মধ্যপ্রাচ্যের পথে মার্কিন বিমানবাহী রণতরী ‘থিওডর রুজভেল্ট’

সিটিজেন জার্নাল ডেস্ক
সিটিজেন জার্নাল ডেস্ক
মধ্যপ্রাচ্যের পথে মার্কিন বিমানবাহী রণতরী ‘থিওডর রুজভেল্ট’
মার্কিন বিমানবাহী রণতরী ‘ইউএসএস থিওডর রুজভেল্ট’

ইরানের সঙ্গে তীব্র চলমান উত্তেজনার পারদ আরও বাড়িয়ে মধ্যপ্রাচ্যের দিকে রওনা দিয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম বিমানবাহী রণতরী ‘ইউএসএস থিওডর রুজভেল্ট’। ওই অঞ্চলে মার্কিন সামরিক সক্ষমতা বহুগুণ বাড়াতেই মূলত এ রণতরীটি মোতায়েন করা হচ্ছে। সবশেষ পাওয়া তথ্যানুযায়ী, রণতরীটি ঘণ্টায় প্রায় ২৪ থেকে ৩১ নট গতিতে এগিয়ে চলছে।

নৌবহরের প্রকাশিত তথ্য পর্যবেক্ষণ করে জানা গেছে, বুধবার (৪ নভেম্বর) দক্ষিণ চীন সাগরে থিওডর রুজভেল্টের অবস্থান চিহ্নিত করা হয়। সেখান থেকে আরব সাগরে গিয়ে পৌঁছাতে রণতরীটির আরও কয়েক দিন সময় লেগে যেতে পারে। তবে এটি এই মুহূর্তে সিঙ্গাপুরের কতটা কাছাকাছি রয়েছে কিংবা ঠিক কোন সময়ে আরব সাগরে নোঙর করবে, সে বিষয়ে স্বাধীন কোনো সূত্র থেকে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

এর আগে, ২৭ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার সান দিয়েগো নৌঘাঁটি থেকে দীর্ঘ যাত্রা শুরু করেছিল ইউএসএস থিওডর রুজভেল্ট। বিশাল এই রণতরীটি মূলত ক্যারিয়ার স্ট্রাইক গ্রুপ-৯ এর নেতৃত্ব দিচ্ছে। এর বহরে যুক্ত রয়েছে বেশ কয়েকটি অত্যাধুনিক যুদ্ধজাহাজ, বিপুল পরিমাণ যুদ্ধবিমান এবং বিভিন্ন সামরিক উড়োজাহাজ। মধ্যপ্রাচ্যের উদ্দেশে রওনা দেওয়ার আগে রণতরীটি জাপান ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ সামরিক মহড়া ‘কিন সোর্ড ২৭’-এ সরাসরি অংশ নেয়।

মার্কিন সংবাদমাধ্যমগুলোর প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যে ওয়াশিংটনের সামরিক শক্তি জোরদার করতেই থিওডর রুজভেল্টকে সেখানে পাঠানো হচ্ছে। মার্কিন প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সূত্রে আগেই জানা গিয়েছিল, নতুন রণতরীটি নির্দিষ্ট গন্তব্যে পৌঁছালে ওই অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবাহী রণতরীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াবে তিনটিতে।

ইরানকে কেন্দ্র করে মধ্যপ্রাচ্যে যখন যুক্তরাষ্ট্রের সংঘাত চরম আকার ধারণ করছে, ঠিক তখনই নতুন করে রণতরী পাঠানোর এ খবর সামনে এল। ওয়াশিংটন সেখানে যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় তাদের সামরিক অভিযান আরও জোরদার করতে চাইছে। তবে মধ্যপ্রাচ্যে পৌঁছানোর পর থিওডর রুজভেল্ট ঠিক কী ধরনের মিশন পরিচালনা করবে, সে বিষয়ে পেন্টাগন এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত কিছু জানায়নি।

সূত্র: টিআরটি ওয়ার্ল্ড

/এমএকে/