শিশু রামিসা হত্যা: ৭ দিনের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমার নির্দেশ আইনমন্ত্রীর
নিজস্ব প্রতিবেদক

শিশু রামিসা হত্যা: ৭ দিনের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমার নির্দেশ আইনমন্ত্রীর
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২১ মে ২০২৬, ১৪: ২৫

আইনমন্ত্রী মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান।
রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় এক সপ্তাহের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। বৃহস্পতিবার (২১ মে) ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার মোসলেহ উদ্দিন আহমদকে এ নির্দেশনা দেন তিনি।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা ড. রেজাউল করিম।
তিনি জানান, ‘আইনমন্ত্রী বলেছেন, দ্রুততম সময়ের মধ্যে এই হত্যাকাণ্ডের বিচার কাজ সম্পন্ন করতে যথাযথ উদ্যোগ নেওয়া হবে।’
এদিকে, শিশু রামিসা হত্যা ঘটনায় গতকাল বুধবার আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন মূল আসামি সোহেল রানা (৩৪)। জবানবন্দিতে তিনি বলেছেন, শিশুটিকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়। অপরাধ গোপন ও মরদেহ সরিয়ে ফেলার উদ্দেশ্যে তিনি শিশুটির মাথা ধারালো ছুরি দিয়ে কেটে আলাদা করেন। দুই হাত কাঁধ থেকে আংশিক বিচ্ছিন্ন করে মরদেহ বাথরুম থেকে শয়নকক্ষে এনে খাটের নিচে রাখেন। এছাড়া ছুরি দিয়ে যৌনাঙ্গ ক্ষতবিক্ষত করে। জবানবন্দি শেষে সোহেল রানাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত।
একই ঘটনায় সোহেল রানার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকেও কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
প্রসঙ্গত, গত ১৯ মে সকাল সাড়ে ১১টার দিকে পল্লবীর সেকশন-১১ এলাকায় একটি ফ্ল্যাট থেকে শিশু রামিসার খণ্ডিত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। তবে ঘটনার আগেই মূল অভিযুক্ত সোহেল রানা পালিয়ে যান। ওই ফ্ল্যাট থেকে আটক করা হয় সোহেলের স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে। পরে সন্ধ্যায় নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
ঘটনার দিন রাতেই শিশুটির বাবা পল্লবী থানায় সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে আসামি করে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন।

রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় এক সপ্তাহের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। বৃহস্পতিবার (২১ মে) ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার মোসলেহ উদ্দিন আহমদকে এ নির্দেশনা দেন তিনি।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা ড. রেজাউল করিম।
তিনি জানান, ‘আইনমন্ত্রী বলেছেন, দ্রুততম সময়ের মধ্যে এই হত্যাকাণ্ডের বিচার কাজ সম্পন্ন করতে যথাযথ উদ্যোগ নেওয়া হবে।’
এদিকে, শিশু রামিসা হত্যা ঘটনায় গতকাল বুধবার আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন মূল আসামি সোহেল রানা (৩৪)। জবানবন্দিতে তিনি বলেছেন, শিশুটিকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়। অপরাধ গোপন ও মরদেহ সরিয়ে ফেলার উদ্দেশ্যে তিনি শিশুটির মাথা ধারালো ছুরি দিয়ে কেটে আলাদা করেন। দুই হাত কাঁধ থেকে আংশিক বিচ্ছিন্ন করে মরদেহ বাথরুম থেকে শয়নকক্ষে এনে খাটের নিচে রাখেন। এছাড়া ছুরি দিয়ে যৌনাঙ্গ ক্ষতবিক্ষত করে। জবানবন্দি শেষে সোহেল রানাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত।
একই ঘটনায় সোহেল রানার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকেও কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
প্রসঙ্গত, গত ১৯ মে সকাল সাড়ে ১১টার দিকে পল্লবীর সেকশন-১১ এলাকায় একটি ফ্ল্যাট থেকে শিশু রামিসার খণ্ডিত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। তবে ঘটনার আগেই মূল অভিযুক্ত সোহেল রানা পালিয়ে যান। ওই ফ্ল্যাট থেকে আটক করা হয় সোহেলের স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে। পরে সন্ধ্যায় নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
ঘটনার দিন রাতেই শিশুটির বাবা পল্লবী থানায় সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে আসামি করে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন।

শিশু রামিসা হত্যা: ৭ দিনের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমার নির্দেশ আইনমন্ত্রীর
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২১ মে ২০২৬, ১৪: ২৫

আইনমন্ত্রী মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান।
রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় এক সপ্তাহের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। বৃহস্পতিবার (২১ মে) ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার মোসলেহ উদ্দিন আহমদকে এ নির্দেশনা দেন তিনি।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা ড. রেজাউল করিম।
তিনি জানান, ‘আইনমন্ত্রী বলেছেন, দ্রুততম সময়ের মধ্যে এই হত্যাকাণ্ডের বিচার কাজ সম্পন্ন করতে যথাযথ উদ্যোগ নেওয়া হবে।’
এদিকে, শিশু রামিসা হত্যা ঘটনায় গতকাল বুধবার আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন মূল আসামি সোহেল রানা (৩৪)। জবানবন্দিতে তিনি বলেছেন, শিশুটিকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়। অপরাধ গোপন ও মরদেহ সরিয়ে ফেলার উদ্দেশ্যে তিনি শিশুটির মাথা ধারালো ছুরি দিয়ে কেটে আলাদা করেন। দুই হাত কাঁধ থেকে আংশিক বিচ্ছিন্ন করে মরদেহ বাথরুম থেকে শয়নকক্ষে এনে খাটের নিচে রাখেন। এছাড়া ছুরি দিয়ে যৌনাঙ্গ ক্ষতবিক্ষত করে। জবানবন্দি শেষে সোহেল রানাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত।
একই ঘটনায় সোহেল রানার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকেও কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
প্রসঙ্গত, গত ১৯ মে সকাল সাড়ে ১১টার দিকে পল্লবীর সেকশন-১১ এলাকায় একটি ফ্ল্যাট থেকে শিশু রামিসার খণ্ডিত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। তবে ঘটনার আগেই মূল অভিযুক্ত সোহেল রানা পালিয়ে যান। ওই ফ্ল্যাট থেকে আটক করা হয় সোহেলের স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে। পরে সন্ধ্যায় নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
ঘটনার দিন রাতেই শিশুটির বাবা পল্লবী থানায় সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে আসামি করে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন।
/এফআর/

দাদা-দাদির কবরের পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত শিশু রামিসা





আদর্শেন্যায়ভিত্তিকসমাজগড়ারআহ্বানরাষ্ট্রপতির-CznNewsLab-25c269.jpg)