টানা দুই সপ্তাহ প্রতিদিন ডিম খেলে কী হয়?

টানা দুই সপ্তাহ প্রতিদিন ডিম খেলে কী হয়?
লাইফস্টাইল ডেস্ক
স্বাস্থ্য সুরক্ষায় ও শরীর সচল রাখতে দৈনিক খাদ্যাভ্যাসে প্রোটিন থাকা বাধ্যতামূলক। তবে কেবল প্রোটিনের অভাব মেটানোই নয়, অন্যান্য শারীরিক পুষ্টির যোগান দিতে প্রোটিনের সঠিক উৎস বেছে নেওয়া জরুরি। সেই বহুমুখী প্রোটিনের অন্যতম সেরা উৎস হতে পারে ডিম।
এমস, হার্ভার্ড ও স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ভারতীয় গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজিস্ট ড. শেঠি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করা এক ভিডিওতে জানান, টানা দুই সপ্তাহ প্রতিদিন ডিম খেলে আমাদের শরীরে ঠিক কী ধরনের পরিবর্তন আসে। একই সঙ্গে ডিমের পুষ্টিগুণের নানা দিক তুলে ধরেন তিনি।
ড. শেঠির দেওয়া তথ্যানুযায়ী, একটি সম্পূর্ণ ডিমই প্রয়োজনীয় পুষ্টিগুণে ভরপুর। ডিমের কুসুমে থাকে প্রায় ২.৫ গ্রাম প্রোটিন এবং সাদা অংশে থাকে ৪ গ্রাম প্রোটিন। এটিকে তিনি ‘উচ্চমানের প্রোটিন’ হিসেবে অভিহিত করেছেন।
প্রতিদিনের খাদ্যাভ্যাসে ডিম অন্তর্ভুক্ত করলে শরীরে কী কী ইতিবাচক পরিবর্তন আসে, তার একটি তালিকা তুলে ধরেছেন এই চিকিৎসক:
১. দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখে
ডিমে এমন কিছু পুষ্টিকর উপাদান থাকে, যা চোখের বয়সজনিত সমস্যা প্রতিরোধ করে। ড. শেঠি জানান, ডিম চোখের ম্যাকুলার ডিজেনারেশন (ছানি পড়া ও রেটিনার কেন্দ্রীয় অংশের ক্ষতি) এবং ক্যাটারেক্ট বা ছানি পড়া প্রতিরোধে বিশেষ ভূমিকা রাখে। এসব উপাদান চোখের দৃষ্টিশক্তি ঝাপসা হওয়া থেকে রক্ষা করে।
২. মস্তিষ্ক সচল রাখে ও ফ্যাটি লিভার প্রতিরোধ করে
ডিমে প্রচুর পরিমাণে ‘কোলিন’ নামক উপাদান থাকে। এটি মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা বাড়ে এবং লিভারে অতিরিক্ত চর্বি জমতে দেয় না। বর্তমানে অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপনের কারণে ফ্যাটি লিভার অত্যন্ত সাধারণ সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। একই সঙ্গে মানসিক চাপ মোকাবিলায় মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা বজায় রাখতেও ডিম সাহায্য করে।
৩. কোলস্টেরল ও রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণ
অনেকেরই ধারণা, ডিম খেলে শরীরে ক্ষতিকর কোলস্টেরলের মাত্রা বাড়ে। তবে এই গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজিস্ট সেই ভুল ধারণা ভেঙে দিয়ে জানান, ডিম প্রকৃতপক্ষে শরীরের জন্য উপকারী ভালো কোলস্টেরল বা ‘এইচডিএল’-এর মাত্রা বাড়াতে সাহায্য করে।
তিনি আরও বলেন, "যদিও ডিমে প্রাকৃতিকভাবে কোলস্টেরলের পরিমাণ বেশি, তবে এটি শরীরে ভালো কোলস্টেরল বাড়ায়। এছাড়া সকালে নাস্তায় ডিম খেলে তা রক্তের শর্করা স্থিতিশীল রাখতে সাহায্য করে, যা আপনাকে সারাদিন কর্মক্ষম ও শক্তিময় রাখে।"
ভেগান বা নিরামিষাশীদের জন্য বিকল্প
যাঁরা নিরামিষাশী বা ভেগান খাদ্যাভ্যাস অনুসরণ করার কারণে ডিম খেতে পারেন না, তাঁদের জন্য বিকল্প হিসেবে 'টোফু' খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন ড. শেঠি।
সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস
/এবি/
স্বাস্থ্য সুরক্ষায় ও শরীর সচল রাখতে দৈনিক খাদ্যাভ্যাসে প্রোটিন থাকা বাধ্যতামূলক। তবে কেবল প্রোটিনের অভাব মেটানোই নয়, অন্যান্য শারীরিক পুষ্টির যোগান দিতে প্রোটিনের সঠিক উৎস বেছে নেওয়া জরুরি। সেই বহুমুখী প্রোটিনের অন্যতম সেরা উৎস হতে পারে ডিম।
এমস, হার্ভার্ড ও স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ভারতীয় গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজিস্ট ড. শেঠি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করা এক ভিডিওতে জানান, টানা দুই সপ্তাহ প্রতিদিন ডিম খেলে আমাদের শরীরে ঠিক কী ধরনের পরিবর্তন আসে। একই সঙ্গে ডিমের পুষ্টিগুণের নানা দিক তুলে ধরেন তিনি।
ড. শেঠির দেওয়া তথ্যানুযায়ী, একটি সম্পূর্ণ ডিমই প্রয়োজনীয় পুষ্টিগুণে ভরপুর। ডিমের কুসুমে থাকে প্রায় ২.৫ গ্রাম প্রোটিন এবং সাদা অংশে থাকে ৪ গ্রাম প্রোটিন। এটিকে তিনি ‘উচ্চমানের প্রোটিন’ হিসেবে অভিহিত করেছেন।
প্রতিদিনের খাদ্যাভ্যাসে ডিম অন্তর্ভুক্ত করলে শরীরে কী কী ইতিবাচক পরিবর্তন আসে, তার একটি তালিকা তুলে ধরেছেন এই চিকিৎসক:
১. দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখে
ডিমে এমন কিছু পুষ্টিকর উপাদান থাকে, যা চোখের বয়সজনিত সমস্যা প্রতিরোধ করে। ড. শেঠি জানান, ডিম চোখের ম্যাকুলার ডিজেনারেশন (ছানি পড়া ও রেটিনার কেন্দ্রীয় অংশের ক্ষতি) এবং ক্যাটারেক্ট বা ছানি পড়া প্রতিরোধে বিশেষ ভূমিকা রাখে। এসব উপাদান চোখের দৃষ্টিশক্তি ঝাপসা হওয়া থেকে রক্ষা করে।
২. মস্তিষ্ক সচল রাখে ও ফ্যাটি লিভার প্রতিরোধ করে
ডিমে প্রচুর পরিমাণে ‘কোলিন’ নামক উপাদান থাকে। এটি মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা বাড়ে এবং লিভারে অতিরিক্ত চর্বি জমতে দেয় না। বর্তমানে অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপনের কারণে ফ্যাটি লিভার অত্যন্ত সাধারণ সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। একই সঙ্গে মানসিক চাপ মোকাবিলায় মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা বজায় রাখতেও ডিম সাহায্য করে।
৩. কোলস্টেরল ও রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণ
অনেকেরই ধারণা, ডিম খেলে শরীরে ক্ষতিকর কোলস্টেরলের মাত্রা বাড়ে। তবে এই গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজিস্ট সেই ভুল ধারণা ভেঙে দিয়ে জানান, ডিম প্রকৃতপক্ষে শরীরের জন্য উপকারী ভালো কোলস্টেরল বা ‘এইচডিএল’-এর মাত্রা বাড়াতে সাহায্য করে।
তিনি আরও বলেন, "যদিও ডিমে প্রাকৃতিকভাবে কোলস্টেরলের পরিমাণ বেশি, তবে এটি শরীরে ভালো কোলস্টেরল বাড়ায়। এছাড়া সকালে নাস্তায় ডিম খেলে তা রক্তের শর্করা স্থিতিশীল রাখতে সাহায্য করে, যা আপনাকে সারাদিন কর্মক্ষম ও শক্তিময় রাখে।"
ভেগান বা নিরামিষাশীদের জন্য বিকল্প
যাঁরা নিরামিষাশী বা ভেগান খাদ্যাভ্যাস অনুসরণ করার কারণে ডিম খেতে পারেন না, তাঁদের জন্য বিকল্প হিসেবে 'টোফু' খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন ড. শেঠি।
সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস
/এবি/

টানা দুই সপ্তাহ প্রতিদিন ডিম খেলে কী হয়?
লাইফস্টাইল ডেস্ক
স্বাস্থ্য সুরক্ষায় ও শরীর সচল রাখতে দৈনিক খাদ্যাভ্যাসে প্রোটিন থাকা বাধ্যতামূলক। তবে কেবল প্রোটিনের অভাব মেটানোই নয়, অন্যান্য শারীরিক পুষ্টির যোগান দিতে প্রোটিনের সঠিক উৎস বেছে নেওয়া জরুরি। সেই বহুমুখী প্রোটিনের অন্যতম সেরা উৎস হতে পারে ডিম।
এমস, হার্ভার্ড ও স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ভারতীয় গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজিস্ট ড. শেঠি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করা এক ভিডিওতে জানান, টানা দুই সপ্তাহ প্রতিদিন ডিম খেলে আমাদের শরীরে ঠিক কী ধরনের পরিবর্তন আসে। একই সঙ্গে ডিমের পুষ্টিগুণের নানা দিক তুলে ধরেন তিনি।
ড. শেঠির দেওয়া তথ্যানুযায়ী, একটি সম্পূর্ণ ডিমই প্রয়োজনীয় পুষ্টিগুণে ভরপুর। ডিমের কুসুমে থাকে প্রায় ২.৫ গ্রাম প্রোটিন এবং সাদা অংশে থাকে ৪ গ্রাম প্রোটিন। এটিকে তিনি ‘উচ্চমানের প্রোটিন’ হিসেবে অভিহিত করেছেন।
প্রতিদিনের খাদ্যাভ্যাসে ডিম অন্তর্ভুক্ত করলে শরীরে কী কী ইতিবাচক পরিবর্তন আসে, তার একটি তালিকা তুলে ধরেছেন এই চিকিৎসক:
১. দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখে
ডিমে এমন কিছু পুষ্টিকর উপাদান থাকে, যা চোখের বয়সজনিত সমস্যা প্রতিরোধ করে। ড. শেঠি জানান, ডিম চোখের ম্যাকুলার ডিজেনারেশন (ছানি পড়া ও রেটিনার কেন্দ্রীয় অংশের ক্ষতি) এবং ক্যাটারেক্ট বা ছানি পড়া প্রতিরোধে বিশেষ ভূমিকা রাখে। এসব উপাদান চোখের দৃষ্টিশক্তি ঝাপসা হওয়া থেকে রক্ষা করে।
২. মস্তিষ্ক সচল রাখে ও ফ্যাটি লিভার প্রতিরোধ করে
ডিমে প্রচুর পরিমাণে ‘কোলিন’ নামক উপাদান থাকে। এটি মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা বাড়ে এবং লিভারে অতিরিক্ত চর্বি জমতে দেয় না। বর্তমানে অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপনের কারণে ফ্যাটি লিভার অত্যন্ত সাধারণ সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। একই সঙ্গে মানসিক চাপ মোকাবিলায় মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা বজায় রাখতেও ডিম সাহায্য করে।
৩. কোলস্টেরল ও রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণ
অনেকেরই ধারণা, ডিম খেলে শরীরে ক্ষতিকর কোলস্টেরলের মাত্রা বাড়ে। তবে এই গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজিস্ট সেই ভুল ধারণা ভেঙে দিয়ে জানান, ডিম প্রকৃতপক্ষে শরীরের জন্য উপকারী ভালো কোলস্টেরল বা ‘এইচডিএল’-এর মাত্রা বাড়াতে সাহায্য করে।
তিনি আরও বলেন, "যদিও ডিমে প্রাকৃতিকভাবে কোলস্টেরলের পরিমাণ বেশি, তবে এটি শরীরে ভালো কোলস্টেরল বাড়ায়। এছাড়া সকালে নাস্তায় ডিম খেলে তা রক্তের শর্করা স্থিতিশীল রাখতে সাহায্য করে, যা আপনাকে সারাদিন কর্মক্ষম ও শক্তিময় রাখে।"
ভেগান বা নিরামিষাশীদের জন্য বিকল্প
যাঁরা নিরামিষাশী বা ভেগান খাদ্যাভ্যাস অনুসরণ করার কারণে ডিম খেতে পারেন না, তাঁদের জন্য বিকল্প হিসেবে 'টোফু' খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন ড. শেঠি।
সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস
/এবি/









