ফ্যাসিস্টের দোসর যাতে সংসদকে কলুষিত করতে না পারে: নাহিদ

ফ্যাসিস্টের দোসর যাতে সংসদকে কলুষিত করতে না পারে: নাহিদ
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাষ্ট্রপতিকে ইঙ্গিত করে বিরোধী দলীয় চীফ হুইপ ও এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেন, সংসদে আমরা সকলেই ফ্যাসিবাদ মুক্ত। ফ্যাসিবাদ বিরোধী লড়াইয়ের সৈনিকেরা এখানে আমরা আছি। কোন ফ্যাসিস্টের দোসর যাতে আজকের এই মহান সংসদে বক্তব্য দিয়ে সংসদকে কলুষিত করতে না পারে। আমরা ফ্যাসিবাদের দোসর মুক্ত জাতীয় সংসদ চাই। আপনার কাছে আমি এ দাবি জানাচ্ছি।
আজ বুধবার (১২ মার্চ) বিকালে জাতীয় সংসদের শোক প্রস্তাবের আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি আরও বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান মানে শুধু জুলাই গণঅভ্যুত্থান নয়- এটি নতুন বাংলাদেশের আকাঙ্ক্ষা। গণভোটের রায় অনুযায়ী আমরা যেমন সংসদ সদস্য একইভাবে সংবিধান সংস্কার কমিশনের সদস্য। আমাদের সরকারি দলের বন্ধুরা অবিলম্বে সংবিধান সংস্কার কমিশনের সদস্য হিসেবে শপথ নেবেন বলেই আমরা বিশ্বাস করি। আমরা একই সঙ্গে গণতান্ত্রিক সংস্কারগুলো সাধন করতে চাই। ৭০ শতাংশ মানুষ গণভোটে তাদের রায় জানিয়ে দিয়েছে।
আমরা জুলাই গণহত্যার বিচার চাই, শরীফ ওসমান হাদি হত্যার বিচার চাই, গুম খুনের বিচার চাই, বিগত সময় হওয়া লুটপাট এবং দুর্নীতির বিচার চাই। জুলাই মানে নতুন বন্দোবস্ত, গণতান্ত্রিক, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও বৈষম্যহীন দেশ। জুলাই মানে আধিপত্যবাদ মুক্ত, ফ্যাসিস্ট মুক্ত দেশ। জুলাই মানে মানবিক মর্যাদা, দায় ও দরদের বাংলাদেশ।
নাহিদ বলেন, আজকের দিনটি আমাদের জাতীয় জীবনের ঐতিহাসিক একটি দিন। ব্যক্তিগতভাবে আমার জীবনেও ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট তথা ৩৬শে জুলাই শাহবাগ থেকে ছাত্র জনতার মিছিল নিয়ে আমি এবং আমার সহযোদ্ধারা এই জাতীয় সংসদের প্রাঙ্গনে আমরা এসেছিলাম। ছাত্র জনতাকে সঙ্গে নিয়ে ফ্যাসিস্ট মুক্ত করেছিলাম এই মহান জাতীয় সংসদকে। সেইদিন আমাদের ভূমিকা ছিল বৈপ্লবিক। আজকে একটা ভিন্ন প্রেক্ষাপটে গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত হয়ে আজকের এই মহান জাতীয় সংসদে কথা বলতে পারছি। সেজন্য মহান আল্লাহ তা’আলার কাছে এবং জুলাই গণঅভুত্থানের সকল শহিদদের কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।
তিনি আরও বলেন, আমি শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছি, আমার সেই ভাই বোনদের যারা নিজের বুক বুলেটের সামনে দিয়ে আমাদের আবারও স্বাধীন করে নিজেরা স্মৃতি হয়ে গিয়েছে। আমরা তাদের শাহাদাত কবুলের জন্য মহান আল্লাহর কাছে দোয়া করছি। একইসঙ্গে আহত ও পঙ্গু জুলাই যোদ্ধা ভাই-বোনদের প্রতি আমার সবটুকু আবেগ, শ্রদ্ধা আর ভালোবাসা দিয়ে কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। তাদের সুস্থতা কামনা করছি। তাদের অমূল্য জীবন রক্ত আর অপরিসীম ত্যাগের ফলে আমরা আজ সংসদ সদস্য। ২৪ এর গণঅভ্যুত্থানে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতৃত্বে অংশ নিয়েছিল ছাত্র, শ্রমিক, কৃষক, শিক্ষক, অভিভাবক, সাংস্কৃতিক কর্মী, আলেম সমাজ, তরুণ সেনা অফিসার ও সৈনিকগণ। এছাড়া প্রবাসী বাংলাদেশী ভাই ও বোনেরা অভ্যুত্থানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। আমাদের নারী সমাজ সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছে ও নির্যাতিত হয়েছে। আন্দোলনে প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় মাদ্রাসা ও স্কুল-কলেজের ছাত্র-ছাত্রীদের ভূমিকা ছিল তাৎপর্যপূর্ণ।
নাহিদ ইসলাম বলেন, আমাদের ভাই শহিদ শরিফ ওসমান হাদি। যিনি তার সাহসিকতার মাধ্যমে বাংলাদেশকে একটি ইনসাফ ভিত্তিক বাংলাদেশ হিসেবে গড়ে তুলতে চেয়েছিলেন। তিনি আমাদের সঙ্গে নাই। শহিদ আবরার ফাহাদ ও শহিদ ফেলানী খাতুনকে স্মরণ করছি। যারা ভারতীয় আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে লড়াই করে বাংলাদেশকে আজকের এই জায়গায় নিয়ে এসেছে। ২৪ এ ছাত্রজনতার গণঅভুত্থানে মাঠের নেতৃত্বের একেবারে সামনে থাকার কারণে আজকের দিনটি আমার জন্য একই সঙ্গে আবেগের, কষ্টের ও আনন্দের। আমাদের সংগ্রামের সাথী শহিদ আবু সাঈদ, শহিদ মুগ্ধ, শহিদ ওয়াসিফ। চার বছরের শিশু আহাদ। ছয় বছরের শিশু রিয়া সহ প্রায় ১৫০ শিশুর শহিদ। পুলিশের এপিসি থেকে ফেলে দেওয়া শহিদ ইয়ামিন, সাভারের আশুলিয়ায় ভ্যানের উপরে জীবন্ত অবস্থায় আগুনে পুড়িয়ে মারা কিশোরসহ অগণিত মানুষের স্মৃতি আমাকে প্রচণ্ডভাবে নাড়া দিচ্ছে।

রাষ্ট্রপতিকে ইঙ্গিত করে বিরোধী দলীয় চীফ হুইপ ও এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেন, সংসদে আমরা সকলেই ফ্যাসিবাদ মুক্ত। ফ্যাসিবাদ বিরোধী লড়াইয়ের সৈনিকেরা এখানে আমরা আছি। কোন ফ্যাসিস্টের দোসর যাতে আজকের এই মহান সংসদে বক্তব্য দিয়ে সংসদকে কলুষিত করতে না পারে। আমরা ফ্যাসিবাদের দোসর মুক্ত জাতীয় সংসদ চাই। আপনার কাছে আমি এ দাবি জানাচ্ছি।
আজ বুধবার (১২ মার্চ) বিকালে জাতীয় সংসদের শোক প্রস্তাবের আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি আরও বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান মানে শুধু জুলাই গণঅভ্যুত্থান নয়- এটি নতুন বাংলাদেশের আকাঙ্ক্ষা। গণভোটের রায় অনুযায়ী আমরা যেমন সংসদ সদস্য একইভাবে সংবিধান সংস্কার কমিশনের সদস্য। আমাদের সরকারি দলের বন্ধুরা অবিলম্বে সংবিধান সংস্কার কমিশনের সদস্য হিসেবে শপথ নেবেন বলেই আমরা বিশ্বাস করি। আমরা একই সঙ্গে গণতান্ত্রিক সংস্কারগুলো সাধন করতে চাই। ৭০ শতাংশ মানুষ গণভোটে তাদের রায় জানিয়ে দিয়েছে।
আমরা জুলাই গণহত্যার বিচার চাই, শরীফ ওসমান হাদি হত্যার বিচার চাই, গুম খুনের বিচার চাই, বিগত সময় হওয়া লুটপাট এবং দুর্নীতির বিচার চাই। জুলাই মানে নতুন বন্দোবস্ত, গণতান্ত্রিক, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও বৈষম্যহীন দেশ। জুলাই মানে আধিপত্যবাদ মুক্ত, ফ্যাসিস্ট মুক্ত দেশ। জুলাই মানে মানবিক মর্যাদা, দায় ও দরদের বাংলাদেশ।
নাহিদ বলেন, আজকের দিনটি আমাদের জাতীয় জীবনের ঐতিহাসিক একটি দিন। ব্যক্তিগতভাবে আমার জীবনেও ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট তথা ৩৬শে জুলাই শাহবাগ থেকে ছাত্র জনতার মিছিল নিয়ে আমি এবং আমার সহযোদ্ধারা এই জাতীয় সংসদের প্রাঙ্গনে আমরা এসেছিলাম। ছাত্র জনতাকে সঙ্গে নিয়ে ফ্যাসিস্ট মুক্ত করেছিলাম এই মহান জাতীয় সংসদকে। সেইদিন আমাদের ভূমিকা ছিল বৈপ্লবিক। আজকে একটা ভিন্ন প্রেক্ষাপটে গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত হয়ে আজকের এই মহান জাতীয় সংসদে কথা বলতে পারছি। সেজন্য মহান আল্লাহ তা’আলার কাছে এবং জুলাই গণঅভুত্থানের সকল শহিদদের কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।
তিনি আরও বলেন, আমি শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছি, আমার সেই ভাই বোনদের যারা নিজের বুক বুলেটের সামনে দিয়ে আমাদের আবারও স্বাধীন করে নিজেরা স্মৃতি হয়ে গিয়েছে। আমরা তাদের শাহাদাত কবুলের জন্য মহান আল্লাহর কাছে দোয়া করছি। একইসঙ্গে আহত ও পঙ্গু জুলাই যোদ্ধা ভাই-বোনদের প্রতি আমার সবটুকু আবেগ, শ্রদ্ধা আর ভালোবাসা দিয়ে কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। তাদের সুস্থতা কামনা করছি। তাদের অমূল্য জীবন রক্ত আর অপরিসীম ত্যাগের ফলে আমরা আজ সংসদ সদস্য। ২৪ এর গণঅভ্যুত্থানে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতৃত্বে অংশ নিয়েছিল ছাত্র, শ্রমিক, কৃষক, শিক্ষক, অভিভাবক, সাংস্কৃতিক কর্মী, আলেম সমাজ, তরুণ সেনা অফিসার ও সৈনিকগণ। এছাড়া প্রবাসী বাংলাদেশী ভাই ও বোনেরা অভ্যুত্থানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। আমাদের নারী সমাজ সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছে ও নির্যাতিত হয়েছে। আন্দোলনে প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় মাদ্রাসা ও স্কুল-কলেজের ছাত্র-ছাত্রীদের ভূমিকা ছিল তাৎপর্যপূর্ণ।
নাহিদ ইসলাম বলেন, আমাদের ভাই শহিদ শরিফ ওসমান হাদি। যিনি তার সাহসিকতার মাধ্যমে বাংলাদেশকে একটি ইনসাফ ভিত্তিক বাংলাদেশ হিসেবে গড়ে তুলতে চেয়েছিলেন। তিনি আমাদের সঙ্গে নাই। শহিদ আবরার ফাহাদ ও শহিদ ফেলানী খাতুনকে স্মরণ করছি। যারা ভারতীয় আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে লড়াই করে বাংলাদেশকে আজকের এই জায়গায় নিয়ে এসেছে। ২৪ এ ছাত্রজনতার গণঅভুত্থানে মাঠের নেতৃত্বের একেবারে সামনে থাকার কারণে আজকের দিনটি আমার জন্য একই সঙ্গে আবেগের, কষ্টের ও আনন্দের। আমাদের সংগ্রামের সাথী শহিদ আবু সাঈদ, শহিদ মুগ্ধ, শহিদ ওয়াসিফ। চার বছরের শিশু আহাদ। ছয় বছরের শিশু রিয়া সহ প্রায় ১৫০ শিশুর শহিদ। পুলিশের এপিসি থেকে ফেলে দেওয়া শহিদ ইয়ামিন, সাভারের আশুলিয়ায় ভ্যানের উপরে জীবন্ত অবস্থায় আগুনে পুড়িয়ে মারা কিশোরসহ অগণিত মানুষের স্মৃতি আমাকে প্রচণ্ডভাবে নাড়া দিচ্ছে।

ফ্যাসিস্টের দোসর যাতে সংসদকে কলুষিত করতে না পারে: নাহিদ
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাষ্ট্রপতিকে ইঙ্গিত করে বিরোধী দলীয় চীফ হুইপ ও এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেন, সংসদে আমরা সকলেই ফ্যাসিবাদ মুক্ত। ফ্যাসিবাদ বিরোধী লড়াইয়ের সৈনিকেরা এখানে আমরা আছি। কোন ফ্যাসিস্টের দোসর যাতে আজকের এই মহান সংসদে বক্তব্য দিয়ে সংসদকে কলুষিত করতে না পারে। আমরা ফ্যাসিবাদের দোসর মুক্ত জাতীয় সংসদ চাই। আপনার কাছে আমি এ দাবি জানাচ্ছি।
আজ বুধবার (১২ মার্চ) বিকালে জাতীয় সংসদের শোক প্রস্তাবের আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি আরও বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান মানে শুধু জুলাই গণঅভ্যুত্থান নয়- এটি নতুন বাংলাদেশের আকাঙ্ক্ষা। গণভোটের রায় অনুযায়ী আমরা যেমন সংসদ সদস্য একইভাবে সংবিধান সংস্কার কমিশনের সদস্য। আমাদের সরকারি দলের বন্ধুরা অবিলম্বে সংবিধান সংস্কার কমিশনের সদস্য হিসেবে শপথ নেবেন বলেই আমরা বিশ্বাস করি। আমরা একই সঙ্গে গণতান্ত্রিক সংস্কারগুলো সাধন করতে চাই। ৭০ শতাংশ মানুষ গণভোটে তাদের রায় জানিয়ে দিয়েছে।
আমরা জুলাই গণহত্যার বিচার চাই, শরীফ ওসমান হাদি হত্যার বিচার চাই, গুম খুনের বিচার চাই, বিগত সময় হওয়া লুটপাট এবং দুর্নীতির বিচার চাই। জুলাই মানে নতুন বন্দোবস্ত, গণতান্ত্রিক, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও বৈষম্যহীন দেশ। জুলাই মানে আধিপত্যবাদ মুক্ত, ফ্যাসিস্ট মুক্ত দেশ। জুলাই মানে মানবিক মর্যাদা, দায় ও দরদের বাংলাদেশ।
নাহিদ বলেন, আজকের দিনটি আমাদের জাতীয় জীবনের ঐতিহাসিক একটি দিন। ব্যক্তিগতভাবে আমার জীবনেও ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট তথা ৩৬শে জুলাই শাহবাগ থেকে ছাত্র জনতার মিছিল নিয়ে আমি এবং আমার সহযোদ্ধারা এই জাতীয় সংসদের প্রাঙ্গনে আমরা এসেছিলাম। ছাত্র জনতাকে সঙ্গে নিয়ে ফ্যাসিস্ট মুক্ত করেছিলাম এই মহান জাতীয় সংসদকে। সেইদিন আমাদের ভূমিকা ছিল বৈপ্লবিক। আজকে একটা ভিন্ন প্রেক্ষাপটে গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত হয়ে আজকের এই মহান জাতীয় সংসদে কথা বলতে পারছি। সেজন্য মহান আল্লাহ তা’আলার কাছে এবং জুলাই গণঅভুত্থানের সকল শহিদদের কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।
তিনি আরও বলেন, আমি শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছি, আমার সেই ভাই বোনদের যারা নিজের বুক বুলেটের সামনে দিয়ে আমাদের আবারও স্বাধীন করে নিজেরা স্মৃতি হয়ে গিয়েছে। আমরা তাদের শাহাদাত কবুলের জন্য মহান আল্লাহর কাছে দোয়া করছি। একইসঙ্গে আহত ও পঙ্গু জুলাই যোদ্ধা ভাই-বোনদের প্রতি আমার সবটুকু আবেগ, শ্রদ্ধা আর ভালোবাসা দিয়ে কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। তাদের সুস্থতা কামনা করছি। তাদের অমূল্য জীবন রক্ত আর অপরিসীম ত্যাগের ফলে আমরা আজ সংসদ সদস্য। ২৪ এর গণঅভ্যুত্থানে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতৃত্বে অংশ নিয়েছিল ছাত্র, শ্রমিক, কৃষক, শিক্ষক, অভিভাবক, সাংস্কৃতিক কর্মী, আলেম সমাজ, তরুণ সেনা অফিসার ও সৈনিকগণ। এছাড়া প্রবাসী বাংলাদেশী ভাই ও বোনেরা অভ্যুত্থানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। আমাদের নারী সমাজ সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছে ও নির্যাতিত হয়েছে। আন্দোলনে প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় মাদ্রাসা ও স্কুল-কলেজের ছাত্র-ছাত্রীদের ভূমিকা ছিল তাৎপর্যপূর্ণ।
নাহিদ ইসলাম বলেন, আমাদের ভাই শহিদ শরিফ ওসমান হাদি। যিনি তার সাহসিকতার মাধ্যমে বাংলাদেশকে একটি ইনসাফ ভিত্তিক বাংলাদেশ হিসেবে গড়ে তুলতে চেয়েছিলেন। তিনি আমাদের সঙ্গে নাই। শহিদ আবরার ফাহাদ ও শহিদ ফেলানী খাতুনকে স্মরণ করছি। যারা ভারতীয় আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে লড়াই করে বাংলাদেশকে আজকের এই জায়গায় নিয়ে এসেছে। ২৪ এ ছাত্রজনতার গণঅভুত্থানে মাঠের নেতৃত্বের একেবারে সামনে থাকার কারণে আজকের দিনটি আমার জন্য একই সঙ্গে আবেগের, কষ্টের ও আনন্দের। আমাদের সংগ্রামের সাথী শহিদ আবু সাঈদ, শহিদ মুগ্ধ, শহিদ ওয়াসিফ। চার বছরের শিশু আহাদ। ছয় বছরের শিশু রিয়া সহ প্রায় ১৫০ শিশুর শহিদ। পুলিশের এপিসি থেকে ফেলে দেওয়া শহিদ ইয়ামিন, সাভারের আশুলিয়ায় ভ্যানের উপরে জীবন্ত অবস্থায় আগুনে পুড়িয়ে মারা কিশোরসহ অগণিত মানুষের স্মৃতি আমাকে প্রচণ্ডভাবে নাড়া দিচ্ছে।




