চট্টগ্রাম বন্দরের সব জায়গা দখলমুক্ত থাকবে: নৌমন্ত্রী

চট্টগ্রাম বন্দরের সব জায়গা দখলমুক্ত থাকবে: নৌমন্ত্রী
নিজস্ব প্রতিবেদক

আগামী দুই মাসের মধ্যে দখলকৃত সব জায়গা উদ্ধার করে চট্টগ্রাম বন্দরকে পুরোপুরি দখলমুক্ত করা হবে বলে সংসদকে আশ্বস্ত করেছেন নৌপরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) সংসদ অধিবেশনে চট্টগ্রাম-১৫ আসনের এমপি শাহজাহান চৌধুরীর এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।
এদিন শাহজাহান চৌধুরী চট্টগ্রাম বন্দরের বিভিন্ন জায়গা অবৈধভাবে লিজ দেওয়া ও দখলের বিষয়টি তুলে ধরে সেগুলো দ্রুত উদ্ধারের বিষয়ে জানতে চান।
জবাবে নৌপরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বলেন, চট্টগ্রাম বন্দরের কয়েকটি জায়গার লিজ ইতোমধ্যে বাতিল করা হয়েছে। তিনটি জায়গার লিজ বাতিলের পর এর মধ্যে দুটি জায়গা উদ্ধার করা হয়েছে। অপর জায়গার বিষয়টি আদালতে রয়েছে।
তিনি বলেন, চট্টগ্রাম বন্দরের কিছু জায়গা নিয়ে রেল মন্ত্রণালয় ও নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের মধ্যে মালিকানা-সংক্রান্ত জটিলতা রয়েছে। সম্প্রতি চট্টগ্রাম সফরের সময় বিষয়টি বিস্তারিত শুনে তিনি প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত দিয়েছেন। আদালতে থাকা বিষয়গুলো আরবিট্রেশনের মাধ্যমে নিষ্পত্তি করা হবে। আগামী দুই মাসের মধ্যে চট্টগ্রাম বন্দরের কোনো জায়গা আর দখলকৃত থাকবে না।
চট্টগ্রাম বন্দরের কার্যক্রমের অগ্রগতি তুলে ধরে শেখ রবিউল বলেন, বর্তমানে কোনো জাহাজকে পণ্য খালাসের জন্য দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হচ্ছে না। বার্থ বা ডিপ সিতে অবস্থানরত জাহাজ দুই দিনের মধ্যে পণ্য খালাস ও পুনরায় পণ্য লোড করে ছেড়ে যেতে পারছে। আগে এ কাজে ৮ থেকে ১০ দিন সময় লাগত।
তিনি বলেন, চট্টগ্রাম ও মোংলা বন্দর বর্তমানে রেকর্ড পরিমাণ রাজস্ব আদায় ও কনটেইনার ওঠানামা করছে। পতেঙ্গা কনটেইনার টার্মিনাল আন্তর্জাতিক মানে পরিচালিত হচ্ছে। লালদিয়া কনটেইনার টার্মিনালও পিপিপি পদ্ধতিতে উন্নয়ন করা হচ্ছে। সেখানে প্রায় ৮০ কোটি ডলারের বিনিয়োগ আসছে এবং প্রায় ৩ হাজার মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে।

আগামী দুই মাসের মধ্যে দখলকৃত সব জায়গা উদ্ধার করে চট্টগ্রাম বন্দরকে পুরোপুরি দখলমুক্ত করা হবে বলে সংসদকে আশ্বস্ত করেছেন নৌপরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) সংসদ অধিবেশনে চট্টগ্রাম-১৫ আসনের এমপি শাহজাহান চৌধুরীর এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।
এদিন শাহজাহান চৌধুরী চট্টগ্রাম বন্দরের বিভিন্ন জায়গা অবৈধভাবে লিজ দেওয়া ও দখলের বিষয়টি তুলে ধরে সেগুলো দ্রুত উদ্ধারের বিষয়ে জানতে চান।
জবাবে নৌপরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বলেন, চট্টগ্রাম বন্দরের কয়েকটি জায়গার লিজ ইতোমধ্যে বাতিল করা হয়েছে। তিনটি জায়গার লিজ বাতিলের পর এর মধ্যে দুটি জায়গা উদ্ধার করা হয়েছে। অপর জায়গার বিষয়টি আদালতে রয়েছে।
তিনি বলেন, চট্টগ্রাম বন্দরের কিছু জায়গা নিয়ে রেল মন্ত্রণালয় ও নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের মধ্যে মালিকানা-সংক্রান্ত জটিলতা রয়েছে। সম্প্রতি চট্টগ্রাম সফরের সময় বিষয়টি বিস্তারিত শুনে তিনি প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত দিয়েছেন। আদালতে থাকা বিষয়গুলো আরবিট্রেশনের মাধ্যমে নিষ্পত্তি করা হবে। আগামী দুই মাসের মধ্যে চট্টগ্রাম বন্দরের কোনো জায়গা আর দখলকৃত থাকবে না।
চট্টগ্রাম বন্দরের কার্যক্রমের অগ্রগতি তুলে ধরে শেখ রবিউল বলেন, বর্তমানে কোনো জাহাজকে পণ্য খালাসের জন্য দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হচ্ছে না। বার্থ বা ডিপ সিতে অবস্থানরত জাহাজ দুই দিনের মধ্যে পণ্য খালাস ও পুনরায় পণ্য লোড করে ছেড়ে যেতে পারছে। আগে এ কাজে ৮ থেকে ১০ দিন সময় লাগত।
তিনি বলেন, চট্টগ্রাম ও মোংলা বন্দর বর্তমানে রেকর্ড পরিমাণ রাজস্ব আদায় ও কনটেইনার ওঠানামা করছে। পতেঙ্গা কনটেইনার টার্মিনাল আন্তর্জাতিক মানে পরিচালিত হচ্ছে। লালদিয়া কনটেইনার টার্মিনালও পিপিপি পদ্ধতিতে উন্নয়ন করা হচ্ছে। সেখানে প্রায় ৮০ কোটি ডলারের বিনিয়োগ আসছে এবং প্রায় ৩ হাজার মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে।

চট্টগ্রাম বন্দরের সব জায়গা দখলমুক্ত থাকবে: নৌমন্ত্রী
নিজস্ব প্রতিবেদক

আগামী দুই মাসের মধ্যে দখলকৃত সব জায়গা উদ্ধার করে চট্টগ্রাম বন্দরকে পুরোপুরি দখলমুক্ত করা হবে বলে সংসদকে আশ্বস্ত করেছেন নৌপরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) সংসদ অধিবেশনে চট্টগ্রাম-১৫ আসনের এমপি শাহজাহান চৌধুরীর এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।
এদিন শাহজাহান চৌধুরী চট্টগ্রাম বন্দরের বিভিন্ন জায়গা অবৈধভাবে লিজ দেওয়া ও দখলের বিষয়টি তুলে ধরে সেগুলো দ্রুত উদ্ধারের বিষয়ে জানতে চান।
জবাবে নৌপরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বলেন, চট্টগ্রাম বন্দরের কয়েকটি জায়গার লিজ ইতোমধ্যে বাতিল করা হয়েছে। তিনটি জায়গার লিজ বাতিলের পর এর মধ্যে দুটি জায়গা উদ্ধার করা হয়েছে। অপর জায়গার বিষয়টি আদালতে রয়েছে।
তিনি বলেন, চট্টগ্রাম বন্দরের কিছু জায়গা নিয়ে রেল মন্ত্রণালয় ও নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের মধ্যে মালিকানা-সংক্রান্ত জটিলতা রয়েছে। সম্প্রতি চট্টগ্রাম সফরের সময় বিষয়টি বিস্তারিত শুনে তিনি প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত দিয়েছেন। আদালতে থাকা বিষয়গুলো আরবিট্রেশনের মাধ্যমে নিষ্পত্তি করা হবে। আগামী দুই মাসের মধ্যে চট্টগ্রাম বন্দরের কোনো জায়গা আর দখলকৃত থাকবে না।
চট্টগ্রাম বন্দরের কার্যক্রমের অগ্রগতি তুলে ধরে শেখ রবিউল বলেন, বর্তমানে কোনো জাহাজকে পণ্য খালাসের জন্য দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হচ্ছে না। বার্থ বা ডিপ সিতে অবস্থানরত জাহাজ দুই দিনের মধ্যে পণ্য খালাস ও পুনরায় পণ্য লোড করে ছেড়ে যেতে পারছে। আগে এ কাজে ৮ থেকে ১০ দিন সময় লাগত।
তিনি বলেন, চট্টগ্রাম ও মোংলা বন্দর বর্তমানে রেকর্ড পরিমাণ রাজস্ব আদায় ও কনটেইনার ওঠানামা করছে। পতেঙ্গা কনটেইনার টার্মিনাল আন্তর্জাতিক মানে পরিচালিত হচ্ছে। লালদিয়া কনটেইনার টার্মিনালও পিপিপি পদ্ধতিতে উন্নয়ন করা হচ্ছে। সেখানে প্রায় ৮০ কোটি ডলারের বিনিয়োগ আসছে এবং প্রায় ৩ হাজার মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে।

অটোরিকশায় অবৈধ বিদ্যুৎ ব্যবহারে বছরে ৪ হাজার কোটি টাকার রাজস্ব ক্ষতি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী







