সংঘাত শুরুর পর থেকে ইসরায়েলি কারাগারে ৯২ ফিলিস্তিনি বন্দির মৃত্যু

সংঘাত শুরুর পর থেকে ইসরায়েলি কারাগারে ৯২ ফিলিস্তিনি বন্দির মৃত্যু
সিজেডএন ডেস্ক

ফিলিস্তিনিদের ওপর ইসরায়েলি নিপীড়নের চিত্র কতটা ভয়াবহ, তার আরেকটি মর্মান্তিক নজির সামনে এসেছে। ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবরের পর থেকে এখন পর্যন্ত ইসরায়েলি কারাগারে প্রাণ হারানো ফিলিস্তিনি বন্দির সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯২ জনে। ফিলিস্তিনি প্রিজনার্স সোসাইটি (পিপিএস) সম্প্রতি নিহত বন্দিদের পরিচয়ও প্রকাশ করেছে। এ সংখ্যার মধ্যে শুধু গাজারই ৫৩ জন বন্দি অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন।
আল জাজিরার খবরে বলা হয়, বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) ২১ বছর বয়সী ফিলিস্তিনি বন্দি মোয়াতাজ আল-আত্রাশের মৃত্যুর পর এ তথ্য জানিয়েছে পিপিএস। সর্বশেষ মৃত্যুবরণ করা মোয়াতাজকে প্রায় এক বছর ধরে কোনো ধরনের অভিযোগ ছাড়াই আটকে রাখা হয়েছিল। বিনা বিচারে কারাবাসের দীর্ঘ সময়ে তার ওপর চলা ধকলই তার জীবন কেড়ে নিয়েছে।
বন্দিদের মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে পিপিএস জানিয়েছে, কারাগারে বন্দিদের ওপর নির্মম নির্যাতন, অনাহার, চিকিৎসায় চরম অবহেলা, যৌন নিপীড়ন এবং দুর্ব্যবহার চালানো হচ্ছে। এসব মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনাগুলোই তাদের মৃত্যুর দিকে ঠেলে দিয়েছে।
তবে এর বাইরেও গাজা থেকে আটক করা অনেক বন্দির ভাগ্যে ঠিক কী ঘটেছে, তা এখনও পুরোপুরি অজানা, কারণ তাদের জোরপূর্বক গুম করে রাখা হয়েছে। বিভিন্ন সাক্ষ্য ও তথ্য-উপাত্ত যাচাই-বাছাই করে পিপিএস এ সিদ্ধান্তে পৌঁছেছে যে, বহু বন্দিকে বিচারবহির্ভূত হত্যা কিংবা একরকম মৃত্যুদণ্ডই কার্যকর করা হয়েছে।
সূত্র: আল জাজিরা

ফিলিস্তিনিদের ওপর ইসরায়েলি নিপীড়নের চিত্র কতটা ভয়াবহ, তার আরেকটি মর্মান্তিক নজির সামনে এসেছে। ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবরের পর থেকে এখন পর্যন্ত ইসরায়েলি কারাগারে প্রাণ হারানো ফিলিস্তিনি বন্দির সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯২ জনে। ফিলিস্তিনি প্রিজনার্স সোসাইটি (পিপিএস) সম্প্রতি নিহত বন্দিদের পরিচয়ও প্রকাশ করেছে। এ সংখ্যার মধ্যে শুধু গাজারই ৫৩ জন বন্দি অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন।
আল জাজিরার খবরে বলা হয়, বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) ২১ বছর বয়সী ফিলিস্তিনি বন্দি মোয়াতাজ আল-আত্রাশের মৃত্যুর পর এ তথ্য জানিয়েছে পিপিএস। সর্বশেষ মৃত্যুবরণ করা মোয়াতাজকে প্রায় এক বছর ধরে কোনো ধরনের অভিযোগ ছাড়াই আটকে রাখা হয়েছিল। বিনা বিচারে কারাবাসের দীর্ঘ সময়ে তার ওপর চলা ধকলই তার জীবন কেড়ে নিয়েছে।
বন্দিদের মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে পিপিএস জানিয়েছে, কারাগারে বন্দিদের ওপর নির্মম নির্যাতন, অনাহার, চিকিৎসায় চরম অবহেলা, যৌন নিপীড়ন এবং দুর্ব্যবহার চালানো হচ্ছে। এসব মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনাগুলোই তাদের মৃত্যুর দিকে ঠেলে দিয়েছে।
তবে এর বাইরেও গাজা থেকে আটক করা অনেক বন্দির ভাগ্যে ঠিক কী ঘটেছে, তা এখনও পুরোপুরি অজানা, কারণ তাদের জোরপূর্বক গুম করে রাখা হয়েছে। বিভিন্ন সাক্ষ্য ও তথ্য-উপাত্ত যাচাই-বাছাই করে পিপিএস এ সিদ্ধান্তে পৌঁছেছে যে, বহু বন্দিকে বিচারবহির্ভূত হত্যা কিংবা একরকম মৃত্যুদণ্ডই কার্যকর করা হয়েছে।
সূত্র: আল জাজিরা

সংঘাত শুরুর পর থেকে ইসরায়েলি কারাগারে ৯২ ফিলিস্তিনি বন্দির মৃত্যু
সিজেডএন ডেস্ক

ফিলিস্তিনিদের ওপর ইসরায়েলি নিপীড়নের চিত্র কতটা ভয়াবহ, তার আরেকটি মর্মান্তিক নজির সামনে এসেছে। ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবরের পর থেকে এখন পর্যন্ত ইসরায়েলি কারাগারে প্রাণ হারানো ফিলিস্তিনি বন্দির সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯২ জনে। ফিলিস্তিনি প্রিজনার্স সোসাইটি (পিপিএস) সম্প্রতি নিহত বন্দিদের পরিচয়ও প্রকাশ করেছে। এ সংখ্যার মধ্যে শুধু গাজারই ৫৩ জন বন্দি অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন।
আল জাজিরার খবরে বলা হয়, বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) ২১ বছর বয়সী ফিলিস্তিনি বন্দি মোয়াতাজ আল-আত্রাশের মৃত্যুর পর এ তথ্য জানিয়েছে পিপিএস। সর্বশেষ মৃত্যুবরণ করা মোয়াতাজকে প্রায় এক বছর ধরে কোনো ধরনের অভিযোগ ছাড়াই আটকে রাখা হয়েছিল। বিনা বিচারে কারাবাসের দীর্ঘ সময়ে তার ওপর চলা ধকলই তার জীবন কেড়ে নিয়েছে।
বন্দিদের মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে পিপিএস জানিয়েছে, কারাগারে বন্দিদের ওপর নির্মম নির্যাতন, অনাহার, চিকিৎসায় চরম অবহেলা, যৌন নিপীড়ন এবং দুর্ব্যবহার চালানো হচ্ছে। এসব মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনাগুলোই তাদের মৃত্যুর দিকে ঠেলে দিয়েছে।
তবে এর বাইরেও গাজা থেকে আটক করা অনেক বন্দির ভাগ্যে ঠিক কী ঘটেছে, তা এখনও পুরোপুরি অজানা, কারণ তাদের জোরপূর্বক গুম করে রাখা হয়েছে। বিভিন্ন সাক্ষ্য ও তথ্য-উপাত্ত যাচাই-বাছাই করে পিপিএস এ সিদ্ধান্তে পৌঁছেছে যে, বহু বন্দিকে বিচারবহির্ভূত হত্যা কিংবা একরকম মৃত্যুদণ্ডই কার্যকর করা হয়েছে।
সূত্র: আল জাজিরা

গাজায় ধ্বংসস্তূপ থেকে উদ্ধার ১০০ ফিলিস্তিনির জানাজা অনুষ্ঠিত







