ইসরায়েল-লেবাননের মধ্যে ১৪ দফা চুক্তি স্বাক্ষর

ইসরায়েল-লেবাননের মধ্যে ১৪ দফা চুক্তি স্বাক্ষর
সিজেডএন ডেস্ক

যুদ্ধবিরতি সত্ত্বেও দীর্ঘ ৪ মাসের অধিক সময় ধরে লেবাননে হামলা চালিয়ে যাচ্ছে দখলদার ইসরায়েল। যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় কয়েক দিনের আলোচনার পর ওয়াশিংটনে ইসরায়েল ও লেবানন একটি ‘কাঠামোগত (ফ্রেমওয়ার্ক)’ ১৪ দফা চুক্তিতে সই করেছে। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেন, এই চুক্তি দুই দেশের মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি শান্তি ও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠার ভিত্তি তৈরি করবে।
তবে চুক্তি সই হলেও দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি বাহিনী ও ইরান-সমর্থিত হিজবুল্লাহর মধ্যে সংঘর্ষ এখনও চলমান রয়েছে। বিদ্যমান যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকলেও উত্তেজনা পুরোপুরি কমেনি। এছাড়া ইসরায়েল বারবার চুক্তি লঙ্ঘন করেছে, যা চুক্তির ভবিষ্যত নিয়ে সংশয় তৈরি করেছে।
এদিকে শুক্রবারের (২৬ জুন) এই চুক্তিতে হিজবুল্লাহ অংশ নেয়নি। ফলে দক্ষিণ লেবাননের লিতানি নদীর দক্ষিণাঞ্চল থেকে তারা যোদ্ধা সরিয়ে নেবে কি না, তা এখনও অনিশ্চিত।
ওয়াশিংটনের আশঙ্কা ছিল, ইসরায়েল-হিজবুল্লাহ সংঘাত অব্যাহত থাকলে ইরানের সঙ্গে হওয়া শান্তি সমঝোতা বাধাগ্রস্ত হতে পারে। ওই সমঝোতায় লেবাননসহ সব ফ্রন্টে সংঘর্ষ বন্ধের অঙ্গীকার রয়েছে।
কী আছে চুক্তিতে
১৪ দফার এই চুক্তিতে উভয় দেশ একে অপরের শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের অধিকার স্বীকার করেছে। পাশাপাশি নিরাপদ ও সার্বভৌম প্রতিবেশী রাষ্ট্র হিসেবে একসঙ্গে বসবাসের ইচ্ছার কথাও জানিয়েছে।
লেবানন ও ইসরায়েল আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক ও আইনি অঙ্গনে একে অপরের বিরুদ্ধে শত্রুতামূলক কার্যক্রম বন্ধ রাখার অঙ্গীকার করেছে। এছাড়া বন্দিদের মুক্তি এবং নিহতদের মরদেহ ফেরত দেওয়ার বিষয়েও একসঙ্গে কাজ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।
তবে প্রয়োজনে আত্মরক্ষার অধিকার থেকে কোনো দেশই বঞ্চিত হবে না বলে চুক্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
চুক্তি অনুযায়ী, লেবাননের সশস্ত্র বাহিনী (এলএএফ) পুরো দেশের ওপর কার্যকর রাষ্ট্রীয় নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করবে। তবে তার আগে অ-রাষ্ট্রীয় সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর নিরস্ত্রীকরণ এবং তাদের অবকাঠামো ভেঙে ফেলা হবে। এর অর্থ হলো হিজবুল্লাহকে অস্ত্র সমর্পণ করতে হবে।
এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে আন্তর্জাতিক ও বিশেষ করে আরব দেশগুলোর সহায়তা চেয়েছে লেবানন। চুক্তি বাস্তবায়নের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তায় একটি সামরিক সমন্বয়কারী দল গঠন করা হবে।
কূটনৈতিকভাবে এই চুক্তি ইতিবাচক অগ্রগতি হলেও লেবাননের পরিস্থিতিতে বড় কোনো পরিবর্তনের লক্ষণ এখনো দেখা যাচ্ছে না।
সূত্র: বিবিসি

যুদ্ধবিরতি সত্ত্বেও দীর্ঘ ৪ মাসের অধিক সময় ধরে লেবাননে হামলা চালিয়ে যাচ্ছে দখলদার ইসরায়েল। যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় কয়েক দিনের আলোচনার পর ওয়াশিংটনে ইসরায়েল ও লেবানন একটি ‘কাঠামোগত (ফ্রেমওয়ার্ক)’ ১৪ দফা চুক্তিতে সই করেছে। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেন, এই চুক্তি দুই দেশের মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি শান্তি ও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠার ভিত্তি তৈরি করবে।
তবে চুক্তি সই হলেও দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি বাহিনী ও ইরান-সমর্থিত হিজবুল্লাহর মধ্যে সংঘর্ষ এখনও চলমান রয়েছে। বিদ্যমান যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকলেও উত্তেজনা পুরোপুরি কমেনি। এছাড়া ইসরায়েল বারবার চুক্তি লঙ্ঘন করেছে, যা চুক্তির ভবিষ্যত নিয়ে সংশয় তৈরি করেছে।
এদিকে শুক্রবারের (২৬ জুন) এই চুক্তিতে হিজবুল্লাহ অংশ নেয়নি। ফলে দক্ষিণ লেবাননের লিতানি নদীর দক্ষিণাঞ্চল থেকে তারা যোদ্ধা সরিয়ে নেবে কি না, তা এখনও অনিশ্চিত।
ওয়াশিংটনের আশঙ্কা ছিল, ইসরায়েল-হিজবুল্লাহ সংঘাত অব্যাহত থাকলে ইরানের সঙ্গে হওয়া শান্তি সমঝোতা বাধাগ্রস্ত হতে পারে। ওই সমঝোতায় লেবাননসহ সব ফ্রন্টে সংঘর্ষ বন্ধের অঙ্গীকার রয়েছে।
কী আছে চুক্তিতে
১৪ দফার এই চুক্তিতে উভয় দেশ একে অপরের শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের অধিকার স্বীকার করেছে। পাশাপাশি নিরাপদ ও সার্বভৌম প্রতিবেশী রাষ্ট্র হিসেবে একসঙ্গে বসবাসের ইচ্ছার কথাও জানিয়েছে।
লেবানন ও ইসরায়েল আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক ও আইনি অঙ্গনে একে অপরের বিরুদ্ধে শত্রুতামূলক কার্যক্রম বন্ধ রাখার অঙ্গীকার করেছে। এছাড়া বন্দিদের মুক্তি এবং নিহতদের মরদেহ ফেরত দেওয়ার বিষয়েও একসঙ্গে কাজ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।
তবে প্রয়োজনে আত্মরক্ষার অধিকার থেকে কোনো দেশই বঞ্চিত হবে না বলে চুক্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
চুক্তি অনুযায়ী, লেবাননের সশস্ত্র বাহিনী (এলএএফ) পুরো দেশের ওপর কার্যকর রাষ্ট্রীয় নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করবে। তবে তার আগে অ-রাষ্ট্রীয় সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর নিরস্ত্রীকরণ এবং তাদের অবকাঠামো ভেঙে ফেলা হবে। এর অর্থ হলো হিজবুল্লাহকে অস্ত্র সমর্পণ করতে হবে।
এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে আন্তর্জাতিক ও বিশেষ করে আরব দেশগুলোর সহায়তা চেয়েছে লেবানন। চুক্তি বাস্তবায়নের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তায় একটি সামরিক সমন্বয়কারী দল গঠন করা হবে।
কূটনৈতিকভাবে এই চুক্তি ইতিবাচক অগ্রগতি হলেও লেবাননের পরিস্থিতিতে বড় কোনো পরিবর্তনের লক্ষণ এখনো দেখা যাচ্ছে না।
সূত্র: বিবিসি

ইসরায়েল-লেবাননের মধ্যে ১৪ দফা চুক্তি স্বাক্ষর
সিজেডএন ডেস্ক

যুদ্ধবিরতি সত্ত্বেও দীর্ঘ ৪ মাসের অধিক সময় ধরে লেবাননে হামলা চালিয়ে যাচ্ছে দখলদার ইসরায়েল। যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় কয়েক দিনের আলোচনার পর ওয়াশিংটনে ইসরায়েল ও লেবানন একটি ‘কাঠামোগত (ফ্রেমওয়ার্ক)’ ১৪ দফা চুক্তিতে সই করেছে। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেন, এই চুক্তি দুই দেশের মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি শান্তি ও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠার ভিত্তি তৈরি করবে।
তবে চুক্তি সই হলেও দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি বাহিনী ও ইরান-সমর্থিত হিজবুল্লাহর মধ্যে সংঘর্ষ এখনও চলমান রয়েছে। বিদ্যমান যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকলেও উত্তেজনা পুরোপুরি কমেনি। এছাড়া ইসরায়েল বারবার চুক্তি লঙ্ঘন করেছে, যা চুক্তির ভবিষ্যত নিয়ে সংশয় তৈরি করেছে।
এদিকে শুক্রবারের (২৬ জুন) এই চুক্তিতে হিজবুল্লাহ অংশ নেয়নি। ফলে দক্ষিণ লেবাননের লিতানি নদীর দক্ষিণাঞ্চল থেকে তারা যোদ্ধা সরিয়ে নেবে কি না, তা এখনও অনিশ্চিত।
ওয়াশিংটনের আশঙ্কা ছিল, ইসরায়েল-হিজবুল্লাহ সংঘাত অব্যাহত থাকলে ইরানের সঙ্গে হওয়া শান্তি সমঝোতা বাধাগ্রস্ত হতে পারে। ওই সমঝোতায় লেবাননসহ সব ফ্রন্টে সংঘর্ষ বন্ধের অঙ্গীকার রয়েছে।
কী আছে চুক্তিতে
১৪ দফার এই চুক্তিতে উভয় দেশ একে অপরের শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের অধিকার স্বীকার করেছে। পাশাপাশি নিরাপদ ও সার্বভৌম প্রতিবেশী রাষ্ট্র হিসেবে একসঙ্গে বসবাসের ইচ্ছার কথাও জানিয়েছে।
লেবানন ও ইসরায়েল আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক ও আইনি অঙ্গনে একে অপরের বিরুদ্ধে শত্রুতামূলক কার্যক্রম বন্ধ রাখার অঙ্গীকার করেছে। এছাড়া বন্দিদের মুক্তি এবং নিহতদের মরদেহ ফেরত দেওয়ার বিষয়েও একসঙ্গে কাজ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।
তবে প্রয়োজনে আত্মরক্ষার অধিকার থেকে কোনো দেশই বঞ্চিত হবে না বলে চুক্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
চুক্তি অনুযায়ী, লেবাননের সশস্ত্র বাহিনী (এলএএফ) পুরো দেশের ওপর কার্যকর রাষ্ট্রীয় নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করবে। তবে তার আগে অ-রাষ্ট্রীয় সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর নিরস্ত্রীকরণ এবং তাদের অবকাঠামো ভেঙে ফেলা হবে। এর অর্থ হলো হিজবুল্লাহকে অস্ত্র সমর্পণ করতে হবে।
এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে আন্তর্জাতিক ও বিশেষ করে আরব দেশগুলোর সহায়তা চেয়েছে লেবানন। চুক্তি বাস্তবায়নের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তায় একটি সামরিক সমন্বয়কারী দল গঠন করা হবে।
কূটনৈতিকভাবে এই চুক্তি ইতিবাচক অগ্রগতি হলেও লেবাননের পরিস্থিতিতে বড় কোনো পরিবর্তনের লক্ষণ এখনো দেখা যাচ্ছে না।
সূত্র: বিবিসি

দক্ষিণ লেবাননে সংঘর্ষে ৪ ইসরায়েলি সৈন্য আহত
ইরানের কাছে লেবানন কেন এত গুরুত্বপূর্ণ

