ফিলিস্তিনিদের জন্য নতুন ফাঁসির মঞ্চ বানাচ্ছে ইসরায়েল

ফিলিস্তিনিদের জন্য নতুন ফাঁসির মঞ্চ বানাচ্ছে ইসরায়েল
সিজেডএন ডেস্ক

সন্ত্রাসবাদের অভিযোগে দণ্ডপ্রাপ্ত ফিলিস্তিনিদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকরে নতুন একটি ফাঁসির মঞ্চ তৈরি করছে ইসরায়েল। দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তির ফাঁসি সরাসরি দেখার জন্য পরিবারের সদস্যদের জন্য একটি বিশেষ বুথ বা গ্যালারির ব্যবস্থাও রাখা হচ্ছে। ইসরায়েলের উগ্র ডানপন্থি জাতীয় নিরাপত্তা মন্ত্রী ইতামার বেন গভির সম্প্রতি নির্মাণাধীন স্থানটি পরিদর্শনের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
ভিডিওতে বেন গভির বলেন, ‘আমি কারাগারে সন্ত্রাসীদের অবস্থা আরও শোচনীয় করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম, আমরা তা রেখেছি। আমি সন্ত্রাসীদের জন্য মৃত্যুদণ্ড আইন পাস করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম, আমরা তা করেছি। আর এখন মৃত্যুদণ্ড এবং ফাঁসি কার্যকরের কেন্দ্রটিও রূপ নিতে শুরু করেছে।’
চলতি বছরের মার্চে ইসরায়েলি পার্লামেন্ট নেসেটে ‘সন্ত্রাসীদের জন্য মৃত্যুদণ্ড আইন’ পাস হয়। আইনটির মাধ্যমে সামরিক আদালতগুলোকে মারাত্মক হামলায় অভিযুক্ত ফিলিস্তিনিদের মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার বাধ্যবাধকতা তৈরি করা হয়েছে। এটি মূলত ফিলিস্তিনিদের লক্ষ্য করেই প্রয়োগ করা হবে বলে জানা গেছে। সম্প্রতি প্রকাশিত ছবিতে একটি কারাগারের কাছের ঘেরাও করা স্থানে এ ফাঁসির মঞ্চের নির্মাণকাজ চলতে দেখা যায়।
ইসরায়েলের ডানপন্থি এই নেতা তার চরম আরব ও ফিলিস্তিন বিরোধী অবস্থানের জন্য পরিচিত। তার দায়িত্বকালে ফিলিস্তিনি বন্দিদের ওপর অমানবিক অত্যাচার এবং খাবার কম দেওয়ার মতো অভিযোগ উঠে এসেছে। ক্রমাগত চরমপন্থি বক্তব্য ও বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের কারণে ফ্রান্স, আয়ারল্যান্ড ও যুক্তরাজ্যের মতো দেশগুলো ইতোমধ্যেই তার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে।
সূত্র: ইয়াহু নিউজ

সন্ত্রাসবাদের অভিযোগে দণ্ডপ্রাপ্ত ফিলিস্তিনিদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকরে নতুন একটি ফাঁসির মঞ্চ তৈরি করছে ইসরায়েল। দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তির ফাঁসি সরাসরি দেখার জন্য পরিবারের সদস্যদের জন্য একটি বিশেষ বুথ বা গ্যালারির ব্যবস্থাও রাখা হচ্ছে। ইসরায়েলের উগ্র ডানপন্থি জাতীয় নিরাপত্তা মন্ত্রী ইতামার বেন গভির সম্প্রতি নির্মাণাধীন স্থানটি পরিদর্শনের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
ভিডিওতে বেন গভির বলেন, ‘আমি কারাগারে সন্ত্রাসীদের অবস্থা আরও শোচনীয় করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম, আমরা তা রেখেছি। আমি সন্ত্রাসীদের জন্য মৃত্যুদণ্ড আইন পাস করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম, আমরা তা করেছি। আর এখন মৃত্যুদণ্ড এবং ফাঁসি কার্যকরের কেন্দ্রটিও রূপ নিতে শুরু করেছে।’
চলতি বছরের মার্চে ইসরায়েলি পার্লামেন্ট নেসেটে ‘সন্ত্রাসীদের জন্য মৃত্যুদণ্ড আইন’ পাস হয়। আইনটির মাধ্যমে সামরিক আদালতগুলোকে মারাত্মক হামলায় অভিযুক্ত ফিলিস্তিনিদের মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার বাধ্যবাধকতা তৈরি করা হয়েছে। এটি মূলত ফিলিস্তিনিদের লক্ষ্য করেই প্রয়োগ করা হবে বলে জানা গেছে। সম্প্রতি প্রকাশিত ছবিতে একটি কারাগারের কাছের ঘেরাও করা স্থানে এ ফাঁসির মঞ্চের নির্মাণকাজ চলতে দেখা যায়।
ইসরায়েলের ডানপন্থি এই নেতা তার চরম আরব ও ফিলিস্তিন বিরোধী অবস্থানের জন্য পরিচিত। তার দায়িত্বকালে ফিলিস্তিনি বন্দিদের ওপর অমানবিক অত্যাচার এবং খাবার কম দেওয়ার মতো অভিযোগ উঠে এসেছে। ক্রমাগত চরমপন্থি বক্তব্য ও বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের কারণে ফ্রান্স, আয়ারল্যান্ড ও যুক্তরাজ্যের মতো দেশগুলো ইতোমধ্যেই তার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে।
সূত্র: ইয়াহু নিউজ

ফিলিস্তিনিদের জন্য নতুন ফাঁসির মঞ্চ বানাচ্ছে ইসরায়েল
সিজেডএন ডেস্ক

সন্ত্রাসবাদের অভিযোগে দণ্ডপ্রাপ্ত ফিলিস্তিনিদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকরে নতুন একটি ফাঁসির মঞ্চ তৈরি করছে ইসরায়েল। দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তির ফাঁসি সরাসরি দেখার জন্য পরিবারের সদস্যদের জন্য একটি বিশেষ বুথ বা গ্যালারির ব্যবস্থাও রাখা হচ্ছে। ইসরায়েলের উগ্র ডানপন্থি জাতীয় নিরাপত্তা মন্ত্রী ইতামার বেন গভির সম্প্রতি নির্মাণাধীন স্থানটি পরিদর্শনের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
ভিডিওতে বেন গভির বলেন, ‘আমি কারাগারে সন্ত্রাসীদের অবস্থা আরও শোচনীয় করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম, আমরা তা রেখেছি। আমি সন্ত্রাসীদের জন্য মৃত্যুদণ্ড আইন পাস করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম, আমরা তা করেছি। আর এখন মৃত্যুদণ্ড এবং ফাঁসি কার্যকরের কেন্দ্রটিও রূপ নিতে শুরু করেছে।’
চলতি বছরের মার্চে ইসরায়েলি পার্লামেন্ট নেসেটে ‘সন্ত্রাসীদের জন্য মৃত্যুদণ্ড আইন’ পাস হয়। আইনটির মাধ্যমে সামরিক আদালতগুলোকে মারাত্মক হামলায় অভিযুক্ত ফিলিস্তিনিদের মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার বাধ্যবাধকতা তৈরি করা হয়েছে। এটি মূলত ফিলিস্তিনিদের লক্ষ্য করেই প্রয়োগ করা হবে বলে জানা গেছে। সম্প্রতি প্রকাশিত ছবিতে একটি কারাগারের কাছের ঘেরাও করা স্থানে এ ফাঁসির মঞ্চের নির্মাণকাজ চলতে দেখা যায়।
ইসরায়েলের ডানপন্থি এই নেতা তার চরম আরব ও ফিলিস্তিন বিরোধী অবস্থানের জন্য পরিচিত। তার দায়িত্বকালে ফিলিস্তিনি বন্দিদের ওপর অমানবিক অত্যাচার এবং খাবার কম দেওয়ার মতো অভিযোগ উঠে এসেছে। ক্রমাগত চরমপন্থি বক্তব্য ও বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের কারণে ফ্রান্স, আয়ারল্যান্ড ও যুক্তরাজ্যের মতো দেশগুলো ইতোমধ্যেই তার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে।
সূত্র: ইয়াহু নিউজ

পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি বাহিনীর তাণ্ডব, সাংবাদিকসহ ৩০ ফিলিস্তিনি গ্রেপ্তার





