এমপি-মন্ত্রীরা কবে ঋণ শোধ করবেন, প্রধানমন্ত্রীকে প্রশ্ন নাহিদের

এমপি-মন্ত্রীরা কবে ঋণ শোধ করবেন, প্রধানমন্ত্রীকে প্রশ্ন নাহিদের
নিজস্ব প্রতিবেদক

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের কথা বলছেন। কিন্তু তার নিজের (বিএনপি) মন্ত্রিসভা এবং সংসদ সদস্য তাদের যে ঋণগ্রস্ত অবস্থা, সেই ঋণ তারা কবে পরিশোধ করবে বাংলাদেশের মানুষ সেটা জানতে চায়। সেই ঋণ পরিশোধ করে তারপরই দুর্নীতির বিরুদ্ধে কথা বলা উচিত। কারণ দুর্নীতির প্রতিরোধ আসলে নিজের ঘর থেকে করতে হবে।
বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর বাংলামোটরে এনসিপির অস্থায়ী কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি।
ঋণ খেলাফিদের মন্ত্রিত্ব দেওয়া হয়েছে অভিযোগ করে নাহিদ বলেন, মন্ত্রিসভায় প্রায় ৬২ শতাংশ মন্ত্রী বা প্রতিমন্ত্রীগণ ব্যবসায়ী। অর্থাৎ অর্ধেকেরও বেশি হচ্ছে ব্যবসায়ী। ব্যবসায়ী হওয়াটা অপরাধ নয়। কিন্তু যখন আপনি অর্ধেকেরও বেশি ব্যবসায়ীদেরকে মন্ত্রিত্ব দিবেন, তারা ব্যবসায়ীদের স্বার্থ রক্ষা করবে, জনগণের স্বার্থ রক্ষা করবে না। এই ব্যবসায়ীদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য সংখ্যকের বিরুদ্ধে ঋণ খেলাপির অভিযোগ রয়েছে।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, তিনটি গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয় এমন একজনকে দেওয়া হলো যিনি রিয়েল এস্টেট ব্যবসায়ী এবং হত্যা মামলার আসামী। ব্যবসায়ী স্বার্থে একটা হত্যাকান্ড ঘটিয়েছে। দলেও তিনি গুরুত্বপূর্ণ কেউ না। শুধুমাত্র আর্থিক, ব্যবসায়িক এবং দুর্নীতির কারণেই তাকে সে মন্ত্রণালয় দেওয়া হয়েছে। এরকম আরও ঋণ খেলাপি রয়েছে তাদেরকে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে দেওয়া হয়েছে। বিএনপির প্রায় ৬২ শতাংশ নির্বাচিত সংসদ সদস্যের কোন না কোনভাবে তাদের ঋণ রয়েছে। এই সংসদ সদস্যদে ঋণের পরিমাণ ১৮ হাজার ৮৬৮ কোটি টাকা।
মন্ত্রিসভায় আঞ্চলিক ভারসাম্য রক্ষা করা হয়নি অভিযোগ করে নাহিদ বলেন, মন্ত্রিসভায় আঞ্চলিক বৈষম্য রয়েছে, স্পষ্টভাবে এই মন্ত্রিসভা অন্তর্ভুক্তিমূলক হয়নি। সেখানে নারীর অংশগ্রহণ, ভিন্ন ধর্মালম্বী বা ভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর অংশগ্রহণ যথেষ্ট পরিমাণ হয়নি। অন্তর্ভুক্তিমূলক মন্ত্রিসভা হয়নি। মন্ত্রিসভায় কিছু তরুণদেরকে সুযোগ দেওয়া হলেও, মন্ত্রিসভার গড় বয়স যদি দেখেন সেটা কিন্তু ৬০ অর্থাৎ আমরা যে তারুণ্য নির্ভর বাংলাদেশের কথা ভেবেছি, তারুণ্য নির্ভর বাংলাদেশের কথা বলেছি, জুলাই যে তারুণ্য শক্তি বাংলাদেশে পথ দেখিয়েছে আমরা তার প্রতিফলন এই মন্ত্রিসভায় দেখতে পাইনি। মন্ত্রিসভা গঠনে কিন্তু কোন নতুন উত্তর পাইনি।
সংস্কার পরিষদ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ভুল ব্যাখ্যা দেয়ার মাধ্যমে, সংবিধানের দোহাই দেওয়ার মাধ্যমে সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ নেওয়া থেকে বিরত থেকেছেন। এটি সংস্কারের সঙ্গে প্রতারণা করা হয়েছে। আমরা আশা করবো তারা দ্রুত সময়ের মধ্যে শপথ নিবেন। সংবিধান সংস্কার পরিষদ ছাড়া এই জাতীয় সংসদের কোন মূল্য নেই। দ্রুত সময়ের মধ্যে জাতীয় সংসদকে কার্যকর করতে সে অধিবেশন ডাকা হোক এবং তার আগে সংবিধান সংস্কার পরিষদ সদস্য হিসেবে তারা শপথ নিক এবং একই সময় যাতে সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন ডাকা হয় আমরা সে আহ্বান জানাচ্ছি।

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের কথা বলছেন। কিন্তু তার নিজের (বিএনপি) মন্ত্রিসভা এবং সংসদ সদস্য তাদের যে ঋণগ্রস্ত অবস্থা, সেই ঋণ তারা কবে পরিশোধ করবে বাংলাদেশের মানুষ সেটা জানতে চায়। সেই ঋণ পরিশোধ করে তারপরই দুর্নীতির বিরুদ্ধে কথা বলা উচিত। কারণ দুর্নীতির প্রতিরোধ আসলে নিজের ঘর থেকে করতে হবে।
বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর বাংলামোটরে এনসিপির অস্থায়ী কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি।
ঋণ খেলাফিদের মন্ত্রিত্ব দেওয়া হয়েছে অভিযোগ করে নাহিদ বলেন, মন্ত্রিসভায় প্রায় ৬২ শতাংশ মন্ত্রী বা প্রতিমন্ত্রীগণ ব্যবসায়ী। অর্থাৎ অর্ধেকেরও বেশি হচ্ছে ব্যবসায়ী। ব্যবসায়ী হওয়াটা অপরাধ নয়। কিন্তু যখন আপনি অর্ধেকেরও বেশি ব্যবসায়ীদেরকে মন্ত্রিত্ব দিবেন, তারা ব্যবসায়ীদের স্বার্থ রক্ষা করবে, জনগণের স্বার্থ রক্ষা করবে না। এই ব্যবসায়ীদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য সংখ্যকের বিরুদ্ধে ঋণ খেলাপির অভিযোগ রয়েছে।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, তিনটি গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয় এমন একজনকে দেওয়া হলো যিনি রিয়েল এস্টেট ব্যবসায়ী এবং হত্যা মামলার আসামী। ব্যবসায়ী স্বার্থে একটা হত্যাকান্ড ঘটিয়েছে। দলেও তিনি গুরুত্বপূর্ণ কেউ না। শুধুমাত্র আর্থিক, ব্যবসায়িক এবং দুর্নীতির কারণেই তাকে সে মন্ত্রণালয় দেওয়া হয়েছে। এরকম আরও ঋণ খেলাপি রয়েছে তাদেরকে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে দেওয়া হয়েছে। বিএনপির প্রায় ৬২ শতাংশ নির্বাচিত সংসদ সদস্যের কোন না কোনভাবে তাদের ঋণ রয়েছে। এই সংসদ সদস্যদে ঋণের পরিমাণ ১৮ হাজার ৮৬৮ কোটি টাকা।
মন্ত্রিসভায় আঞ্চলিক ভারসাম্য রক্ষা করা হয়নি অভিযোগ করে নাহিদ বলেন, মন্ত্রিসভায় আঞ্চলিক বৈষম্য রয়েছে, স্পষ্টভাবে এই মন্ত্রিসভা অন্তর্ভুক্তিমূলক হয়নি। সেখানে নারীর অংশগ্রহণ, ভিন্ন ধর্মালম্বী বা ভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর অংশগ্রহণ যথেষ্ট পরিমাণ হয়নি। অন্তর্ভুক্তিমূলক মন্ত্রিসভা হয়নি। মন্ত্রিসভায় কিছু তরুণদেরকে সুযোগ দেওয়া হলেও, মন্ত্রিসভার গড় বয়স যদি দেখেন সেটা কিন্তু ৬০ অর্থাৎ আমরা যে তারুণ্য নির্ভর বাংলাদেশের কথা ভেবেছি, তারুণ্য নির্ভর বাংলাদেশের কথা বলেছি, জুলাই যে তারুণ্য শক্তি বাংলাদেশে পথ দেখিয়েছে আমরা তার প্রতিফলন এই মন্ত্রিসভায় দেখতে পাইনি। মন্ত্রিসভা গঠনে কিন্তু কোন নতুন উত্তর পাইনি।
সংস্কার পরিষদ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ভুল ব্যাখ্যা দেয়ার মাধ্যমে, সংবিধানের দোহাই দেওয়ার মাধ্যমে সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ নেওয়া থেকে বিরত থেকেছেন। এটি সংস্কারের সঙ্গে প্রতারণা করা হয়েছে। আমরা আশা করবো তারা দ্রুত সময়ের মধ্যে শপথ নিবেন। সংবিধান সংস্কার পরিষদ ছাড়া এই জাতীয় সংসদের কোন মূল্য নেই। দ্রুত সময়ের মধ্যে জাতীয় সংসদকে কার্যকর করতে সে অধিবেশন ডাকা হোক এবং তার আগে সংবিধান সংস্কার পরিষদ সদস্য হিসেবে তারা শপথ নিক এবং একই সময় যাতে সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন ডাকা হয় আমরা সে আহ্বান জানাচ্ছি।

এমপি-মন্ত্রীরা কবে ঋণ শোধ করবেন, প্রধানমন্ত্রীকে প্রশ্ন নাহিদের
নিজস্ব প্রতিবেদক

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের কথা বলছেন। কিন্তু তার নিজের (বিএনপি) মন্ত্রিসভা এবং সংসদ সদস্য তাদের যে ঋণগ্রস্ত অবস্থা, সেই ঋণ তারা কবে পরিশোধ করবে বাংলাদেশের মানুষ সেটা জানতে চায়। সেই ঋণ পরিশোধ করে তারপরই দুর্নীতির বিরুদ্ধে কথা বলা উচিত। কারণ দুর্নীতির প্রতিরোধ আসলে নিজের ঘর থেকে করতে হবে।
বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর বাংলামোটরে এনসিপির অস্থায়ী কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি।
ঋণ খেলাফিদের মন্ত্রিত্ব দেওয়া হয়েছে অভিযোগ করে নাহিদ বলেন, মন্ত্রিসভায় প্রায় ৬২ শতাংশ মন্ত্রী বা প্রতিমন্ত্রীগণ ব্যবসায়ী। অর্থাৎ অর্ধেকেরও বেশি হচ্ছে ব্যবসায়ী। ব্যবসায়ী হওয়াটা অপরাধ নয়। কিন্তু যখন আপনি অর্ধেকেরও বেশি ব্যবসায়ীদেরকে মন্ত্রিত্ব দিবেন, তারা ব্যবসায়ীদের স্বার্থ রক্ষা করবে, জনগণের স্বার্থ রক্ষা করবে না। এই ব্যবসায়ীদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য সংখ্যকের বিরুদ্ধে ঋণ খেলাপির অভিযোগ রয়েছে।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, তিনটি গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয় এমন একজনকে দেওয়া হলো যিনি রিয়েল এস্টেট ব্যবসায়ী এবং হত্যা মামলার আসামী। ব্যবসায়ী স্বার্থে একটা হত্যাকান্ড ঘটিয়েছে। দলেও তিনি গুরুত্বপূর্ণ কেউ না। শুধুমাত্র আর্থিক, ব্যবসায়িক এবং দুর্নীতির কারণেই তাকে সে মন্ত্রণালয় দেওয়া হয়েছে। এরকম আরও ঋণ খেলাপি রয়েছে তাদেরকে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে দেওয়া হয়েছে। বিএনপির প্রায় ৬২ শতাংশ নির্বাচিত সংসদ সদস্যের কোন না কোনভাবে তাদের ঋণ রয়েছে। এই সংসদ সদস্যদে ঋণের পরিমাণ ১৮ হাজার ৮৬৮ কোটি টাকা।
মন্ত্রিসভায় আঞ্চলিক ভারসাম্য রক্ষা করা হয়নি অভিযোগ করে নাহিদ বলেন, মন্ত্রিসভায় আঞ্চলিক বৈষম্য রয়েছে, স্পষ্টভাবে এই মন্ত্রিসভা অন্তর্ভুক্তিমূলক হয়নি। সেখানে নারীর অংশগ্রহণ, ভিন্ন ধর্মালম্বী বা ভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর অংশগ্রহণ যথেষ্ট পরিমাণ হয়নি। অন্তর্ভুক্তিমূলক মন্ত্রিসভা হয়নি। মন্ত্রিসভায় কিছু তরুণদেরকে সুযোগ দেওয়া হলেও, মন্ত্রিসভার গড় বয়স যদি দেখেন সেটা কিন্তু ৬০ অর্থাৎ আমরা যে তারুণ্য নির্ভর বাংলাদেশের কথা ভেবেছি, তারুণ্য নির্ভর বাংলাদেশের কথা বলেছি, জুলাই যে তারুণ্য শক্তি বাংলাদেশে পথ দেখিয়েছে আমরা তার প্রতিফলন এই মন্ত্রিসভায় দেখতে পাইনি। মন্ত্রিসভা গঠনে কিন্তু কোন নতুন উত্তর পাইনি।
সংস্কার পরিষদ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ভুল ব্যাখ্যা দেয়ার মাধ্যমে, সংবিধানের দোহাই দেওয়ার মাধ্যমে সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ নেওয়া থেকে বিরত থেকেছেন। এটি সংস্কারের সঙ্গে প্রতারণা করা হয়েছে। আমরা আশা করবো তারা দ্রুত সময়ের মধ্যে শপথ নিবেন। সংবিধান সংস্কার পরিষদ ছাড়া এই জাতীয় সংসদের কোন মূল্য নেই। দ্রুত সময়ের মধ্যে জাতীয় সংসদকে কার্যকর করতে সে অধিবেশন ডাকা হোক এবং তার আগে সংবিধান সংস্কার পরিষদ সদস্য হিসেবে তারা শপথ নিক এবং একই সময় যাতে সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন ডাকা হয় আমরা সে আহ্বান জানাচ্ছি।




