স্বাধীনতার প্রত্যাশা এখনো পূরণ হয়নি: জামায়াত আমির

স্বাধীনতার প্রত্যাশা এখনো পূরণ হয়নি: জামায়াত আমির
নিজস্ব প্রতিবেদক

স্বাধীনতার ৫৫ বছর পেরিয়ে গেলেও দেশের মানুষের বহু প্রত্যাশা এখনও অপূর্ণ রয়ে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন ডা. শফিকুর রহমান।
মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) রাতে দেওয়া এক বিবৃতিতে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির এ কথা বলেন। একই সঙ্গে যথাযোগ্য মর্যাদায় ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস পালনের আহ্বান জানান তিনি।
বিবৃতিতে বলা হয়, ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ গণতন্ত্র, আইনের শাসন, ন্যায়বিচার, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে তৎকালীন শাসকগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিকামী মানুষ। মহান মুক্তিযুদ্ধের মূল লক্ষ্য ছিল সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক সুবিচার প্রতিষ্ঠা। ক্ষুধা, দারিদ্র্য, বেকারত্ব ও দুঃশাসনমুক্ত একটি দেশ গড়ার প্রত্যাশায় সর্বস্তরের মানুষ যুদ্ধে অংশ নেয়।
তবে স্বাধীনতার ৫৫ বছরে প্রাপ্তির হিসাব করলে দেখা যায়, মানুষের অনেক প্রত্যাশাই এখনো বাস্তবায়িত হয়নি বলে মন্তব্য করেন ডা. শফিকুর রহমান।
তিনি বলেন, ২০২৪ সালের জুলাইয়ে ছাত্র-জনতার গণআন্দোলনের মাধ্যমে দীর্ঘ ১৬ বছরের ‘ফ্যাসিবাদী শাসন’ থেকে মুক্তি পেয়েছে দেশ। পরবর্তী সময়ে ফ্যাসিবাদমুক্ত পরিবেশে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়ে নতুন সরকার গঠিত হয়েছে। এ পরিস্থিতিতে দেশবাসীর প্রত্যাশা– কেউ আর নতুন করে স্বৈরাচারী হয়ে ওঠার দুঃসাহস দেখাবে না।
দেশে ভয়ভীতিমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করা, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, বৈষম্যহীন সমাজ, নাগরিকদের জানমাল ও সম্মানের নিরাপত্তা, দুর্নীতি ও চাঁদাবাজিমুক্ত শাসন– এসব প্রত্যাশার কথাও তুলে ধরেন তিনি।
জুলাই জাতীয় সনদ-২০২৫ বাস্তবায়ন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, রাজনৈতিক দলগুলোর স্বাক্ষর এবং গণভোটে প্রায় ৭০ শতাংশ মানুষের সমর্থন থাকা সত্ত্বেও এর বাস্তবায়নে সরকারের অনীহা দেখা যাচ্ছে, যা উদ্বেগজনক। তিনি সতর্ক করে বলেন, এ বিষয়ে কোনো টালবাহানা জনগণ মেনে নেবে না এবং দ্রুত বাস্তবায়নে উদ্যোগ নিতে হবে।
বিবৃতিতে ১৯৭১ সালের বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং ২০২৪ সালের জুলাই গণআন্দোলনের শহীদদের স্মরণ করা হয়। একই সঙ্গে আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করা হয়েছে।

স্বাধীনতার ৫৫ বছর পেরিয়ে গেলেও দেশের মানুষের বহু প্রত্যাশা এখনও অপূর্ণ রয়ে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন ডা. শফিকুর রহমান।
মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) রাতে দেওয়া এক বিবৃতিতে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির এ কথা বলেন। একই সঙ্গে যথাযোগ্য মর্যাদায় ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস পালনের আহ্বান জানান তিনি।
বিবৃতিতে বলা হয়, ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ গণতন্ত্র, আইনের শাসন, ন্যায়বিচার, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে তৎকালীন শাসকগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিকামী মানুষ। মহান মুক্তিযুদ্ধের মূল লক্ষ্য ছিল সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক সুবিচার প্রতিষ্ঠা। ক্ষুধা, দারিদ্র্য, বেকারত্ব ও দুঃশাসনমুক্ত একটি দেশ গড়ার প্রত্যাশায় সর্বস্তরের মানুষ যুদ্ধে অংশ নেয়।
তবে স্বাধীনতার ৫৫ বছরে প্রাপ্তির হিসাব করলে দেখা যায়, মানুষের অনেক প্রত্যাশাই এখনো বাস্তবায়িত হয়নি বলে মন্তব্য করেন ডা. শফিকুর রহমান।
তিনি বলেন, ২০২৪ সালের জুলাইয়ে ছাত্র-জনতার গণআন্দোলনের মাধ্যমে দীর্ঘ ১৬ বছরের ‘ফ্যাসিবাদী শাসন’ থেকে মুক্তি পেয়েছে দেশ। পরবর্তী সময়ে ফ্যাসিবাদমুক্ত পরিবেশে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়ে নতুন সরকার গঠিত হয়েছে। এ পরিস্থিতিতে দেশবাসীর প্রত্যাশা– কেউ আর নতুন করে স্বৈরাচারী হয়ে ওঠার দুঃসাহস দেখাবে না।
দেশে ভয়ভীতিমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করা, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, বৈষম্যহীন সমাজ, নাগরিকদের জানমাল ও সম্মানের নিরাপত্তা, দুর্নীতি ও চাঁদাবাজিমুক্ত শাসন– এসব প্রত্যাশার কথাও তুলে ধরেন তিনি।
জুলাই জাতীয় সনদ-২০২৫ বাস্তবায়ন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, রাজনৈতিক দলগুলোর স্বাক্ষর এবং গণভোটে প্রায় ৭০ শতাংশ মানুষের সমর্থন থাকা সত্ত্বেও এর বাস্তবায়নে সরকারের অনীহা দেখা যাচ্ছে, যা উদ্বেগজনক। তিনি সতর্ক করে বলেন, এ বিষয়ে কোনো টালবাহানা জনগণ মেনে নেবে না এবং দ্রুত বাস্তবায়নে উদ্যোগ নিতে হবে।
বিবৃতিতে ১৯৭১ সালের বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং ২০২৪ সালের জুলাই গণআন্দোলনের শহীদদের স্মরণ করা হয়। একই সঙ্গে আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করা হয়েছে।

স্বাধীনতার প্রত্যাশা এখনো পূরণ হয়নি: জামায়াত আমির
নিজস্ব প্রতিবেদক

স্বাধীনতার ৫৫ বছর পেরিয়ে গেলেও দেশের মানুষের বহু প্রত্যাশা এখনও অপূর্ণ রয়ে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন ডা. শফিকুর রহমান।
মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) রাতে দেওয়া এক বিবৃতিতে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির এ কথা বলেন। একই সঙ্গে যথাযোগ্য মর্যাদায় ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস পালনের আহ্বান জানান তিনি।
বিবৃতিতে বলা হয়, ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ গণতন্ত্র, আইনের শাসন, ন্যায়বিচার, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে তৎকালীন শাসকগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিকামী মানুষ। মহান মুক্তিযুদ্ধের মূল লক্ষ্য ছিল সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক সুবিচার প্রতিষ্ঠা। ক্ষুধা, দারিদ্র্য, বেকারত্ব ও দুঃশাসনমুক্ত একটি দেশ গড়ার প্রত্যাশায় সর্বস্তরের মানুষ যুদ্ধে অংশ নেয়।
তবে স্বাধীনতার ৫৫ বছরে প্রাপ্তির হিসাব করলে দেখা যায়, মানুষের অনেক প্রত্যাশাই এখনো বাস্তবায়িত হয়নি বলে মন্তব্য করেন ডা. শফিকুর রহমান।
তিনি বলেন, ২০২৪ সালের জুলাইয়ে ছাত্র-জনতার গণআন্দোলনের মাধ্যমে দীর্ঘ ১৬ বছরের ‘ফ্যাসিবাদী শাসন’ থেকে মুক্তি পেয়েছে দেশ। পরবর্তী সময়ে ফ্যাসিবাদমুক্ত পরিবেশে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়ে নতুন সরকার গঠিত হয়েছে। এ পরিস্থিতিতে দেশবাসীর প্রত্যাশা– কেউ আর নতুন করে স্বৈরাচারী হয়ে ওঠার দুঃসাহস দেখাবে না।
দেশে ভয়ভীতিমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করা, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, বৈষম্যহীন সমাজ, নাগরিকদের জানমাল ও সম্মানের নিরাপত্তা, দুর্নীতি ও চাঁদাবাজিমুক্ত শাসন– এসব প্রত্যাশার কথাও তুলে ধরেন তিনি।
জুলাই জাতীয় সনদ-২০২৫ বাস্তবায়ন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, রাজনৈতিক দলগুলোর স্বাক্ষর এবং গণভোটে প্রায় ৭০ শতাংশ মানুষের সমর্থন থাকা সত্ত্বেও এর বাস্তবায়নে সরকারের অনীহা দেখা যাচ্ছে, যা উদ্বেগজনক। তিনি সতর্ক করে বলেন, এ বিষয়ে কোনো টালবাহানা জনগণ মেনে নেবে না এবং দ্রুত বাস্তবায়নে উদ্যোগ নিতে হবে।
বিবৃতিতে ১৯৭১ সালের বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং ২০২৪ সালের জুলাই গণআন্দোলনের শহীদদের স্মরণ করা হয়। একই সঙ্গে আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করা হয়েছে।




