নারীদের নেতৃত্বে জলবায়ু কার্যক্রম জোরদারের আহ্বান

নারীদের নেতৃত্বে জলবায়ু কার্যক্রম জোরদারের আহ্বান
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

বিশ্ব পরিবেশ দিবস ২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত এক সেমিনারে কিশোরী ও যুব নারীদের নেতৃত্বে জলবায়ু কার্যক্রম সম্প্রসারণ এবং জাতীয় পর্যায়ের নীতিনির্ধারণে তাদের অর্থবহ অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন বক্তারা।
বুধবার (১৫ জুলাই) পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের অধীন পরিবেশ অধিদপ্তরের উদ্যোগে এবং প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ ও বাংলাদেশ ইয়ুথ কোয়ালিশনের (বিওয়াইসি) সহযোগিতায় ‘গার্লস অ্যান্ড ইয়ুথ-লেড ক্লাইমেট অ্যাকশন’ শীর্ষক এ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।
সেমিনারে সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, উন্নয়ন সহযোগী, কূটনীতিক, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, গবেষক, নাগরিক সমাজ, যুব সংগঠন ও জলবায়ু বিশেষজ্ঞরা অংশ নেন। তারা অন্তর্ভুক্তিমূলক ও স্থানীয়ভাবে পরিচালিত জলবায়ু কার্যক্রম এবং পরিবেশ সংরক্ষণে সম্মিলিতভাবে কাজ করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মোহাম্মদ নাভিদ শফিউল্লাহ। বিশেষ অতিথি ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. আব্দুস সালাম এবং পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মো. লুৎফর রহমান। এছাড়া বাংলাদেশে ব্রিটিশ হাইকমিশনের ক্লাইমেট অ্যান্ড এনভায়রনমেন্ট অ্যাডভাইজার মারজান নূর বক্তব্য দেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মোহাম্মদ নাভিদ শফিউল্লাহ বলেন, বাংলাদেশ অন্তর্ভুক্তিমূলক ও মানুষকেন্দ্রিক জলবায়ু সহনশীলতা গড়ে তুলতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এ লক্ষ্য অর্জনে কিশোরী ও তরুণদের প্রয়োজনীয় জ্ঞান, দক্ষতা ও সুযোগ সৃষ্টি করে জাতীয় জলবায়ু কার্যক্রমে সম্পৃক্ত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
তিনি বলেন, জলবায়ু অভিযোজন শুধু অবকাঠামো নির্মাণের বিষয় নয়; এটি মানুষের ক্ষমতায়ন, প্রতিষ্ঠানকে শক্তিশালী করা এবং নেতৃত্ব গড়ে তোলার বিষয়। বিশেষ করে কিশোরী ও যুব নারীরা আগামী দিনের জলবায়ু সহনশীল বাংলাদেশ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তাই জলবায়ু বিষয়ক সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং কমিউনিটির সহনশীলতা বৃদ্ধিতে তাদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে।
প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর কবিতা বোস বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে কিশোরী ও তরুণরাই সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হলেও সংকট মোকাবিলায় তারাই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। তাদের নেতৃত্ব বিকাশে বিনিয়োগ এবং জলবায়ু পরিকল্পনা ও স্থানীয় পর্যায়ের কার্যক্রমে সম্পৃক্ততা বাড়ানো সময়ের দাবি।
পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মো. লুৎফর রহমান জলবায়ু সংকট মোকাবিলায় তথ্যভিত্তিক নীতিনির্ধারণ, গবেষণা ও উদ্ভাবনের গুরুত্ব তুলে ধরেন। অন্যদিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. আব্দুস সালাম সরকার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, উন্নয়ন সহযোগী ও যুব সংগঠনের মধ্যে আরও কার্যকর সহযোগিতা এবং যুব-নেতৃত্বাধীন ‘সবুজ’ স্টার্টআপে বিনিয়োগ বৃদ্ধির আহ্বান জানান।
সেমিনারে নবায়নযোগ্য জ্বালানি, জলবায়ু শিক্ষা, স্থানীয়ভাবে পরিচালিত অভিযোজন এবং পরিবেশ পর্যবেক্ষণে ডিজিটাল প্রযুক্তির ব্যবহারসহ বিভিন্ন বিষয়ে যুব নেতৃত্বাধীন গবেষণা ও উদ্ভাবনী উদ্যোগ উপস্থাপন করা হয়। পাশাপাশি প্যানেল আলোচনায় সরকার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, উন্নয়ন সংস্থা ও যুব সংগঠনের মধ্যে অংশীদারিত্ব আরও জোরদার করে কিশোরী ও যুব নারীদের নেতৃত্বে জলবায়ু কার্যক্রম সম্প্রসারণের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।
সেমিনারের সমাপনীতে সরকার, উন্নয়ন সহযোগী, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, নাগরিক সমাজ ও যুব প্রতিনিধিরা কিশোরী ও যুব নারীদের জলবায়ু নেতৃত্ব আরও শক্তিশালী করা, নীতিনির্ধারণে তাদের অংশগ্রহণ বৃদ্ধি এবং একটি সবুজ, সহনশীল ও টেকসই বাংলাদেশ গড়ে তুলতে যৌথভাবে কাজ করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।

বিশ্ব পরিবেশ দিবস ২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত এক সেমিনারে কিশোরী ও যুব নারীদের নেতৃত্বে জলবায়ু কার্যক্রম সম্প্রসারণ এবং জাতীয় পর্যায়ের নীতিনির্ধারণে তাদের অর্থবহ অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন বক্তারা।
বুধবার (১৫ জুলাই) পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের অধীন পরিবেশ অধিদপ্তরের উদ্যোগে এবং প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ ও বাংলাদেশ ইয়ুথ কোয়ালিশনের (বিওয়াইসি) সহযোগিতায় ‘গার্লস অ্যান্ড ইয়ুথ-লেড ক্লাইমেট অ্যাকশন’ শীর্ষক এ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।
সেমিনারে সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, উন্নয়ন সহযোগী, কূটনীতিক, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, গবেষক, নাগরিক সমাজ, যুব সংগঠন ও জলবায়ু বিশেষজ্ঞরা অংশ নেন। তারা অন্তর্ভুক্তিমূলক ও স্থানীয়ভাবে পরিচালিত জলবায়ু কার্যক্রম এবং পরিবেশ সংরক্ষণে সম্মিলিতভাবে কাজ করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মোহাম্মদ নাভিদ শফিউল্লাহ। বিশেষ অতিথি ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. আব্দুস সালাম এবং পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মো. লুৎফর রহমান। এছাড়া বাংলাদেশে ব্রিটিশ হাইকমিশনের ক্লাইমেট অ্যান্ড এনভায়রনমেন্ট অ্যাডভাইজার মারজান নূর বক্তব্য দেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মোহাম্মদ নাভিদ শফিউল্লাহ বলেন, বাংলাদেশ অন্তর্ভুক্তিমূলক ও মানুষকেন্দ্রিক জলবায়ু সহনশীলতা গড়ে তুলতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এ লক্ষ্য অর্জনে কিশোরী ও তরুণদের প্রয়োজনীয় জ্ঞান, দক্ষতা ও সুযোগ সৃষ্টি করে জাতীয় জলবায়ু কার্যক্রমে সম্পৃক্ত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
তিনি বলেন, জলবায়ু অভিযোজন শুধু অবকাঠামো নির্মাণের বিষয় নয়; এটি মানুষের ক্ষমতায়ন, প্রতিষ্ঠানকে শক্তিশালী করা এবং নেতৃত্ব গড়ে তোলার বিষয়। বিশেষ করে কিশোরী ও যুব নারীরা আগামী দিনের জলবায়ু সহনশীল বাংলাদেশ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তাই জলবায়ু বিষয়ক সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং কমিউনিটির সহনশীলতা বৃদ্ধিতে তাদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে।
প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর কবিতা বোস বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে কিশোরী ও তরুণরাই সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হলেও সংকট মোকাবিলায় তারাই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। তাদের নেতৃত্ব বিকাশে বিনিয়োগ এবং জলবায়ু পরিকল্পনা ও স্থানীয় পর্যায়ের কার্যক্রমে সম্পৃক্ততা বাড়ানো সময়ের দাবি।
পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মো. লুৎফর রহমান জলবায়ু সংকট মোকাবিলায় তথ্যভিত্তিক নীতিনির্ধারণ, গবেষণা ও উদ্ভাবনের গুরুত্ব তুলে ধরেন। অন্যদিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. আব্দুস সালাম সরকার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, উন্নয়ন সহযোগী ও যুব সংগঠনের মধ্যে আরও কার্যকর সহযোগিতা এবং যুব-নেতৃত্বাধীন ‘সবুজ’ স্টার্টআপে বিনিয়োগ বৃদ্ধির আহ্বান জানান।
সেমিনারে নবায়নযোগ্য জ্বালানি, জলবায়ু শিক্ষা, স্থানীয়ভাবে পরিচালিত অভিযোজন এবং পরিবেশ পর্যবেক্ষণে ডিজিটাল প্রযুক্তির ব্যবহারসহ বিভিন্ন বিষয়ে যুব নেতৃত্বাধীন গবেষণা ও উদ্ভাবনী উদ্যোগ উপস্থাপন করা হয়। পাশাপাশি প্যানেল আলোচনায় সরকার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, উন্নয়ন সংস্থা ও যুব সংগঠনের মধ্যে অংশীদারিত্ব আরও জোরদার করে কিশোরী ও যুব নারীদের নেতৃত্বে জলবায়ু কার্যক্রম সম্প্রসারণের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।
সেমিনারের সমাপনীতে সরকার, উন্নয়ন সহযোগী, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, নাগরিক সমাজ ও যুব প্রতিনিধিরা কিশোরী ও যুব নারীদের জলবায়ু নেতৃত্ব আরও শক্তিশালী করা, নীতিনির্ধারণে তাদের অংশগ্রহণ বৃদ্ধি এবং একটি সবুজ, সহনশীল ও টেকসই বাংলাদেশ গড়ে তুলতে যৌথভাবে কাজ করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।

নারীদের নেতৃত্বে জলবায়ু কার্যক্রম জোরদারের আহ্বান
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

বিশ্ব পরিবেশ দিবস ২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত এক সেমিনারে কিশোরী ও যুব নারীদের নেতৃত্বে জলবায়ু কার্যক্রম সম্প্রসারণ এবং জাতীয় পর্যায়ের নীতিনির্ধারণে তাদের অর্থবহ অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন বক্তারা।
বুধবার (১৫ জুলাই) পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের অধীন পরিবেশ অধিদপ্তরের উদ্যোগে এবং প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ ও বাংলাদেশ ইয়ুথ কোয়ালিশনের (বিওয়াইসি) সহযোগিতায় ‘গার্লস অ্যান্ড ইয়ুথ-লেড ক্লাইমেট অ্যাকশন’ শীর্ষক এ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।
সেমিনারে সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, উন্নয়ন সহযোগী, কূটনীতিক, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, গবেষক, নাগরিক সমাজ, যুব সংগঠন ও জলবায়ু বিশেষজ্ঞরা অংশ নেন। তারা অন্তর্ভুক্তিমূলক ও স্থানীয়ভাবে পরিচালিত জলবায়ু কার্যক্রম এবং পরিবেশ সংরক্ষণে সম্মিলিতভাবে কাজ করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মোহাম্মদ নাভিদ শফিউল্লাহ। বিশেষ অতিথি ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. আব্দুস সালাম এবং পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মো. লুৎফর রহমান। এছাড়া বাংলাদেশে ব্রিটিশ হাইকমিশনের ক্লাইমেট অ্যান্ড এনভায়রনমেন্ট অ্যাডভাইজার মারজান নূর বক্তব্য দেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মোহাম্মদ নাভিদ শফিউল্লাহ বলেন, বাংলাদেশ অন্তর্ভুক্তিমূলক ও মানুষকেন্দ্রিক জলবায়ু সহনশীলতা গড়ে তুলতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এ লক্ষ্য অর্জনে কিশোরী ও তরুণদের প্রয়োজনীয় জ্ঞান, দক্ষতা ও সুযোগ সৃষ্টি করে জাতীয় জলবায়ু কার্যক্রমে সম্পৃক্ত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
তিনি বলেন, জলবায়ু অভিযোজন শুধু অবকাঠামো নির্মাণের বিষয় নয়; এটি মানুষের ক্ষমতায়ন, প্রতিষ্ঠানকে শক্তিশালী করা এবং নেতৃত্ব গড়ে তোলার বিষয়। বিশেষ করে কিশোরী ও যুব নারীরা আগামী দিনের জলবায়ু সহনশীল বাংলাদেশ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তাই জলবায়ু বিষয়ক সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং কমিউনিটির সহনশীলতা বৃদ্ধিতে তাদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে।
প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর কবিতা বোস বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে কিশোরী ও তরুণরাই সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হলেও সংকট মোকাবিলায় তারাই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। তাদের নেতৃত্ব বিকাশে বিনিয়োগ এবং জলবায়ু পরিকল্পনা ও স্থানীয় পর্যায়ের কার্যক্রমে সম্পৃক্ততা বাড়ানো সময়ের দাবি।
পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মো. লুৎফর রহমান জলবায়ু সংকট মোকাবিলায় তথ্যভিত্তিক নীতিনির্ধারণ, গবেষণা ও উদ্ভাবনের গুরুত্ব তুলে ধরেন। অন্যদিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. আব্দুস সালাম সরকার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, উন্নয়ন সহযোগী ও যুব সংগঠনের মধ্যে আরও কার্যকর সহযোগিতা এবং যুব-নেতৃত্বাধীন ‘সবুজ’ স্টার্টআপে বিনিয়োগ বৃদ্ধির আহ্বান জানান।
সেমিনারে নবায়নযোগ্য জ্বালানি, জলবায়ু শিক্ষা, স্থানীয়ভাবে পরিচালিত অভিযোজন এবং পরিবেশ পর্যবেক্ষণে ডিজিটাল প্রযুক্তির ব্যবহারসহ বিভিন্ন বিষয়ে যুব নেতৃত্বাধীন গবেষণা ও উদ্ভাবনী উদ্যোগ উপস্থাপন করা হয়। পাশাপাশি প্যানেল আলোচনায় সরকার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, উন্নয়ন সংস্থা ও যুব সংগঠনের মধ্যে অংশীদারিত্ব আরও জোরদার করে কিশোরী ও যুব নারীদের নেতৃত্বে জলবায়ু কার্যক্রম সম্প্রসারণের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।
সেমিনারের সমাপনীতে সরকার, উন্নয়ন সহযোগী, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, নাগরিক সমাজ ও যুব প্রতিনিধিরা কিশোরী ও যুব নারীদের জলবায়ু নেতৃত্ব আরও শক্তিশালী করা, নীতিনির্ধারণে তাদের অংশগ্রহণ বৃদ্ধি এবং একটি সবুজ, সহনশীল ও টেকসই বাংলাদেশ গড়ে তুলতে যৌথভাবে কাজ করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।








