দেশে ‘পরিবেশ পুলিশ’ ইউনিট গঠনের উদ্যোগ
সিটিজেন ডেস্ক

দেশে ‘পরিবেশ পুলিশ’ ইউনিট গঠনের উদ্যোগ
সিটিজেন ডেস্ক
প্রকাশ : ২০ এপ্রিল ২০২৬, ২০: ৫৫

ছবি: সিটিজেন গ্রাফিক্স
নদী দখল, দূষণ, বন উজাড়, পাহাড় কাটা ও প্রাকৃতিক সম্পদ লুটের মতো পরিবেশগত অপরাধ মোকাবিলায় দেশে বিশেষায়িত ‘পরিবেশ পুলিশ’ ইউনিট গঠনের উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ পুলিশ। প্রস্তাবটি আসন্ন পুলিশ সপ্তাহে প্রধানমন্ত্রীর কাছে উপস্থাপন করা হতে পারে।
পুলিশ সদর দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, পরিবেশ-সংশ্লিষ্ট অপরাধ দমনে আলাদা ইউনিট গঠনের বিষয়টি নিয়ে রবিবার উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে আলোচনা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তাদের মতে, পরিবেশবিরোধী অপরাধের পরিধি ও জটিলতা এতটাই বেড়েছে যে, প্রচলিত কাঠামোর বাইরে গিয়ে বিশেষায়িত ব্যবস্থা এখন জরুরি হয়ে উঠেছে।
প্রস্তাবিত এই ইউনিটের মূল কাজ হবে সারাদেশে পরিবেশ আইন লঙ্ঘনের ঘটনাগুলো নজরদারিতে আনা, গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ, অভিযান পরিচালনা এবং দ্রুত আইনি ব্যবস্থা নিশ্চিত করা। সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, এটি গঠিত হলে বিদ্যমান পরিবেশ আইন বাস্তবায়ন আরও কার্যকর হবে এবং প্রাকৃতিক সম্পদ সুরক্ষায় বাস্তব অগ্রগতি আসবে।
পুলিশ ও বিশেষজ্ঞ মহলের মতে, দেশে নদী দূষণ, অবৈধ দখল, শিল্পবর্জ্য ফেলা, পাহাড় কাটা, বন উজাড়, বন্যপ্রাণী-সংক্রান্ত অপরাধ এবং অবৈধ বালু-পাথর উত্তোলন উদ্বেগজনকভাবে বেড়েছে। এসব অপরাধ নিয়ন্ত্রণে একটি নিবেদিত ইউনিট না থাকায় অনেক ক্ষেত্রেই কার্যকর প্রয়োগ নিশ্চিত করা যাচ্ছে না।
আইনবিদ ও সংশ্লিষ্টরা বলছেন, পরিবেশ সংরক্ষণে আইনগত ভিত্তি থাকলেও মাঠপর্যায়ে শক্ত প্রয়োগের ঘাটতি রয়েছে। সে কারণে পরিবেশ পুলিশ ইউনিট গঠন হলে শুধু অপরাধ দমনই নয়, জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবিলা এবং দীর্ঘমেয়াদি পরিবেশ সুরক্ষাতেও ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে।
জাতীয় নদী রক্ষা কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, দেশে ১ হাজার ৪১৫টি নদীর মধ্যে ৮০০টির বেশি দখল ও দূষণের হুমকিতে রয়েছে। পাশাপাশি বনাঞ্চল সংকুচিত হওয়া, ইটভাটাজনিত বায়ুদূষণ এবং অপরিশোধিত বর্জ্য জলাশয়ে ফেলার মতো সমস্যাও পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে। এই বাস্তবতায় পরিবেশ আইন কঠোরভাবে প্রয়োগে বিশেষায়িত ইউনিটের দাবি আরও জোরালো হচ্ছে।

নদী দখল, দূষণ, বন উজাড়, পাহাড় কাটা ও প্রাকৃতিক সম্পদ লুটের মতো পরিবেশগত অপরাধ মোকাবিলায় দেশে বিশেষায়িত ‘পরিবেশ পুলিশ’ ইউনিট গঠনের উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ পুলিশ। প্রস্তাবটি আসন্ন পুলিশ সপ্তাহে প্রধানমন্ত্রীর কাছে উপস্থাপন করা হতে পারে।
পুলিশ সদর দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, পরিবেশ-সংশ্লিষ্ট অপরাধ দমনে আলাদা ইউনিট গঠনের বিষয়টি নিয়ে রবিবার উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে আলোচনা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তাদের মতে, পরিবেশবিরোধী অপরাধের পরিধি ও জটিলতা এতটাই বেড়েছে যে, প্রচলিত কাঠামোর বাইরে গিয়ে বিশেষায়িত ব্যবস্থা এখন জরুরি হয়ে উঠেছে।
প্রস্তাবিত এই ইউনিটের মূল কাজ হবে সারাদেশে পরিবেশ আইন লঙ্ঘনের ঘটনাগুলো নজরদারিতে আনা, গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ, অভিযান পরিচালনা এবং দ্রুত আইনি ব্যবস্থা নিশ্চিত করা। সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, এটি গঠিত হলে বিদ্যমান পরিবেশ আইন বাস্তবায়ন আরও কার্যকর হবে এবং প্রাকৃতিক সম্পদ সুরক্ষায় বাস্তব অগ্রগতি আসবে।
পুলিশ ও বিশেষজ্ঞ মহলের মতে, দেশে নদী দূষণ, অবৈধ দখল, শিল্পবর্জ্য ফেলা, পাহাড় কাটা, বন উজাড়, বন্যপ্রাণী-সংক্রান্ত অপরাধ এবং অবৈধ বালু-পাথর উত্তোলন উদ্বেগজনকভাবে বেড়েছে। এসব অপরাধ নিয়ন্ত্রণে একটি নিবেদিত ইউনিট না থাকায় অনেক ক্ষেত্রেই কার্যকর প্রয়োগ নিশ্চিত করা যাচ্ছে না।
আইনবিদ ও সংশ্লিষ্টরা বলছেন, পরিবেশ সংরক্ষণে আইনগত ভিত্তি থাকলেও মাঠপর্যায়ে শক্ত প্রয়োগের ঘাটতি রয়েছে। সে কারণে পরিবেশ পুলিশ ইউনিট গঠন হলে শুধু অপরাধ দমনই নয়, জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবিলা এবং দীর্ঘমেয়াদি পরিবেশ সুরক্ষাতেও ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে।
জাতীয় নদী রক্ষা কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, দেশে ১ হাজার ৪১৫টি নদীর মধ্যে ৮০০টির বেশি দখল ও দূষণের হুমকিতে রয়েছে। পাশাপাশি বনাঞ্চল সংকুচিত হওয়া, ইটভাটাজনিত বায়ুদূষণ এবং অপরিশোধিত বর্জ্য জলাশয়ে ফেলার মতো সমস্যাও পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে। এই বাস্তবতায় পরিবেশ আইন কঠোরভাবে প্রয়োগে বিশেষায়িত ইউনিটের দাবি আরও জোরালো হচ্ছে।

দেশে ‘পরিবেশ পুলিশ’ ইউনিট গঠনের উদ্যোগ
সিটিজেন ডেস্ক
প্রকাশ : ২০ এপ্রিল ২০২৬, ২০: ৫৫

ছবি: সিটিজেন গ্রাফিক্স
নদী দখল, দূষণ, বন উজাড়, পাহাড় কাটা ও প্রাকৃতিক সম্পদ লুটের মতো পরিবেশগত অপরাধ মোকাবিলায় দেশে বিশেষায়িত ‘পরিবেশ পুলিশ’ ইউনিট গঠনের উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ পুলিশ। প্রস্তাবটি আসন্ন পুলিশ সপ্তাহে প্রধানমন্ত্রীর কাছে উপস্থাপন করা হতে পারে।
পুলিশ সদর দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, পরিবেশ-সংশ্লিষ্ট অপরাধ দমনে আলাদা ইউনিট গঠনের বিষয়টি নিয়ে রবিবার উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে আলোচনা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তাদের মতে, পরিবেশবিরোধী অপরাধের পরিধি ও জটিলতা এতটাই বেড়েছে যে, প্রচলিত কাঠামোর বাইরে গিয়ে বিশেষায়িত ব্যবস্থা এখন জরুরি হয়ে উঠেছে।
প্রস্তাবিত এই ইউনিটের মূল কাজ হবে সারাদেশে পরিবেশ আইন লঙ্ঘনের ঘটনাগুলো নজরদারিতে আনা, গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ, অভিযান পরিচালনা এবং দ্রুত আইনি ব্যবস্থা নিশ্চিত করা। সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, এটি গঠিত হলে বিদ্যমান পরিবেশ আইন বাস্তবায়ন আরও কার্যকর হবে এবং প্রাকৃতিক সম্পদ সুরক্ষায় বাস্তব অগ্রগতি আসবে।
পুলিশ ও বিশেষজ্ঞ মহলের মতে, দেশে নদী দূষণ, অবৈধ দখল, শিল্পবর্জ্য ফেলা, পাহাড় কাটা, বন উজাড়, বন্যপ্রাণী-সংক্রান্ত অপরাধ এবং অবৈধ বালু-পাথর উত্তোলন উদ্বেগজনকভাবে বেড়েছে। এসব অপরাধ নিয়ন্ত্রণে একটি নিবেদিত ইউনিট না থাকায় অনেক ক্ষেত্রেই কার্যকর প্রয়োগ নিশ্চিত করা যাচ্ছে না।
আইনবিদ ও সংশ্লিষ্টরা বলছেন, পরিবেশ সংরক্ষণে আইনগত ভিত্তি থাকলেও মাঠপর্যায়ে শক্ত প্রয়োগের ঘাটতি রয়েছে। সে কারণে পরিবেশ পুলিশ ইউনিট গঠন হলে শুধু অপরাধ দমনই নয়, জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবিলা এবং দীর্ঘমেয়াদি পরিবেশ সুরক্ষাতেও ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে।
জাতীয় নদী রক্ষা কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, দেশে ১ হাজার ৪১৫টি নদীর মধ্যে ৮০০টির বেশি দখল ও দূষণের হুমকিতে রয়েছে। পাশাপাশি বনাঞ্চল সংকুচিত হওয়া, ইটভাটাজনিত বায়ুদূষণ এবং অপরিশোধিত বর্জ্য জলাশয়ে ফেলার মতো সমস্যাও পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে। এই বাস্তবতায় পরিবেশ আইন কঠোরভাবে প্রয়োগে বিশেষায়িত ইউনিটের দাবি আরও জোরালো হচ্ছে।
/এমআর/




