প্রকাশিত সংবাদে শেলটেকের ব্যাখ্যা, আমাদের বক্তব্য

প্রকাশিত সংবাদে শেলটেকের ব্যাখ্যা, আমাদের বক্তব্য
নিজস্ব প্রতিবেদক

গত ২৩ সেপ্টেম্বর সিজেডএন টোয়েন্টিফোর ডটকমে ‘জমি বিক্রি করে চলে আসার পর রাজউক বলছে ‘নাভানা-শেলটেক অনুমোদনহীন’ শিরোনামে প্রকাশিত প্রতিবেদনের ব্যাখ্যা দিয়েছে আবাসন প্রতিষ্ঠান শেলটেক গ্রুপ।
আংশিক ব্যাখ্যায় শেলটেক কতৃপক্ষ বলছেন, সাভার-আশুলিয়ার বঙ্গবন্ধু রোডের গৌরীপুর এলাকার ‘বাতায়ন’ প্রকল্পের জমির পরিমাণ প্রায় ৫০ একর—প্রতিবেদনে এমন তথ্য দেওয়া হলেও প্রকৃতপক্ষে সেখানে জমির পরিমাণ ১০ একরের নিচে। ফলে বেসরকারি আবাসিক প্রকল্পের ভূমি উন্নয়ন বিধিমালা, ২০০৪-এর ৮ নম্বর ধারা অনুযায়ী রাজউকের অনুমোদন নেওয়ার প্রয়োজন হয়নি।
ব্যাখ্যায় তারা আরও বলেন, ‘মাধবী’ প্রকল্পের জমির পরিমাণ ৮ দশমিক ৪৪ একর এবং ‘মালবীকা’ প্রকল্পের জমির পরিমাণ ৬ দশমিক ৭৯ একর। ২০১০ সাল থেকে বিভিন্ন সময়ে এসব প্রকল্পের জমি ক্রেতাদের বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে। সাফ কবলা দলিল ও মিউটেশনের মাধ্যমে দখল হস্তান্তর করা হয়েছে। পরে প্লট মালিকদের সমন্বয়ে মালিক সমিতি গঠন করা হয়।
প্রতিবেদকের বক্তব্য
প্রকাশিত প্রতিবেদনটি প্রকল্প এলাকা সরজমিন পরিদর্শন, রাজউকের তৈরি করা অনুমোদনহীন আবাসনের প্রতিষ্ঠানের তালিকা, সংশ্লিষ্টদের বক্তব্যসহ দালিলিক প্রমাণাদির ভিত্তিতে তৈরি করা হয়েছে। এখানে প্রতিবেদকের নিজস্ব কোন তথ্য বা মতামতের বিষয় উঠে আসেনি।

গত ২৩ সেপ্টেম্বর সিজেডএন টোয়েন্টিফোর ডটকমে ‘জমি বিক্রি করে চলে আসার পর রাজউক বলছে ‘নাভানা-শেলটেক অনুমোদনহীন’ শিরোনামে প্রকাশিত প্রতিবেদনের ব্যাখ্যা দিয়েছে আবাসন প্রতিষ্ঠান শেলটেক গ্রুপ।
আংশিক ব্যাখ্যায় শেলটেক কতৃপক্ষ বলছেন, সাভার-আশুলিয়ার বঙ্গবন্ধু রোডের গৌরীপুর এলাকার ‘বাতায়ন’ প্রকল্পের জমির পরিমাণ প্রায় ৫০ একর—প্রতিবেদনে এমন তথ্য দেওয়া হলেও প্রকৃতপক্ষে সেখানে জমির পরিমাণ ১০ একরের নিচে। ফলে বেসরকারি আবাসিক প্রকল্পের ভূমি উন্নয়ন বিধিমালা, ২০০৪-এর ৮ নম্বর ধারা অনুযায়ী রাজউকের অনুমোদন নেওয়ার প্রয়োজন হয়নি।
ব্যাখ্যায় তারা আরও বলেন, ‘মাধবী’ প্রকল্পের জমির পরিমাণ ৮ দশমিক ৪৪ একর এবং ‘মালবীকা’ প্রকল্পের জমির পরিমাণ ৬ দশমিক ৭৯ একর। ২০১০ সাল থেকে বিভিন্ন সময়ে এসব প্রকল্পের জমি ক্রেতাদের বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে। সাফ কবলা দলিল ও মিউটেশনের মাধ্যমে দখল হস্তান্তর করা হয়েছে। পরে প্লট মালিকদের সমন্বয়ে মালিক সমিতি গঠন করা হয়।
প্রতিবেদকের বক্তব্য
প্রকাশিত প্রতিবেদনটি প্রকল্প এলাকা সরজমিন পরিদর্শন, রাজউকের তৈরি করা অনুমোদনহীন আবাসনের প্রতিষ্ঠানের তালিকা, সংশ্লিষ্টদের বক্তব্যসহ দালিলিক প্রমাণাদির ভিত্তিতে তৈরি করা হয়েছে। এখানে প্রতিবেদকের নিজস্ব কোন তথ্য বা মতামতের বিষয় উঠে আসেনি।

প্রকাশিত সংবাদে শেলটেকের ব্যাখ্যা, আমাদের বক্তব্য
নিজস্ব প্রতিবেদক

গত ২৩ সেপ্টেম্বর সিজেডএন টোয়েন্টিফোর ডটকমে ‘জমি বিক্রি করে চলে আসার পর রাজউক বলছে ‘নাভানা-শেলটেক অনুমোদনহীন’ শিরোনামে প্রকাশিত প্রতিবেদনের ব্যাখ্যা দিয়েছে আবাসন প্রতিষ্ঠান শেলটেক গ্রুপ।
আংশিক ব্যাখ্যায় শেলটেক কতৃপক্ষ বলছেন, সাভার-আশুলিয়ার বঙ্গবন্ধু রোডের গৌরীপুর এলাকার ‘বাতায়ন’ প্রকল্পের জমির পরিমাণ প্রায় ৫০ একর—প্রতিবেদনে এমন তথ্য দেওয়া হলেও প্রকৃতপক্ষে সেখানে জমির পরিমাণ ১০ একরের নিচে। ফলে বেসরকারি আবাসিক প্রকল্পের ভূমি উন্নয়ন বিধিমালা, ২০০৪-এর ৮ নম্বর ধারা অনুযায়ী রাজউকের অনুমোদন নেওয়ার প্রয়োজন হয়নি।
ব্যাখ্যায় তারা আরও বলেন, ‘মাধবী’ প্রকল্পের জমির পরিমাণ ৮ দশমিক ৪৪ একর এবং ‘মালবীকা’ প্রকল্পের জমির পরিমাণ ৬ দশমিক ৭৯ একর। ২০১০ সাল থেকে বিভিন্ন সময়ে এসব প্রকল্পের জমি ক্রেতাদের বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে। সাফ কবলা দলিল ও মিউটেশনের মাধ্যমে দখল হস্তান্তর করা হয়েছে। পরে প্লট মালিকদের সমন্বয়ে মালিক সমিতি গঠন করা হয়।
প্রতিবেদকের বক্তব্য
প্রকাশিত প্রতিবেদনটি প্রকল্প এলাকা সরজমিন পরিদর্শন, রাজউকের তৈরি করা অনুমোদনহীন আবাসনের প্রতিষ্ঠানের তালিকা, সংশ্লিষ্টদের বক্তব্যসহ দালিলিক প্রমাণাদির ভিত্তিতে তৈরি করা হয়েছে। এখানে প্রতিবেদকের নিজস্ব কোন তথ্য বা মতামতের বিষয় উঠে আসেনি।









