বিএনপি জনগণের সাথে প্রতারণা করেছে: তাজুল ইসলাম

বিএনপি জনগণের সাথে প্রতারণা করেছে: তাজুল ইসলাম
নিজস্ব প্রতিবেদক

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের সাবেক চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম বলেছেন, ‘যে রাষ্ট্রের মালিক জনগণ, সেই জনগণের ইচ্ছা ও অভিপ্রায়ে বিপ্লব হলো। জনগণ গণভোটের রায় দিয়ে সংস্কার করতে বলেছে। আর আপনারা নির্বাচিত হয়ে বললেন,‘‘আমরা এটা মানি না, এটা অবৈধ।’’ এটা কোন ধরনের প্রতারণা। আপনারা যে এই কথাটা বললেন, এটা সরাসরি জনগণের সাথে প্রতারণা। এই রাষ্ট্রকে কখনোই ঠিক করা যাবে না, যদি আপনি (বিএনপি) জনগণের রায় না মানেন।’
গণভোটের রায় বাস্তবায়ন নিয়ে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির শহীদ শফিউর রহমান মিলনায়তনে আয়োজিত এক সেমিনারে তাজুল ইসলাম বিএনপি সরকারের উদ্দেশ্যে এসব কথা বলেন। সোমবার (৩ আগস্ট) বিকালে সোসাইটি ফর জাস্টিস অ্যান্ড পিস (এসজেপি) ‘জুলাই বিপ্লব ও বিচার বিভাগ: আমাদের দায়বদ্ধতা’ শীর্ষক এই সেমিনার আয়োজন করে।
তাজুল ইসলাম বলেন, বাংলাদেশের কোনো সংবিধান মেনে জুলাই বিপ্লব হয়নি। জুলাই বিপ্লব ছিল ১৬ বছরের অত্যাচার, ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ এবং নিপীড়নের বিরুদ্ধে একটা বিদ্রোহ। স্বৈরশাসক এবং তাদের সহযোগীদেরকে এদেশ থেকে তাড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল। পৃথিবীর ইতিহাসে এর দ্বিতীয় কোনো নজির নেই। এরপরে একটা অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠন করা হয়েছে। সেই সরকার ১১টি সংস্কার কমিশন করেছিলেন। সেখানে জনগণের প্রতিনিধিত্ব করে সকল রাজনৈতিক দল অংশ নেয়। রাষ্ট্র ব্যবস্থার মৌলিক জায়গাগুলো বদলে দেওয়ার জন্য সবাই অংশগ্রহণ করেছিল। বাংলাদেশের জনগণও এটা চেয়েছে।
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের সাবেক চিফ প্রসিকিউটর আরও বলেন, ‘ঐকমত্য কমিশনের মাধ্যমে জুলাই জাতীয় সনদে সব দল মিলে স্বাক্ষর করেছে। আপনারা (বিএনপি) একমত পোষণ করেছেন। তার ভিত্তিতে কনস্টিটিউশনে কোথায় কি ধরনের সংস্কার হবে, সে ব্যাপারগুলো আপনারাও ঠিক করলেন। এরপরে এটাকে শক্তিশালী আইনি প্রোটেকশন দেওয়ার জন্য গণভোট করা হয়েছে। যেসময় আমরা গণভোট করেছি, তখন সংবিধানে গণভোট নামক কোনো আইনের অস্তিত্ব ছিল না। জনগণ চাওয়ার কারণে এটা আমরা করেছি।’
গনভোটের রায় বাস্তবায়ন না করার বিষয়টি জাতি মেনে নেবে না উল্লেখ করে তাজুল ইসলাম বলেন, ‘আজকের এই গণভোটের রায় এভাবে বাস্তবায়ন না করে তারা যদি পার পেয়ে যায়, ভবিষ্যতে কোনো নির্বাচনের মূল্য থাকবে না। গণভোট বাস্তবায়ন না করা-এটা কোনো অবস্থাতেই এই জাতি মানতে পারে না। ভবিষ্যতে এ রাষ্ট্র ব্যবস্থার কোনো অস্তিত্বই থাকবে না। গণভোটের রায় অবশ্যই মানতে হবে, এটা কোনো ঐচ্ছিক বিষয় নয়। আপনারা বুঝতে পারছেন না যে, কতটা খারাপ কাজ করছেন। আপনারা যেমনভাবে বিপদগ্রস্ত হচ্ছেন, তেমনিভাবে রাষ্ট্র এবং জাতি বিপদগ্রস্ত হচ্ছে।’
তাজুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা বিএনপি সরকারের ধ্বংস চাই না। আপনারা সফল হোন, এটা আমরা চাই। বাংলাদেশের ইতিহাসে এই প্রথম বিরোধীদল সরকারি দলের পতন না হোক, এটা চায়। আপনাদের ধ্বংস তো বিরোধীদল কামনা করে না। এরকম অনুকূল রাজনৈতিক পরিবেশ বাংলাদেশে কখনো আসেনি।’
সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন এসজেপির চেয়ারম্যান ও সাবেক ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মুহাম্মদ শফিকুর রহমান। এটি সঞ্চালনা করেন এসজেপির সাধারণ সম্পাদক আইনজীবী মো. আসাদ উদ্দিন। এতে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি এম এ মতিন, সিনিয়র আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির, মোহাম্মদ বেলায়েত হোসেন, সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার তাসমিয়া প্রধান, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) হাসিনুর রহমান, ব্যারিস্টার এ এস এম শাহরিয়ার কবির।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের সাবেক চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম বলেছেন, ‘যে রাষ্ট্রের মালিক জনগণ, সেই জনগণের ইচ্ছা ও অভিপ্রায়ে বিপ্লব হলো। জনগণ গণভোটের রায় দিয়ে সংস্কার করতে বলেছে। আর আপনারা নির্বাচিত হয়ে বললেন,‘‘আমরা এটা মানি না, এটা অবৈধ।’’ এটা কোন ধরনের প্রতারণা। আপনারা যে এই কথাটা বললেন, এটা সরাসরি জনগণের সাথে প্রতারণা। এই রাষ্ট্রকে কখনোই ঠিক করা যাবে না, যদি আপনি (বিএনপি) জনগণের রায় না মানেন।’
গণভোটের রায় বাস্তবায়ন নিয়ে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির শহীদ শফিউর রহমান মিলনায়তনে আয়োজিত এক সেমিনারে তাজুল ইসলাম বিএনপি সরকারের উদ্দেশ্যে এসব কথা বলেন। সোমবার (৩ আগস্ট) বিকালে সোসাইটি ফর জাস্টিস অ্যান্ড পিস (এসজেপি) ‘জুলাই বিপ্লব ও বিচার বিভাগ: আমাদের দায়বদ্ধতা’ শীর্ষক এই সেমিনার আয়োজন করে।
তাজুল ইসলাম বলেন, বাংলাদেশের কোনো সংবিধান মেনে জুলাই বিপ্লব হয়নি। জুলাই বিপ্লব ছিল ১৬ বছরের অত্যাচার, ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ এবং নিপীড়নের বিরুদ্ধে একটা বিদ্রোহ। স্বৈরশাসক এবং তাদের সহযোগীদেরকে এদেশ থেকে তাড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল। পৃথিবীর ইতিহাসে এর দ্বিতীয় কোনো নজির নেই। এরপরে একটা অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠন করা হয়েছে। সেই সরকার ১১টি সংস্কার কমিশন করেছিলেন। সেখানে জনগণের প্রতিনিধিত্ব করে সকল রাজনৈতিক দল অংশ নেয়। রাষ্ট্র ব্যবস্থার মৌলিক জায়গাগুলো বদলে দেওয়ার জন্য সবাই অংশগ্রহণ করেছিল। বাংলাদেশের জনগণও এটা চেয়েছে।
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের সাবেক চিফ প্রসিকিউটর আরও বলেন, ‘ঐকমত্য কমিশনের মাধ্যমে জুলাই জাতীয় সনদে সব দল মিলে স্বাক্ষর করেছে। আপনারা (বিএনপি) একমত পোষণ করেছেন। তার ভিত্তিতে কনস্টিটিউশনে কোথায় কি ধরনের সংস্কার হবে, সে ব্যাপারগুলো আপনারাও ঠিক করলেন। এরপরে এটাকে শক্তিশালী আইনি প্রোটেকশন দেওয়ার জন্য গণভোট করা হয়েছে। যেসময় আমরা গণভোট করেছি, তখন সংবিধানে গণভোট নামক কোনো আইনের অস্তিত্ব ছিল না। জনগণ চাওয়ার কারণে এটা আমরা করেছি।’
গনভোটের রায় বাস্তবায়ন না করার বিষয়টি জাতি মেনে নেবে না উল্লেখ করে তাজুল ইসলাম বলেন, ‘আজকের এই গণভোটের রায় এভাবে বাস্তবায়ন না করে তারা যদি পার পেয়ে যায়, ভবিষ্যতে কোনো নির্বাচনের মূল্য থাকবে না। গণভোট বাস্তবায়ন না করা-এটা কোনো অবস্থাতেই এই জাতি মানতে পারে না। ভবিষ্যতে এ রাষ্ট্র ব্যবস্থার কোনো অস্তিত্বই থাকবে না। গণভোটের রায় অবশ্যই মানতে হবে, এটা কোনো ঐচ্ছিক বিষয় নয়। আপনারা বুঝতে পারছেন না যে, কতটা খারাপ কাজ করছেন। আপনারা যেমনভাবে বিপদগ্রস্ত হচ্ছেন, তেমনিভাবে রাষ্ট্র এবং জাতি বিপদগ্রস্ত হচ্ছে।’
তাজুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা বিএনপি সরকারের ধ্বংস চাই না। আপনারা সফল হোন, এটা আমরা চাই। বাংলাদেশের ইতিহাসে এই প্রথম বিরোধীদল সরকারি দলের পতন না হোক, এটা চায়। আপনাদের ধ্বংস তো বিরোধীদল কামনা করে না। এরকম অনুকূল রাজনৈতিক পরিবেশ বাংলাদেশে কখনো আসেনি।’
সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন এসজেপির চেয়ারম্যান ও সাবেক ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মুহাম্মদ শফিকুর রহমান। এটি সঞ্চালনা করেন এসজেপির সাধারণ সম্পাদক আইনজীবী মো. আসাদ উদ্দিন। এতে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি এম এ মতিন, সিনিয়র আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির, মোহাম্মদ বেলায়েত হোসেন, সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার তাসমিয়া প্রধান, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) হাসিনুর রহমান, ব্যারিস্টার এ এস এম শাহরিয়ার কবির।

বিএনপি জনগণের সাথে প্রতারণা করেছে: তাজুল ইসলাম
নিজস্ব প্রতিবেদক

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের সাবেক চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম বলেছেন, ‘যে রাষ্ট্রের মালিক জনগণ, সেই জনগণের ইচ্ছা ও অভিপ্রায়ে বিপ্লব হলো। জনগণ গণভোটের রায় দিয়ে সংস্কার করতে বলেছে। আর আপনারা নির্বাচিত হয়ে বললেন,‘‘আমরা এটা মানি না, এটা অবৈধ।’’ এটা কোন ধরনের প্রতারণা। আপনারা যে এই কথাটা বললেন, এটা সরাসরি জনগণের সাথে প্রতারণা। এই রাষ্ট্রকে কখনোই ঠিক করা যাবে না, যদি আপনি (বিএনপি) জনগণের রায় না মানেন।’
গণভোটের রায় বাস্তবায়ন নিয়ে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির শহীদ শফিউর রহমান মিলনায়তনে আয়োজিত এক সেমিনারে তাজুল ইসলাম বিএনপি সরকারের উদ্দেশ্যে এসব কথা বলেন। সোমবার (৩ আগস্ট) বিকালে সোসাইটি ফর জাস্টিস অ্যান্ড পিস (এসজেপি) ‘জুলাই বিপ্লব ও বিচার বিভাগ: আমাদের দায়বদ্ধতা’ শীর্ষক এই সেমিনার আয়োজন করে।
তাজুল ইসলাম বলেন, বাংলাদেশের কোনো সংবিধান মেনে জুলাই বিপ্লব হয়নি। জুলাই বিপ্লব ছিল ১৬ বছরের অত্যাচার, ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ এবং নিপীড়নের বিরুদ্ধে একটা বিদ্রোহ। স্বৈরশাসক এবং তাদের সহযোগীদেরকে এদেশ থেকে তাড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল। পৃথিবীর ইতিহাসে এর দ্বিতীয় কোনো নজির নেই। এরপরে একটা অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠন করা হয়েছে। সেই সরকার ১১টি সংস্কার কমিশন করেছিলেন। সেখানে জনগণের প্রতিনিধিত্ব করে সকল রাজনৈতিক দল অংশ নেয়। রাষ্ট্র ব্যবস্থার মৌলিক জায়গাগুলো বদলে দেওয়ার জন্য সবাই অংশগ্রহণ করেছিল। বাংলাদেশের জনগণও এটা চেয়েছে।
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের সাবেক চিফ প্রসিকিউটর আরও বলেন, ‘ঐকমত্য কমিশনের মাধ্যমে জুলাই জাতীয় সনদে সব দল মিলে স্বাক্ষর করেছে। আপনারা (বিএনপি) একমত পোষণ করেছেন। তার ভিত্তিতে কনস্টিটিউশনে কোথায় কি ধরনের সংস্কার হবে, সে ব্যাপারগুলো আপনারাও ঠিক করলেন। এরপরে এটাকে শক্তিশালী আইনি প্রোটেকশন দেওয়ার জন্য গণভোট করা হয়েছে। যেসময় আমরা গণভোট করেছি, তখন সংবিধানে গণভোট নামক কোনো আইনের অস্তিত্ব ছিল না। জনগণ চাওয়ার কারণে এটা আমরা করেছি।’
গনভোটের রায় বাস্তবায়ন না করার বিষয়টি জাতি মেনে নেবে না উল্লেখ করে তাজুল ইসলাম বলেন, ‘আজকের এই গণভোটের রায় এভাবে বাস্তবায়ন না করে তারা যদি পার পেয়ে যায়, ভবিষ্যতে কোনো নির্বাচনের মূল্য থাকবে না। গণভোট বাস্তবায়ন না করা-এটা কোনো অবস্থাতেই এই জাতি মানতে পারে না। ভবিষ্যতে এ রাষ্ট্র ব্যবস্থার কোনো অস্তিত্বই থাকবে না। গণভোটের রায় অবশ্যই মানতে হবে, এটা কোনো ঐচ্ছিক বিষয় নয়। আপনারা বুঝতে পারছেন না যে, কতটা খারাপ কাজ করছেন। আপনারা যেমনভাবে বিপদগ্রস্ত হচ্ছেন, তেমনিভাবে রাষ্ট্র এবং জাতি বিপদগ্রস্ত হচ্ছে।’
তাজুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা বিএনপি সরকারের ধ্বংস চাই না। আপনারা সফল হোন, এটা আমরা চাই। বাংলাদেশের ইতিহাসে এই প্রথম বিরোধীদল সরকারি দলের পতন না হোক, এটা চায়। আপনাদের ধ্বংস তো বিরোধীদল কামনা করে না। এরকম অনুকূল রাজনৈতিক পরিবেশ বাংলাদেশে কখনো আসেনি।’
সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন এসজেপির চেয়ারম্যান ও সাবেক ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মুহাম্মদ শফিকুর রহমান। এটি সঞ্চালনা করেন এসজেপির সাধারণ সম্পাদক আইনজীবী মো. আসাদ উদ্দিন। এতে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি এম এ মতিন, সিনিয়র আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির, মোহাম্মদ বেলায়েত হোসেন, সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার তাসমিয়া প্রধান, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) হাসিনুর রহমান, ব্যারিস্টার এ এস এম শাহরিয়ার কবির।







-CznNewsLab-978957.jpg)

