‘ফ্যাসিবাদী কায়দায় দেশ শাসন করছে সরকার’

‘ফ্যাসিবাদী কায়দায় দেশ শাসন করছে সরকার’
নিজস্ব প্রতিবেদক

ফ্যাসিবাদী কায়দায় দেশ শাসন করছে সরকার। সরকার এ পর্যন্ত সংসদের ভেতরে ও বাইরে যত পদক্ষেপ নিয়েছে, সবগুলোই অনেকটা বিগত দিনগুলোর কর্তৃত্ববাদী শাসন আমলের বর্ধিতাংশ বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও ১১ দলীয় ঐক্যের সমন্বয়ক ড. এএইচএম হামিদুর রহমান আযাদ।
বুধবার (১০ জুন) দুপুর সাড়ে ১২টায় জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ১১ দলীয় ঐক্যের উদ্যোগে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ মন্তব্য করেন তিনি।
ড. এএইচএম হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, আমরা লক্ষ্য করছি, এই সরকারের ১০০ দিনের অধিক সময় অতিবাহিত হয়েছে। কিন্তু সরকার যেভাবে দেশ পরিচালনা করছে তা জনগণের অধিকার, নির্বাচনী ইশতেহার ও প্রতিশ্রুতি, দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন ও অগ্রগতি এবং গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থা প্রবর্তনের বিপরীত। অত্যন্ত দুঃখজনকভাবে অতীতের ফ্যাসিবাদী কায়দায় দেশ শাসন করছে সরকার।
তিনি বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ১৩৩টি অধ্যাদেশ জারি করেছিল। তা ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে সংসদে অনুমোদনের কথা বলা হয়েছিলো। কিন্তু উনারা সংসদ অধিবেশনটা করেছেন পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী। যাতে তড়িঘড়ি করে বিরোধী দলের উপরে চাপিয়ে দেওয়া যায়। সময় সংকট দেখিয়ে যথাযথ বা পর্যাপ্ত আলোচনার সুযোগ না দিয়ে এটাকে পাস করে ফেলা হয়েছে। প্রথম দিনেই ১৩৩টি অধ্যাদেশ স্থগিত হয়েছে। কিন্তু জাতীয় স্বার্থে বিরোধী দল এটাকে চ্যালেঞ্জ করেনি।
জামায়াতের এই নেতা বলেন, ১৮ মাসের সরকারের ১৩৩টি অধ্যাদেশ কিন্তু একটা সংস্কারের অংশ ছিল। সেখানে মৌলিক কিছু বিষয় আছে। মানবাধিকার সংরক্ষণের যেসব কমিশন ছিল, সেখান থেকে ২০টি আলোচনা থেকে ল্যাপস ও চারটি রহিত করা হয়েছে। অর্থাৎ ২০টি অধ্যাদেশের কবর রচনা করা হয়েছে। মৌলিক সংস্কার বাদ দিয়ে এই সংস্কারকে সংস্কার বলা যায় না। তার মানে এ সরকার সংস্কার যে চায় না-এটা বারবার প্রমাণিত হয়েছে। এজন্য আমরা রাজপথে আছি, থাকবো। আমরা ধাপে ধাপে আন্দোলনকে চূড়ান্ত রূপ দেবো। জনগণের অধিকার আদায় করে ছাড়বো। এবারও ১১ দল ঐক্যবদ্ধ আছে, থাকবে।
তিনি বলেন, দেশে অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অত্যন্ত ভয়াবহ। সারাদেশে গত তিন মাসে মোট ফৌজদারি মামলা হয়েছে ৫১ হাজার ৪৮৬টি। দেখা যাচ্ছে ক্রমশ এর পারসেন্টেজ বৃদ্ধি পাচ্ছে। মে মাসে এক লাফে ফেব্রুয়ারির তুলনায় মামলা সংখ্যা ৫৪ দশমিক ১৩ শতাংশ বেড়েছে।
হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, গত ১০০ দিনে ৬১টি লুটপাট দখলের ঘটনা ঘটছে। শিক্ষাঙ্গণে ৬৮টি সন্ত্রাসের ঘটনা ঘটেছে। এগুলো জাতীয় পরিসংখ্যান নয়, বিএনপির দলীয় অপরাধের পরিসংখ্যান। জনগণের প্রত্যাশার জায়গা কোথায় ছিল আর ওনারা কোন দিকে যাচ্ছেন? আমরা সবাই হতবাক, উদ্বিগ্ন।
তিনি বলেন, সরকার ক্ষমতায় আসার শুরুতে বলেছিল, আমরা দুই বছর পর্যন্ত বিদ্যুতের দাম বাড়াবো না। কিন্তু জনগণের কাছে দেওয়া প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করে তারা ইতোমধ্যে দুই দফা জ্বালানি তেলের দাম বাড়িয়েছে এবং বিদ্যুতের দামও বাড়িয়েছে। এখন গ্যাসের দামও বাড়িয়েছে। এই জ্বালানির সঙ্গে আমাদের উৎপাদনের সকল কার্যক্রম জড়িত।
জামায়াতের এই নেতা বলেন, আমরা জানি, কৃষকরা জ্বালানি ব্যবহার করে। আমরা জানি, ইন্ডাস্ট্রিগুলোতে জ্বালানি তেলের ব্যবহার হয়। সে জায়গায় যদি আপনি দাম বাড়ান, তাহলে এটার প্রভাব জনজীবনে পড়ে। বিদ্যুতের দাম গ্রাহক পর্যায়ে ১৫ দশমিক ৯৫ শতাংশ বৃদ্ধি করা হয়েছে। এভাবে এলপিজি গ্যাসের দাম বাড়ানো হয়েছে তিন দফায়।

ফ্যাসিবাদী কায়দায় দেশ শাসন করছে সরকার। সরকার এ পর্যন্ত সংসদের ভেতরে ও বাইরে যত পদক্ষেপ নিয়েছে, সবগুলোই অনেকটা বিগত দিনগুলোর কর্তৃত্ববাদী শাসন আমলের বর্ধিতাংশ বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও ১১ দলীয় ঐক্যের সমন্বয়ক ড. এএইচএম হামিদুর রহমান আযাদ।
বুধবার (১০ জুন) দুপুর সাড়ে ১২টায় জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ১১ দলীয় ঐক্যের উদ্যোগে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ মন্তব্য করেন তিনি।
ড. এএইচএম হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, আমরা লক্ষ্য করছি, এই সরকারের ১০০ দিনের অধিক সময় অতিবাহিত হয়েছে। কিন্তু সরকার যেভাবে দেশ পরিচালনা করছে তা জনগণের অধিকার, নির্বাচনী ইশতেহার ও প্রতিশ্রুতি, দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন ও অগ্রগতি এবং গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থা প্রবর্তনের বিপরীত। অত্যন্ত দুঃখজনকভাবে অতীতের ফ্যাসিবাদী কায়দায় দেশ শাসন করছে সরকার।
তিনি বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ১৩৩টি অধ্যাদেশ জারি করেছিল। তা ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে সংসদে অনুমোদনের কথা বলা হয়েছিলো। কিন্তু উনারা সংসদ অধিবেশনটা করেছেন পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী। যাতে তড়িঘড়ি করে বিরোধী দলের উপরে চাপিয়ে দেওয়া যায়। সময় সংকট দেখিয়ে যথাযথ বা পর্যাপ্ত আলোচনার সুযোগ না দিয়ে এটাকে পাস করে ফেলা হয়েছে। প্রথম দিনেই ১৩৩টি অধ্যাদেশ স্থগিত হয়েছে। কিন্তু জাতীয় স্বার্থে বিরোধী দল এটাকে চ্যালেঞ্জ করেনি।
জামায়াতের এই নেতা বলেন, ১৮ মাসের সরকারের ১৩৩টি অধ্যাদেশ কিন্তু একটা সংস্কারের অংশ ছিল। সেখানে মৌলিক কিছু বিষয় আছে। মানবাধিকার সংরক্ষণের যেসব কমিশন ছিল, সেখান থেকে ২০টি আলোচনা থেকে ল্যাপস ও চারটি রহিত করা হয়েছে। অর্থাৎ ২০টি অধ্যাদেশের কবর রচনা করা হয়েছে। মৌলিক সংস্কার বাদ দিয়ে এই সংস্কারকে সংস্কার বলা যায় না। তার মানে এ সরকার সংস্কার যে চায় না-এটা বারবার প্রমাণিত হয়েছে। এজন্য আমরা রাজপথে আছি, থাকবো। আমরা ধাপে ধাপে আন্দোলনকে চূড়ান্ত রূপ দেবো। জনগণের অধিকার আদায় করে ছাড়বো। এবারও ১১ দল ঐক্যবদ্ধ আছে, থাকবে।
তিনি বলেন, দেশে অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অত্যন্ত ভয়াবহ। সারাদেশে গত তিন মাসে মোট ফৌজদারি মামলা হয়েছে ৫১ হাজার ৪৮৬টি। দেখা যাচ্ছে ক্রমশ এর পারসেন্টেজ বৃদ্ধি পাচ্ছে। মে মাসে এক লাফে ফেব্রুয়ারির তুলনায় মামলা সংখ্যা ৫৪ দশমিক ১৩ শতাংশ বেড়েছে।
হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, গত ১০০ দিনে ৬১টি লুটপাট দখলের ঘটনা ঘটছে। শিক্ষাঙ্গণে ৬৮টি সন্ত্রাসের ঘটনা ঘটেছে। এগুলো জাতীয় পরিসংখ্যান নয়, বিএনপির দলীয় অপরাধের পরিসংখ্যান। জনগণের প্রত্যাশার জায়গা কোথায় ছিল আর ওনারা কোন দিকে যাচ্ছেন? আমরা সবাই হতবাক, উদ্বিগ্ন।
তিনি বলেন, সরকার ক্ষমতায় আসার শুরুতে বলেছিল, আমরা দুই বছর পর্যন্ত বিদ্যুতের দাম বাড়াবো না। কিন্তু জনগণের কাছে দেওয়া প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করে তারা ইতোমধ্যে দুই দফা জ্বালানি তেলের দাম বাড়িয়েছে এবং বিদ্যুতের দামও বাড়িয়েছে। এখন গ্যাসের দামও বাড়িয়েছে। এই জ্বালানির সঙ্গে আমাদের উৎপাদনের সকল কার্যক্রম জড়িত।
জামায়াতের এই নেতা বলেন, আমরা জানি, কৃষকরা জ্বালানি ব্যবহার করে। আমরা জানি, ইন্ডাস্ট্রিগুলোতে জ্বালানি তেলের ব্যবহার হয়। সে জায়গায় যদি আপনি দাম বাড়ান, তাহলে এটার প্রভাব জনজীবনে পড়ে। বিদ্যুতের দাম গ্রাহক পর্যায়ে ১৫ দশমিক ৯৫ শতাংশ বৃদ্ধি করা হয়েছে। এভাবে এলপিজি গ্যাসের দাম বাড়ানো হয়েছে তিন দফায়।

‘ফ্যাসিবাদী কায়দায় দেশ শাসন করছে সরকার’
নিজস্ব প্রতিবেদক

ফ্যাসিবাদী কায়দায় দেশ শাসন করছে সরকার। সরকার এ পর্যন্ত সংসদের ভেতরে ও বাইরে যত পদক্ষেপ নিয়েছে, সবগুলোই অনেকটা বিগত দিনগুলোর কর্তৃত্ববাদী শাসন আমলের বর্ধিতাংশ বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও ১১ দলীয় ঐক্যের সমন্বয়ক ড. এএইচএম হামিদুর রহমান আযাদ।
বুধবার (১০ জুন) দুপুর সাড়ে ১২টায় জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ১১ দলীয় ঐক্যের উদ্যোগে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ মন্তব্য করেন তিনি।
ড. এএইচএম হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, আমরা লক্ষ্য করছি, এই সরকারের ১০০ দিনের অধিক সময় অতিবাহিত হয়েছে। কিন্তু সরকার যেভাবে দেশ পরিচালনা করছে তা জনগণের অধিকার, নির্বাচনী ইশতেহার ও প্রতিশ্রুতি, দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন ও অগ্রগতি এবং গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থা প্রবর্তনের বিপরীত। অত্যন্ত দুঃখজনকভাবে অতীতের ফ্যাসিবাদী কায়দায় দেশ শাসন করছে সরকার।
তিনি বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ১৩৩টি অধ্যাদেশ জারি করেছিল। তা ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে সংসদে অনুমোদনের কথা বলা হয়েছিলো। কিন্তু উনারা সংসদ অধিবেশনটা করেছেন পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী। যাতে তড়িঘড়ি করে বিরোধী দলের উপরে চাপিয়ে দেওয়া যায়। সময় সংকট দেখিয়ে যথাযথ বা পর্যাপ্ত আলোচনার সুযোগ না দিয়ে এটাকে পাস করে ফেলা হয়েছে। প্রথম দিনেই ১৩৩টি অধ্যাদেশ স্থগিত হয়েছে। কিন্তু জাতীয় স্বার্থে বিরোধী দল এটাকে চ্যালেঞ্জ করেনি।
জামায়াতের এই নেতা বলেন, ১৮ মাসের সরকারের ১৩৩টি অধ্যাদেশ কিন্তু একটা সংস্কারের অংশ ছিল। সেখানে মৌলিক কিছু বিষয় আছে। মানবাধিকার সংরক্ষণের যেসব কমিশন ছিল, সেখান থেকে ২০টি আলোচনা থেকে ল্যাপস ও চারটি রহিত করা হয়েছে। অর্থাৎ ২০টি অধ্যাদেশের কবর রচনা করা হয়েছে। মৌলিক সংস্কার বাদ দিয়ে এই সংস্কারকে সংস্কার বলা যায় না। তার মানে এ সরকার সংস্কার যে চায় না-এটা বারবার প্রমাণিত হয়েছে। এজন্য আমরা রাজপথে আছি, থাকবো। আমরা ধাপে ধাপে আন্দোলনকে চূড়ান্ত রূপ দেবো। জনগণের অধিকার আদায় করে ছাড়বো। এবারও ১১ দল ঐক্যবদ্ধ আছে, থাকবে।
তিনি বলেন, দেশে অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অত্যন্ত ভয়াবহ। সারাদেশে গত তিন মাসে মোট ফৌজদারি মামলা হয়েছে ৫১ হাজার ৪৮৬টি। দেখা যাচ্ছে ক্রমশ এর পারসেন্টেজ বৃদ্ধি পাচ্ছে। মে মাসে এক লাফে ফেব্রুয়ারির তুলনায় মামলা সংখ্যা ৫৪ দশমিক ১৩ শতাংশ বেড়েছে।
হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, গত ১০০ দিনে ৬১টি লুটপাট দখলের ঘটনা ঘটছে। শিক্ষাঙ্গণে ৬৮টি সন্ত্রাসের ঘটনা ঘটেছে। এগুলো জাতীয় পরিসংখ্যান নয়, বিএনপির দলীয় অপরাধের পরিসংখ্যান। জনগণের প্রত্যাশার জায়গা কোথায় ছিল আর ওনারা কোন দিকে যাচ্ছেন? আমরা সবাই হতবাক, উদ্বিগ্ন।
তিনি বলেন, সরকার ক্ষমতায় আসার শুরুতে বলেছিল, আমরা দুই বছর পর্যন্ত বিদ্যুতের দাম বাড়াবো না। কিন্তু জনগণের কাছে দেওয়া প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করে তারা ইতোমধ্যে দুই দফা জ্বালানি তেলের দাম বাড়িয়েছে এবং বিদ্যুতের দামও বাড়িয়েছে। এখন গ্যাসের দামও বাড়িয়েছে। এই জ্বালানির সঙ্গে আমাদের উৎপাদনের সকল কার্যক্রম জড়িত।
জামায়াতের এই নেতা বলেন, আমরা জানি, কৃষকরা জ্বালানি ব্যবহার করে। আমরা জানি, ইন্ডাস্ট্রিগুলোতে জ্বালানি তেলের ব্যবহার হয়। সে জায়গায় যদি আপনি দাম বাড়ান, তাহলে এটার প্রভাব জনজীবনে পড়ে। বিদ্যুতের দাম গ্রাহক পর্যায়ে ১৫ দশমিক ৯৫ শতাংশ বৃদ্ধি করা হয়েছে। এভাবে এলপিজি গ্যাসের দাম বাড়ানো হয়েছে তিন দফায়।

‘ইসলামী ব্যাংকের অর্থ জামায়াতের নির্বাচনী তহবিলে গেছে প্রমাণ করতে পারলে মেডেল দেব’

