গাজা ইস্যুতে জাতিসংঘে কোণঠাসা ইসরায়েল

গাজা ইস্যুতে জাতিসংঘে কোণঠাসা ইসরায়েল
সিজেডএন ডেস্ক

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের বার্ষিক অধিবেশনে এবার আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল গাজা সংঘাত। এ বৈশ্বিক মঞ্চে ফিলিস্তিনের গাজা ও পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি সামরিক অভিযানের বিরুদ্ধে তীব্র সমালোচনার ঝড় উঠেছে। প্রায় তিন বছর ধরে চলা সংঘাতের কারণে বিশ্বজুড়ে ইসরায়েল এখন নজিরবিহীন কূটনৈতিক ও আন্তর্জাতিক চাপের মুখে পড়েছে।
সম্মেলনে যোগ দেওয়া বিশ্বনেতারা গাজার চলমান পরিস্থিতিকে ‘যুদ্ধাপরাধ’, ‘জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুতি’, ‘গণহত্যা’ এবং ‘কনসেনট্রেশন ক্যাম্প’-এর সঙ্গে তুলনা করেছেন। জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস গাজায় ফিলিস্তিনিদের ওপর চালানো ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞের সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, পশ্চিম তীরে বসতি সম্প্রসারণ এবং সহিংসতা যেভাবে বাড়ছে, তাতে সেখানে ‘জাতিগত নিধন’র পরিষ্কার ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে।
তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোগান গাজাকে ‘শিশুদের জন্য বিশ্বের বৃহত্তম কবরস্থান’ ও ‘কনসেনট্রেশন ক্যাম্প’ হিসেবে উল্লেখ করেন। কাতার ও জর্ডানের শীর্ষ নেতারাও গাজার ধ্বংসযজ্ঞকে গণহত্যা এবং ফিলিস্তিনিদের অস্তিত্ব মুছে ফেলার একটি গভীর চক্রান্ত বলে অভিহিত করেছেন। বিশেষ করে কাতারের আমীর অবিলম্বে ইসরায়েলকে সব ধরনের সামরিক অভিযান বন্ধ করে গাজা থেকে সেনা প্রত্যাহারের জোরালো দাবি জানান।
লক্ষণীয় বিষয় হলো, শুধু আরব বা মুসলিম দেশগুলোই নয়, ইসরায়েলের ঐতিহ্যবাহী পশ্চিমা মিত্ররাও এবার তাদের নীতির খোলামেলা সমালোচনা করেছে। ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ গাজায় মানবিক করিডোর খুলে না দেওয়ায় গভীর ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তিনি মন্তব্য করেন, পশ্চিম তীরে ইসরায়েলের বর্তমান নীতি নিরাপত্তার পরিবর্তে উল্টো হুমকি আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে। যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহামও হামাসের হামলার নিন্দা জানান। তিনি আরও বলেন, এ হামলা গাজা ও পশ্চিম তীরে ইসরায়েলের কর্মকাণ্ডকে কোনোভাবেই বৈধতা দেয় না। এ ছাড়া ব্রাজিল ও সিরিয়াসহ বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রপ্রধানরাও ইসরায়েলি সরকারের কড়া সমালোচনা করেছেন।
বক্তব্যের মঞ্চ ছাড়িয়ে এ কূটনৈতিক অসন্তোষ এখন বাস্তব পদক্ষেপে রূপ নিতে শুরু করেছে। কাতার, মিশর ও জর্ডানসহ আরব ও মুসলিম বিশ্বের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা গাজার চলমান মানবিক সংকট মোকাবিলায় জরুরি বৈঠকে বসেছেন। শুধু তাই নয়, ব্রিটেন, ফ্রান্স ও কানাডাসহ ১২টি পশ্চিমা দেশ ইসরায়েলি বসতি অঞ্চল থেকে আসা পণ্যের বাণিজ্যের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে।
সূত্র: ওয়াইনেট নিউজ

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের বার্ষিক অধিবেশনে এবার আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল গাজা সংঘাত। এ বৈশ্বিক মঞ্চে ফিলিস্তিনের গাজা ও পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি সামরিক অভিযানের বিরুদ্ধে তীব্র সমালোচনার ঝড় উঠেছে। প্রায় তিন বছর ধরে চলা সংঘাতের কারণে বিশ্বজুড়ে ইসরায়েল এখন নজিরবিহীন কূটনৈতিক ও আন্তর্জাতিক চাপের মুখে পড়েছে।
সম্মেলনে যোগ দেওয়া বিশ্বনেতারা গাজার চলমান পরিস্থিতিকে ‘যুদ্ধাপরাধ’, ‘জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুতি’, ‘গণহত্যা’ এবং ‘কনসেনট্রেশন ক্যাম্প’-এর সঙ্গে তুলনা করেছেন। জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস গাজায় ফিলিস্তিনিদের ওপর চালানো ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞের সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, পশ্চিম তীরে বসতি সম্প্রসারণ এবং সহিংসতা যেভাবে বাড়ছে, তাতে সেখানে ‘জাতিগত নিধন’র পরিষ্কার ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে।
তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোগান গাজাকে ‘শিশুদের জন্য বিশ্বের বৃহত্তম কবরস্থান’ ও ‘কনসেনট্রেশন ক্যাম্প’ হিসেবে উল্লেখ করেন। কাতার ও জর্ডানের শীর্ষ নেতারাও গাজার ধ্বংসযজ্ঞকে গণহত্যা এবং ফিলিস্তিনিদের অস্তিত্ব মুছে ফেলার একটি গভীর চক্রান্ত বলে অভিহিত করেছেন। বিশেষ করে কাতারের আমীর অবিলম্বে ইসরায়েলকে সব ধরনের সামরিক অভিযান বন্ধ করে গাজা থেকে সেনা প্রত্যাহারের জোরালো দাবি জানান।
লক্ষণীয় বিষয় হলো, শুধু আরব বা মুসলিম দেশগুলোই নয়, ইসরায়েলের ঐতিহ্যবাহী পশ্চিমা মিত্ররাও এবার তাদের নীতির খোলামেলা সমালোচনা করেছে। ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ গাজায় মানবিক করিডোর খুলে না দেওয়ায় গভীর ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তিনি মন্তব্য করেন, পশ্চিম তীরে ইসরায়েলের বর্তমান নীতি নিরাপত্তার পরিবর্তে উল্টো হুমকি আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে। যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহামও হামাসের হামলার নিন্দা জানান। তিনি আরও বলেন, এ হামলা গাজা ও পশ্চিম তীরে ইসরায়েলের কর্মকাণ্ডকে কোনোভাবেই বৈধতা দেয় না। এ ছাড়া ব্রাজিল ও সিরিয়াসহ বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রপ্রধানরাও ইসরায়েলি সরকারের কড়া সমালোচনা করেছেন।
বক্তব্যের মঞ্চ ছাড়িয়ে এ কূটনৈতিক অসন্তোষ এখন বাস্তব পদক্ষেপে রূপ নিতে শুরু করেছে। কাতার, মিশর ও জর্ডানসহ আরব ও মুসলিম বিশ্বের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা গাজার চলমান মানবিক সংকট মোকাবিলায় জরুরি বৈঠকে বসেছেন। শুধু তাই নয়, ব্রিটেন, ফ্রান্স ও কানাডাসহ ১২টি পশ্চিমা দেশ ইসরায়েলি বসতি অঞ্চল থেকে আসা পণ্যের বাণিজ্যের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে।
সূত্র: ওয়াইনেট নিউজ

গাজা ইস্যুতে জাতিসংঘে কোণঠাসা ইসরায়েল
সিজেডএন ডেস্ক

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের বার্ষিক অধিবেশনে এবার আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল গাজা সংঘাত। এ বৈশ্বিক মঞ্চে ফিলিস্তিনের গাজা ও পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি সামরিক অভিযানের বিরুদ্ধে তীব্র সমালোচনার ঝড় উঠেছে। প্রায় তিন বছর ধরে চলা সংঘাতের কারণে বিশ্বজুড়ে ইসরায়েল এখন নজিরবিহীন কূটনৈতিক ও আন্তর্জাতিক চাপের মুখে পড়েছে।
সম্মেলনে যোগ দেওয়া বিশ্বনেতারা গাজার চলমান পরিস্থিতিকে ‘যুদ্ধাপরাধ’, ‘জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুতি’, ‘গণহত্যা’ এবং ‘কনসেনট্রেশন ক্যাম্প’-এর সঙ্গে তুলনা করেছেন। জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস গাজায় ফিলিস্তিনিদের ওপর চালানো ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞের সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, পশ্চিম তীরে বসতি সম্প্রসারণ এবং সহিংসতা যেভাবে বাড়ছে, তাতে সেখানে ‘জাতিগত নিধন’র পরিষ্কার ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে।
তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোগান গাজাকে ‘শিশুদের জন্য বিশ্বের বৃহত্তম কবরস্থান’ ও ‘কনসেনট্রেশন ক্যাম্প’ হিসেবে উল্লেখ করেন। কাতার ও জর্ডানের শীর্ষ নেতারাও গাজার ধ্বংসযজ্ঞকে গণহত্যা এবং ফিলিস্তিনিদের অস্তিত্ব মুছে ফেলার একটি গভীর চক্রান্ত বলে অভিহিত করেছেন। বিশেষ করে কাতারের আমীর অবিলম্বে ইসরায়েলকে সব ধরনের সামরিক অভিযান বন্ধ করে গাজা থেকে সেনা প্রত্যাহারের জোরালো দাবি জানান।
লক্ষণীয় বিষয় হলো, শুধু আরব বা মুসলিম দেশগুলোই নয়, ইসরায়েলের ঐতিহ্যবাহী পশ্চিমা মিত্ররাও এবার তাদের নীতির খোলামেলা সমালোচনা করেছে। ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ গাজায় মানবিক করিডোর খুলে না দেওয়ায় গভীর ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তিনি মন্তব্য করেন, পশ্চিম তীরে ইসরায়েলের বর্তমান নীতি নিরাপত্তার পরিবর্তে উল্টো হুমকি আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে। যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহামও হামাসের হামলার নিন্দা জানান। তিনি আরও বলেন, এ হামলা গাজা ও পশ্চিম তীরে ইসরায়েলের কর্মকাণ্ডকে কোনোভাবেই বৈধতা দেয় না। এ ছাড়া ব্রাজিল ও সিরিয়াসহ বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রপ্রধানরাও ইসরায়েলি সরকারের কড়া সমালোচনা করেছেন।
বক্তব্যের মঞ্চ ছাড়িয়ে এ কূটনৈতিক অসন্তোষ এখন বাস্তব পদক্ষেপে রূপ নিতে শুরু করেছে। কাতার, মিশর ও জর্ডানসহ আরব ও মুসলিম বিশ্বের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা গাজার চলমান মানবিক সংকট মোকাবিলায় জরুরি বৈঠকে বসেছেন। শুধু তাই নয়, ব্রিটেন, ফ্রান্স ও কানাডাসহ ১২টি পশ্চিমা দেশ ইসরায়েলি বসতি অঞ্চল থেকে আসা পণ্যের বাণিজ্যের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে।
সূত্র: ওয়াইনেট নিউজ

সংঘাত শুরুর পর থেকে ইসরায়েলি কারাগারে ৯২ ফিলিস্তিনি বন্দির মৃত্যু







