‘শেখ হাসিনা পরিবার ও ১০ শিল্পগোষ্ঠীর ৭৬ হাজার কোটি টাকার সম্পদ জব্দ’

‘শেখ হাসিনা পরিবার ও ১০ শিল্পগোষ্ঠীর ৭৬ হাজার কোটি টাকার সম্পদ জব্দ’
নিজস্ব প্রতিবেদক

শেখ হাসিনার পরিবার এবং ১০ শিল্পগোষ্ঠীর প্রায় ৭৬ হাজার ৮১৪ কোটি টাকার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ অবরুদ্ধ করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৯ জুন) জাতীয় সংসদকে এ তথ্য জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
তিনি বলেছেন, পাচার হওয়া অর্থ দেশে ফিরিয়ে আনা এবং ভবিষ্যতে অর্থপাচার ঠেকানোর লক্ষ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের নেতৃত্বে গঠিত আন্তঃসংস্থা টাস্কফোর্সের সুপারিশে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে তাদের চিহ্নিত করা হয়েছে। অভিযোগের বিষয়ে অনুসন্ধান ও তদন্তে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) নেতৃত্বে ১১টি যৌথ অনুসন্ধান ও তদন্ত দল (জেআইটি) কাজ করছে।
মঙ্গলবার (৯ জুন) স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে সংসদের বৈঠকে সাতক্ষীরা-৩ আসনের সংসদ সদস্য হাফেজ মুহা. রবিউল বাশারের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য দেন।
রবিউল বাশার তার প্রশ্নে জানতে চান, দেশের ব্যাংকিং খাতে ক্রমবর্ধমান খেলাপি ঋণ, ঋণ জালিয়াতি, অর্থপাচার এবং প্রভাবশালী মহলের অনিয়মিত ঋণ গ্রহণের কারণে সৃষ্ট আর্থিক ঝুঁকি মোকাবিলা, বড় ঋণখেলাপিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা এবং আমানতকারীদের অর্থের নিরাপত্তা নিশ্চিতে সরকার কী পদক্ষেপ নিয়েছে।
অর্থমন্ত্রী বলেন, গত এপ্রিল পর্যন্ত আদালতের আদেশে দেশে ৯ হাজার ৯১৮ কোটি ৮৬ লাখ টাকার স্থাবর সম্পত্তি সংযুক্ত (অ্যাটাচমেন্ট) এবং ৪৭ হাজার ২৪৯ কোটি ২৩ লাখ টাকার অস্থাবর সম্পত্তি অবরুদ্ধ (ফ্রিজিং) করা হয়েছে। বিদেশে ১৫ হাজার ১১১ কোটি ৯২ লাখ টাকার স্থাবর সম্পত্তি সংযুক্ত এবং ৪ হাজার ৫৩৩ কোটি ৯৯ লাখ টাকার অস্থাবর সম্পত্তি অবরুদ্ধ করা হয়েছে। সব মিলিয়ে প্রায় ৭৬ হাজার ৮১৪ কোটি টাকার সম্পদ জব্দ বা অবরুদ্ধ অবস্থায় রয়েছে।
তিনি বলেন, বিদেশে সংযুক্ত ও অবরুদ্ধ সম্পদের ওপর আদালতের আদেশ কার্যকর করতে এরইমধ্যে ১৩টি মিউচুয়াল লিগ্যাল অ্যাসিস্ট্যান্স রিকোয়েস্ট (এমএলএআর) সংশ্লিষ্ট দেশগুলোয় পাঠানো হয়েছে। আরও প্রায় ১২টি এমএলএআর পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।
তবে সংসদে দেওয়া তথ্যে দেশে-বিদেশে জব্দ বা অবরুদ্ধ করা ৭৬ হাজার ৮১৪ কোটি টাকার সম্পদের মধ্যে কতটুকু বাস্তবে রাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণে এসেছে, কত অর্থ দেশে ফেরত আনা সম্ভব হয়েছে বা বড় ঋণখেলাপিদের কাছ থেকে আদায়ের পরিমাণ কত, সে বিষয়ে কোনো তথ্য দেওয়া হয়নি।

শেখ হাসিনার পরিবার এবং ১০ শিল্পগোষ্ঠীর প্রায় ৭৬ হাজার ৮১৪ কোটি টাকার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ অবরুদ্ধ করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৯ জুন) জাতীয় সংসদকে এ তথ্য জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
তিনি বলেছেন, পাচার হওয়া অর্থ দেশে ফিরিয়ে আনা এবং ভবিষ্যতে অর্থপাচার ঠেকানোর লক্ষ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের নেতৃত্বে গঠিত আন্তঃসংস্থা টাস্কফোর্সের সুপারিশে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে তাদের চিহ্নিত করা হয়েছে। অভিযোগের বিষয়ে অনুসন্ধান ও তদন্তে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) নেতৃত্বে ১১টি যৌথ অনুসন্ধান ও তদন্ত দল (জেআইটি) কাজ করছে।
মঙ্গলবার (৯ জুন) স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে সংসদের বৈঠকে সাতক্ষীরা-৩ আসনের সংসদ সদস্য হাফেজ মুহা. রবিউল বাশারের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য দেন।
রবিউল বাশার তার প্রশ্নে জানতে চান, দেশের ব্যাংকিং খাতে ক্রমবর্ধমান খেলাপি ঋণ, ঋণ জালিয়াতি, অর্থপাচার এবং প্রভাবশালী মহলের অনিয়মিত ঋণ গ্রহণের কারণে সৃষ্ট আর্থিক ঝুঁকি মোকাবিলা, বড় ঋণখেলাপিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা এবং আমানতকারীদের অর্থের নিরাপত্তা নিশ্চিতে সরকার কী পদক্ষেপ নিয়েছে।
অর্থমন্ত্রী বলেন, গত এপ্রিল পর্যন্ত আদালতের আদেশে দেশে ৯ হাজার ৯১৮ কোটি ৮৬ লাখ টাকার স্থাবর সম্পত্তি সংযুক্ত (অ্যাটাচমেন্ট) এবং ৪৭ হাজার ২৪৯ কোটি ২৩ লাখ টাকার অস্থাবর সম্পত্তি অবরুদ্ধ (ফ্রিজিং) করা হয়েছে। বিদেশে ১৫ হাজার ১১১ কোটি ৯২ লাখ টাকার স্থাবর সম্পত্তি সংযুক্ত এবং ৪ হাজার ৫৩৩ কোটি ৯৯ লাখ টাকার অস্থাবর সম্পত্তি অবরুদ্ধ করা হয়েছে। সব মিলিয়ে প্রায় ৭৬ হাজার ৮১৪ কোটি টাকার সম্পদ জব্দ বা অবরুদ্ধ অবস্থায় রয়েছে।
তিনি বলেন, বিদেশে সংযুক্ত ও অবরুদ্ধ সম্পদের ওপর আদালতের আদেশ কার্যকর করতে এরইমধ্যে ১৩টি মিউচুয়াল লিগ্যাল অ্যাসিস্ট্যান্স রিকোয়েস্ট (এমএলএআর) সংশ্লিষ্ট দেশগুলোয় পাঠানো হয়েছে। আরও প্রায় ১২টি এমএলএআর পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।
তবে সংসদে দেওয়া তথ্যে দেশে-বিদেশে জব্দ বা অবরুদ্ধ করা ৭৬ হাজার ৮১৪ কোটি টাকার সম্পদের মধ্যে কতটুকু বাস্তবে রাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণে এসেছে, কত অর্থ দেশে ফেরত আনা সম্ভব হয়েছে বা বড় ঋণখেলাপিদের কাছ থেকে আদায়ের পরিমাণ কত, সে বিষয়ে কোনো তথ্য দেওয়া হয়নি।

‘শেখ হাসিনা পরিবার ও ১০ শিল্পগোষ্ঠীর ৭৬ হাজার কোটি টাকার সম্পদ জব্দ’
নিজস্ব প্রতিবেদক

শেখ হাসিনার পরিবার এবং ১০ শিল্পগোষ্ঠীর প্রায় ৭৬ হাজার ৮১৪ কোটি টাকার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ অবরুদ্ধ করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৯ জুন) জাতীয় সংসদকে এ তথ্য জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
তিনি বলেছেন, পাচার হওয়া অর্থ দেশে ফিরিয়ে আনা এবং ভবিষ্যতে অর্থপাচার ঠেকানোর লক্ষ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের নেতৃত্বে গঠিত আন্তঃসংস্থা টাস্কফোর্সের সুপারিশে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে তাদের চিহ্নিত করা হয়েছে। অভিযোগের বিষয়ে অনুসন্ধান ও তদন্তে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) নেতৃত্বে ১১টি যৌথ অনুসন্ধান ও তদন্ত দল (জেআইটি) কাজ করছে।
মঙ্গলবার (৯ জুন) স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে সংসদের বৈঠকে সাতক্ষীরা-৩ আসনের সংসদ সদস্য হাফেজ মুহা. রবিউল বাশারের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য দেন।
রবিউল বাশার তার প্রশ্নে জানতে চান, দেশের ব্যাংকিং খাতে ক্রমবর্ধমান খেলাপি ঋণ, ঋণ জালিয়াতি, অর্থপাচার এবং প্রভাবশালী মহলের অনিয়মিত ঋণ গ্রহণের কারণে সৃষ্ট আর্থিক ঝুঁকি মোকাবিলা, বড় ঋণখেলাপিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা এবং আমানতকারীদের অর্থের নিরাপত্তা নিশ্চিতে সরকার কী পদক্ষেপ নিয়েছে।
অর্থমন্ত্রী বলেন, গত এপ্রিল পর্যন্ত আদালতের আদেশে দেশে ৯ হাজার ৯১৮ কোটি ৮৬ লাখ টাকার স্থাবর সম্পত্তি সংযুক্ত (অ্যাটাচমেন্ট) এবং ৪৭ হাজার ২৪৯ কোটি ২৩ লাখ টাকার অস্থাবর সম্পত্তি অবরুদ্ধ (ফ্রিজিং) করা হয়েছে। বিদেশে ১৫ হাজার ১১১ কোটি ৯২ লাখ টাকার স্থাবর সম্পত্তি সংযুক্ত এবং ৪ হাজার ৫৩৩ কোটি ৯৯ লাখ টাকার অস্থাবর সম্পত্তি অবরুদ্ধ করা হয়েছে। সব মিলিয়ে প্রায় ৭৬ হাজার ৮১৪ কোটি টাকার সম্পদ জব্দ বা অবরুদ্ধ অবস্থায় রয়েছে।
তিনি বলেন, বিদেশে সংযুক্ত ও অবরুদ্ধ সম্পদের ওপর আদালতের আদেশ কার্যকর করতে এরইমধ্যে ১৩টি মিউচুয়াল লিগ্যাল অ্যাসিস্ট্যান্স রিকোয়েস্ট (এমএলএআর) সংশ্লিষ্ট দেশগুলোয় পাঠানো হয়েছে। আরও প্রায় ১২টি এমএলএআর পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।
তবে সংসদে দেওয়া তথ্যে দেশে-বিদেশে জব্দ বা অবরুদ্ধ করা ৭৬ হাজার ৮১৪ কোটি টাকার সম্পদের মধ্যে কতটুকু বাস্তবে রাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণে এসেছে, কত অর্থ দেশে ফেরত আনা সম্ভব হয়েছে বা বড় ঋণখেলাপিদের কাছ থেকে আদায়ের পরিমাণ কত, সে বিষয়ে কোনো তথ্য দেওয়া হয়নি।

শেখ হাসিনার ৮৩২ ভরি স্বর্ণের বৈধতা যাচাইয়ে নথি তলব


