গণ-আকাঙ্ক্ষা পূরণে সরকারকে পরামর্শ দিতে হবে: জাবি উপাচার্য

গণ-আকাঙ্ক্ষা পূরণে সরকারকে পরামর্শ দিতে হবে: জাবি উপাচার্য
জাবি প্রতিনিধি

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ কামরুল আহসান বলেছেন, গণ-আকাঙ্ক্ষা পূরণে সরকারকে পরামর্শ দিতে হবে। দীর্ঘ অপশাসনের পর জনগণের নির্বাচিত সরকারের প্রতি আমাদের আকাঙ্খার জায়গাটা বিশাল। আমাদের সাহায্য সহযোগিতা ছাড়া সরকারের একার পক্ষে গণ-আকাঙ্ক্ষা পূরণ সম্ভব নয়। যারা পরামর্শদানকারী আছেন তাদের সহায়তা প্রয়োজন।
সোমবার (১০ আগস্ট) গুলশানে যুক্তরাষ্ট্রের ইন্টারন্যাশনাল রিপাবলিকান ইনস্টিটিউটের (আইআরআই) প্রতিনিধিদলের সঙ্গে জাতীয়তাবাদী ‘থিংক-ট্যাঙ্ক’ ও গবেষকদের বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
এসময় তিনি আরও বলেন, আইআরআই সরকারের বর্তমান অবস্থা যেমন, আস্থার জায়গা, অর্থনীতি, সমাজ, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, অর্থনৈতিক কার্যকরিতা এসব বিষয় নিয়ে জনগণের মতামত উপস্থাপন করেছে। বিভিন্ন পেশা সম্পর্কেও আলাপ করা হয়েছে। আমি ব্যক্তিগতভাবে সেখানে বলেছি, এটি পরিবর্তনের জন্য যে মাইন্ডসেট দরকার, সেটি নিয়ে আলোচনা হয় না। আমাদের পরিবার, সমাজ ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সামাজিক সচেতনতা খুবই জরুরি। তারা আমার এই বিষয়গুলো খুব গুরুত্বের সঙ্গে নিয়েছে। তারা বলেছে—বাংলাদেশ গণতন্ত্র চর্চাকারী দেশগুলো মধ্যে একটি, দূর্নীতি বিরোধী এবং অর্থনৈতিকভাবেও সম্ভাবনাময় দেশ। তারা তাদের আস্থার জায়গাটি প্রকাশ করেছে এবং কীভাবে উন্নতির দিকে নিয়ে যাওয়া যায় সেই বিষয়েও আলোচনা হয়েছে।
বৈঠকে আইআরআইয়ের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণকারী জাতীয়তাবাদী ‘থিংক-ট্যাঙ্ক’ ও গবেষকদের কাছে জরিপের ফলাফল ও এর বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। এতে সিএফবি ও বিসিএআইয়ের পক্ষ থেকে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ কামরুল আহসান ছাড়াও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক ও বিলিয়ার চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. বোরহান উদ্দিন খান, পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) আশরাফুল হুদা, সাবেক প্রতিরক্ষা সচিব আবু মো. মনিরুজ্জামান খান এবং সাবেক বাণিজ্য সচিব মোহাম্মদ আবদুর রশিদ সরকার অংশ নেন।
এ ছাড়া সাবেক রাষ্ট্রদূত নাসিম ফিরদৌস, সাবেক রাষ্ট্রদূত মো. শামীম আহসান, এনডিসি, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা ও বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালসের (বিইউপি) সাবেক উপাচার্য মেজর জেনারেল মো. মোশফিকুর রহমান (অব.), ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক ও আইইউবির ডিন অধ্যাপক ড. মো. নাজমুজ্জামান ভূঁইয়া, বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিন অধ্যাপক ডা. সাখাওয়াত হোসেন সায়ন্ত, ঢাকা স্ট্রিমের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সোহেল রানা এবং বিসিএআইয়ের জুনিয়র রিসার্চ ফেলো সৈয়দা নশিন শর্মিলী বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।
ওয়াশিংটন ডিসি থেকে যুক্ত হয়ে আইআরআইয়ের সিনিয়র ডিরেক্টর মিস সোনজা গ্লোকলে জরিপের ফলাফল নিয়ে অংশগ্রহণকারীদের সামনে ব্রিফিং দেন। এ সময় আইআরআইয়ের টেকনিক্যাল অ্যাডভাইজার জন ফ্লুহার্টি এবং প্রবাসী প্রতিনিধি অমিতাভ ঘোষও এতে অংশ নেন।
বৈঠকে আইআরআইয়ের সাম্প্রতিক জরিপের বিভিন্ন ফলাফল, এর তাৎপর্য এবং বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক ও সামাজিক বাস্তবতায় এসব ফলাফলের সম্ভাব্য প্রভাব নিয়ে মতবিনিময় হয়। অংশগ্রহণকারীরা জরিপের বিভিন্ন দিক সম্পর্কে জানতে পারেন এবং এর ব্যাপকতর প্রভাব নিয়ে নিজেদের মতামত ও দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরেন।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ কামরুল আহসান বলেছেন, গণ-আকাঙ্ক্ষা পূরণে সরকারকে পরামর্শ দিতে হবে। দীর্ঘ অপশাসনের পর জনগণের নির্বাচিত সরকারের প্রতি আমাদের আকাঙ্খার জায়গাটা বিশাল। আমাদের সাহায্য সহযোগিতা ছাড়া সরকারের একার পক্ষে গণ-আকাঙ্ক্ষা পূরণ সম্ভব নয়। যারা পরামর্শদানকারী আছেন তাদের সহায়তা প্রয়োজন।
সোমবার (১০ আগস্ট) গুলশানে যুক্তরাষ্ট্রের ইন্টারন্যাশনাল রিপাবলিকান ইনস্টিটিউটের (আইআরআই) প্রতিনিধিদলের সঙ্গে জাতীয়তাবাদী ‘থিংক-ট্যাঙ্ক’ ও গবেষকদের বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
এসময় তিনি আরও বলেন, আইআরআই সরকারের বর্তমান অবস্থা যেমন, আস্থার জায়গা, অর্থনীতি, সমাজ, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, অর্থনৈতিক কার্যকরিতা এসব বিষয় নিয়ে জনগণের মতামত উপস্থাপন করেছে। বিভিন্ন পেশা সম্পর্কেও আলাপ করা হয়েছে। আমি ব্যক্তিগতভাবে সেখানে বলেছি, এটি পরিবর্তনের জন্য যে মাইন্ডসেট দরকার, সেটি নিয়ে আলোচনা হয় না। আমাদের পরিবার, সমাজ ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সামাজিক সচেতনতা খুবই জরুরি। তারা আমার এই বিষয়গুলো খুব গুরুত্বের সঙ্গে নিয়েছে। তারা বলেছে—বাংলাদেশ গণতন্ত্র চর্চাকারী দেশগুলো মধ্যে একটি, দূর্নীতি বিরোধী এবং অর্থনৈতিকভাবেও সম্ভাবনাময় দেশ। তারা তাদের আস্থার জায়গাটি প্রকাশ করেছে এবং কীভাবে উন্নতির দিকে নিয়ে যাওয়া যায় সেই বিষয়েও আলোচনা হয়েছে।
বৈঠকে আইআরআইয়ের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণকারী জাতীয়তাবাদী ‘থিংক-ট্যাঙ্ক’ ও গবেষকদের কাছে জরিপের ফলাফল ও এর বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। এতে সিএফবি ও বিসিএআইয়ের পক্ষ থেকে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ কামরুল আহসান ছাড়াও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক ও বিলিয়ার চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. বোরহান উদ্দিন খান, পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) আশরাফুল হুদা, সাবেক প্রতিরক্ষা সচিব আবু মো. মনিরুজ্জামান খান এবং সাবেক বাণিজ্য সচিব মোহাম্মদ আবদুর রশিদ সরকার অংশ নেন।
এ ছাড়া সাবেক রাষ্ট্রদূত নাসিম ফিরদৌস, সাবেক রাষ্ট্রদূত মো. শামীম আহসান, এনডিসি, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা ও বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালসের (বিইউপি) সাবেক উপাচার্য মেজর জেনারেল মো. মোশফিকুর রহমান (অব.), ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক ও আইইউবির ডিন অধ্যাপক ড. মো. নাজমুজ্জামান ভূঁইয়া, বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিন অধ্যাপক ডা. সাখাওয়াত হোসেন সায়ন্ত, ঢাকা স্ট্রিমের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সোহেল রানা এবং বিসিএআইয়ের জুনিয়র রিসার্চ ফেলো সৈয়দা নশিন শর্মিলী বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।
ওয়াশিংটন ডিসি থেকে যুক্ত হয়ে আইআরআইয়ের সিনিয়র ডিরেক্টর মিস সোনজা গ্লোকলে জরিপের ফলাফল নিয়ে অংশগ্রহণকারীদের সামনে ব্রিফিং দেন। এ সময় আইআরআইয়ের টেকনিক্যাল অ্যাডভাইজার জন ফ্লুহার্টি এবং প্রবাসী প্রতিনিধি অমিতাভ ঘোষও এতে অংশ নেন।
বৈঠকে আইআরআইয়ের সাম্প্রতিক জরিপের বিভিন্ন ফলাফল, এর তাৎপর্য এবং বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক ও সামাজিক বাস্তবতায় এসব ফলাফলের সম্ভাব্য প্রভাব নিয়ে মতবিনিময় হয়। অংশগ্রহণকারীরা জরিপের বিভিন্ন দিক সম্পর্কে জানতে পারেন এবং এর ব্যাপকতর প্রভাব নিয়ে নিজেদের মতামত ও দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরেন।

গণ-আকাঙ্ক্ষা পূরণে সরকারকে পরামর্শ দিতে হবে: জাবি উপাচার্য
জাবি প্রতিনিধি

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ কামরুল আহসান বলেছেন, গণ-আকাঙ্ক্ষা পূরণে সরকারকে পরামর্শ দিতে হবে। দীর্ঘ অপশাসনের পর জনগণের নির্বাচিত সরকারের প্রতি আমাদের আকাঙ্খার জায়গাটা বিশাল। আমাদের সাহায্য সহযোগিতা ছাড়া সরকারের একার পক্ষে গণ-আকাঙ্ক্ষা পূরণ সম্ভব নয়। যারা পরামর্শদানকারী আছেন তাদের সহায়তা প্রয়োজন।
সোমবার (১০ আগস্ট) গুলশানে যুক্তরাষ্ট্রের ইন্টারন্যাশনাল রিপাবলিকান ইনস্টিটিউটের (আইআরআই) প্রতিনিধিদলের সঙ্গে জাতীয়তাবাদী ‘থিংক-ট্যাঙ্ক’ ও গবেষকদের বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
এসময় তিনি আরও বলেন, আইআরআই সরকারের বর্তমান অবস্থা যেমন, আস্থার জায়গা, অর্থনীতি, সমাজ, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, অর্থনৈতিক কার্যকরিতা এসব বিষয় নিয়ে জনগণের মতামত উপস্থাপন করেছে। বিভিন্ন পেশা সম্পর্কেও আলাপ করা হয়েছে। আমি ব্যক্তিগতভাবে সেখানে বলেছি, এটি পরিবর্তনের জন্য যে মাইন্ডসেট দরকার, সেটি নিয়ে আলোচনা হয় না। আমাদের পরিবার, সমাজ ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সামাজিক সচেতনতা খুবই জরুরি। তারা আমার এই বিষয়গুলো খুব গুরুত্বের সঙ্গে নিয়েছে। তারা বলেছে—বাংলাদেশ গণতন্ত্র চর্চাকারী দেশগুলো মধ্যে একটি, দূর্নীতি বিরোধী এবং অর্থনৈতিকভাবেও সম্ভাবনাময় দেশ। তারা তাদের আস্থার জায়গাটি প্রকাশ করেছে এবং কীভাবে উন্নতির দিকে নিয়ে যাওয়া যায় সেই বিষয়েও আলোচনা হয়েছে।
বৈঠকে আইআরআইয়ের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণকারী জাতীয়তাবাদী ‘থিংক-ট্যাঙ্ক’ ও গবেষকদের কাছে জরিপের ফলাফল ও এর বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। এতে সিএফবি ও বিসিএআইয়ের পক্ষ থেকে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ কামরুল আহসান ছাড়াও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক ও বিলিয়ার চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. বোরহান উদ্দিন খান, পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) আশরাফুল হুদা, সাবেক প্রতিরক্ষা সচিব আবু মো. মনিরুজ্জামান খান এবং সাবেক বাণিজ্য সচিব মোহাম্মদ আবদুর রশিদ সরকার অংশ নেন।
এ ছাড়া সাবেক রাষ্ট্রদূত নাসিম ফিরদৌস, সাবেক রাষ্ট্রদূত মো. শামীম আহসান, এনডিসি, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা ও বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালসের (বিইউপি) সাবেক উপাচার্য মেজর জেনারেল মো. মোশফিকুর রহমান (অব.), ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক ও আইইউবির ডিন অধ্যাপক ড. মো. নাজমুজ্জামান ভূঁইয়া, বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিন অধ্যাপক ডা. সাখাওয়াত হোসেন সায়ন্ত, ঢাকা স্ট্রিমের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সোহেল রানা এবং বিসিএআইয়ের জুনিয়র রিসার্চ ফেলো সৈয়দা নশিন শর্মিলী বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।
ওয়াশিংটন ডিসি থেকে যুক্ত হয়ে আইআরআইয়ের সিনিয়র ডিরেক্টর মিস সোনজা গ্লোকলে জরিপের ফলাফল নিয়ে অংশগ্রহণকারীদের সামনে ব্রিফিং দেন। এ সময় আইআরআইয়ের টেকনিক্যাল অ্যাডভাইজার জন ফ্লুহার্টি এবং প্রবাসী প্রতিনিধি অমিতাভ ঘোষও এতে অংশ নেন।
বৈঠকে আইআরআইয়ের সাম্প্রতিক জরিপের বিভিন্ন ফলাফল, এর তাৎপর্য এবং বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক ও সামাজিক বাস্তবতায় এসব ফলাফলের সম্ভাব্য প্রভাব নিয়ে মতবিনিময় হয়। অংশগ্রহণকারীরা জরিপের বিভিন্ন দিক সম্পর্কে জানতে পারেন এবং এর ব্যাপকতর প্রভাব নিয়ে নিজেদের মতামত ও দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরেন।









