গ্রিনল্যান্ডে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি বাড়ছে

গ্রিনল্যান্ডে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি বাড়ছে
সিটিজেন জার্নাল ডেস্ক

আর্কটিক বা সুমেরু অঞ্চলে নিজের সামরিক অবস্থান শক্তিশালী করার পথে আরও এক ধাপ এগিয়ে গেল যুক্তরাষ্ট্র। ডেনমার্কের স্বায়ত্তশাসিত কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ দ্বীপ গ্রিনল্যান্ডে মার্কিন সামরিক উপস্থিতির পরিধি বাড়াতে চলতি বছরের শুরুতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে যে চুক্তি হয়েছিল, তা আনুষ্ঠানিকভাবে অনুমোদন করেছে দ্বীপটির পার্লামেন্ট। মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) ডেনমার্ক সমর্থিত এ ঐতিহাসিক চুক্তিটি পাস হয় বলে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।
ট্রাম্প গত বছর গ্রিনল্যান্ডকে যুক্তরাষ্ট্রের অন্তর্ভুক্ত করার হুমকি দিয়েছিলেন। সে সময় তিনি দাবি করেছিলেন, মার্কিন জাতীয় নিরাপত্তা রক্ষা এবং দ্বীপটির বিপুল প্রাকৃতিক ও দুর্লভ খনিজ সম্পদের ওপর অধিকার প্রতিষ্ঠায় এটি যুক্তরাষ্ট্রের জন্য অত্যন্ত জরুরি। ট্রাম্পের এমন সরাসরি ও কঠোর অবস্থানে ক্ষোভে ফেটে পড়ে কোপেনহেগেন। সে সময় ডেনমার্কের পাশে এসে দাঁড়িয়েছিল ইউরোপের অন্য ন্যাটো সদস্যরাও।
দীর্ঘ কূটনৈতিক টানাপোড়েন ও দরকষাকষির পর চলতি বছরের সেপ্টেম্বরে যুক্তরাষ্ট্র, ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ডের মধ্যে এক সমঝোতা চুক্তি সই হয়। সেই সময় ট্রাম্প বেশ বড়াই করেই ঘোষণা দিয়েছিলেন, এ চুক্তির মাধ্যমে সুদূর সুমেরু অঞ্চলের নিরাপত্তায় ওয়াশিংটন এক ‘স্থায়ী নিয়ন্ত্রণ’ প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হলো।
গ্রিনল্যান্ড পার্লামেন্টের সংখ্যাগরিষ্ঠ আইনপ্রণেতার সমর্থনে পাস হওয়া এ চুক্তিতে দ্বীপে মার্কিন সামরিক বাহিনীর পরিধি বহুগুণ বাড়ানোর পথ উন্মুক্ত হয়েছে। এখন থেকে সেখানে দুটি নতুন মার্কিন সামরিক ঘাঁটি স্থাপন করা যাবে। সেই সঙ্গে চালু করা সম্ভব হবে ট্রাম্পের বহুল আলোচিত গোল্ডেন ডোম ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাও। তবে চুক্তিটিতে সামরিক সুবিধার পাশাপাশি ডেনমার্কের সার্বভৌমত্ব বজায় রাখা এবং গ্রিনল্যান্ডের মানুষের আত্মনিয়ন্ত্রণ অধিকারের বিষয়টিও আবার স্পষ্ট করা হয়েছে।
পার্লামেন্টে চুক্তিটি অনুমোদিত হওয়ার পর গ্রিনল্যান্ডের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মুতে এগেডে এটিকে তাদের নিরাপত্তার জন্য এক বড় অগ্রগতি হিসেবে অভিহিত করেছেন। তিনি বলেন, একটি স্বাধীন ও নিরাপদ ভবিষ্যতের দিকে এগিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে এটি আমাদের জন্য বড় একটি বড় মাইলফলক। অন্যদিকে দেশটির বিরোধী দলগুলো চুক্তিটির তীব্র সমালোচনা করেছে। প্রধান বিরোধী দল নালেরাক-এর প্রধান পেলে ব্রোবার্গ রয়টার্সকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে নিজের অসন্তোষ প্রকাশ করে দাবি করেন, এ নিরাপত্তা চুক্তির মাধ্যমে গ্রিনল্যান্ড প্রকৃতপক্ষে কোনো অর্থনৈতিক সুবিধা বা প্রাপ্তি হাসিল করতে পারেনি।
এ চুক্তিটি চূড়ান্তভাবে বাস্তবায়িত হতে এখন কেবল কোপেনহেগেনের অনুমোদনের অপেক্ষা। আগামী সপ্তাহে চুক্তিটি ডেনমার্কের পার্লামেন্টে তোলা হবে, যেখানে ১১ নভেম্বর প্রথম পাঠ এবং সার্বিক আলোচনার পর ১৯ নভেম্বর চূড়ান্ত ভোট নেওয়া হবে। দুটি দেশের পার্লামেন্টেই সবুজ সংকেত পেলে এটি পুরোপুরি কার্যকর হয়ে যাবে। আন্তর্জাতিক এ চুক্তির ক্ষেত্রে মার্কিন সিনেটের আলাদা কোনো অনুমোদনের প্রয়োজন পড়বে না।
সূত্র: আরটি

আর্কটিক বা সুমেরু অঞ্চলে নিজের সামরিক অবস্থান শক্তিশালী করার পথে আরও এক ধাপ এগিয়ে গেল যুক্তরাষ্ট্র। ডেনমার্কের স্বায়ত্তশাসিত কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ দ্বীপ গ্রিনল্যান্ডে মার্কিন সামরিক উপস্থিতির পরিধি বাড়াতে চলতি বছরের শুরুতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে যে চুক্তি হয়েছিল, তা আনুষ্ঠানিকভাবে অনুমোদন করেছে দ্বীপটির পার্লামেন্ট। মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) ডেনমার্ক সমর্থিত এ ঐতিহাসিক চুক্তিটি পাস হয় বলে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।
ট্রাম্প গত বছর গ্রিনল্যান্ডকে যুক্তরাষ্ট্রের অন্তর্ভুক্ত করার হুমকি দিয়েছিলেন। সে সময় তিনি দাবি করেছিলেন, মার্কিন জাতীয় নিরাপত্তা রক্ষা এবং দ্বীপটির বিপুল প্রাকৃতিক ও দুর্লভ খনিজ সম্পদের ওপর অধিকার প্রতিষ্ঠায় এটি যুক্তরাষ্ট্রের জন্য অত্যন্ত জরুরি। ট্রাম্পের এমন সরাসরি ও কঠোর অবস্থানে ক্ষোভে ফেটে পড়ে কোপেনহেগেন। সে সময় ডেনমার্কের পাশে এসে দাঁড়িয়েছিল ইউরোপের অন্য ন্যাটো সদস্যরাও।
দীর্ঘ কূটনৈতিক টানাপোড়েন ও দরকষাকষির পর চলতি বছরের সেপ্টেম্বরে যুক্তরাষ্ট্র, ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ডের মধ্যে এক সমঝোতা চুক্তি সই হয়। সেই সময় ট্রাম্প বেশ বড়াই করেই ঘোষণা দিয়েছিলেন, এ চুক্তির মাধ্যমে সুদূর সুমেরু অঞ্চলের নিরাপত্তায় ওয়াশিংটন এক ‘স্থায়ী নিয়ন্ত্রণ’ প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হলো।
গ্রিনল্যান্ড পার্লামেন্টের সংখ্যাগরিষ্ঠ আইনপ্রণেতার সমর্থনে পাস হওয়া এ চুক্তিতে দ্বীপে মার্কিন সামরিক বাহিনীর পরিধি বহুগুণ বাড়ানোর পথ উন্মুক্ত হয়েছে। এখন থেকে সেখানে দুটি নতুন মার্কিন সামরিক ঘাঁটি স্থাপন করা যাবে। সেই সঙ্গে চালু করা সম্ভব হবে ট্রাম্পের বহুল আলোচিত গোল্ডেন ডোম ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাও। তবে চুক্তিটিতে সামরিক সুবিধার পাশাপাশি ডেনমার্কের সার্বভৌমত্ব বজায় রাখা এবং গ্রিনল্যান্ডের মানুষের আত্মনিয়ন্ত্রণ অধিকারের বিষয়টিও আবার স্পষ্ট করা হয়েছে।
পার্লামেন্টে চুক্তিটি অনুমোদিত হওয়ার পর গ্রিনল্যান্ডের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মুতে এগেডে এটিকে তাদের নিরাপত্তার জন্য এক বড় অগ্রগতি হিসেবে অভিহিত করেছেন। তিনি বলেন, একটি স্বাধীন ও নিরাপদ ভবিষ্যতের দিকে এগিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে এটি আমাদের জন্য বড় একটি বড় মাইলফলক। অন্যদিকে দেশটির বিরোধী দলগুলো চুক্তিটির তীব্র সমালোচনা করেছে। প্রধান বিরোধী দল নালেরাক-এর প্রধান পেলে ব্রোবার্গ রয়টার্সকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে নিজের অসন্তোষ প্রকাশ করে দাবি করেন, এ নিরাপত্তা চুক্তির মাধ্যমে গ্রিনল্যান্ড প্রকৃতপক্ষে কোনো অর্থনৈতিক সুবিধা বা প্রাপ্তি হাসিল করতে পারেনি।
এ চুক্তিটি চূড়ান্তভাবে বাস্তবায়িত হতে এখন কেবল কোপেনহেগেনের অনুমোদনের অপেক্ষা। আগামী সপ্তাহে চুক্তিটি ডেনমার্কের পার্লামেন্টে তোলা হবে, যেখানে ১১ নভেম্বর প্রথম পাঠ এবং সার্বিক আলোচনার পর ১৯ নভেম্বর চূড়ান্ত ভোট নেওয়া হবে। দুটি দেশের পার্লামেন্টেই সবুজ সংকেত পেলে এটি পুরোপুরি কার্যকর হয়ে যাবে। আন্তর্জাতিক এ চুক্তির ক্ষেত্রে মার্কিন সিনেটের আলাদা কোনো অনুমোদনের প্রয়োজন পড়বে না।
সূত্র: আরটি

গ্রিনল্যান্ডে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি বাড়ছে
সিটিজেন জার্নাল ডেস্ক

আর্কটিক বা সুমেরু অঞ্চলে নিজের সামরিক অবস্থান শক্তিশালী করার পথে আরও এক ধাপ এগিয়ে গেল যুক্তরাষ্ট্র। ডেনমার্কের স্বায়ত্তশাসিত কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ দ্বীপ গ্রিনল্যান্ডে মার্কিন সামরিক উপস্থিতির পরিধি বাড়াতে চলতি বছরের শুরুতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে যে চুক্তি হয়েছিল, তা আনুষ্ঠানিকভাবে অনুমোদন করেছে দ্বীপটির পার্লামেন্ট। মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) ডেনমার্ক সমর্থিত এ ঐতিহাসিক চুক্তিটি পাস হয় বলে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।
ট্রাম্প গত বছর গ্রিনল্যান্ডকে যুক্তরাষ্ট্রের অন্তর্ভুক্ত করার হুমকি দিয়েছিলেন। সে সময় তিনি দাবি করেছিলেন, মার্কিন জাতীয় নিরাপত্তা রক্ষা এবং দ্বীপটির বিপুল প্রাকৃতিক ও দুর্লভ খনিজ সম্পদের ওপর অধিকার প্রতিষ্ঠায় এটি যুক্তরাষ্ট্রের জন্য অত্যন্ত জরুরি। ট্রাম্পের এমন সরাসরি ও কঠোর অবস্থানে ক্ষোভে ফেটে পড়ে কোপেনহেগেন। সে সময় ডেনমার্কের পাশে এসে দাঁড়িয়েছিল ইউরোপের অন্য ন্যাটো সদস্যরাও।
দীর্ঘ কূটনৈতিক টানাপোড়েন ও দরকষাকষির পর চলতি বছরের সেপ্টেম্বরে যুক্তরাষ্ট্র, ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ডের মধ্যে এক সমঝোতা চুক্তি সই হয়। সেই সময় ট্রাম্প বেশ বড়াই করেই ঘোষণা দিয়েছিলেন, এ চুক্তির মাধ্যমে সুদূর সুমেরু অঞ্চলের নিরাপত্তায় ওয়াশিংটন এক ‘স্থায়ী নিয়ন্ত্রণ’ প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হলো।
গ্রিনল্যান্ড পার্লামেন্টের সংখ্যাগরিষ্ঠ আইনপ্রণেতার সমর্থনে পাস হওয়া এ চুক্তিতে দ্বীপে মার্কিন সামরিক বাহিনীর পরিধি বহুগুণ বাড়ানোর পথ উন্মুক্ত হয়েছে। এখন থেকে সেখানে দুটি নতুন মার্কিন সামরিক ঘাঁটি স্থাপন করা যাবে। সেই সঙ্গে চালু করা সম্ভব হবে ট্রাম্পের বহুল আলোচিত গোল্ডেন ডোম ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাও। তবে চুক্তিটিতে সামরিক সুবিধার পাশাপাশি ডেনমার্কের সার্বভৌমত্ব বজায় রাখা এবং গ্রিনল্যান্ডের মানুষের আত্মনিয়ন্ত্রণ অধিকারের বিষয়টিও আবার স্পষ্ট করা হয়েছে।
পার্লামেন্টে চুক্তিটি অনুমোদিত হওয়ার পর গ্রিনল্যান্ডের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মুতে এগেডে এটিকে তাদের নিরাপত্তার জন্য এক বড় অগ্রগতি হিসেবে অভিহিত করেছেন। তিনি বলেন, একটি স্বাধীন ও নিরাপদ ভবিষ্যতের দিকে এগিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে এটি আমাদের জন্য বড় একটি বড় মাইলফলক। অন্যদিকে দেশটির বিরোধী দলগুলো চুক্তিটির তীব্র সমালোচনা করেছে। প্রধান বিরোধী দল নালেরাক-এর প্রধান পেলে ব্রোবার্গ রয়টার্সকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে নিজের অসন্তোষ প্রকাশ করে দাবি করেন, এ নিরাপত্তা চুক্তির মাধ্যমে গ্রিনল্যান্ড প্রকৃতপক্ষে কোনো অর্থনৈতিক সুবিধা বা প্রাপ্তি হাসিল করতে পারেনি।
এ চুক্তিটি চূড়ান্তভাবে বাস্তবায়িত হতে এখন কেবল কোপেনহেগেনের অনুমোদনের অপেক্ষা। আগামী সপ্তাহে চুক্তিটি ডেনমার্কের পার্লামেন্টে তোলা হবে, যেখানে ১১ নভেম্বর প্রথম পাঠ এবং সার্বিক আলোচনার পর ১৯ নভেম্বর চূড়ান্ত ভোট নেওয়া হবে। দুটি দেশের পার্লামেন্টেই সবুজ সংকেত পেলে এটি পুরোপুরি কার্যকর হয়ে যাবে। আন্তর্জাতিক এ চুক্তির ক্ষেত্রে মার্কিন সিনেটের আলাদা কোনো অনুমোদনের প্রয়োজন পড়বে না।
সূত্র: আরটি

ইউক্রেনের সাহায্য কেন্দ্রে রুশ হামলা, নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৩৭ 







