নির্বাচন ‘অনিরাপদ’ মনে হলে অংশ নেবেন না নুর

নির্বাচন ‘অনিরাপদ’ মনে হলে অংশ নেবেন না নুর
পটুয়াখালী সংবাদদাতা

পটুয়াখালী-৩ আসনে (গলাচিপা-দশমিনা) বিএনপি-সমর্থিত প্রার্থী গণ অধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক (নুর) অভিযোগ করেছেন, স্বতন্ত্র প্রার্থী হাসান মামুন ও তার সমর্থকেরা ধারাবাহিকভাবে হামলা, অগ্নিসংযোগ ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করছেন। নির্বাচনী এলাকায় সংঘাত ও সহিংসতার ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তিনি।
মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে নুরুল হক এসব অভিযোগ ও দাবি জানান। এ সময়, জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও পুলিশ সুপারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে বিষয়গুলো জানিয়েছেন।
নুরুল হক অভিযোগ করে বলেন, ‘বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী হাসান মামুন ও তার সমর্থকেরা ধারাবাহিকভাবে হামলা, অগ্নিসংযোগ ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করছেন। এভাবে চলতে থাকলে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর বিষয়টিও ভাবতে হতে পারে।’
নুরুল হক বলেন, সোমবার গভীর রাতে দশমিনা উপজেলার আলিপুরা ইউনিয়নে তার ‘ট্রাক’ প্রতীকের নির্বাচনী কার্যালয়ে আগুন দেওয়া হয়। ৬ ফেব্রুয়ারি রাতে গলাচিপার আমখোলা ইউনিয়নে তার কর্মী মাঈনুল ইসলামের বাড়িতে আগুন দিয়ে একটি পরিবারকে হত্যার চেষ্টা করা হয়। গত ৩১ জানুয়ারি ডাউকা ইউনিয়নে ৭-৮ জন কর্মীকে মারধর করা হয়। এ ছাড়া ২৬ জানুয়ারি চরবোরহান ইউনিয়নে তার নির্বাচনী কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুর চালানো হয় এবং কয়েকজন কর্মী-সমর্থককে মারধর করা হয়।
এমন আরও অভিযোগ করেন নুর।
নুরুল হক জানান, এসব বিষয়ে জেলা রির্টানিং কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ দেওয়ার পাশাপাশি থানায় দুটি মামলা করা হলেও প্রশাসনের পক্ষ থেকে দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ দেখা যাচ্ছে না। তিনি বলেন, ‘বুধবার সকাল পর্যন্ত অপেক্ষা করবো। প্রশাসন যদি সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ হয়, তাহলে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে প্রশাসনের বিরুদ্ধেও অবস্থান নেওয়ার প্রয়োজন হতে পারে। কিন্তু অনিরাপদ নির্বাচনে কোনোভাবেই অংশ নেওয়া সম্ভব নয়।’
এসব অভিযোগের বিষয়ে প্রার্থী হাসান মামুনের নির্বাচনী সমন্বয়ক জাহিদ হোসেন বলেন, ‘নুরুল হক যেসব অভিযোগ করেছেন, তা সত্য নয়; উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। এ বিষয়ে আমরা সংবাদ সম্মেলন করে জবাব দেবো।’

পটুয়াখালী-৩ আসনে (গলাচিপা-দশমিনা) বিএনপি-সমর্থিত প্রার্থী গণ অধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক (নুর) অভিযোগ করেছেন, স্বতন্ত্র প্রার্থী হাসান মামুন ও তার সমর্থকেরা ধারাবাহিকভাবে হামলা, অগ্নিসংযোগ ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করছেন। নির্বাচনী এলাকায় সংঘাত ও সহিংসতার ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তিনি।
মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে নুরুল হক এসব অভিযোগ ও দাবি জানান। এ সময়, জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও পুলিশ সুপারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে বিষয়গুলো জানিয়েছেন।
নুরুল হক অভিযোগ করে বলেন, ‘বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী হাসান মামুন ও তার সমর্থকেরা ধারাবাহিকভাবে হামলা, অগ্নিসংযোগ ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করছেন। এভাবে চলতে থাকলে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর বিষয়টিও ভাবতে হতে পারে।’
নুরুল হক বলেন, সোমবার গভীর রাতে দশমিনা উপজেলার আলিপুরা ইউনিয়নে তার ‘ট্রাক’ প্রতীকের নির্বাচনী কার্যালয়ে আগুন দেওয়া হয়। ৬ ফেব্রুয়ারি রাতে গলাচিপার আমখোলা ইউনিয়নে তার কর্মী মাঈনুল ইসলামের বাড়িতে আগুন দিয়ে একটি পরিবারকে হত্যার চেষ্টা করা হয়। গত ৩১ জানুয়ারি ডাউকা ইউনিয়নে ৭-৮ জন কর্মীকে মারধর করা হয়। এ ছাড়া ২৬ জানুয়ারি চরবোরহান ইউনিয়নে তার নির্বাচনী কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুর চালানো হয় এবং কয়েকজন কর্মী-সমর্থককে মারধর করা হয়।
এমন আরও অভিযোগ করেন নুর।
নুরুল হক জানান, এসব বিষয়ে জেলা রির্টানিং কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ দেওয়ার পাশাপাশি থানায় দুটি মামলা করা হলেও প্রশাসনের পক্ষ থেকে দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ দেখা যাচ্ছে না। তিনি বলেন, ‘বুধবার সকাল পর্যন্ত অপেক্ষা করবো। প্রশাসন যদি সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ হয়, তাহলে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে প্রশাসনের বিরুদ্ধেও অবস্থান নেওয়ার প্রয়োজন হতে পারে। কিন্তু অনিরাপদ নির্বাচনে কোনোভাবেই অংশ নেওয়া সম্ভব নয়।’
এসব অভিযোগের বিষয়ে প্রার্থী হাসান মামুনের নির্বাচনী সমন্বয়ক জাহিদ হোসেন বলেন, ‘নুরুল হক যেসব অভিযোগ করেছেন, তা সত্য নয়; উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। এ বিষয়ে আমরা সংবাদ সম্মেলন করে জবাব দেবো।’

নির্বাচন ‘অনিরাপদ’ মনে হলে অংশ নেবেন না নুর
পটুয়াখালী সংবাদদাতা

পটুয়াখালী-৩ আসনে (গলাচিপা-দশমিনা) বিএনপি-সমর্থিত প্রার্থী গণ অধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক (নুর) অভিযোগ করেছেন, স্বতন্ত্র প্রার্থী হাসান মামুন ও তার সমর্থকেরা ধারাবাহিকভাবে হামলা, অগ্নিসংযোগ ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করছেন। নির্বাচনী এলাকায় সংঘাত ও সহিংসতার ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তিনি।
মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে নুরুল হক এসব অভিযোগ ও দাবি জানান। এ সময়, জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও পুলিশ সুপারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে বিষয়গুলো জানিয়েছেন।
নুরুল হক অভিযোগ করে বলেন, ‘বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী হাসান মামুন ও তার সমর্থকেরা ধারাবাহিকভাবে হামলা, অগ্নিসংযোগ ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করছেন। এভাবে চলতে থাকলে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর বিষয়টিও ভাবতে হতে পারে।’
নুরুল হক বলেন, সোমবার গভীর রাতে দশমিনা উপজেলার আলিপুরা ইউনিয়নে তার ‘ট্রাক’ প্রতীকের নির্বাচনী কার্যালয়ে আগুন দেওয়া হয়। ৬ ফেব্রুয়ারি রাতে গলাচিপার আমখোলা ইউনিয়নে তার কর্মী মাঈনুল ইসলামের বাড়িতে আগুন দিয়ে একটি পরিবারকে হত্যার চেষ্টা করা হয়। গত ৩১ জানুয়ারি ডাউকা ইউনিয়নে ৭-৮ জন কর্মীকে মারধর করা হয়। এ ছাড়া ২৬ জানুয়ারি চরবোরহান ইউনিয়নে তার নির্বাচনী কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুর চালানো হয় এবং কয়েকজন কর্মী-সমর্থককে মারধর করা হয়।
এমন আরও অভিযোগ করেন নুর।
নুরুল হক জানান, এসব বিষয়ে জেলা রির্টানিং কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ দেওয়ার পাশাপাশি থানায় দুটি মামলা করা হলেও প্রশাসনের পক্ষ থেকে দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ দেখা যাচ্ছে না। তিনি বলেন, ‘বুধবার সকাল পর্যন্ত অপেক্ষা করবো। প্রশাসন যদি সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ হয়, তাহলে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে প্রশাসনের বিরুদ্ধেও অবস্থান নেওয়ার প্রয়োজন হতে পারে। কিন্তু অনিরাপদ নির্বাচনে কোনোভাবেই অংশ নেওয়া সম্ভব নয়।’
এসব অভিযোগের বিষয়ে প্রার্থী হাসান মামুনের নির্বাচনী সমন্বয়ক জাহিদ হোসেন বলেন, ‘নুরুল হক যেসব অভিযোগ করেছেন, তা সত্য নয়; উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। এ বিষয়ে আমরা সংবাদ সম্মেলন করে জবাব দেবো।’




