ঝিলমিল প্রকল্পে বাড়ি নির্মাণের সুযোগ দিতে কাজ চলছে: গৃহায়নমন্ত্রী

ঝিলমিল প্রকল্পে বাড়ি নির্মাণের সুযোগ দিতে কাজ চলছে: গৃহায়নমন্ত্রী
নিজস্ব প্রতিবেদক

এক বছরের মধ্যে ঝিলমিল আবাসিক প্রকল্পে প্লট বরাদ্দপ্রাপ্তরা যেন বাড়িঘর নির্মাণ করতে পারেন, সে জন্য প্রয়োজনীয় সুবিধা নিশ্চিত করতে কাজ করছে সরকার বলে জানিয়েছেন গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের।
বুধবার (১০ জুন) কেরানীগঞ্জ উপজেলার ঝিলমিল আবাসিক প্রকল্প পরিদর্শনকালে এ কথা বলেন তিনি।
গৃহায়নমন্ত্রী বলেন, দীর্ঘদিন ধরে প্রকল্পটির আশানুরূপ অগ্রগতি হয়নি। বর্তমানে প্রকল্প এলাকায় থানা, স্কুল, হাসপাতাল ও বর্জ্য শোধনাগার (ইটিপি) নির্মাণের কাজ চলছে। পাশাপাশি অ্যাপার্টমেন্ট কমপ্লেক্স নির্মাণের কাজও দ্রুত শুরু করা হবে। প্রকল্প এলাকাকে আলোকিত করতে সড়কবাতি স্থাপন এবং নিরাপত্তা জোরদারে সিসি ক্যামেরা বসানোর কাজ চলছে।
তিনি বলেন, ঝিলমিল প্রকল্প এলাকায় থানা স্থাপনের কাজ চলমান রয়েছে। এর মধ্যে স্থানীয় থানার পাঁচটি টহল দল এলাকায় নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করছে।
মন্ত্রী নির্মাণাধীন স্কুল, হাসপাতাল ও থানা ভবনের কাজ ঘুরে দেখেন। পরে প্রকল্পের সাইট অফিসে প্রকল্প পরিচালক মো. আমিনুর রহমান প্রকল্পের অগ্রগতি তুলে ধরেন।
এসময় গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী আহম্মদ সোহেল মনজুর, গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. নজরুল ইসলাম এবং রাজউক–এর চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার মো. রিয়াজুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।
পরিদর্শনকালে রাজউকের কর্মকর্তা শেখ মতিয়ার রহমান, মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম, এরাদুল হক, কেরানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. উমর ফারুক, প্রধান নগর পরিকল্পনাবিদ মো. আশরাফুল ইসলামসহ রাজউকের কর্মকর্তারা এবং প্লট বরাদ্দপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

এক বছরের মধ্যে ঝিলমিল আবাসিক প্রকল্পে প্লট বরাদ্দপ্রাপ্তরা যেন বাড়িঘর নির্মাণ করতে পারেন, সে জন্য প্রয়োজনীয় সুবিধা নিশ্চিত করতে কাজ করছে সরকার বলে জানিয়েছেন গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের।
বুধবার (১০ জুন) কেরানীগঞ্জ উপজেলার ঝিলমিল আবাসিক প্রকল্প পরিদর্শনকালে এ কথা বলেন তিনি।
গৃহায়নমন্ত্রী বলেন, দীর্ঘদিন ধরে প্রকল্পটির আশানুরূপ অগ্রগতি হয়নি। বর্তমানে প্রকল্প এলাকায় থানা, স্কুল, হাসপাতাল ও বর্জ্য শোধনাগার (ইটিপি) নির্মাণের কাজ চলছে। পাশাপাশি অ্যাপার্টমেন্ট কমপ্লেক্স নির্মাণের কাজও দ্রুত শুরু করা হবে। প্রকল্প এলাকাকে আলোকিত করতে সড়কবাতি স্থাপন এবং নিরাপত্তা জোরদারে সিসি ক্যামেরা বসানোর কাজ চলছে।
তিনি বলেন, ঝিলমিল প্রকল্প এলাকায় থানা স্থাপনের কাজ চলমান রয়েছে। এর মধ্যে স্থানীয় থানার পাঁচটি টহল দল এলাকায় নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করছে।
মন্ত্রী নির্মাণাধীন স্কুল, হাসপাতাল ও থানা ভবনের কাজ ঘুরে দেখেন। পরে প্রকল্পের সাইট অফিসে প্রকল্প পরিচালক মো. আমিনুর রহমান প্রকল্পের অগ্রগতি তুলে ধরেন।
এসময় গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী আহম্মদ সোহেল মনজুর, গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. নজরুল ইসলাম এবং রাজউক–এর চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার মো. রিয়াজুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।
পরিদর্শনকালে রাজউকের কর্মকর্তা শেখ মতিয়ার রহমান, মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম, এরাদুল হক, কেরানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. উমর ফারুক, প্রধান নগর পরিকল্পনাবিদ মো. আশরাফুল ইসলামসহ রাজউকের কর্মকর্তারা এবং প্লট বরাদ্দপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

ঝিলমিল প্রকল্পে বাড়ি নির্মাণের সুযোগ দিতে কাজ চলছে: গৃহায়নমন্ত্রী
নিজস্ব প্রতিবেদক

এক বছরের মধ্যে ঝিলমিল আবাসিক প্রকল্পে প্লট বরাদ্দপ্রাপ্তরা যেন বাড়িঘর নির্মাণ করতে পারেন, সে জন্য প্রয়োজনীয় সুবিধা নিশ্চিত করতে কাজ করছে সরকার বলে জানিয়েছেন গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের।
বুধবার (১০ জুন) কেরানীগঞ্জ উপজেলার ঝিলমিল আবাসিক প্রকল্প পরিদর্শনকালে এ কথা বলেন তিনি।
গৃহায়নমন্ত্রী বলেন, দীর্ঘদিন ধরে প্রকল্পটির আশানুরূপ অগ্রগতি হয়নি। বর্তমানে প্রকল্প এলাকায় থানা, স্কুল, হাসপাতাল ও বর্জ্য শোধনাগার (ইটিপি) নির্মাণের কাজ চলছে। পাশাপাশি অ্যাপার্টমেন্ট কমপ্লেক্স নির্মাণের কাজও দ্রুত শুরু করা হবে। প্রকল্প এলাকাকে আলোকিত করতে সড়কবাতি স্থাপন এবং নিরাপত্তা জোরদারে সিসি ক্যামেরা বসানোর কাজ চলছে।
তিনি বলেন, ঝিলমিল প্রকল্প এলাকায় থানা স্থাপনের কাজ চলমান রয়েছে। এর মধ্যে স্থানীয় থানার পাঁচটি টহল দল এলাকায় নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করছে।
মন্ত্রী নির্মাণাধীন স্কুল, হাসপাতাল ও থানা ভবনের কাজ ঘুরে দেখেন। পরে প্রকল্পের সাইট অফিসে প্রকল্প পরিচালক মো. আমিনুর রহমান প্রকল্পের অগ্রগতি তুলে ধরেন।
এসময় গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী আহম্মদ সোহেল মনজুর, গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. নজরুল ইসলাম এবং রাজউক–এর চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার মো. রিয়াজুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।
পরিদর্শনকালে রাজউকের কর্মকর্তা শেখ মতিয়ার রহমান, মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম, এরাদুল হক, কেরানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. উমর ফারুক, প্রধান নগর পরিকল্পনাবিদ মো. আশরাফুল ইসলামসহ রাজউকের কর্মকর্তারা এবং প্লট বরাদ্দপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

আন্তর্জাতিক শান্তিরক্ষী দিবস: সেনাকুঞ্জের অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী


