‘নির্বাচনের অঙ্গীকার বাস্তবায়নে নিরলসভাবে কাজ করছেন প্রধানমন্ত্রী’

‘নির্বাচনের অঙ্গীকার বাস্তবায়নে নিরলসভাবে কাজ করছেন প্রধানমন্ত্রী’
নিজস্ব প্রতিবেদক

নির্বাচনের অঙ্গীকার বাস্তবায়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।
শুক্রবার (৩ জুলাই) ঢাকেশ্বরী মন্দিরে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদত বার্ষিকী উপলক্ষ্যে প্রার্থনা ও আলোচনা সভায় একথা বলেন তিনি।
রুহুল কবির রিজভী বলেন, এবারের বাজেটে বলা হয়েছে, যার বাৎসরিক আয় ৪ লাখ টাকা তার কোনো আয়কর দিতে হবে না। প্রস্তাব করা হয়েছিল মুদির দোকানগুলোতে কর বসানোর। আমরাও বলেছি- ক্ষুদ্র ও মাঝারি এই দোকানগুলোতে ভ্যাট বা কর বসানো যাবে না। বাজেট যখন পাস হয়েছে, তখন মুদির দোকানের ওপর যে, করের প্রস্তাব করা হয়েছিল তা প্রত্যাহার করা হয়েছে। আমরা এও দেখছি, ১২ কেজির যে গ্যাস সিলিন্ডার মূল্য ৩৫৭ টাকা কমানো হয়েছে। অর্থাৎ জনস্বার্থকে সবচেয়ে বড় করে দেখা হচ্ছে।
তিনি বলেন, অত্যন্ত আনন্দের বিষয় যে আজকে আমরা একটি মুক্ত পরিবেশে নির্বিধায় সবার কথা বলার সুযোগ পেয়েছি। যার মনে যা আছে, সেই কথা বলার স্বাধীনতা অনেকদিন পর এসেছে। একটি ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মধ্য দিয়ে আমরা যে পরিবেশ পেয়েছি, সেই পরিবেশে এই কথা বলা নিশ্চিত হয়েছে। নিশ্চিত হয়েছে সত্যিকার অর্থে জনগণের ভোটাধিকার, একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন এবং জনগণের কাছে জবাবদিহিমূলক একটি সরকার। এটা অত্যন্ত আনন্দের বিষয়।
বিএনপির এই নেতা বলেন, আমরা একই ভূখণ্ডের মানুষ ও জনগোষ্ঠী। আমাদের স্বাধীন সত্তা বিনির্মাণের জন্য একসাথে লড়াই করা ও আত্মত্যাগ করা মানুষ। এদের মধ্যে যেমন মুসলমান ছিল, তেমনি হিন্দু, খ্রিষ্টান ও বৌদ্ধ ছিল। সবাই মিলে এই জাতি ও গোষ্ঠী নির্মাণ করেছেন। অথচ বারবার একটি বিভাজনের রেখা তৈরি করার চেষ্টা করা হয়েছে-ওরা আর আমরা। এই ধরনের একটি প্রচেষ্টা বারবার করা হয়েছে, অথচ তারা জানত না যে, এই দেশের মাটিতে এটা কখনো সম্ভব নয়। হ্যাঁ, কৃত্রিমভাবে সংকট ও বিভাজন তৈরি করা যায়, কিন্তু আমাদের মনের উদারতা ও গভীরতা অনেক বেশি।
তিনি বলেন, শেখ হাসিনার কাছে হিন্দু-মুসলমান বা ধর্ম বড় ছিল না, তার কাছে বড় ছিল তার পরিবার এবং দল। এর বাইরে উনাদের কোনো অস্তিত্ব ছিল না। যদি অস্তিত্ব থাকত, তাহলে তপন মিত্রের চাকরি কেন চলে গেল? উনার তো সচিব হওয়ার কথা ছিল, অথবা ডেপুটি সেক্রেটারি বা জয়েন্ট সেক্রেটারি পদে থাকার কথা ছিল। কিন্তু আপনাদের চাকরি নাই, কারণ উনারা জাতীয়তাবাদী শক্তির সাথে সম্পর্কিত। বেগম খালেদা জিয়া বিজন দাদার মেয়ের বিয়েতে উপস্থিত হয়েছিলেন- এটাই হচ্ছে তার অপরাধ। এই কারণে সে আর বাংলাদেশে থাকতে পারবে না, তপনদা বাংলাদেশে থাকতে পারবে না। এটা শুধু আপনাদের একটা উদাহরণ হিসেবে বললাম, প্রত্যেকের ক্ষেত্রে তাই হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
রিজভী বলেন, ৫ই আগস্টে একসঙ্গে দাঁড়িয়েছি। সেদিন পিছনে বুলেটের মুখে হিন্দুও গুলি খেয়েছে, খ্রিস্টানও গুলি খেয়েছে, জুলাই আন্দোলনে সবাই মিলে দাঁড়িয়েছে। আশা করি, আমাদের এই পরস্পরের মধ্যকার ভ্রাতৃত্ববোধ কেউ নষ্ট করতে পারবে না। আমাদের এই স্বাধীন সত্তাকে রক্ষা করার জন্য কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে প্রত্যেকে একসাথে কাজ করে যাব। একসঙ্গে লড়াই করব, একসঙ্গে বিনির্মাণ করব, একসঙ্গে সৃষ্টি করব আর প্রয়োজনে একসঙ্গে প্রতিরোধ করব।

নির্বাচনের অঙ্গীকার বাস্তবায়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।
শুক্রবার (৩ জুলাই) ঢাকেশ্বরী মন্দিরে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদত বার্ষিকী উপলক্ষ্যে প্রার্থনা ও আলোচনা সভায় একথা বলেন তিনি।
রুহুল কবির রিজভী বলেন, এবারের বাজেটে বলা হয়েছে, যার বাৎসরিক আয় ৪ লাখ টাকা তার কোনো আয়কর দিতে হবে না। প্রস্তাব করা হয়েছিল মুদির দোকানগুলোতে কর বসানোর। আমরাও বলেছি- ক্ষুদ্র ও মাঝারি এই দোকানগুলোতে ভ্যাট বা কর বসানো যাবে না। বাজেট যখন পাস হয়েছে, তখন মুদির দোকানের ওপর যে, করের প্রস্তাব করা হয়েছিল তা প্রত্যাহার করা হয়েছে। আমরা এও দেখছি, ১২ কেজির যে গ্যাস সিলিন্ডার মূল্য ৩৫৭ টাকা কমানো হয়েছে। অর্থাৎ জনস্বার্থকে সবচেয়ে বড় করে দেখা হচ্ছে।
তিনি বলেন, অত্যন্ত আনন্দের বিষয় যে আজকে আমরা একটি মুক্ত পরিবেশে নির্বিধায় সবার কথা বলার সুযোগ পেয়েছি। যার মনে যা আছে, সেই কথা বলার স্বাধীনতা অনেকদিন পর এসেছে। একটি ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মধ্য দিয়ে আমরা যে পরিবেশ পেয়েছি, সেই পরিবেশে এই কথা বলা নিশ্চিত হয়েছে। নিশ্চিত হয়েছে সত্যিকার অর্থে জনগণের ভোটাধিকার, একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন এবং জনগণের কাছে জবাবদিহিমূলক একটি সরকার। এটা অত্যন্ত আনন্দের বিষয়।
বিএনপির এই নেতা বলেন, আমরা একই ভূখণ্ডের মানুষ ও জনগোষ্ঠী। আমাদের স্বাধীন সত্তা বিনির্মাণের জন্য একসাথে লড়াই করা ও আত্মত্যাগ করা মানুষ। এদের মধ্যে যেমন মুসলমান ছিল, তেমনি হিন্দু, খ্রিষ্টান ও বৌদ্ধ ছিল। সবাই মিলে এই জাতি ও গোষ্ঠী নির্মাণ করেছেন। অথচ বারবার একটি বিভাজনের রেখা তৈরি করার চেষ্টা করা হয়েছে-ওরা আর আমরা। এই ধরনের একটি প্রচেষ্টা বারবার করা হয়েছে, অথচ তারা জানত না যে, এই দেশের মাটিতে এটা কখনো সম্ভব নয়। হ্যাঁ, কৃত্রিমভাবে সংকট ও বিভাজন তৈরি করা যায়, কিন্তু আমাদের মনের উদারতা ও গভীরতা অনেক বেশি।
তিনি বলেন, শেখ হাসিনার কাছে হিন্দু-মুসলমান বা ধর্ম বড় ছিল না, তার কাছে বড় ছিল তার পরিবার এবং দল। এর বাইরে উনাদের কোনো অস্তিত্ব ছিল না। যদি অস্তিত্ব থাকত, তাহলে তপন মিত্রের চাকরি কেন চলে গেল? উনার তো সচিব হওয়ার কথা ছিল, অথবা ডেপুটি সেক্রেটারি বা জয়েন্ট সেক্রেটারি পদে থাকার কথা ছিল। কিন্তু আপনাদের চাকরি নাই, কারণ উনারা জাতীয়তাবাদী শক্তির সাথে সম্পর্কিত। বেগম খালেদা জিয়া বিজন দাদার মেয়ের বিয়েতে উপস্থিত হয়েছিলেন- এটাই হচ্ছে তার অপরাধ। এই কারণে সে আর বাংলাদেশে থাকতে পারবে না, তপনদা বাংলাদেশে থাকতে পারবে না। এটা শুধু আপনাদের একটা উদাহরণ হিসেবে বললাম, প্রত্যেকের ক্ষেত্রে তাই হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
রিজভী বলেন, ৫ই আগস্টে একসঙ্গে দাঁড়িয়েছি। সেদিন পিছনে বুলেটের মুখে হিন্দুও গুলি খেয়েছে, খ্রিস্টানও গুলি খেয়েছে, জুলাই আন্দোলনে সবাই মিলে দাঁড়িয়েছে। আশা করি, আমাদের এই পরস্পরের মধ্যকার ভ্রাতৃত্ববোধ কেউ নষ্ট করতে পারবে না। আমাদের এই স্বাধীন সত্তাকে রক্ষা করার জন্য কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে প্রত্যেকে একসাথে কাজ করে যাব। একসঙ্গে লড়াই করব, একসঙ্গে বিনির্মাণ করব, একসঙ্গে সৃষ্টি করব আর প্রয়োজনে একসঙ্গে প্রতিরোধ করব।

‘নির্বাচনের অঙ্গীকার বাস্তবায়নে নিরলসভাবে কাজ করছেন প্রধানমন্ত্রী’
নিজস্ব প্রতিবেদক

নির্বাচনের অঙ্গীকার বাস্তবায়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।
শুক্রবার (৩ জুলাই) ঢাকেশ্বরী মন্দিরে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদত বার্ষিকী উপলক্ষ্যে প্রার্থনা ও আলোচনা সভায় একথা বলেন তিনি।
রুহুল কবির রিজভী বলেন, এবারের বাজেটে বলা হয়েছে, যার বাৎসরিক আয় ৪ লাখ টাকা তার কোনো আয়কর দিতে হবে না। প্রস্তাব করা হয়েছিল মুদির দোকানগুলোতে কর বসানোর। আমরাও বলেছি- ক্ষুদ্র ও মাঝারি এই দোকানগুলোতে ভ্যাট বা কর বসানো যাবে না। বাজেট যখন পাস হয়েছে, তখন মুদির দোকানের ওপর যে, করের প্রস্তাব করা হয়েছিল তা প্রত্যাহার করা হয়েছে। আমরা এও দেখছি, ১২ কেজির যে গ্যাস সিলিন্ডার মূল্য ৩৫৭ টাকা কমানো হয়েছে। অর্থাৎ জনস্বার্থকে সবচেয়ে বড় করে দেখা হচ্ছে।
তিনি বলেন, অত্যন্ত আনন্দের বিষয় যে আজকে আমরা একটি মুক্ত পরিবেশে নির্বিধায় সবার কথা বলার সুযোগ পেয়েছি। যার মনে যা আছে, সেই কথা বলার স্বাধীনতা অনেকদিন পর এসেছে। একটি ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মধ্য দিয়ে আমরা যে পরিবেশ পেয়েছি, সেই পরিবেশে এই কথা বলা নিশ্চিত হয়েছে। নিশ্চিত হয়েছে সত্যিকার অর্থে জনগণের ভোটাধিকার, একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন এবং জনগণের কাছে জবাবদিহিমূলক একটি সরকার। এটা অত্যন্ত আনন্দের বিষয়।
বিএনপির এই নেতা বলেন, আমরা একই ভূখণ্ডের মানুষ ও জনগোষ্ঠী। আমাদের স্বাধীন সত্তা বিনির্মাণের জন্য একসাথে লড়াই করা ও আত্মত্যাগ করা মানুষ। এদের মধ্যে যেমন মুসলমান ছিল, তেমনি হিন্দু, খ্রিষ্টান ও বৌদ্ধ ছিল। সবাই মিলে এই জাতি ও গোষ্ঠী নির্মাণ করেছেন। অথচ বারবার একটি বিভাজনের রেখা তৈরি করার চেষ্টা করা হয়েছে-ওরা আর আমরা। এই ধরনের একটি প্রচেষ্টা বারবার করা হয়েছে, অথচ তারা জানত না যে, এই দেশের মাটিতে এটা কখনো সম্ভব নয়। হ্যাঁ, কৃত্রিমভাবে সংকট ও বিভাজন তৈরি করা যায়, কিন্তু আমাদের মনের উদারতা ও গভীরতা অনেক বেশি।
তিনি বলেন, শেখ হাসিনার কাছে হিন্দু-মুসলমান বা ধর্ম বড় ছিল না, তার কাছে বড় ছিল তার পরিবার এবং দল। এর বাইরে উনাদের কোনো অস্তিত্ব ছিল না। যদি অস্তিত্ব থাকত, তাহলে তপন মিত্রের চাকরি কেন চলে গেল? উনার তো সচিব হওয়ার কথা ছিল, অথবা ডেপুটি সেক্রেটারি বা জয়েন্ট সেক্রেটারি পদে থাকার কথা ছিল। কিন্তু আপনাদের চাকরি নাই, কারণ উনারা জাতীয়তাবাদী শক্তির সাথে সম্পর্কিত। বেগম খালেদা জিয়া বিজন দাদার মেয়ের বিয়েতে উপস্থিত হয়েছিলেন- এটাই হচ্ছে তার অপরাধ। এই কারণে সে আর বাংলাদেশে থাকতে পারবে না, তপনদা বাংলাদেশে থাকতে পারবে না। এটা শুধু আপনাদের একটা উদাহরণ হিসেবে বললাম, প্রত্যেকের ক্ষেত্রে তাই হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
রিজভী বলেন, ৫ই আগস্টে একসঙ্গে দাঁড়িয়েছি। সেদিন পিছনে বুলেটের মুখে হিন্দুও গুলি খেয়েছে, খ্রিস্টানও গুলি খেয়েছে, জুলাই আন্দোলনে সবাই মিলে দাঁড়িয়েছে। আশা করি, আমাদের এই পরস্পরের মধ্যকার ভ্রাতৃত্ববোধ কেউ নষ্ট করতে পারবে না। আমাদের এই স্বাধীন সত্তাকে রক্ষা করার জন্য কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে প্রত্যেকে একসাথে কাজ করে যাব। একসঙ্গে লড়াই করব, একসঙ্গে বিনির্মাণ করব, একসঙ্গে সৃষ্টি করব আর প্রয়োজনে একসঙ্গে প্রতিরোধ করব।

মিডিয়া শক্তিশালী হলে শক্তিশালী হবে গণতন্ত্র: মির্জা ফখরুল

