‘ট্যাক্স ফ্রি নয়, সরকারি গাড়ি চেয়েছি’

‘ট্যাক্স ফ্রি নয়, সরকারি গাড়ি চেয়েছি’
নিজস্ব প্রতিবেদক

ট্যাক্স ফ্রি গাড়ি নয়, সংসদ সদস্যদের জন্য সরকারি মালিকানাধীন গাড়ি চেয়েছি বলে জানিয়েছেন কুমিল্লা -৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ।
বুধবার (২২ এপ্রিল) বিকেলে সংসদ অধিবেশনের ১৯তম দিনের পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে এ কথা জানান তিনি।
হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, আমরা ট্যাক্স ফ্রি গাড়ি নেব না। আমরা প্লট সুবিধাটিও নেব না। জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, পৌর মেয়র, জেলা প্রশাসক, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, এসিল্যান্ডসহ অন্যান্য সরকারি অফিসাররা কার্য পরিচালনার জন্য যেভাবে গাড়ি পেয়ে থাকেন, ঠিক একই প্রক্রিয়ায় আমাদের যারা সংসদ সদস্য আছে তাদের ব্যবহারের জন্য একটি গাড়ি দেওয়া যায় কি না তা আমি এই সংসদে জানিয়েছিলাম।
তিনি বলেন, একজন এমপি যতদিন দায়িত্বে থাকবেন তিনি ঠিক ততদিন পর্যন্ত গাড়িটি ব্যবহার করবেন। তার জন্য এক্সট্রা খরচও লাগবে না। আমাদের সংসদ সদস্যদের গাড়ি মেনটেনেন্স করার জন্য ইতোমধ্যে ৭০ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছে। কিন্তু আমাদের গাড়ি নেই।
এর আগে, মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) জাতীয় সংসদ অধিবেশনে স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম জানান, উপজেলা পরিষদে সংসদ সদস্যদের জন্য পরিদর্শন কক্ষের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
প্রতিমন্ত্রীর এ বক্তব্যের পর কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, আমি সবসময় বিরোধিতার জন্য দাঁড়াই। কিন্তু আজ ধন্যবাদ জানাচ্ছি ভালো সিদ্ধান্তের জন্য। আমরা লজ্জায় একটা কথা বলি না। এ সংসদে সবচেয়ে ছোট হিসাবে একটা কথা বলছি, আমাদের ইউএনওদের গাড়ি থাকে, উপজেলা চেয়ারম্যানের গাড়ি থাকে, কিন্তু আমাদের চলতে হয় ভাড়া গাড়িতে। আমাদের জন্য বসার ব্যবস্থা করে দিয়েছেন, এখন যদি মানুষের কাছে যাওয়ার জন্য গাড়ি ব্যবস্থা করে দেওয়া হয়, তাহলে ভালো হতো।

ট্যাক্স ফ্রি গাড়ি নয়, সংসদ সদস্যদের জন্য সরকারি মালিকানাধীন গাড়ি চেয়েছি বলে জানিয়েছেন কুমিল্লা -৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ।
বুধবার (২২ এপ্রিল) বিকেলে সংসদ অধিবেশনের ১৯তম দিনের পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে এ কথা জানান তিনি।
হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, আমরা ট্যাক্স ফ্রি গাড়ি নেব না। আমরা প্লট সুবিধাটিও নেব না। জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, পৌর মেয়র, জেলা প্রশাসক, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, এসিল্যান্ডসহ অন্যান্য সরকারি অফিসাররা কার্য পরিচালনার জন্য যেভাবে গাড়ি পেয়ে থাকেন, ঠিক একই প্রক্রিয়ায় আমাদের যারা সংসদ সদস্য আছে তাদের ব্যবহারের জন্য একটি গাড়ি দেওয়া যায় কি না তা আমি এই সংসদে জানিয়েছিলাম।
তিনি বলেন, একজন এমপি যতদিন দায়িত্বে থাকবেন তিনি ঠিক ততদিন পর্যন্ত গাড়িটি ব্যবহার করবেন। তার জন্য এক্সট্রা খরচও লাগবে না। আমাদের সংসদ সদস্যদের গাড়ি মেনটেনেন্স করার জন্য ইতোমধ্যে ৭০ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছে। কিন্তু আমাদের গাড়ি নেই।
এর আগে, মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) জাতীয় সংসদ অধিবেশনে স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম জানান, উপজেলা পরিষদে সংসদ সদস্যদের জন্য পরিদর্শন কক্ষের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
প্রতিমন্ত্রীর এ বক্তব্যের পর কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, আমি সবসময় বিরোধিতার জন্য দাঁড়াই। কিন্তু আজ ধন্যবাদ জানাচ্ছি ভালো সিদ্ধান্তের জন্য। আমরা লজ্জায় একটা কথা বলি না। এ সংসদে সবচেয়ে ছোট হিসাবে একটা কথা বলছি, আমাদের ইউএনওদের গাড়ি থাকে, উপজেলা চেয়ারম্যানের গাড়ি থাকে, কিন্তু আমাদের চলতে হয় ভাড়া গাড়িতে। আমাদের জন্য বসার ব্যবস্থা করে দিয়েছেন, এখন যদি মানুষের কাছে যাওয়ার জন্য গাড়ি ব্যবস্থা করে দেওয়া হয়, তাহলে ভালো হতো।

‘ট্যাক্স ফ্রি নয়, সরকারি গাড়ি চেয়েছি’
নিজস্ব প্রতিবেদক

ট্যাক্স ফ্রি গাড়ি নয়, সংসদ সদস্যদের জন্য সরকারি মালিকানাধীন গাড়ি চেয়েছি বলে জানিয়েছেন কুমিল্লা -৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ।
বুধবার (২২ এপ্রিল) বিকেলে সংসদ অধিবেশনের ১৯তম দিনের পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে এ কথা জানান তিনি।
হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, আমরা ট্যাক্স ফ্রি গাড়ি নেব না। আমরা প্লট সুবিধাটিও নেব না। জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, পৌর মেয়র, জেলা প্রশাসক, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, এসিল্যান্ডসহ অন্যান্য সরকারি অফিসাররা কার্য পরিচালনার জন্য যেভাবে গাড়ি পেয়ে থাকেন, ঠিক একই প্রক্রিয়ায় আমাদের যারা সংসদ সদস্য আছে তাদের ব্যবহারের জন্য একটি গাড়ি দেওয়া যায় কি না তা আমি এই সংসদে জানিয়েছিলাম।
তিনি বলেন, একজন এমপি যতদিন দায়িত্বে থাকবেন তিনি ঠিক ততদিন পর্যন্ত গাড়িটি ব্যবহার করবেন। তার জন্য এক্সট্রা খরচও লাগবে না। আমাদের সংসদ সদস্যদের গাড়ি মেনটেনেন্স করার জন্য ইতোমধ্যে ৭০ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছে। কিন্তু আমাদের গাড়ি নেই।
এর আগে, মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) জাতীয় সংসদ অধিবেশনে স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম জানান, উপজেলা পরিষদে সংসদ সদস্যদের জন্য পরিদর্শন কক্ষের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
প্রতিমন্ত্রীর এ বক্তব্যের পর কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, আমি সবসময় বিরোধিতার জন্য দাঁড়াই। কিন্তু আজ ধন্যবাদ জানাচ্ছি ভালো সিদ্ধান্তের জন্য। আমরা লজ্জায় একটা কথা বলি না। এ সংসদে সবচেয়ে ছোট হিসাবে একটা কথা বলছি, আমাদের ইউএনওদের গাড়ি থাকে, উপজেলা চেয়ারম্যানের গাড়ি থাকে, কিন্তু আমাদের চলতে হয় ভাড়া গাড়িতে। আমাদের জন্য বসার ব্যবস্থা করে দিয়েছেন, এখন যদি মানুষের কাছে যাওয়ার জন্য গাড়ি ব্যবস্থা করে দেওয়া হয়, তাহলে ভালো হতো।




