ভারতকে কূটনৈতিক প্রক্রিয়া মেনে চলার আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর

ভারতকে কূটনৈতিক প্রক্রিয়া মেনে চলার আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর
নিজস্ব প্রতিবেদক

ভারত থেকে যেভাবে লোকজনকে ঠেলে পাঠানো হচ্ছে তা ‘একেবারে গ্রহণযোগ্য নয়’ মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম। তিনি বলেছেন, অবৈধ কেউ থেকে থাকলে তাদের ফেরাতে দুই দেশেরই ‘কূটনৈতিক প্রক্রিয়া’ মানা উচিত।
সোমবার (৮ জুন) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নে তিনি বলেন, যত রকম কূটনৈতিক রীতিনীতি আছে, সেটা আমরা অনুসরণ করছি। যখনই পুশ ইনের ঘটনা শুনছি বা দেখছি, আমরা ভারতকে চিঠি দিচ্ছি। আশা করব, ভারত সরকার, এটা গুরুত্ব সহকারে নেবে। যথাযথ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এর সমাধান করবে।
অবৈধ হয়ে পড়া বা কারাবন্দিদের ফেরত পাঠানোর ক্ষেত্রে কূটনৈতিক চ্যানেল মানার আহ্বান জানিয়ে শামা ওবায়েদ বলেন, দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কন্নোয়নের স্বার্থেই তা মানা উচিত। পুশ ইনের মাধ্যমে যদি তারা এটা করে, তা কোনোভাবেই আমাদের জন্য ভালো হবে না।
তিনি বলেন, ভারত এবং বাংলাদেশের সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় ওঠানোর চেষ্টা চলছে। এর জন্য বিদ্যমান কূটনৈতিক প্রক্রিয়া আমাদের দুই দেশেরই অবলম্বন করা উচিত।
পুশ ইন নিয়ে সম্প্রতি বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে উত্তেজনা বিরাজ করছে। বিজিবি ও স্থানীয়দের বাধার মুখে অনেককে ফেরত নিয়েছে বিএসএফ। এর মধ্যে শূন্যরেখায় আটকে থাকা লোকজন নিয়ে কিছু সময়ের জন্য মানবেতর পরিস্থিতিও সৃষ্টি হয়েছে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যমগুলোর প্রতিবেদন অনুযায়ী, পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী রবিবার (৭ জুন) বলেছেন, সীমান্তবর্তী জেলাগুলোয় স্থাপিত আটক শিবির থেকে প্রায় ৪ হাজার ৮০০ জন ‘অবৈধ অভিবাসী’কে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে। এছাড়া আরও ৮৩৬ জন বর্তমানে প্রত্যাবাসনের অপেক্ষায় রয়েছেন।
লোকজনকে ঠেলে পাঠানোর প্রবণতাকে যে বাংলাদেশ ভালোভাবে নিচ্ছে না তা তুলে ধরে শামা ওবায়েদ বলেন, পুশ ইনের কথা আমরা শুনতে পাচ্ছি। সবচেয়ে বড় কথা বিজিবি খুবই শক্তভাবে এটা প্রতিরোধ করছে। কোনোভাবেই পুশ ইনকে আমরা অনুমোদন করছি না।
এখন পর্যন্ত ভারত সরকারকে দেওয়া ১২-১৩টি চিঠির কোনোটিরই উত্তর না আসার কথাও জানান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী।

ভারত থেকে যেভাবে লোকজনকে ঠেলে পাঠানো হচ্ছে তা ‘একেবারে গ্রহণযোগ্য নয়’ মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম। তিনি বলেছেন, অবৈধ কেউ থেকে থাকলে তাদের ফেরাতে দুই দেশেরই ‘কূটনৈতিক প্রক্রিয়া’ মানা উচিত।
সোমবার (৮ জুন) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নে তিনি বলেন, যত রকম কূটনৈতিক রীতিনীতি আছে, সেটা আমরা অনুসরণ করছি। যখনই পুশ ইনের ঘটনা শুনছি বা দেখছি, আমরা ভারতকে চিঠি দিচ্ছি। আশা করব, ভারত সরকার, এটা গুরুত্ব সহকারে নেবে। যথাযথ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এর সমাধান করবে।
অবৈধ হয়ে পড়া বা কারাবন্দিদের ফেরত পাঠানোর ক্ষেত্রে কূটনৈতিক চ্যানেল মানার আহ্বান জানিয়ে শামা ওবায়েদ বলেন, দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কন্নোয়নের স্বার্থেই তা মানা উচিত। পুশ ইনের মাধ্যমে যদি তারা এটা করে, তা কোনোভাবেই আমাদের জন্য ভালো হবে না।
তিনি বলেন, ভারত এবং বাংলাদেশের সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় ওঠানোর চেষ্টা চলছে। এর জন্য বিদ্যমান কূটনৈতিক প্রক্রিয়া আমাদের দুই দেশেরই অবলম্বন করা উচিত।
পুশ ইন নিয়ে সম্প্রতি বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে উত্তেজনা বিরাজ করছে। বিজিবি ও স্থানীয়দের বাধার মুখে অনেককে ফেরত নিয়েছে বিএসএফ। এর মধ্যে শূন্যরেখায় আটকে থাকা লোকজন নিয়ে কিছু সময়ের জন্য মানবেতর পরিস্থিতিও সৃষ্টি হয়েছে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যমগুলোর প্রতিবেদন অনুযায়ী, পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী রবিবার (৭ জুন) বলেছেন, সীমান্তবর্তী জেলাগুলোয় স্থাপিত আটক শিবির থেকে প্রায় ৪ হাজার ৮০০ জন ‘অবৈধ অভিবাসী’কে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে। এছাড়া আরও ৮৩৬ জন বর্তমানে প্রত্যাবাসনের অপেক্ষায় রয়েছেন।
লোকজনকে ঠেলে পাঠানোর প্রবণতাকে যে বাংলাদেশ ভালোভাবে নিচ্ছে না তা তুলে ধরে শামা ওবায়েদ বলেন, পুশ ইনের কথা আমরা শুনতে পাচ্ছি। সবচেয়ে বড় কথা বিজিবি খুবই শক্তভাবে এটা প্রতিরোধ করছে। কোনোভাবেই পুশ ইনকে আমরা অনুমোদন করছি না।
এখন পর্যন্ত ভারত সরকারকে দেওয়া ১২-১৩টি চিঠির কোনোটিরই উত্তর না আসার কথাও জানান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী।

ভারতকে কূটনৈতিক প্রক্রিয়া মেনে চলার আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর
নিজস্ব প্রতিবেদক

ভারত থেকে যেভাবে লোকজনকে ঠেলে পাঠানো হচ্ছে তা ‘একেবারে গ্রহণযোগ্য নয়’ মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম। তিনি বলেছেন, অবৈধ কেউ থেকে থাকলে তাদের ফেরাতে দুই দেশেরই ‘কূটনৈতিক প্রক্রিয়া’ মানা উচিত।
সোমবার (৮ জুন) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নে তিনি বলেন, যত রকম কূটনৈতিক রীতিনীতি আছে, সেটা আমরা অনুসরণ করছি। যখনই পুশ ইনের ঘটনা শুনছি বা দেখছি, আমরা ভারতকে চিঠি দিচ্ছি। আশা করব, ভারত সরকার, এটা গুরুত্ব সহকারে নেবে। যথাযথ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এর সমাধান করবে।
অবৈধ হয়ে পড়া বা কারাবন্দিদের ফেরত পাঠানোর ক্ষেত্রে কূটনৈতিক চ্যানেল মানার আহ্বান জানিয়ে শামা ওবায়েদ বলেন, দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কন্নোয়নের স্বার্থেই তা মানা উচিত। পুশ ইনের মাধ্যমে যদি তারা এটা করে, তা কোনোভাবেই আমাদের জন্য ভালো হবে না।
তিনি বলেন, ভারত এবং বাংলাদেশের সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় ওঠানোর চেষ্টা চলছে। এর জন্য বিদ্যমান কূটনৈতিক প্রক্রিয়া আমাদের দুই দেশেরই অবলম্বন করা উচিত।
পুশ ইন নিয়ে সম্প্রতি বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে উত্তেজনা বিরাজ করছে। বিজিবি ও স্থানীয়দের বাধার মুখে অনেককে ফেরত নিয়েছে বিএসএফ। এর মধ্যে শূন্যরেখায় আটকে থাকা লোকজন নিয়ে কিছু সময়ের জন্য মানবেতর পরিস্থিতিও সৃষ্টি হয়েছে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যমগুলোর প্রতিবেদন অনুযায়ী, পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী রবিবার (৭ জুন) বলেছেন, সীমান্তবর্তী জেলাগুলোয় স্থাপিত আটক শিবির থেকে প্রায় ৪ হাজার ৮০০ জন ‘অবৈধ অভিবাসী’কে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে। এছাড়া আরও ৮৩৬ জন বর্তমানে প্রত্যাবাসনের অপেক্ষায় রয়েছেন।
লোকজনকে ঠেলে পাঠানোর প্রবণতাকে যে বাংলাদেশ ভালোভাবে নিচ্ছে না তা তুলে ধরে শামা ওবায়েদ বলেন, পুশ ইনের কথা আমরা শুনতে পাচ্ছি। সবচেয়ে বড় কথা বিজিবি খুবই শক্তভাবে এটা প্রতিরোধ করছে। কোনোভাবেই পুশ ইনকে আমরা অনুমোদন করছি না।
এখন পর্যন্ত ভারত সরকারকে দেওয়া ১২-১৩টি চিঠির কোনোটিরই উত্তর না আসার কথাও জানান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী।

পুশইন ঠেকাতে ১১ জেলায় আনসার মোতায়েন


