সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন ডাকা নিয়ে সংসদে বিতর্ক

সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন ডাকা নিয়ে সংসদে বিতর্ক
নিজস্ব প্রতিবেদক

জুলাই জাতীয় সনদের সংবিধান সম্পর্কিত সংস্কার প্রস্তাবগুলো বাস্তবায়নে সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন ডাকা নিয়ে আলোচনার জন্য শুরু থেকেই কঠোর অবস্থানে বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামী।
এই অবস্থায় আজ রবিবার (২৯ মার্চ) বিকালে প্রায় দুই সপ্তাহ মূলতবির পর অধিবেশন শুরু হলে সংসদে এই বিষয়ে নোটিশ দেয় বিরোধী দল। এই নোটিশের ওপর কখন আলোচনা হবে, তা নিয়ে সংসদে সরকারি দল ও বিরোধী দলের মধ্যে বিতর্ক হয়।
সংসদের বৈঠকে প্রশ্নোত্তর পর্ব শেষ হওয়ার পরপরই পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে বিরোধী দলীয় নেতা শফিকুর রহমান নোটিশটি সংসদে উত্থাপন করেন এবং এটি নিয়ে আলোচনা করার দাবি জানান।
কিন্তু সরকারি দলের পক্ষ থেকে বলা হয়, দিনের কার্যসূচি অনুযায়ী আগে প্রশ্নোত্তর ও জরুরি জনগুরুত্বসম্পন্ন বিষয়ে মনোযোগ আকর্ষণের নোটিশের ওপর আলোচনা শেষ করতে হবে। এরপর অন্য কোনো নোটিশ নিয়ে আলোচনা হতে পারে।
পরে সভাপতির আসনে থাকা ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেন, দিনের কার্যসূচি অনুযায়ী জনগুরুত্বসম্পন্ন বিষয়ে মনোযোগ আকর্ষণের নোটিশের ওপর আলোচনা শেষে বিরোধী দলের আনা নোটিশের বিষয়ে সিদ্ধান্ত দেওয়া হবে।
জুলাই জাতীয় সনদের সংবিধান সম্পর্কিত ৪৮টি প্রস্তাব বাস্তবায়নে জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ ও গণভোট করেছিল অন্তর্বর্তী সরকার। গণভোটে হ্যাঁ জয়ী হওয়ায় এই সংসদ নিয়মিত কাজের পাশাপাশি সংবিধান সংস্কার পরিষদ হিসেবেও কাজ করার কথা।
জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন আদেশ অনুসারে, নির্বাচনে জয়ী ব্যক্তিরা একই দিন দুটি শপথ নেওয়ার কথা। একটি সংসদ সদস্য হিসেবে; অন্যটি সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে। নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ অনুষ্ঠান ছিল গত ১৭ ফেব্রুয়ারি। ওই দিন দুটি শপথের প্রস্তুতি রেখেছিল সংসদ সচিবালয়। জামায়াতে ইসলামী, জাতীয় নাগরিক পার্টিসহ (এনসিপি) বিরোধী দলের সদস্যরা দুটি শপথই নিয়েছেন। কিন্তু বিএনপির সংসদ সদস্যরা সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ নেননি।
জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশ অনুযায়ী, এই পরিষদের প্রথম অধিবেশন ডাকার শেষ দিন ছিল গত ১৫ মার্চ। সেদিন বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান জাতীয় সংসদে বিষয়টি উত্থাপন করেছিলেন। তখন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বিরোধী দলকে বিধি অনুযায়ী নোটিশ দেওয়ার পরামর্শ দেন।
ঈদের ছুটির পর আজ সংসদের অধিবেশন শুরু হলে সংবিধান সংস্কার পরিষদের গঠন নিয়ে আলোচনার জন্য নোটিশ দেয় বিরোধী দল।
বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান নোটিশটি সংসদে উত্থাপন করে বলেন, ১৫ মার্চ তিনি পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে একটি অতি জনগুরুত্বপূর্ণ বিষয় উত্থাপন করেছিলেন। স্পিকার পরামর্শ দিয়েছিলেন নোটিশ আনার জন্য। তাঁরা সেটা করেছেন। তিনি নোটিশটি গ্রহণ করে জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন আদেশ অনুযায়ী সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথের বিষয়ে আলোচনার দাবি জানান।
এর পরপরই ফ্লোর নিয়ে চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম বলেন, দিনের কার্যসূচি অনুযায়ী প্রশ্নোত্তর ও বিধি-৭১–এর নোটিশের আলোচনা শেষে অন্য বিষয়ে আলোচনা হতে পারে।
জবাবে বিরোধদলীয় নেতা বলেন, প্রশ্নোত্তরের পরেই এ আলোচনা হবে। তিনি সে মোতাবেকই দাঁড়িয়েছেন।
এরপর ফ্লোর নিয়ে কথা বলতে চান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তখন বিরোধী দলের সদস্যরা আপত্তি জানান। তবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে কথা বলার সুযোগ দেন স্পিকার।
তখন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বিরোধীদলীয় নেতা একটি প্রস্তাব উত্থাপন করেছেন। সরকারি দল বিধি মোতাবেক আলোচনার সুযোগ দেওয়ার পক্ষে। রীতি অনুযায়ী প্রশ্নোত্তর ও ৭১ বিধির পর মুলতবি প্রস্তাব আলোচনা হতে পারে। তখন সরকারি দলও পয়েন্ট অব অর্ডারে কিছু কথা বলবে। তিনি স্পিকারকে বিধি মোতাবেক এগিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান।
এ পর্যায়ে বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম বলেন, সংসদের কার্যক্রম দেখে মনে হচ্ছে কীভাবে এই সংসদ গঠিত হয়েছে, তা সবাই ভুলে যাচ্ছে। সংসদ নির্বাচনের পাশাপাশি গণভোটও হয়েছিল। কিন্তু এখন মনে হয় এ ধরনের কিছুই হয়নি। এটি সবচেয়ে বেশি জনগুরুত্বপূর্ণ, এ সংসদে আলোচনা হওয়া উচিত, এর সুরাহা হওয়া উচিত। তারপর নিয়মিত সব কার্যক্রম হওয়া উচিত।
পরে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল বলেন, তিনি বিরোধী দলের নোটিশটি পেয়েছেন। তিনি এটা অ্যাড্রেস করবেন। সংসদের রীতি মেনে বিধি-৭১–এর নোটিশগুলো নিয়ে আলোচনা শেষে তিনি বিরোধী দলের আনা নোটিশটির বিষয়ে সিদ্ধান্ত দেবেন।

জুলাই জাতীয় সনদের সংবিধান সম্পর্কিত সংস্কার প্রস্তাবগুলো বাস্তবায়নে সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন ডাকা নিয়ে আলোচনার জন্য শুরু থেকেই কঠোর অবস্থানে বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামী।
এই অবস্থায় আজ রবিবার (২৯ মার্চ) বিকালে প্রায় দুই সপ্তাহ মূলতবির পর অধিবেশন শুরু হলে সংসদে এই বিষয়ে নোটিশ দেয় বিরোধী দল। এই নোটিশের ওপর কখন আলোচনা হবে, তা নিয়ে সংসদে সরকারি দল ও বিরোধী দলের মধ্যে বিতর্ক হয়।
সংসদের বৈঠকে প্রশ্নোত্তর পর্ব শেষ হওয়ার পরপরই পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে বিরোধী দলীয় নেতা শফিকুর রহমান নোটিশটি সংসদে উত্থাপন করেন এবং এটি নিয়ে আলোচনা করার দাবি জানান।
কিন্তু সরকারি দলের পক্ষ থেকে বলা হয়, দিনের কার্যসূচি অনুযায়ী আগে প্রশ্নোত্তর ও জরুরি জনগুরুত্বসম্পন্ন বিষয়ে মনোযোগ আকর্ষণের নোটিশের ওপর আলোচনা শেষ করতে হবে। এরপর অন্য কোনো নোটিশ নিয়ে আলোচনা হতে পারে।
পরে সভাপতির আসনে থাকা ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেন, দিনের কার্যসূচি অনুযায়ী জনগুরুত্বসম্পন্ন বিষয়ে মনোযোগ আকর্ষণের নোটিশের ওপর আলোচনা শেষে বিরোধী দলের আনা নোটিশের বিষয়ে সিদ্ধান্ত দেওয়া হবে।
জুলাই জাতীয় সনদের সংবিধান সম্পর্কিত ৪৮টি প্রস্তাব বাস্তবায়নে জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ ও গণভোট করেছিল অন্তর্বর্তী সরকার। গণভোটে হ্যাঁ জয়ী হওয়ায় এই সংসদ নিয়মিত কাজের পাশাপাশি সংবিধান সংস্কার পরিষদ হিসেবেও কাজ করার কথা।
জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন আদেশ অনুসারে, নির্বাচনে জয়ী ব্যক্তিরা একই দিন দুটি শপথ নেওয়ার কথা। একটি সংসদ সদস্য হিসেবে; অন্যটি সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে। নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ অনুষ্ঠান ছিল গত ১৭ ফেব্রুয়ারি। ওই দিন দুটি শপথের প্রস্তুতি রেখেছিল সংসদ সচিবালয়। জামায়াতে ইসলামী, জাতীয় নাগরিক পার্টিসহ (এনসিপি) বিরোধী দলের সদস্যরা দুটি শপথই নিয়েছেন। কিন্তু বিএনপির সংসদ সদস্যরা সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ নেননি।
জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশ অনুযায়ী, এই পরিষদের প্রথম অধিবেশন ডাকার শেষ দিন ছিল গত ১৫ মার্চ। সেদিন বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান জাতীয় সংসদে বিষয়টি উত্থাপন করেছিলেন। তখন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বিরোধী দলকে বিধি অনুযায়ী নোটিশ দেওয়ার পরামর্শ দেন।
ঈদের ছুটির পর আজ সংসদের অধিবেশন শুরু হলে সংবিধান সংস্কার পরিষদের গঠন নিয়ে আলোচনার জন্য নোটিশ দেয় বিরোধী দল।
বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান নোটিশটি সংসদে উত্থাপন করে বলেন, ১৫ মার্চ তিনি পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে একটি অতি জনগুরুত্বপূর্ণ বিষয় উত্থাপন করেছিলেন। স্পিকার পরামর্শ দিয়েছিলেন নোটিশ আনার জন্য। তাঁরা সেটা করেছেন। তিনি নোটিশটি গ্রহণ করে জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন আদেশ অনুযায়ী সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথের বিষয়ে আলোচনার দাবি জানান।
এর পরপরই ফ্লোর নিয়ে চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম বলেন, দিনের কার্যসূচি অনুযায়ী প্রশ্নোত্তর ও বিধি-৭১–এর নোটিশের আলোচনা শেষে অন্য বিষয়ে আলোচনা হতে পারে।
জবাবে বিরোধদলীয় নেতা বলেন, প্রশ্নোত্তরের পরেই এ আলোচনা হবে। তিনি সে মোতাবেকই দাঁড়িয়েছেন।
এরপর ফ্লোর নিয়ে কথা বলতে চান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তখন বিরোধী দলের সদস্যরা আপত্তি জানান। তবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে কথা বলার সুযোগ দেন স্পিকার।
তখন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বিরোধীদলীয় নেতা একটি প্রস্তাব উত্থাপন করেছেন। সরকারি দল বিধি মোতাবেক আলোচনার সুযোগ দেওয়ার পক্ষে। রীতি অনুযায়ী প্রশ্নোত্তর ও ৭১ বিধির পর মুলতবি প্রস্তাব আলোচনা হতে পারে। তখন সরকারি দলও পয়েন্ট অব অর্ডারে কিছু কথা বলবে। তিনি স্পিকারকে বিধি মোতাবেক এগিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান।
এ পর্যায়ে বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম বলেন, সংসদের কার্যক্রম দেখে মনে হচ্ছে কীভাবে এই সংসদ গঠিত হয়েছে, তা সবাই ভুলে যাচ্ছে। সংসদ নির্বাচনের পাশাপাশি গণভোটও হয়েছিল। কিন্তু এখন মনে হয় এ ধরনের কিছুই হয়নি। এটি সবচেয়ে বেশি জনগুরুত্বপূর্ণ, এ সংসদে আলোচনা হওয়া উচিত, এর সুরাহা হওয়া উচিত। তারপর নিয়মিত সব কার্যক্রম হওয়া উচিত।
পরে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল বলেন, তিনি বিরোধী দলের নোটিশটি পেয়েছেন। তিনি এটা অ্যাড্রেস করবেন। সংসদের রীতি মেনে বিধি-৭১–এর নোটিশগুলো নিয়ে আলোচনা শেষে তিনি বিরোধী দলের আনা নোটিশটির বিষয়ে সিদ্ধান্ত দেবেন।

সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন ডাকা নিয়ে সংসদে বিতর্ক
নিজস্ব প্রতিবেদক

জুলাই জাতীয় সনদের সংবিধান সম্পর্কিত সংস্কার প্রস্তাবগুলো বাস্তবায়নে সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন ডাকা নিয়ে আলোচনার জন্য শুরু থেকেই কঠোর অবস্থানে বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামী।
এই অবস্থায় আজ রবিবার (২৯ মার্চ) বিকালে প্রায় দুই সপ্তাহ মূলতবির পর অধিবেশন শুরু হলে সংসদে এই বিষয়ে নোটিশ দেয় বিরোধী দল। এই নোটিশের ওপর কখন আলোচনা হবে, তা নিয়ে সংসদে সরকারি দল ও বিরোধী দলের মধ্যে বিতর্ক হয়।
সংসদের বৈঠকে প্রশ্নোত্তর পর্ব শেষ হওয়ার পরপরই পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে বিরোধী দলীয় নেতা শফিকুর রহমান নোটিশটি সংসদে উত্থাপন করেন এবং এটি নিয়ে আলোচনা করার দাবি জানান।
কিন্তু সরকারি দলের পক্ষ থেকে বলা হয়, দিনের কার্যসূচি অনুযায়ী আগে প্রশ্নোত্তর ও জরুরি জনগুরুত্বসম্পন্ন বিষয়ে মনোযোগ আকর্ষণের নোটিশের ওপর আলোচনা শেষ করতে হবে। এরপর অন্য কোনো নোটিশ নিয়ে আলোচনা হতে পারে।
পরে সভাপতির আসনে থাকা ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেন, দিনের কার্যসূচি অনুযায়ী জনগুরুত্বসম্পন্ন বিষয়ে মনোযোগ আকর্ষণের নোটিশের ওপর আলোচনা শেষে বিরোধী দলের আনা নোটিশের বিষয়ে সিদ্ধান্ত দেওয়া হবে।
জুলাই জাতীয় সনদের সংবিধান সম্পর্কিত ৪৮টি প্রস্তাব বাস্তবায়নে জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ ও গণভোট করেছিল অন্তর্বর্তী সরকার। গণভোটে হ্যাঁ জয়ী হওয়ায় এই সংসদ নিয়মিত কাজের পাশাপাশি সংবিধান সংস্কার পরিষদ হিসেবেও কাজ করার কথা।
জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন আদেশ অনুসারে, নির্বাচনে জয়ী ব্যক্তিরা একই দিন দুটি শপথ নেওয়ার কথা। একটি সংসদ সদস্য হিসেবে; অন্যটি সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে। নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ অনুষ্ঠান ছিল গত ১৭ ফেব্রুয়ারি। ওই দিন দুটি শপথের প্রস্তুতি রেখেছিল সংসদ সচিবালয়। জামায়াতে ইসলামী, জাতীয় নাগরিক পার্টিসহ (এনসিপি) বিরোধী দলের সদস্যরা দুটি শপথই নিয়েছেন। কিন্তু বিএনপির সংসদ সদস্যরা সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ নেননি।
জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশ অনুযায়ী, এই পরিষদের প্রথম অধিবেশন ডাকার শেষ দিন ছিল গত ১৫ মার্চ। সেদিন বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান জাতীয় সংসদে বিষয়টি উত্থাপন করেছিলেন। তখন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বিরোধী দলকে বিধি অনুযায়ী নোটিশ দেওয়ার পরামর্শ দেন।
ঈদের ছুটির পর আজ সংসদের অধিবেশন শুরু হলে সংবিধান সংস্কার পরিষদের গঠন নিয়ে আলোচনার জন্য নোটিশ দেয় বিরোধী দল।
বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান নোটিশটি সংসদে উত্থাপন করে বলেন, ১৫ মার্চ তিনি পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে একটি অতি জনগুরুত্বপূর্ণ বিষয় উত্থাপন করেছিলেন। স্পিকার পরামর্শ দিয়েছিলেন নোটিশ আনার জন্য। তাঁরা সেটা করেছেন। তিনি নোটিশটি গ্রহণ করে জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন আদেশ অনুযায়ী সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথের বিষয়ে আলোচনার দাবি জানান।
এর পরপরই ফ্লোর নিয়ে চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম বলেন, দিনের কার্যসূচি অনুযায়ী প্রশ্নোত্তর ও বিধি-৭১–এর নোটিশের আলোচনা শেষে অন্য বিষয়ে আলোচনা হতে পারে।
জবাবে বিরোধদলীয় নেতা বলেন, প্রশ্নোত্তরের পরেই এ আলোচনা হবে। তিনি সে মোতাবেকই দাঁড়িয়েছেন।
এরপর ফ্লোর নিয়ে কথা বলতে চান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তখন বিরোধী দলের সদস্যরা আপত্তি জানান। তবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে কথা বলার সুযোগ দেন স্পিকার।
তখন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বিরোধীদলীয় নেতা একটি প্রস্তাব উত্থাপন করেছেন। সরকারি দল বিধি মোতাবেক আলোচনার সুযোগ দেওয়ার পক্ষে। রীতি অনুযায়ী প্রশ্নোত্তর ও ৭১ বিধির পর মুলতবি প্রস্তাব আলোচনা হতে পারে। তখন সরকারি দলও পয়েন্ট অব অর্ডারে কিছু কথা বলবে। তিনি স্পিকারকে বিধি মোতাবেক এগিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান।
এ পর্যায়ে বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম বলেন, সংসদের কার্যক্রম দেখে মনে হচ্ছে কীভাবে এই সংসদ গঠিত হয়েছে, তা সবাই ভুলে যাচ্ছে। সংসদ নির্বাচনের পাশাপাশি গণভোটও হয়েছিল। কিন্তু এখন মনে হয় এ ধরনের কিছুই হয়নি। এটি সবচেয়ে বেশি জনগুরুত্বপূর্ণ, এ সংসদে আলোচনা হওয়া উচিত, এর সুরাহা হওয়া উচিত। তারপর নিয়মিত সব কার্যক্রম হওয়া উচিত।
পরে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল বলেন, তিনি বিরোধী দলের নোটিশটি পেয়েছেন। তিনি এটা অ্যাড্রেস করবেন। সংসদের রীতি মেনে বিধি-৭১–এর নোটিশগুলো নিয়ে আলোচনা শেষে তিনি বিরোধী দলের আনা নোটিশটির বিষয়ে সিদ্ধান্ত দেবেন।



