নির্বাচনকে বিতর্কিত করতে একটি দল উঠেপড়ে লেগেছে: তারেক রহমান

নির্বাচনকে বিতর্কিত করতে একটি দল উঠেপড়ে লেগেছে: তারেক রহমান
যশোর সংবাদদাতা

বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, ‘নির্বাচনকে বিতর্কিত ও বাধাগ্রস্ত করতে একটি রাজনৈতিক দল উঠেপড়ে লেগেছে। আপনাদের অত্যন্ত সতর্ক ও সজাগ থাকতে হবে।’
সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) বেলা আড়াইটার দিকে যশোর উপশহর কলেজ মাঠে নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
এর আগে দুপুরে তারেক রহমান খুলনায় নির্বাচনী জনসভায় বক্তব্য দেন। পরে তিনি যশোরে আসেন।
জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমানের এক্স অ্যাকাউন্ট থেকে দেওয়া ‘নারী বিদ্বেষী’ পোস্ট ঘিরে উত্তাপের মধ্যে বিএনপি চেয়ারম্যানের বক্তব্যের বড় অংশ জুড়েই ছিল নারী প্রসঙ্গ।
নারীদের প্রতি জামায়াতে ইসলামীর কোনো ‘দরদ’ নেই বলে মন্তব্য করেন তারেক রহমান। তিনি বলেন, ‘আমরা দেখেছি, কীভাবে একাত্তর সালে দেশের মানুষকে রেখে তারা অন্যদিকে চলে গিয়েছিল। এ কারণেই লক্ষ লক্ষ মানুষ সেদিন শহীদ হয়েছিল। আমরা দেখেছি যে একাত্তর সালে তাদের ভূমিকার কারণে লাখ লাখ মা-বোন তাদের সম্মান হারিয়েছে।
তারেক রহমান আরও বলেন, ‘৭১ সালে প্রমাণ হয়েছে, আবার আজও প্রমাণ হলো– এই দেশের মা-বোনদের জন্য, এই দেশের নারী সমাজের জন্য এদের কোনো দরদ নেই।
জামায়াতে ইসলামীর আমিরকে ইঙ্গিত করে বিএনপির চেয়ারম্যান বলেন, ‘এই রাজনৈতিক দলটির নেতা বাংলাদেশের প্রত্যেকটি কর্মজীবী নারী, কর্মজীবী মা, কর্মজীবী মেয়ে সম্পর্কে অত্যন্ত আপত্তিকর একটি কথা বলেছেন। যারা নিজেদের দেশের মানুষকে এইভাবে বিশ্লেষণ করে, তাদের কাছ থেকে ভালো কিছু আশা করা সম্ভব নয়।’
যশোরের অর্থনীতি নিয়েও কথা বলেন তারেক রহমান। তিনি বলেন, যশোরে একটি শিল্প আছে। সেটি হলো ফুল চাষ। গার্মেন্টেসের জামাকাপড় যেমন রপ্তানি হয়, তেমনি ফুলও রপ্তানি করা যেতে পারে।
জনসভায় যশোর ও কুষ্টিয়া অঞ্চলের সাত জেলার ২২ জন বিএনপি প্রার্থীকে পরিচয় করিয়ে দেন তারেক রহমান। যশোর জেলা বিএনপির সভাপতি সৈয়দ সাবেরুল হকের সভাপতিত্বে জনসভা সঞ্চালনা করেন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন খোকন।
অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মেহেদী আহমেদ, ভাইস চেয়ারম্যান নিতাই রায় চৌধুরী, অধ্যাপক নার্গিস বেগম প্রমুখ। যশোরের বিভিন্ন দাবি তুলে ধরে বক্তব্য দেন বিএনপির খুলনা বিভাগীয় ভারপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক ও যশোর-৩ আসনের প্রার্থী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।

বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, ‘নির্বাচনকে বিতর্কিত ও বাধাগ্রস্ত করতে একটি রাজনৈতিক দল উঠেপড়ে লেগেছে। আপনাদের অত্যন্ত সতর্ক ও সজাগ থাকতে হবে।’
সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) বেলা আড়াইটার দিকে যশোর উপশহর কলেজ মাঠে নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
এর আগে দুপুরে তারেক রহমান খুলনায় নির্বাচনী জনসভায় বক্তব্য দেন। পরে তিনি যশোরে আসেন।
জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমানের এক্স অ্যাকাউন্ট থেকে দেওয়া ‘নারী বিদ্বেষী’ পোস্ট ঘিরে উত্তাপের মধ্যে বিএনপি চেয়ারম্যানের বক্তব্যের বড় অংশ জুড়েই ছিল নারী প্রসঙ্গ।
নারীদের প্রতি জামায়াতে ইসলামীর কোনো ‘দরদ’ নেই বলে মন্তব্য করেন তারেক রহমান। তিনি বলেন, ‘আমরা দেখেছি, কীভাবে একাত্তর সালে দেশের মানুষকে রেখে তারা অন্যদিকে চলে গিয়েছিল। এ কারণেই লক্ষ লক্ষ মানুষ সেদিন শহীদ হয়েছিল। আমরা দেখেছি যে একাত্তর সালে তাদের ভূমিকার কারণে লাখ লাখ মা-বোন তাদের সম্মান হারিয়েছে।
তারেক রহমান আরও বলেন, ‘৭১ সালে প্রমাণ হয়েছে, আবার আজও প্রমাণ হলো– এই দেশের মা-বোনদের জন্য, এই দেশের নারী সমাজের জন্য এদের কোনো দরদ নেই।
জামায়াতে ইসলামীর আমিরকে ইঙ্গিত করে বিএনপির চেয়ারম্যান বলেন, ‘এই রাজনৈতিক দলটির নেতা বাংলাদেশের প্রত্যেকটি কর্মজীবী নারী, কর্মজীবী মা, কর্মজীবী মেয়ে সম্পর্কে অত্যন্ত আপত্তিকর একটি কথা বলেছেন। যারা নিজেদের দেশের মানুষকে এইভাবে বিশ্লেষণ করে, তাদের কাছ থেকে ভালো কিছু আশা করা সম্ভব নয়।’
যশোরের অর্থনীতি নিয়েও কথা বলেন তারেক রহমান। তিনি বলেন, যশোরে একটি শিল্প আছে। সেটি হলো ফুল চাষ। গার্মেন্টেসের জামাকাপড় যেমন রপ্তানি হয়, তেমনি ফুলও রপ্তানি করা যেতে পারে।
জনসভায় যশোর ও কুষ্টিয়া অঞ্চলের সাত জেলার ২২ জন বিএনপি প্রার্থীকে পরিচয় করিয়ে দেন তারেক রহমান। যশোর জেলা বিএনপির সভাপতি সৈয়দ সাবেরুল হকের সভাপতিত্বে জনসভা সঞ্চালনা করেন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন খোকন।
অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মেহেদী আহমেদ, ভাইস চেয়ারম্যান নিতাই রায় চৌধুরী, অধ্যাপক নার্গিস বেগম প্রমুখ। যশোরের বিভিন্ন দাবি তুলে ধরে বক্তব্য দেন বিএনপির খুলনা বিভাগীয় ভারপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক ও যশোর-৩ আসনের প্রার্থী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।

নির্বাচনকে বিতর্কিত করতে একটি দল উঠেপড়ে লেগেছে: তারেক রহমান
যশোর সংবাদদাতা

বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, ‘নির্বাচনকে বিতর্কিত ও বাধাগ্রস্ত করতে একটি রাজনৈতিক দল উঠেপড়ে লেগেছে। আপনাদের অত্যন্ত সতর্ক ও সজাগ থাকতে হবে।’
সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) বেলা আড়াইটার দিকে যশোর উপশহর কলেজ মাঠে নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
এর আগে দুপুরে তারেক রহমান খুলনায় নির্বাচনী জনসভায় বক্তব্য দেন। পরে তিনি যশোরে আসেন।
জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমানের এক্স অ্যাকাউন্ট থেকে দেওয়া ‘নারী বিদ্বেষী’ পোস্ট ঘিরে উত্তাপের মধ্যে বিএনপি চেয়ারম্যানের বক্তব্যের বড় অংশ জুড়েই ছিল নারী প্রসঙ্গ।
নারীদের প্রতি জামায়াতে ইসলামীর কোনো ‘দরদ’ নেই বলে মন্তব্য করেন তারেক রহমান। তিনি বলেন, ‘আমরা দেখেছি, কীভাবে একাত্তর সালে দেশের মানুষকে রেখে তারা অন্যদিকে চলে গিয়েছিল। এ কারণেই লক্ষ লক্ষ মানুষ সেদিন শহীদ হয়েছিল। আমরা দেখেছি যে একাত্তর সালে তাদের ভূমিকার কারণে লাখ লাখ মা-বোন তাদের সম্মান হারিয়েছে।
তারেক রহমান আরও বলেন, ‘৭১ সালে প্রমাণ হয়েছে, আবার আজও প্রমাণ হলো– এই দেশের মা-বোনদের জন্য, এই দেশের নারী সমাজের জন্য এদের কোনো দরদ নেই।
জামায়াতে ইসলামীর আমিরকে ইঙ্গিত করে বিএনপির চেয়ারম্যান বলেন, ‘এই রাজনৈতিক দলটির নেতা বাংলাদেশের প্রত্যেকটি কর্মজীবী নারী, কর্মজীবী মা, কর্মজীবী মেয়ে সম্পর্কে অত্যন্ত আপত্তিকর একটি কথা বলেছেন। যারা নিজেদের দেশের মানুষকে এইভাবে বিশ্লেষণ করে, তাদের কাছ থেকে ভালো কিছু আশা করা সম্ভব নয়।’
যশোরের অর্থনীতি নিয়েও কথা বলেন তারেক রহমান। তিনি বলেন, যশোরে একটি শিল্প আছে। সেটি হলো ফুল চাষ। গার্মেন্টেসের জামাকাপড় যেমন রপ্তানি হয়, তেমনি ফুলও রপ্তানি করা যেতে পারে।
জনসভায় যশোর ও কুষ্টিয়া অঞ্চলের সাত জেলার ২২ জন বিএনপি প্রার্থীকে পরিচয় করিয়ে দেন তারেক রহমান। যশোর জেলা বিএনপির সভাপতি সৈয়দ সাবেরুল হকের সভাপতিত্বে জনসভা সঞ্চালনা করেন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন খোকন।
অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মেহেদী আহমেদ, ভাইস চেয়ারম্যান নিতাই রায় চৌধুরী, অধ্যাপক নার্গিস বেগম প্রমুখ। যশোরের বিভিন্ন দাবি তুলে ধরে বক্তব্য দেন বিএনপির খুলনা বিভাগীয় ভারপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক ও যশোর-৩ আসনের প্রার্থী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।




