ক্ষমতায় গেলে তিস্তা মহাপরিকল্পনার কাজ শুরু করবো: তারেক রহমান

ক্ষমতায় গেলে তিস্তা মহাপরিকল্পনার কাজ শুরু করবো: তারেক রহমান
নীলফামারী সংবাদদাতা

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি সরকার গঠন করলে তিস্তা ব্যারেজ মহাপরিকল্পনার কাজ শুরু করা হবে বলে জানিয়েছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে নীলফামারী হাই স্কুল বড় মাঠে নির্বাচনী জনসভায় দেওয়া বক্তব্যে তিনি এ ঘোষণা দেন ।
তারেক রহমান বলেন, এই এলাকার, এই সমগ্র নীলফামারী, রংপুর, দিনাজপুরসহ এই পুরো রংপুর বিভাগের মানুষের একটি প্রাণের দাবি আছে। বলুন তো কী সেই প্রাণের দাবি? তিস্তা মহাপরিকল্পনা। আপনাদের সকলের সামনে আমি বলে যেতে চাই যে ১২ তারিখে ইনশাআল্লাহ বিএনপি সরকার গঠন করলে অন্যতম প্রধান কাজ হবে যত দ্রুত সম্ভব এই তিস্তা ব্যারেজ মহাপরিকল্পনার কাজ শুরু করা। যাতে মানুষের ব্যবহারের জন্যই হোক, কৃষি কাজের জন্যই হোক– এই এলাকার মানুষের জন্য পানির ব্যবস্থা হয়।
তিনি বলেন, সৈয়দপুর এয়ারপোর্টকে আমরা ধীরে ধীরে আন্তর্জাতিক এয়ারপোর্টে রূপান্তরিত করতে চাই। এর ফলে এখানে চাইনিজদের যে হাসপাতাল তৈরি হচ্ছে, এই হাসপাতালে দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে, বিদেশ থেকে রোগী আসবে। মানুষ সহজে ব্যবসা-বাণিজ্য আর চিকিৎসার জন্য এখানে আসতে পারবে।
উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের প্রতিশ্রুতি দিতে গিয়ে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেন, নীলফামারীর মানুষের দাবি, এখানে একটি মেডিকেল কলেজের দাবি। ইনশাআল্লাহ পর্যায়ক্রমিকভাবে এটিও আমরা বাস্তবায়ন করব।
সৈয়দপুরকে শিল্প অঞ্চল হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, সেখানে রেল কারখানাসহ আরও যেসব শিল্প গঠন করা সম্ভব হয়, আমরা সেগুলো গঠন করতে চাই। এই এলাকা– অবহেলিত এলাকা, এই দুর্নাম আমরা ঘোঁচাতে চাই। এই এলাকায় যে ইপিজেড আছে আমরা এটাকে আরও বড় করতে চাই। আরও কলকারখানা এখানে তৈরি করতে চাই, যাতে এই এলাকার মানুষের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হয়।
নারীদের জন্য ফ্যামিলি কার্ড, কৃষকদের জন্য কৃষি কার্ড, কৃষকদের ১০ হাজার টাকার কৃষি ঋণ মওকুফ, বিভিন্ন বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে নেওয়া ক্ষুদ্র ঋণ সরকারিভাবে পরিশোধের ব্যবস্থাসহ নানা প্রতিশ্রুতি দেন বিএনপি চেয়ারম্যান।
তারেক রহমান মঞ্চে দলীয় ও জোটের প্রার্থীদের পরিচয় করিয়ে দিয়ে ধানের শীষ ও খেজুর গাছ মার্কায় ভোট চান। প্রার্থীরা হলেন– মঞ্জুরুল ইসলাম (নীলফামারী-১), শাহরিন ইসলাম (নীলফামারী-২), সৈয়দ আলী (নীলফামারী-৩) ও আবদুল গফুর সরকার (নীলফামারী-৪)।

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি সরকার গঠন করলে তিস্তা ব্যারেজ মহাপরিকল্পনার কাজ শুরু করা হবে বলে জানিয়েছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে নীলফামারী হাই স্কুল বড় মাঠে নির্বাচনী জনসভায় দেওয়া বক্তব্যে তিনি এ ঘোষণা দেন ।
তারেক রহমান বলেন, এই এলাকার, এই সমগ্র নীলফামারী, রংপুর, দিনাজপুরসহ এই পুরো রংপুর বিভাগের মানুষের একটি প্রাণের দাবি আছে। বলুন তো কী সেই প্রাণের দাবি? তিস্তা মহাপরিকল্পনা। আপনাদের সকলের সামনে আমি বলে যেতে চাই যে ১২ তারিখে ইনশাআল্লাহ বিএনপি সরকার গঠন করলে অন্যতম প্রধান কাজ হবে যত দ্রুত সম্ভব এই তিস্তা ব্যারেজ মহাপরিকল্পনার কাজ শুরু করা। যাতে মানুষের ব্যবহারের জন্যই হোক, কৃষি কাজের জন্যই হোক– এই এলাকার মানুষের জন্য পানির ব্যবস্থা হয়।
তিনি বলেন, সৈয়দপুর এয়ারপোর্টকে আমরা ধীরে ধীরে আন্তর্জাতিক এয়ারপোর্টে রূপান্তরিত করতে চাই। এর ফলে এখানে চাইনিজদের যে হাসপাতাল তৈরি হচ্ছে, এই হাসপাতালে দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে, বিদেশ থেকে রোগী আসবে। মানুষ সহজে ব্যবসা-বাণিজ্য আর চিকিৎসার জন্য এখানে আসতে পারবে।
উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের প্রতিশ্রুতি দিতে গিয়ে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেন, নীলফামারীর মানুষের দাবি, এখানে একটি মেডিকেল কলেজের দাবি। ইনশাআল্লাহ পর্যায়ক্রমিকভাবে এটিও আমরা বাস্তবায়ন করব।
সৈয়দপুরকে শিল্প অঞ্চল হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, সেখানে রেল কারখানাসহ আরও যেসব শিল্প গঠন করা সম্ভব হয়, আমরা সেগুলো গঠন করতে চাই। এই এলাকা– অবহেলিত এলাকা, এই দুর্নাম আমরা ঘোঁচাতে চাই। এই এলাকায় যে ইপিজেড আছে আমরা এটাকে আরও বড় করতে চাই। আরও কলকারখানা এখানে তৈরি করতে চাই, যাতে এই এলাকার মানুষের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হয়।
নারীদের জন্য ফ্যামিলি কার্ড, কৃষকদের জন্য কৃষি কার্ড, কৃষকদের ১০ হাজার টাকার কৃষি ঋণ মওকুফ, বিভিন্ন বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে নেওয়া ক্ষুদ্র ঋণ সরকারিভাবে পরিশোধের ব্যবস্থাসহ নানা প্রতিশ্রুতি দেন বিএনপি চেয়ারম্যান।
তারেক রহমান মঞ্চে দলীয় ও জোটের প্রার্থীদের পরিচয় করিয়ে দিয়ে ধানের শীষ ও খেজুর গাছ মার্কায় ভোট চান। প্রার্থীরা হলেন– মঞ্জুরুল ইসলাম (নীলফামারী-১), শাহরিন ইসলাম (নীলফামারী-২), সৈয়দ আলী (নীলফামারী-৩) ও আবদুল গফুর সরকার (নীলফামারী-৪)।

ক্ষমতায় গেলে তিস্তা মহাপরিকল্পনার কাজ শুরু করবো: তারেক রহমান
নীলফামারী সংবাদদাতা

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি সরকার গঠন করলে তিস্তা ব্যারেজ মহাপরিকল্পনার কাজ শুরু করা হবে বলে জানিয়েছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে নীলফামারী হাই স্কুল বড় মাঠে নির্বাচনী জনসভায় দেওয়া বক্তব্যে তিনি এ ঘোষণা দেন ।
তারেক রহমান বলেন, এই এলাকার, এই সমগ্র নীলফামারী, রংপুর, দিনাজপুরসহ এই পুরো রংপুর বিভাগের মানুষের একটি প্রাণের দাবি আছে। বলুন তো কী সেই প্রাণের দাবি? তিস্তা মহাপরিকল্পনা। আপনাদের সকলের সামনে আমি বলে যেতে চাই যে ১২ তারিখে ইনশাআল্লাহ বিএনপি সরকার গঠন করলে অন্যতম প্রধান কাজ হবে যত দ্রুত সম্ভব এই তিস্তা ব্যারেজ মহাপরিকল্পনার কাজ শুরু করা। যাতে মানুষের ব্যবহারের জন্যই হোক, কৃষি কাজের জন্যই হোক– এই এলাকার মানুষের জন্য পানির ব্যবস্থা হয়।
তিনি বলেন, সৈয়দপুর এয়ারপোর্টকে আমরা ধীরে ধীরে আন্তর্জাতিক এয়ারপোর্টে রূপান্তরিত করতে চাই। এর ফলে এখানে চাইনিজদের যে হাসপাতাল তৈরি হচ্ছে, এই হাসপাতালে দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে, বিদেশ থেকে রোগী আসবে। মানুষ সহজে ব্যবসা-বাণিজ্য আর চিকিৎসার জন্য এখানে আসতে পারবে।
উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের প্রতিশ্রুতি দিতে গিয়ে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেন, নীলফামারীর মানুষের দাবি, এখানে একটি মেডিকেল কলেজের দাবি। ইনশাআল্লাহ পর্যায়ক্রমিকভাবে এটিও আমরা বাস্তবায়ন করব।
সৈয়দপুরকে শিল্প অঞ্চল হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, সেখানে রেল কারখানাসহ আরও যেসব শিল্প গঠন করা সম্ভব হয়, আমরা সেগুলো গঠন করতে চাই। এই এলাকা– অবহেলিত এলাকা, এই দুর্নাম আমরা ঘোঁচাতে চাই। এই এলাকায় যে ইপিজেড আছে আমরা এটাকে আরও বড় করতে চাই। আরও কলকারখানা এখানে তৈরি করতে চাই, যাতে এই এলাকার মানুষের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হয়।
নারীদের জন্য ফ্যামিলি কার্ড, কৃষকদের জন্য কৃষি কার্ড, কৃষকদের ১০ হাজার টাকার কৃষি ঋণ মওকুফ, বিভিন্ন বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে নেওয়া ক্ষুদ্র ঋণ সরকারিভাবে পরিশোধের ব্যবস্থাসহ নানা প্রতিশ্রুতি দেন বিএনপি চেয়ারম্যান।
তারেক রহমান মঞ্চে দলীয় ও জোটের প্রার্থীদের পরিচয় করিয়ে দিয়ে ধানের শীষ ও খেজুর গাছ মার্কায় ভোট চান। প্রার্থীরা হলেন– মঞ্জুরুল ইসলাম (নীলফামারী-১), শাহরিন ইসলাম (নীলফামারী-২), সৈয়দ আলী (নীলফামারী-৩) ও আবদুল গফুর সরকার (নীলফামারী-৪)।




