মার্কিন জনগণ যুদ্ধের বিরুদ্ধে রায় দিয়েছে: গালিবাফ

মার্কিন জনগণ যুদ্ধের বিরুদ্ধে রায় দিয়েছে: গালিবাফ
সিটিজেন জার্নাল ডেস্ক

মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনে ক্ষমতাসীন রিপাবলিকান পার্টির বড় পরাজয়কে যুক্তরাষ্ট্রের সাধারণ মানুষের যুদ্ধবিরোধী মনোভাবের জয় হিসেবে দেখছে ইরান। ডেমোক্র্যাটদের জয়ের ইঙ্গিত আসার পরপরই তেহরান জানিয়েছে, মার্কিন নাগরিকরা যে যুদ্ধের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে, ইরান সে বার্তাকে পূর্ণ সমর্থন করে।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বিবৃতিতে ইরানের সংসদ স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ বলেন, বিবেকের তাড়নায় হোক বা জীবনযাত্রার ব্যয়ের কারণে হোক, মার্কিন নাগরিকরা যুদ্ধকে ‘না’ বলেছে এবং আমরা এ বার্তার সমর্থন করি। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, মার্কিন সরকার যদি আন্তর্জাতিক অর্থদাতা ও ব্ল্যাকমেলারদের সেবা করার জন্য তার জনগণের ইচ্ছার সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করে, তবে তাকে এক দুঃস্বপ্নের সম্মুখীন হতে হবে।
ইরানের সংসদের উপ-স্পিকার আলী নিকজাদ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এ নির্বাচনি বিপর্যয়কে সরাসরি ইরানি জনগণের কাছে তার পরাজয়ের ফল হিসেবে দেখছেন। সংসদে দেওয়া বক্তব্যে তিনি বলেন, নির্বাচনের এ ফলাফল অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা ও চাপের মাধ্যমে ইরানকে দুর্বল করার মার্কিন প্রচেষ্টার ব্যর্থতা পরিষ্কার করে দিয়েছে।
নিকজাদ আরও বলেন, বিভ্রান্ত মার্কিন প্রেসিডেন্ট, যিনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বাগাড়ম্বরের মাধ্যমে বিজয় দাবি করতে চান, তিনি অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতেও পরাজিত হয়েছেন। এ ধাক্কাগুলো মূলত ইরানি জনগণের কাছে তার পরাজয়ের পরবর্তী অভিঘাত বলে মন্তব্য করেন তিনি। পাশাপাশি হরমুজ প্রণালিতে কোনো ধরনের সামরিক দুঃসাহসিকতা দেখালে তার কঠোর জবাব দেওয়া হবে বলেও সতর্ক করেন এ ইরানি নেতা।
মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) অনুষ্ঠিত মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকানদের হারিয়ে সিনেট ও প্রতিনিধি পরিষদ-উভয় কক্ষেরই নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পথে রয়েছে ডেমোক্র্যাটরা। গত ফেব্রুয়ারিতে ইসরায়েলকে সঙ্গে নিয়ে ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করা ট্রাম্প ও তার দলের জন্য এটি এক বিশাল রাজনৈতিক ধাক্কা।
বর্তমানে মার্কিন নৌ অবরোধ এবং হরমুজ প্রণালির দখল নিয়ে তীব্র সামরিক উত্তেজনা চললেও পর্দার আড়ালে কাতার দুই দেশের মধ্যে মধ্যস্থতা চালিয়ে যাচ্ছে। তেহরান থেকে জানানো হয়েছে, মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে ওয়াশিংটনের সঙ্গে এখনো বার্তা আদান-প্রদান চলছে। তবে হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলের সুযোগ তৈরি হওয়া সম্পূর্ণ নির্ভর করছে ওয়াশিংটন তাদের অবরোধ প্রত্যাহার করছে কি না- তার ওপর।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনে ক্ষমতাসীন রিপাবলিকান পার্টির বড় পরাজয়কে যুক্তরাষ্ট্রের সাধারণ মানুষের যুদ্ধবিরোধী মনোভাবের জয় হিসেবে দেখছে ইরান। ডেমোক্র্যাটদের জয়ের ইঙ্গিত আসার পরপরই তেহরান জানিয়েছে, মার্কিন নাগরিকরা যে যুদ্ধের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে, ইরান সে বার্তাকে পূর্ণ সমর্থন করে।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বিবৃতিতে ইরানের সংসদ স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ বলেন, বিবেকের তাড়নায় হোক বা জীবনযাত্রার ব্যয়ের কারণে হোক, মার্কিন নাগরিকরা যুদ্ধকে ‘না’ বলেছে এবং আমরা এ বার্তার সমর্থন করি। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, মার্কিন সরকার যদি আন্তর্জাতিক অর্থদাতা ও ব্ল্যাকমেলারদের সেবা করার জন্য তার জনগণের ইচ্ছার সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করে, তবে তাকে এক দুঃস্বপ্নের সম্মুখীন হতে হবে।
ইরানের সংসদের উপ-স্পিকার আলী নিকজাদ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এ নির্বাচনি বিপর্যয়কে সরাসরি ইরানি জনগণের কাছে তার পরাজয়ের ফল হিসেবে দেখছেন। সংসদে দেওয়া বক্তব্যে তিনি বলেন, নির্বাচনের এ ফলাফল অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা ও চাপের মাধ্যমে ইরানকে দুর্বল করার মার্কিন প্রচেষ্টার ব্যর্থতা পরিষ্কার করে দিয়েছে।
নিকজাদ আরও বলেন, বিভ্রান্ত মার্কিন প্রেসিডেন্ট, যিনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বাগাড়ম্বরের মাধ্যমে বিজয় দাবি করতে চান, তিনি অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতেও পরাজিত হয়েছেন। এ ধাক্কাগুলো মূলত ইরানি জনগণের কাছে তার পরাজয়ের পরবর্তী অভিঘাত বলে মন্তব্য করেন তিনি। পাশাপাশি হরমুজ প্রণালিতে কোনো ধরনের সামরিক দুঃসাহসিকতা দেখালে তার কঠোর জবাব দেওয়া হবে বলেও সতর্ক করেন এ ইরানি নেতা।
মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) অনুষ্ঠিত মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকানদের হারিয়ে সিনেট ও প্রতিনিধি পরিষদ-উভয় কক্ষেরই নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পথে রয়েছে ডেমোক্র্যাটরা। গত ফেব্রুয়ারিতে ইসরায়েলকে সঙ্গে নিয়ে ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করা ট্রাম্প ও তার দলের জন্য এটি এক বিশাল রাজনৈতিক ধাক্কা।
বর্তমানে মার্কিন নৌ অবরোধ এবং হরমুজ প্রণালির দখল নিয়ে তীব্র সামরিক উত্তেজনা চললেও পর্দার আড়ালে কাতার দুই দেশের মধ্যে মধ্যস্থতা চালিয়ে যাচ্ছে। তেহরান থেকে জানানো হয়েছে, মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে ওয়াশিংটনের সঙ্গে এখনো বার্তা আদান-প্রদান চলছে। তবে হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলের সুযোগ তৈরি হওয়া সম্পূর্ণ নির্ভর করছে ওয়াশিংটন তাদের অবরোধ প্রত্যাহার করছে কি না- তার ওপর।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

মার্কিন জনগণ যুদ্ধের বিরুদ্ধে রায় দিয়েছে: গালিবাফ
সিটিজেন জার্নাল ডেস্ক

মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনে ক্ষমতাসীন রিপাবলিকান পার্টির বড় পরাজয়কে যুক্তরাষ্ট্রের সাধারণ মানুষের যুদ্ধবিরোধী মনোভাবের জয় হিসেবে দেখছে ইরান। ডেমোক্র্যাটদের জয়ের ইঙ্গিত আসার পরপরই তেহরান জানিয়েছে, মার্কিন নাগরিকরা যে যুদ্ধের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে, ইরান সে বার্তাকে পূর্ণ সমর্থন করে।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বিবৃতিতে ইরানের সংসদ স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ বলেন, বিবেকের তাড়নায় হোক বা জীবনযাত্রার ব্যয়ের কারণে হোক, মার্কিন নাগরিকরা যুদ্ধকে ‘না’ বলেছে এবং আমরা এ বার্তার সমর্থন করি। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, মার্কিন সরকার যদি আন্তর্জাতিক অর্থদাতা ও ব্ল্যাকমেলারদের সেবা করার জন্য তার জনগণের ইচ্ছার সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করে, তবে তাকে এক দুঃস্বপ্নের সম্মুখীন হতে হবে।
ইরানের সংসদের উপ-স্পিকার আলী নিকজাদ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এ নির্বাচনি বিপর্যয়কে সরাসরি ইরানি জনগণের কাছে তার পরাজয়ের ফল হিসেবে দেখছেন। সংসদে দেওয়া বক্তব্যে তিনি বলেন, নির্বাচনের এ ফলাফল অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা ও চাপের মাধ্যমে ইরানকে দুর্বল করার মার্কিন প্রচেষ্টার ব্যর্থতা পরিষ্কার করে দিয়েছে।
নিকজাদ আরও বলেন, বিভ্রান্ত মার্কিন প্রেসিডেন্ট, যিনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বাগাড়ম্বরের মাধ্যমে বিজয় দাবি করতে চান, তিনি অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতেও পরাজিত হয়েছেন। এ ধাক্কাগুলো মূলত ইরানি জনগণের কাছে তার পরাজয়ের পরবর্তী অভিঘাত বলে মন্তব্য করেন তিনি। পাশাপাশি হরমুজ প্রণালিতে কোনো ধরনের সামরিক দুঃসাহসিকতা দেখালে তার কঠোর জবাব দেওয়া হবে বলেও সতর্ক করেন এ ইরানি নেতা।
মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) অনুষ্ঠিত মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকানদের হারিয়ে সিনেট ও প্রতিনিধি পরিষদ-উভয় কক্ষেরই নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পথে রয়েছে ডেমোক্র্যাটরা। গত ফেব্রুয়ারিতে ইসরায়েলকে সঙ্গে নিয়ে ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করা ট্রাম্প ও তার দলের জন্য এটি এক বিশাল রাজনৈতিক ধাক্কা।
বর্তমানে মার্কিন নৌ অবরোধ এবং হরমুজ প্রণালির দখল নিয়ে তীব্র সামরিক উত্তেজনা চললেও পর্দার আড়ালে কাতার দুই দেশের মধ্যে মধ্যস্থতা চালিয়ে যাচ্ছে। তেহরান থেকে জানানো হয়েছে, মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে ওয়াশিংটনের সঙ্গে এখনো বার্তা আদান-প্রদান চলছে। তবে হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলের সুযোগ তৈরি হওয়া সম্পূর্ণ নির্ভর করছে ওয়াশিংটন তাদের অবরোধ প্রত্যাহার করছে কি না- তার ওপর।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ স্পিকার হতে যাচ্ছেন হাকিম জেফ্রিস







