সংসদ অধিবেশন থেকে আবারও বিরোধী দলের ওয়াকআউট

সংসদ অধিবেশন থেকে আবারও বিরোধী দলের ওয়াকআউট
নিজস্ব প্রতিবেদক

জাতীয় সংসদের অধিবেশন থেকে আবারও ওয়াকআউট করেছে বিরোধী দলীয় জোট। বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) সন্ধ্যা ৫টা ৫৬ মিনিটে সংসদ অধিবেশন থেকে বের হয়ে যান বিরোধী দলীয় সদস্যরা।
বিরোধী দলের নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেন, বিরোধীদলের আপত্তি সত্ত্বেও যে কয়েকটি গণবিরোধী বিল পাস হয়েছে, তার দায় আমরা নিতে চাই না। তাই সংসদ থেকে ওয়াকাআউট করছি।
ওয়াকআউট ঘোষণার পর জোটের সংসদ সদস্যরা একসঙ্গে অধিবেশন কক্ষ ত্যাগ করেন। এ সময় ডেপুটি স্পিকার অধিবেশন পরিচালনা করেন এবং সালাহউদ্দিন আহমেদকে বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ দেন।
সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, আইন প্রণয়নের পুরো প্রক্রিয়ায় বিরোধী দলের সদস্যরা অংশ নিয়েছেন। ফার্স্ট রিডিং, সেকেন্ড রিডিং ও থার্ড রিডিং, সব রিডিংয়ে উনারা সহায়তা করেছেন।
এই সময় তিনি প্রশ্ন তুলে বলেন, পুরো প্রক্রিয়ায় অংশ নেওয়ার পর হঠাৎ ওয়াকআউট করার যৌক্তিকতা কী। একই সঙ্গে তিনি বিরোধী দলের প্রতি পুনরায় অধিবেশনে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানান।
উল্লেখ্য, প্রথম অধিবেশনের প্রথম কার্যদিবসে রাষ্ট্রপতির ভাষণের সময় প্রথমবারের মতো সংসদ অধিবেশন থেকে ওয়াকআউট করে বিরোধী দলীয় জোট। পরে গত ১ এপ্রিল ‘গণভোট ও জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশ’ ইস্যুতে আলোচনার দাবিতে দেওয়া নোটিশের প্রতিকার না পাওয়ার অভিযোগ করে ওয়াকআউট করে তারা।

জাতীয় সংসদের অধিবেশন থেকে আবারও ওয়াকআউট করেছে বিরোধী দলীয় জোট। বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) সন্ধ্যা ৫টা ৫৬ মিনিটে সংসদ অধিবেশন থেকে বের হয়ে যান বিরোধী দলীয় সদস্যরা।
বিরোধী দলের নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেন, বিরোধীদলের আপত্তি সত্ত্বেও যে কয়েকটি গণবিরোধী বিল পাস হয়েছে, তার দায় আমরা নিতে চাই না। তাই সংসদ থেকে ওয়াকাআউট করছি।
ওয়াকআউট ঘোষণার পর জোটের সংসদ সদস্যরা একসঙ্গে অধিবেশন কক্ষ ত্যাগ করেন। এ সময় ডেপুটি স্পিকার অধিবেশন পরিচালনা করেন এবং সালাহউদ্দিন আহমেদকে বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ দেন।
সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, আইন প্রণয়নের পুরো প্রক্রিয়ায় বিরোধী দলের সদস্যরা অংশ নিয়েছেন। ফার্স্ট রিডিং, সেকেন্ড রিডিং ও থার্ড রিডিং, সব রিডিংয়ে উনারা সহায়তা করেছেন।
এই সময় তিনি প্রশ্ন তুলে বলেন, পুরো প্রক্রিয়ায় অংশ নেওয়ার পর হঠাৎ ওয়াকআউট করার যৌক্তিকতা কী। একই সঙ্গে তিনি বিরোধী দলের প্রতি পুনরায় অধিবেশনে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানান।
উল্লেখ্য, প্রথম অধিবেশনের প্রথম কার্যদিবসে রাষ্ট্রপতির ভাষণের সময় প্রথমবারের মতো সংসদ অধিবেশন থেকে ওয়াকআউট করে বিরোধী দলীয় জোট। পরে গত ১ এপ্রিল ‘গণভোট ও জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশ’ ইস্যুতে আলোচনার দাবিতে দেওয়া নোটিশের প্রতিকার না পাওয়ার অভিযোগ করে ওয়াকআউট করে তারা।

সংসদ অধিবেশন থেকে আবারও বিরোধী দলের ওয়াকআউট
নিজস্ব প্রতিবেদক

জাতীয় সংসদের অধিবেশন থেকে আবারও ওয়াকআউট করেছে বিরোধী দলীয় জোট। বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) সন্ধ্যা ৫টা ৫৬ মিনিটে সংসদ অধিবেশন থেকে বের হয়ে যান বিরোধী দলীয় সদস্যরা।
বিরোধী দলের নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেন, বিরোধীদলের আপত্তি সত্ত্বেও যে কয়েকটি গণবিরোধী বিল পাস হয়েছে, তার দায় আমরা নিতে চাই না। তাই সংসদ থেকে ওয়াকাআউট করছি।
ওয়াকআউট ঘোষণার পর জোটের সংসদ সদস্যরা একসঙ্গে অধিবেশন কক্ষ ত্যাগ করেন। এ সময় ডেপুটি স্পিকার অধিবেশন পরিচালনা করেন এবং সালাহউদ্দিন আহমেদকে বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ দেন।
সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, আইন প্রণয়নের পুরো প্রক্রিয়ায় বিরোধী দলের সদস্যরা অংশ নিয়েছেন। ফার্স্ট রিডিং, সেকেন্ড রিডিং ও থার্ড রিডিং, সব রিডিংয়ে উনারা সহায়তা করেছেন।
এই সময় তিনি প্রশ্ন তুলে বলেন, পুরো প্রক্রিয়ায় অংশ নেওয়ার পর হঠাৎ ওয়াকআউট করার যৌক্তিকতা কী। একই সঙ্গে তিনি বিরোধী দলের প্রতি পুনরায় অধিবেশনে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানান।
উল্লেখ্য, প্রথম অধিবেশনের প্রথম কার্যদিবসে রাষ্ট্রপতির ভাষণের সময় প্রথমবারের মতো সংসদ অধিবেশন থেকে ওয়াকআউট করে বিরোধী দলীয় জোট। পরে গত ১ এপ্রিল ‘গণভোট ও জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশ’ ইস্যুতে আলোচনার দাবিতে দেওয়া নোটিশের প্রতিকার না পাওয়ার অভিযোগ করে ওয়াকআউট করে তারা।




