রাঙামাটিতে এনসিপির ৮৭ নেতাকর্মীর একসঙ্গে পদত্যাগ

রাঙামাটিতে এনসিপির ৮৭ নেতাকর্মীর একসঙ্গে পদত্যাগ
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাঙামাটির জুরাছড়ি উপজেলায় জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উপজেলা কমিটির আহ্বায়কসহ পূর্ণাঙ্গ কমিটির ৮৭ জন নেতকর্মী একযোগে পদত্যাগ করেছেন। জেলা কমিটির যুগ্ম সদস্যসচিব উজ্জ্বল চাকমার পদত্যাগের পাঁচ দিনের মাথায় এই গণপদত্যাগের ঘটনা ঘটল।
সোমবার (৯ মার্চ) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রাঙামাটি জেলা কমিটির সদস্য ও জুরাছড়ি উপজেলা কমিটির আহ্বায়ক অসিম চাকমা।
জানা গেছে, সোমবার এক বিশেষ সভায় উপজেলা কমিটির আহ্বায়ক অসিম চাকমাসহ পূর্ণাঙ্গ কমিটির সব সদস্য গণপদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন। পরে এ-সংক্রান্ত পদত্যাগপত্র রাঙামাটি জেলা কমিটির কাছে পাঠানো হয়।
উপজেলা কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক দেবাশীষ চাকমা বলেন, গত ১ জানুয়ারি রাঙামাটি জেলা কমিটি জুরাছড়ি উপজেলার ৮৭ সদস্যের একটি কমিটি ছয় মাসের জন্য অনুমোদন দেয়। তবে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে তারা সম্মিলিতভাবে পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
পদত্যাগী নেতারা জানান, জুলাই আন্দোলনের আকাঙ্ক্ষা ধারণ করে নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্ত ও নতুন বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যাশা নিয়ে তারা দলে যোগ দিয়েছিলেন। কিন্তু ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে বড় একটি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে জোট করার মাধ্যমে এনসিপি তার স্বকীয়তা ও আদর্শ থেকে সরে এসেছে বলে তাদের মনে হয়েছে। দলটির বর্তমান অবস্থানের সঙ্গে তাদের আদর্শিক অবস্থান মিলছে না বলেও জানান তারা। এ কারণে সব ধরনের সাংগঠনিক কার্যক্রম থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন।
অসিম চাকমা বলেন, এই পরিস্থিতিতে আমাদের পক্ষে সেই আদর্শকে লালন করা আর সম্ভব হচ্ছে না। তাই আজ থেকে আমি এনসিপির রাঙামাটি জেলা আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ও জুরাছড়ি উপজেলা আহ্বায়কসহ সব সাংগঠনিক পদ থেকে পদত্যাগ করেছি।
কোনো রাজনৈতিক দলের চাপের কারণে পদত্যাগ করা হয়েছে কি না এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমরা কোনো রাজনৈতিক দলের চাপে পদত্যাগ করেননি।
এনসিপির রাঙামাটি জেলা শাখার আহ্বায়ক বিপিন জ্যোতি চাকমা জুরাছড়ি উপজেলা কমিটির গণপদত্যাগের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, এ বিষয়ে সাংগঠনিক পদত্যাগপত্র তাদের কাছে পৌঁছেছে।
এদিকে এনসিপির দক্ষিণাঞ্চলের সংগঠক মনজিলা সুলতানা ঝুমা জানান, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও স্থানীয় কয়েকজন নেতাকর্মীর মাধ্যমে পদত্যাগের খবর পেয়েছেন। তবে সাংগঠনিক নিয়ম অনুযায়ী যে কমিটি থেকে অনুমোদন দেওয়া হয়, সেই কমিটির কাছেই লিখিতভাবে পদত্যাগপত্র পাঠাতে হয়। পদত্যাগকারীরা নিয়ম মেনে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন কি না, তা এখনো জানা যায়নি বলে জানান তিনি।

রাঙামাটির জুরাছড়ি উপজেলায় জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উপজেলা কমিটির আহ্বায়কসহ পূর্ণাঙ্গ কমিটির ৮৭ জন নেতকর্মী একযোগে পদত্যাগ করেছেন। জেলা কমিটির যুগ্ম সদস্যসচিব উজ্জ্বল চাকমার পদত্যাগের পাঁচ দিনের মাথায় এই গণপদত্যাগের ঘটনা ঘটল।
সোমবার (৯ মার্চ) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রাঙামাটি জেলা কমিটির সদস্য ও জুরাছড়ি উপজেলা কমিটির আহ্বায়ক অসিম চাকমা।
জানা গেছে, সোমবার এক বিশেষ সভায় উপজেলা কমিটির আহ্বায়ক অসিম চাকমাসহ পূর্ণাঙ্গ কমিটির সব সদস্য গণপদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন। পরে এ-সংক্রান্ত পদত্যাগপত্র রাঙামাটি জেলা কমিটির কাছে পাঠানো হয়।
উপজেলা কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক দেবাশীষ চাকমা বলেন, গত ১ জানুয়ারি রাঙামাটি জেলা কমিটি জুরাছড়ি উপজেলার ৮৭ সদস্যের একটি কমিটি ছয় মাসের জন্য অনুমোদন দেয়। তবে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে তারা সম্মিলিতভাবে পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
পদত্যাগী নেতারা জানান, জুলাই আন্দোলনের আকাঙ্ক্ষা ধারণ করে নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্ত ও নতুন বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যাশা নিয়ে তারা দলে যোগ দিয়েছিলেন। কিন্তু ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে বড় একটি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে জোট করার মাধ্যমে এনসিপি তার স্বকীয়তা ও আদর্শ থেকে সরে এসেছে বলে তাদের মনে হয়েছে। দলটির বর্তমান অবস্থানের সঙ্গে তাদের আদর্শিক অবস্থান মিলছে না বলেও জানান তারা। এ কারণে সব ধরনের সাংগঠনিক কার্যক্রম থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন।
অসিম চাকমা বলেন, এই পরিস্থিতিতে আমাদের পক্ষে সেই আদর্শকে লালন করা আর সম্ভব হচ্ছে না। তাই আজ থেকে আমি এনসিপির রাঙামাটি জেলা আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ও জুরাছড়ি উপজেলা আহ্বায়কসহ সব সাংগঠনিক পদ থেকে পদত্যাগ করেছি।
কোনো রাজনৈতিক দলের চাপের কারণে পদত্যাগ করা হয়েছে কি না এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমরা কোনো রাজনৈতিক দলের চাপে পদত্যাগ করেননি।
এনসিপির রাঙামাটি জেলা শাখার আহ্বায়ক বিপিন জ্যোতি চাকমা জুরাছড়ি উপজেলা কমিটির গণপদত্যাগের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, এ বিষয়ে সাংগঠনিক পদত্যাগপত্র তাদের কাছে পৌঁছেছে।
এদিকে এনসিপির দক্ষিণাঞ্চলের সংগঠক মনজিলা সুলতানা ঝুমা জানান, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও স্থানীয় কয়েকজন নেতাকর্মীর মাধ্যমে পদত্যাগের খবর পেয়েছেন। তবে সাংগঠনিক নিয়ম অনুযায়ী যে কমিটি থেকে অনুমোদন দেওয়া হয়, সেই কমিটির কাছেই লিখিতভাবে পদত্যাগপত্র পাঠাতে হয়। পদত্যাগকারীরা নিয়ম মেনে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন কি না, তা এখনো জানা যায়নি বলে জানান তিনি।

রাঙামাটিতে এনসিপির ৮৭ নেতাকর্মীর একসঙ্গে পদত্যাগ
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাঙামাটির জুরাছড়ি উপজেলায় জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উপজেলা কমিটির আহ্বায়কসহ পূর্ণাঙ্গ কমিটির ৮৭ জন নেতকর্মী একযোগে পদত্যাগ করেছেন। জেলা কমিটির যুগ্ম সদস্যসচিব উজ্জ্বল চাকমার পদত্যাগের পাঁচ দিনের মাথায় এই গণপদত্যাগের ঘটনা ঘটল।
সোমবার (৯ মার্চ) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রাঙামাটি জেলা কমিটির সদস্য ও জুরাছড়ি উপজেলা কমিটির আহ্বায়ক অসিম চাকমা।
জানা গেছে, সোমবার এক বিশেষ সভায় উপজেলা কমিটির আহ্বায়ক অসিম চাকমাসহ পূর্ণাঙ্গ কমিটির সব সদস্য গণপদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন। পরে এ-সংক্রান্ত পদত্যাগপত্র রাঙামাটি জেলা কমিটির কাছে পাঠানো হয়।
উপজেলা কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক দেবাশীষ চাকমা বলেন, গত ১ জানুয়ারি রাঙামাটি জেলা কমিটি জুরাছড়ি উপজেলার ৮৭ সদস্যের একটি কমিটি ছয় মাসের জন্য অনুমোদন দেয়। তবে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে তারা সম্মিলিতভাবে পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
পদত্যাগী নেতারা জানান, জুলাই আন্দোলনের আকাঙ্ক্ষা ধারণ করে নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্ত ও নতুন বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যাশা নিয়ে তারা দলে যোগ দিয়েছিলেন। কিন্তু ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে বড় একটি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে জোট করার মাধ্যমে এনসিপি তার স্বকীয়তা ও আদর্শ থেকে সরে এসেছে বলে তাদের মনে হয়েছে। দলটির বর্তমান অবস্থানের সঙ্গে তাদের আদর্শিক অবস্থান মিলছে না বলেও জানান তারা। এ কারণে সব ধরনের সাংগঠনিক কার্যক্রম থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন।
অসিম চাকমা বলেন, এই পরিস্থিতিতে আমাদের পক্ষে সেই আদর্শকে লালন করা আর সম্ভব হচ্ছে না। তাই আজ থেকে আমি এনসিপির রাঙামাটি জেলা আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ও জুরাছড়ি উপজেলা আহ্বায়কসহ সব সাংগঠনিক পদ থেকে পদত্যাগ করেছি।
কোনো রাজনৈতিক দলের চাপের কারণে পদত্যাগ করা হয়েছে কি না এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমরা কোনো রাজনৈতিক দলের চাপে পদত্যাগ করেননি।
এনসিপির রাঙামাটি জেলা শাখার আহ্বায়ক বিপিন জ্যোতি চাকমা জুরাছড়ি উপজেলা কমিটির গণপদত্যাগের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, এ বিষয়ে সাংগঠনিক পদত্যাগপত্র তাদের কাছে পৌঁছেছে।
এদিকে এনসিপির দক্ষিণাঞ্চলের সংগঠক মনজিলা সুলতানা ঝুমা জানান, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও স্থানীয় কয়েকজন নেতাকর্মীর মাধ্যমে পদত্যাগের খবর পেয়েছেন। তবে সাংগঠনিক নিয়ম অনুযায়ী যে কমিটি থেকে অনুমোদন দেওয়া হয়, সেই কমিটির কাছেই লিখিতভাবে পদত্যাগপত্র পাঠাতে হয়। পদত্যাগকারীরা নিয়ম মেনে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন কি না, তা এখনো জানা যায়নি বলে জানান তিনি।




