগুন লাগার ঘটনা ঘটে। ফায়ার সার্ভিসের উপপরিচালক মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ বলেন, আগুন লাগার বিষয়ে তাদের কাছে আনুষ্ঠানিক তথ্য নেই।
রাজবাড়ী
জেলা কার্যালয়ে বঙ্গবন্ধু ও শেখ হাসিনার ছবি টানানো হয় এবং কয়েকটি ব্যানার ঝুলতে দেখা যায়। ব্যানারে জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শেখ সোহেল রানা টিপুর ছবি ছিল। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তাপস কুমার পাল জানান, পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।
দিনাজপুর
পার্বতীপুর উপজেলা কার্যালয়ে পতাকা উত্তোলন করে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করেন নেতাকর্মীরা। পরে পুলিশ অভিযান চালিয়ে পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করে। পার্বতীপুর মডেল থানার ওসি এম এ ফারুক জানান, তাদের আগের একটি মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
চট্টগ্রাম
চট্টগ্রাম মহানগর কার্যালয়ে নতুন পরিচিতি ফলক লাগানো হয়। নিউমার্কেট এলাকার দারুল ফজল মার্কেটে এ ঘটনা ঘটে। কোতোয়ালি থানার ওসি মো. আফতাব উদ্দিন বলেন, পুলিশ গিয়ে কাউকে পায়নি।

প্রায় ১৮ মাস পর দেশের বিভিন্ন জেলায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের প্রকাশ্য উপস্থিতি দেখা গেছে। বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) নোয়াখালী, বরগুনা, কুড়িগ্রাম, নারায়ণগঞ্জ, শরীয়তপুর, হবিগঞ্জ, রাজবাড়ী, চট্টগ্রাম এবং পার্বতীপুরে দলটির পরিত্যক্ত কার্যালয়ের তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ, জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও শেখ হাসিনার ছবি টানানোর ঘটনা ঘটে।
এর আগে সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) চার জেলা এবং রোববার ছয় জেলায় নেতাকর্মীরা উপস্থিতি জানান দেন। ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের সময় এসব কার্যালয় ভাঙচুর করে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল।
বিভিন্ন স্থানে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিয়ে সংক্ষিপ্ত সমাবেশও করা হয়। তবে কর্মসূচির পরপরই কয়েক জায়গায় পুলিশ অভিযান চালিয়ে কয়েকজনকে আটক করেছে। হবিগঞ্জে কার্যালয়ে অগ্নিসংযোগের ঘটনাও ঘটেছে।
নোয়াখালী
নোয়াখালী জেলা কার্যালয়ের তালা ভেঙে প্রধান ফটকে ব্যানার টানান বাংলাদেশ ছাত্রলীগ ও যুবলীগ–এর নেতাকর্মীরা। পরে ব্যানারটি সরিয়ে নেওয়া হয়। সকাল ৮টার দিকে মাইজদীর টাউন হল মোড়ে এ ঘটনা ঘটে। জড়িত অভিযোগে পাঁচজনকে আটক করেছে পুলিশ। বিষয়টি নিশ্চিত করেন সুধারাম থানার ওসি মো. তৌহিদুল ইসলাম।
বরগুনা
বরগুনা জেলা কার্যালয়ে জাতীয় পতাকা উত্তোলন এবং বঙ্গবন্ধু ও শেখ হাসিনার ছবি টানানো হয়। বরগুনা সদর থানার ওসি মোহাম্মদ আবদুল আলীম বলেন, জড়িতদের শনাক্তে কাজ করছে পুলিশ।
কুড়িগ্রাম
কুড়িগ্রামে জেলা কার্যালয়ে পতাকা উত্তোলন ও ব্যানার টানানো হয়। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. মাসুদ রানা জানান, ঘটনা জানার পর টহল জোরদার করা হয়েছে।
নারায়ণগঞ্জ
নগরের দুই নম্বর রেলগেটে জেলা ও মহানগর কার্যালয়ের সামনে পাঁচ কর্মী স্লোগান দেন এবং ব্যানার টানান। তাদের নেতৃত্ব দেন মহানগর ছাত্রলীগের সাবেক মানব ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক সৈয়দ সাদিম আহমেদ।
শরীয়তপুর
পালং বাজারে জেলা কার্যালয় খুলে স্লোগান দেন নেতাকর্মীরা এবং বঙ্গবন্ধু ও শেখ হাসিনার ছবি টানানো হয়। এ ঘটনার ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। পালং মডেল থানার ওসি শাহ আলম বলেন, বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
হবিগঞ্জ
জেলা কার্যালয় খোলার কয়েক ঘণ্টা পরই সেখানে আগুন লাগার ঘটনা ঘটে। ফায়ার সার্ভিসের উপপরিচালক মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ বলেন, আগুন লাগার বিষয়ে তাদের কাছে আনুষ্ঠানিক তথ্য নেই।
রাজবাড়ী
জেলা কার্যালয়ে বঙ্গবন্ধু ও শেখ হাসিনার ছবি টানানো হয় এবং কয়েকটি ব্যানার ঝুলতে দেখা যায়। ব্যানারে জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শেখ সোহেল রানা টিপুর ছবি ছিল। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তাপস কুমার পাল জানান, পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।
দিনাজপুর
পার্বতীপুর উপজেলা কার্যালয়ে পতাকা উত্তোলন করে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করেন নেতাকর্মীরা। পরে পুলিশ অভিযান চালিয়ে পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করে। পার্বতীপুর মডেল থানার ওসি এম এ ফারুক জানান, তাদের আগের একটি মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
চট্টগ্রাম
চট্টগ্রাম মহানগর কার্যালয়ে নতুন পরিচিতি ফলক লাগানো হয়। নিউমার্কেট এলাকার দারুল ফজল মার্কেটে এ ঘটনা ঘটে। কোতোয়ালি থানার ওসি মো. আফতাব উদ্দিন বলেন, পুলিশ গিয়ে কাউকে পায়নি।

৯ জেলায় আওয়ামী লীগের কার্যালয় খুললো
নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রায় ১৮ মাস পর দেশের বিভিন্ন জেলায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের প্রকাশ্য উপস্থিতি দেখা গেছে। বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) নোয়াখালী, বরগুনা, কুড়িগ্রাম, নারায়ণগঞ্জ, শরীয়তপুর, হবিগঞ্জ, রাজবাড়ী, চট্টগ্রাম এবং পার্বতীপুরে দলটির পরিত্যক্ত কার্যালয়ের তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ, জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও শেখ হাসিনার ছবি টানানোর ঘটনা ঘটে।
এর আগে সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) চার জেলা এবং রোববার ছয় জেলায় নেতাকর্মীরা উপস্থিতি জানান দেন। ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের সময় এসব কার্যালয় ভাঙচুর করে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল।
বিভিন্ন স্থানে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিয়ে সংক্ষিপ্ত সমাবেশও করা হয়। তবে কর্মসূচির পরপরই কয়েক জায়গায় পুলিশ অভিযান চালিয়ে কয়েকজনকে আটক করেছে। হবিগঞ্জে কার্যালয়ে অগ্নিসংযোগের ঘটনাও ঘটেছে।
নোয়াখালী
নোয়াখালী জেলা কার্যালয়ের তালা ভেঙে প্রধান ফটকে ব্যানার টানান বাংলাদেশ ছাত্রলীগ ও যুবলীগ–এর নেতাকর্মীরা। পরে ব্যানারটি সরিয়ে নেওয়া হয়। সকাল ৮টার দিকে মাইজদীর টাউন হল মোড়ে এ ঘটনা ঘটে। জড়িত অভিযোগে পাঁচজনকে আটক করেছে পুলিশ। বিষয়টি নিশ্চিত করেন সুধারাম থানার ওসি মো. তৌহিদুল ইসলাম।
বরগুনা
বরগুনা জেলা কার্যালয়ে জাতীয় পতাকা উত্তোলন এবং বঙ্গবন্ধু ও শেখ হাসিনার ছবি টানানো হয়। বরগুনা সদর থানার ওসি মোহাম্মদ আবদুল আলীম বলেন, জড়িতদের শনাক্তে কাজ করছে পুলিশ।
কুড়িগ্রাম
কুড়িগ্রামে জেলা কার্যালয়ে পতাকা উত্তোলন ও ব্যানার টানানো হয়। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. মাসুদ রানা জানান, ঘটনা জানার পর টহল জোরদার করা হয়েছে।
নারায়ণগঞ্জ
নগরের দুই নম্বর রেলগেটে জেলা ও মহানগর কার্যালয়ের সামনে পাঁচ কর্মী স্লোগান দেন এবং ব্যানার টানান। তাদের নেতৃত্ব দেন মহানগর ছাত্রলীগের সাবেক মানব ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক সৈয়দ সাদিম আহমেদ।
শরীয়তপুর
পালং বাজারে জেলা কার্যালয় খুলে স্লোগান দেন নেতাকর্মীরা এবং বঙ্গবন্ধু ও শেখ হাসিনার ছবি টানানো হয়। এ ঘটনার ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। পালং মডেল থানার ওসি শাহ আলম বলেন, বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
হবিগঞ্জ
জেলা কার্যালয় খোলার কয়েক ঘণ্টা পরই সেখানে আগুন লাগার ঘটনা ঘটে। ফায়ার সার্ভিসের উপপরিচালক মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ বলেন, আগুন লাগার বিষয়ে তাদের কাছে আনুষ্ঠানিক তথ্য নেই।
রাজবাড়ী
জেলা কার্যালয়ে বঙ্গবন্ধু ও শেখ হাসিনার ছবি টানানো হয় এবং কয়েকটি ব্যানার ঝুলতে দেখা যায়। ব্যানারে জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শেখ সোহেল রানা টিপুর ছবি ছিল। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তাপস কুমার পাল জানান, পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।
দিনাজপুর
পার্বতীপুর উপজেলা কার্যালয়ে পতাকা উত্তোলন করে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করেন নেতাকর্মীরা। পরে পুলিশ অভিযান চালিয়ে পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করে। পার্বতীপুর মডেল থানার ওসি এম এ ফারুক জানান, তাদের আগের একটি মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
চট্টগ্রাম
চট্টগ্রাম মহানগর কার্যালয়ে নতুন পরিচিতি ফলক লাগানো হয়। নিউমার্কেট এলাকার দারুল ফজল মার্কেটে এ ঘটনা ঘটে। কোতোয়ালি থানার ওসি মো. আফতাব উদ্দিন বলেন, পুলিশ গিয়ে কাউকে পায়নি।




