‘অনৈতিকতায়’ যাদের শুরু তারা কীভাবে সৎ শাসন দেবে: তারেক রহমান

‘অনৈতিকতায়’ যাদের শুরু তারা কীভাবে সৎ শাসন দেবে: তারেক রহমান
নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর

অনৈতিক বিষয় দিয়ে যারা কাজ শুরু করছেন, জনগণ কী করে আশা করবে তারা সৎ লোকের শাসন দেবে– এমন প্রশ্ন তুলেছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। জামায়তের প্রতি ইঙ্গিত করে তিনি বলেছেন, তারা বিকাশ নম্বর চাইছে, এনআইডি কার্ড চাইছে, কেন চাইছে? তারা দেশের মানুষের সঙ্গে অনৈতিক আচরণ করছে; অথচ তারা বলেন সৎ মানুষের শাসন কায়েম করতে চান।
বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ফরিদপুর সরকারি রাজেন্দ্র কলেজ মাঠের নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তারেক রহমান একথা বলেন। বিএনপির ফরিদপুর সাংগঠনিক বিভাগ এ জনসভার আয়োজন করে।
বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, জনগণের স্বাধীনতা, ভোটের অধিকার, কথা বলার অধিকার– এসবের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে। সেই ষড়যন্ত্রকারীদের জনগণ গুপ্ত নামে চিনে। তারা বিভিন্ন সময় রূপের পরিবর্তন করে। শুধু তা-ই নয়, জনগণকে তারা অপমানিত করে। তাদের দলীয় প্রধান বাংলাদেশের খেটে খাওয়া মা-বোনদের নিয়ে অত্যন্ত আপত্তিকর কথা বলেছে। যে রাজনৈতিক দল এমন নোংরা মন্তব্য করে, তাদের কাছ থেকে ভালো কিছু আশা করা যায় না।
তারেক রহমান বলেন, ১৯৭১ সালে মুক্তিযোদ্ধারা জীবন বাজি রেখে দেশ স্বাধীন করেছেন। গত ১৭ বছরে বহু মানুষ গুম-খুন ও অত্যাচারের শিকার হয়েছেন। অধিকার ফিরে পেতে মানুষ জীবন দিয়েছেন। চব্বিশের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতা রাজপথে আন্দোলন করে ’৭১-এর সেই স্বাধীনতা রক্ষা করেছে। মানুষের ভোটের অধিকার, কথা বলার অধিকার আমাদের সমুন্নত রাখতে হবে।

তিনি বলেন, এই বৃহত্তর ফরিদপুরের অন্যতম সমস্যা নদী ভাঙ্গন। আমরা পরিকল্পনা নিয়েছি স্থায়ীভাবে নদী ভাঙ্গন প্রতিরোধ করা হবে। এই এলাকার বহু শিক্ষিত যুবক রয়েছে, কিন্তু কর্মসংস্থান নেই। প্রত্যেক এলাকার মানুষের কথা চিন্তা করে শিল্প কারখানা করা হবে যাতে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হয়।
বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, আমাদের দেশের অর্ধেক জনসংখ্যা নারী। তাদের পিছনে রেখে কোনোভাবেই সামনে এগিয়ে যেতে পারবো না। তাদের কর্মমুখী করতে হবে। প্রত্যেক পরিবারকে আমরা ফ্যামেলি কার্ড দিতে চাই।
তিনি আরও বলেন, আমরা এই সমগ্র অঞ্চলকে ঘিরে পদ্মা ব্যারেজ করতে চাই যেন কৃষকদের চাষাবাদে কোনও পানির সমস্যা না থাকে। আমরা এই পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণ কাজে হাত দিতে চাই। জনগণের সমর্থন ছাড়া কোনো বড় কাজ করা সম্ভব নয়।
তারেক রহমান বলেন, আমার আগে যে নেতারা বক্তব্য দিলেন তারা দুটি দাবির কথা বলেছেন। তা হলো– ফরিদপুর সিটি কর্পোরেশন ও ফরিদপুর বিভাগ। আমি এটুকু কথা দিতে চাই– বিএনপি ক্ষমতায় গেলে জনগণের এই দাবি পূরণ করা হবে।
ফরিদপুর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক সৈয়দ মোদারেরছ আলী ইছার সভাপতিত্বে সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বিএনপির সংগঠনিক সম্পাদক শামা ওবায়েদ ইসলাম ও কৃষকদলের সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম বাবুল।
অনুষ্ঠান সঞ্চলনা করেন জেলা বিএনপির সদস্য সচিব একেএম কিবরিয়া স্বপন ও যুগ্ম আহবায়ক সৈয়দ জুলফিকার হোসেন জুয়েল।
সভার শুরুতে তারেক রহমান মঞ্চে উঠে বৃহত্তর ফরিদপুরের ১৫টি সংসদীয় আসনের প্রার্থীদের পরিচয় করিয়ে দেন।
এর আগে বিএনপি চেয়ারম্যান বরিশাল থেকে হেলিকপ্টারে দুপুর ২টা ৪০ মিনিটে ফরিদপুরে পৌঁছান। ২টা ৫৫ মিনিটে তিনি মঞ্চে ওঠেন। ৩টা ২০ মিনিট থেকে ৩টা ৪৫ পর্যন্ত বক্তব্য রাখেন। ৩টা ৫৫ মিনিটে তিনি ফরিদপুর স্টেডিয়াম থেকে হেলিকপ্টারে ঢাকার উদ্দেশে ফরিদপুর ত্যাগ করেন।

অনৈতিক বিষয় দিয়ে যারা কাজ শুরু করছেন, জনগণ কী করে আশা করবে তারা সৎ লোকের শাসন দেবে– এমন প্রশ্ন তুলেছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। জামায়তের প্রতি ইঙ্গিত করে তিনি বলেছেন, তারা বিকাশ নম্বর চাইছে, এনআইডি কার্ড চাইছে, কেন চাইছে? তারা দেশের মানুষের সঙ্গে অনৈতিক আচরণ করছে; অথচ তারা বলেন সৎ মানুষের শাসন কায়েম করতে চান।
বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ফরিদপুর সরকারি রাজেন্দ্র কলেজ মাঠের নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তারেক রহমান একথা বলেন। বিএনপির ফরিদপুর সাংগঠনিক বিভাগ এ জনসভার আয়োজন করে।
বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, জনগণের স্বাধীনতা, ভোটের অধিকার, কথা বলার অধিকার– এসবের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে। সেই ষড়যন্ত্রকারীদের জনগণ গুপ্ত নামে চিনে। তারা বিভিন্ন সময় রূপের পরিবর্তন করে। শুধু তা-ই নয়, জনগণকে তারা অপমানিত করে। তাদের দলীয় প্রধান বাংলাদেশের খেটে খাওয়া মা-বোনদের নিয়ে অত্যন্ত আপত্তিকর কথা বলেছে। যে রাজনৈতিক দল এমন নোংরা মন্তব্য করে, তাদের কাছ থেকে ভালো কিছু আশা করা যায় না।
তারেক রহমান বলেন, ১৯৭১ সালে মুক্তিযোদ্ধারা জীবন বাজি রেখে দেশ স্বাধীন করেছেন। গত ১৭ বছরে বহু মানুষ গুম-খুন ও অত্যাচারের শিকার হয়েছেন। অধিকার ফিরে পেতে মানুষ জীবন দিয়েছেন। চব্বিশের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতা রাজপথে আন্দোলন করে ’৭১-এর সেই স্বাধীনতা রক্ষা করেছে। মানুষের ভোটের অধিকার, কথা বলার অধিকার আমাদের সমুন্নত রাখতে হবে।

তিনি বলেন, এই বৃহত্তর ফরিদপুরের অন্যতম সমস্যা নদী ভাঙ্গন। আমরা পরিকল্পনা নিয়েছি স্থায়ীভাবে নদী ভাঙ্গন প্রতিরোধ করা হবে। এই এলাকার বহু শিক্ষিত যুবক রয়েছে, কিন্তু কর্মসংস্থান নেই। প্রত্যেক এলাকার মানুষের কথা চিন্তা করে শিল্প কারখানা করা হবে যাতে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হয়।
বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, আমাদের দেশের অর্ধেক জনসংখ্যা নারী। তাদের পিছনে রেখে কোনোভাবেই সামনে এগিয়ে যেতে পারবো না। তাদের কর্মমুখী করতে হবে। প্রত্যেক পরিবারকে আমরা ফ্যামেলি কার্ড দিতে চাই।
তিনি আরও বলেন, আমরা এই সমগ্র অঞ্চলকে ঘিরে পদ্মা ব্যারেজ করতে চাই যেন কৃষকদের চাষাবাদে কোনও পানির সমস্যা না থাকে। আমরা এই পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণ কাজে হাত দিতে চাই। জনগণের সমর্থন ছাড়া কোনো বড় কাজ করা সম্ভব নয়।
তারেক রহমান বলেন, আমার আগে যে নেতারা বক্তব্য দিলেন তারা দুটি দাবির কথা বলেছেন। তা হলো– ফরিদপুর সিটি কর্পোরেশন ও ফরিদপুর বিভাগ। আমি এটুকু কথা দিতে চাই– বিএনপি ক্ষমতায় গেলে জনগণের এই দাবি পূরণ করা হবে।
ফরিদপুর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক সৈয়দ মোদারেরছ আলী ইছার সভাপতিত্বে সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বিএনপির সংগঠনিক সম্পাদক শামা ওবায়েদ ইসলাম ও কৃষকদলের সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম বাবুল।
অনুষ্ঠান সঞ্চলনা করেন জেলা বিএনপির সদস্য সচিব একেএম কিবরিয়া স্বপন ও যুগ্ম আহবায়ক সৈয়দ জুলফিকার হোসেন জুয়েল।
সভার শুরুতে তারেক রহমান মঞ্চে উঠে বৃহত্তর ফরিদপুরের ১৫টি সংসদীয় আসনের প্রার্থীদের পরিচয় করিয়ে দেন।
এর আগে বিএনপি চেয়ারম্যান বরিশাল থেকে হেলিকপ্টারে দুপুর ২টা ৪০ মিনিটে ফরিদপুরে পৌঁছান। ২টা ৫৫ মিনিটে তিনি মঞ্চে ওঠেন। ৩টা ২০ মিনিট থেকে ৩টা ৪৫ পর্যন্ত বক্তব্য রাখেন। ৩টা ৫৫ মিনিটে তিনি ফরিদপুর স্টেডিয়াম থেকে হেলিকপ্টারে ঢাকার উদ্দেশে ফরিদপুর ত্যাগ করেন।

‘অনৈতিকতায়’ যাদের শুরু তারা কীভাবে সৎ শাসন দেবে: তারেক রহমান
নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর

অনৈতিক বিষয় দিয়ে যারা কাজ শুরু করছেন, জনগণ কী করে আশা করবে তারা সৎ লোকের শাসন দেবে– এমন প্রশ্ন তুলেছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। জামায়তের প্রতি ইঙ্গিত করে তিনি বলেছেন, তারা বিকাশ নম্বর চাইছে, এনআইডি কার্ড চাইছে, কেন চাইছে? তারা দেশের মানুষের সঙ্গে অনৈতিক আচরণ করছে; অথচ তারা বলেন সৎ মানুষের শাসন কায়েম করতে চান।
বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ফরিদপুর সরকারি রাজেন্দ্র কলেজ মাঠের নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তারেক রহমান একথা বলেন। বিএনপির ফরিদপুর সাংগঠনিক বিভাগ এ জনসভার আয়োজন করে।
বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, জনগণের স্বাধীনতা, ভোটের অধিকার, কথা বলার অধিকার– এসবের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে। সেই ষড়যন্ত্রকারীদের জনগণ গুপ্ত নামে চিনে। তারা বিভিন্ন সময় রূপের পরিবর্তন করে। শুধু তা-ই নয়, জনগণকে তারা অপমানিত করে। তাদের দলীয় প্রধান বাংলাদেশের খেটে খাওয়া মা-বোনদের নিয়ে অত্যন্ত আপত্তিকর কথা বলেছে। যে রাজনৈতিক দল এমন নোংরা মন্তব্য করে, তাদের কাছ থেকে ভালো কিছু আশা করা যায় না।
তারেক রহমান বলেন, ১৯৭১ সালে মুক্তিযোদ্ধারা জীবন বাজি রেখে দেশ স্বাধীন করেছেন। গত ১৭ বছরে বহু মানুষ গুম-খুন ও অত্যাচারের শিকার হয়েছেন। অধিকার ফিরে পেতে মানুষ জীবন দিয়েছেন। চব্বিশের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতা রাজপথে আন্দোলন করে ’৭১-এর সেই স্বাধীনতা রক্ষা করেছে। মানুষের ভোটের অধিকার, কথা বলার অধিকার আমাদের সমুন্নত রাখতে হবে।

তিনি বলেন, এই বৃহত্তর ফরিদপুরের অন্যতম সমস্যা নদী ভাঙ্গন। আমরা পরিকল্পনা নিয়েছি স্থায়ীভাবে নদী ভাঙ্গন প্রতিরোধ করা হবে। এই এলাকার বহু শিক্ষিত যুবক রয়েছে, কিন্তু কর্মসংস্থান নেই। প্রত্যেক এলাকার মানুষের কথা চিন্তা করে শিল্প কারখানা করা হবে যাতে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হয়।
বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, আমাদের দেশের অর্ধেক জনসংখ্যা নারী। তাদের পিছনে রেখে কোনোভাবেই সামনে এগিয়ে যেতে পারবো না। তাদের কর্মমুখী করতে হবে। প্রত্যেক পরিবারকে আমরা ফ্যামেলি কার্ড দিতে চাই।
তিনি আরও বলেন, আমরা এই সমগ্র অঞ্চলকে ঘিরে পদ্মা ব্যারেজ করতে চাই যেন কৃষকদের চাষাবাদে কোনও পানির সমস্যা না থাকে। আমরা এই পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণ কাজে হাত দিতে চাই। জনগণের সমর্থন ছাড়া কোনো বড় কাজ করা সম্ভব নয়।
তারেক রহমান বলেন, আমার আগে যে নেতারা বক্তব্য দিলেন তারা দুটি দাবির কথা বলেছেন। তা হলো– ফরিদপুর সিটি কর্পোরেশন ও ফরিদপুর বিভাগ। আমি এটুকু কথা দিতে চাই– বিএনপি ক্ষমতায় গেলে জনগণের এই দাবি পূরণ করা হবে।
ফরিদপুর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক সৈয়দ মোদারেরছ আলী ইছার সভাপতিত্বে সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বিএনপির সংগঠনিক সম্পাদক শামা ওবায়েদ ইসলাম ও কৃষকদলের সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম বাবুল।
অনুষ্ঠান সঞ্চলনা করেন জেলা বিএনপির সদস্য সচিব একেএম কিবরিয়া স্বপন ও যুগ্ম আহবায়ক সৈয়দ জুলফিকার হোসেন জুয়েল।
সভার শুরুতে তারেক রহমান মঞ্চে উঠে বৃহত্তর ফরিদপুরের ১৫টি সংসদীয় আসনের প্রার্থীদের পরিচয় করিয়ে দেন।
এর আগে বিএনপি চেয়ারম্যান বরিশাল থেকে হেলিকপ্টারে দুপুর ২টা ৪০ মিনিটে ফরিদপুরে পৌঁছান। ২টা ৫৫ মিনিটে তিনি মঞ্চে ওঠেন। ৩টা ২০ মিনিট থেকে ৩টা ৪৫ পর্যন্ত বক্তব্য রাখেন। ৩টা ৫৫ মিনিটে তিনি ফরিদপুর স্টেডিয়াম থেকে হেলিকপ্টারে ঢাকার উদ্দেশে ফরিদপুর ত্যাগ করেন।




