ইসরায়েলি হামলায় হামাসের নতুন সামরিক কমান্ডার নিহত

ইসরায়েলি হামলায় হামাসের নতুন সামরিক কমান্ডার নিহত
সিটিজেন ডেস্ক

গাজা উপত্যকার এক আবাসিক ভবনে ইসরায়েলি বিমান হামলায় ফিলিস্তিনের সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাসের নবনিযুক্ত সামরিক কমান্ডার মোহাম্মদ ওদেহ নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (২৬ মে) গাজা নগরীর একটি ব্যস্ত বাজার এলাকায় চালানো এই হামলায় ওদেহর পরিবারের সদস্যসহ আরও বেশ কয়েকজন হতাহত হন বলে স্থানীয় ও সামরিক সূত্রে নিশ্চিত করা হয়েছে। মে মাসের শুরুতে এক হামলায় তার পূর্বসূরি ইজ আদ–দীন আল–হাদ্দাদও নিহত হয়েছিলেন।
স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শী ও চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে যখন বাজারের আশপাশের রাস্তায় ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড় ছিল, ঠিক তখনই গাজা নগরীর কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত আল-কায়ালি ভবনের ওপরের তিনটি তলা লক্ষ্য করে হামলাটি চালানো হয়। ভিন্ন ভিন্ন দিক থেকে প্রায় একই সময়ে অন্তত পাঁচটি ক্ষেপণাস্ত্র ভবনটিতে আঘাত হানে। হামলার আগে আকাশে হেলিকপ্টার চক্কর দেওয়ার শব্দও শুনতে পান স্থানীয় বাসিন্দারা। এই ভয়াবহ হামলায় অন্তত ৩ ফিলিস্তিনি নিহত এবং আরও কয়েক ডজন মানুষ আহত হয়েছেন। ঘটনার পরপরই ধসে পড়া ধ্বংসস্তূপে উদ্ধার অভিযান শুরু করে সিভিল ডিফেন্স ও অ্যাম্বুলেন্স কর্মীরা।
ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) এবং অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা সংস্থা শিন বেত এক যৌথ বিবৃতিতে এ অভিযানের কথা স্বীকার করেছে। তাদের দাবি, ওদেহ ও তার সহযোগীদের গতিবিধির ওপর দীর্ঘ কয়েক মাস ধরে সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা নজরদারি চালানো হচ্ছিল। ওদেহ যে ভবনগুলোকে আত্মগোপনের আস্তানা হিসেবে ব্যবহার করছিলেন, সেগুলো নিশ্চিত হয়েই এ যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
এ হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে হামাসের পক্ষ থেকে এখনও কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া বা বিবৃতি দেওয়া হয়নি। তবে সংগঠনটির একটি স্থানীয় সূত্র এবং ওদেহর পারিবারিক সদস্যরা ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তারা জানান, মঙ্গলবারের হামলায় মোহাম্মদ ওদেহ ও তার স্ত্রী ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান। এছাড়া হামলায় গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকা তাদের প্রাপ্তবয়স্ক ছেলেও বুধবার (২৭ মে) সকালে মারা গেছেন। গত অক্টোবর মাসে ইসরায়েল-হামাসের মধ্যে একটি যুদ্ধবিরতি চুক্তি স্বাক্ষরিত হলেও গাজা উপত্যকায় প্রায় প্রতিদিনই এমন রক্তক্ষয়ী সহিংসতা ও হামলা অব্যাহত রয়েছে।
সূত্র: বিবিসি

গাজা উপত্যকার এক আবাসিক ভবনে ইসরায়েলি বিমান হামলায় ফিলিস্তিনের সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাসের নবনিযুক্ত সামরিক কমান্ডার মোহাম্মদ ওদেহ নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (২৬ মে) গাজা নগরীর একটি ব্যস্ত বাজার এলাকায় চালানো এই হামলায় ওদেহর পরিবারের সদস্যসহ আরও বেশ কয়েকজন হতাহত হন বলে স্থানীয় ও সামরিক সূত্রে নিশ্চিত করা হয়েছে। মে মাসের শুরুতে এক হামলায় তার পূর্বসূরি ইজ আদ–দীন আল–হাদ্দাদও নিহত হয়েছিলেন।
স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শী ও চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে যখন বাজারের আশপাশের রাস্তায় ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড় ছিল, ঠিক তখনই গাজা নগরীর কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত আল-কায়ালি ভবনের ওপরের তিনটি তলা লক্ষ্য করে হামলাটি চালানো হয়। ভিন্ন ভিন্ন দিক থেকে প্রায় একই সময়ে অন্তত পাঁচটি ক্ষেপণাস্ত্র ভবনটিতে আঘাত হানে। হামলার আগে আকাশে হেলিকপ্টার চক্কর দেওয়ার শব্দও শুনতে পান স্থানীয় বাসিন্দারা। এই ভয়াবহ হামলায় অন্তত ৩ ফিলিস্তিনি নিহত এবং আরও কয়েক ডজন মানুষ আহত হয়েছেন। ঘটনার পরপরই ধসে পড়া ধ্বংসস্তূপে উদ্ধার অভিযান শুরু করে সিভিল ডিফেন্স ও অ্যাম্বুলেন্স কর্মীরা।
ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) এবং অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা সংস্থা শিন বেত এক যৌথ বিবৃতিতে এ অভিযানের কথা স্বীকার করেছে। তাদের দাবি, ওদেহ ও তার সহযোগীদের গতিবিধির ওপর দীর্ঘ কয়েক মাস ধরে সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা নজরদারি চালানো হচ্ছিল। ওদেহ যে ভবনগুলোকে আত্মগোপনের আস্তানা হিসেবে ব্যবহার করছিলেন, সেগুলো নিশ্চিত হয়েই এ যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
এ হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে হামাসের পক্ষ থেকে এখনও কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া বা বিবৃতি দেওয়া হয়নি। তবে সংগঠনটির একটি স্থানীয় সূত্র এবং ওদেহর পারিবারিক সদস্যরা ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তারা জানান, মঙ্গলবারের হামলায় মোহাম্মদ ওদেহ ও তার স্ত্রী ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান। এছাড়া হামলায় গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকা তাদের প্রাপ্তবয়স্ক ছেলেও বুধবার (২৭ মে) সকালে মারা গেছেন। গত অক্টোবর মাসে ইসরায়েল-হামাসের মধ্যে একটি যুদ্ধবিরতি চুক্তি স্বাক্ষরিত হলেও গাজা উপত্যকায় প্রায় প্রতিদিনই এমন রক্তক্ষয়ী সহিংসতা ও হামলা অব্যাহত রয়েছে।
সূত্র: বিবিসি

ইসরায়েলি হামলায় হামাসের নতুন সামরিক কমান্ডার নিহত
সিটিজেন ডেস্ক

গাজা উপত্যকার এক আবাসিক ভবনে ইসরায়েলি বিমান হামলায় ফিলিস্তিনের সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাসের নবনিযুক্ত সামরিক কমান্ডার মোহাম্মদ ওদেহ নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (২৬ মে) গাজা নগরীর একটি ব্যস্ত বাজার এলাকায় চালানো এই হামলায় ওদেহর পরিবারের সদস্যসহ আরও বেশ কয়েকজন হতাহত হন বলে স্থানীয় ও সামরিক সূত্রে নিশ্চিত করা হয়েছে। মে মাসের শুরুতে এক হামলায় তার পূর্বসূরি ইজ আদ–দীন আল–হাদ্দাদও নিহত হয়েছিলেন।
স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শী ও চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে যখন বাজারের আশপাশের রাস্তায় ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড় ছিল, ঠিক তখনই গাজা নগরীর কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত আল-কায়ালি ভবনের ওপরের তিনটি তলা লক্ষ্য করে হামলাটি চালানো হয়। ভিন্ন ভিন্ন দিক থেকে প্রায় একই সময়ে অন্তত পাঁচটি ক্ষেপণাস্ত্র ভবনটিতে আঘাত হানে। হামলার আগে আকাশে হেলিকপ্টার চক্কর দেওয়ার শব্দও শুনতে পান স্থানীয় বাসিন্দারা। এই ভয়াবহ হামলায় অন্তত ৩ ফিলিস্তিনি নিহত এবং আরও কয়েক ডজন মানুষ আহত হয়েছেন। ঘটনার পরপরই ধসে পড়া ধ্বংসস্তূপে উদ্ধার অভিযান শুরু করে সিভিল ডিফেন্স ও অ্যাম্বুলেন্স কর্মীরা।
ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) এবং অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা সংস্থা শিন বেত এক যৌথ বিবৃতিতে এ অভিযানের কথা স্বীকার করেছে। তাদের দাবি, ওদেহ ও তার সহযোগীদের গতিবিধির ওপর দীর্ঘ কয়েক মাস ধরে সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা নজরদারি চালানো হচ্ছিল। ওদেহ যে ভবনগুলোকে আত্মগোপনের আস্তানা হিসেবে ব্যবহার করছিলেন, সেগুলো নিশ্চিত হয়েই এ যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
এ হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে হামাসের পক্ষ থেকে এখনও কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া বা বিবৃতি দেওয়া হয়নি। তবে সংগঠনটির একটি স্থানীয় সূত্র এবং ওদেহর পারিবারিক সদস্যরা ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তারা জানান, মঙ্গলবারের হামলায় মোহাম্মদ ওদেহ ও তার স্ত্রী ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান। এছাড়া হামলায় গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকা তাদের প্রাপ্তবয়স্ক ছেলেও বুধবার (২৭ মে) সকালে মারা গেছেন। গত অক্টোবর মাসে ইসরায়েল-হামাসের মধ্যে একটি যুদ্ধবিরতি চুক্তি স্বাক্ষরিত হলেও গাজা উপত্যকায় প্রায় প্রতিদিনই এমন রক্তক্ষয়ী সহিংসতা ও হামলা অব্যাহত রয়েছে।
সূত্র: বিবিসি

গাজায় ইসরায়েলি হামলায় নিহত বেড়ে ৬

