এক্সপ্লেইনার
হরমুজ প্রণালিতে নিরাপত্তা ফেরাতে এখনো অনেক পথ বাকি

হরমুজ প্রণালিতে নিরাপত্তা ফেরাতে এখনো অনেক পথ বাকি
সিটিজেন ডেস্ক

হরমুজ প্রণালির বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ বাড়লেও, এই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথে আস্থা পুনরুদ্ধার এখনও অনেক দূরের বিষয় বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
নিউ সাউথ ওয়েলস বিশ্ববিদ্যালয়ের নৌ-অধ্যয়ন বিভাগের সহযোগী গবেষক জেনিয়ার পার্করের মতে, প্রণালিতে ইরানের প্রভাব এবং ইরানের বন্দরগুলোকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্রের অবরোধ—এই দুই বিষয়কে একইভাবে দেখার সুযোগ নেই; বরং এদের মধ্যে মৌলিক পার্থক্য রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী অধিকাংশ বাণিজ্যিক জাহাজ সরাসরি মার্কিন অবরোধের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে না। বরং মূল উদ্বেগের কারণ হলো ইরানি নৌবাহিনী এবং ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)-এর পক্ষ থেকে বেসামরিক জাহাজের ওপর হামলার ঘটনা।
তিনি আল জাজিরাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বলেন, ‘এই দুই পরিস্থিতিকে একই ধরনের অবরোধ হিসেবে বিবেচনা করলে সমস্যার প্রকৃত রূপটি আড়ালে থেকে যায়। এতে করে সমাধানের জন্য কী করা দরকার, সেটিও স্পষ্টভাবে নির্ধারণ করা কঠিন হয়ে পড়ে।’
পার্কারের মতে, হরমুজ প্রণালির সংকট নিরসনে দুটি সম্ভাব্য পথ রয়েছে। প্রথমত, ইরানের পক্ষ থেকে জাহাজে হামলা বন্ধ করার বিষয়ে একটি কার্যকর চুক্তি হতে হবে। আর তা সম্ভব না হলে, আন্তর্জাতিকভাবে সমন্বিত সামরিক পদক্ষেপের মাধ্যমে এসব হামলা ঠেকাতে হবে।
একইসঙ্গে প্রণালিটি সম্পূর্ণভাবে মাইনমুক্ত এমন নিশ্চয়তা তৈরি করতে হবে এবং ভবিষ্যতে বাণিজ্যিক জাহাজে হামলার চেষ্টা হলে তাৎক্ষণিকভাবে প্রতিরোধের সক্ষমতা দেখাতে হবে।
তবে বাস্তবতা হলো, এসব শর্ত পূরণ করে স্থিতিশীলতা ফেরানোর মতো পরিস্থিতি এখনো তৈরি হয়নি। বিশ্লেষকের ভাষায়, হরমুজ প্রণালিকে নিরাপদ ও নির্ভরযোগ্য বাণিজ্যপথ হিসেবে পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় এখনো সেই লক্ষ্যে পৌঁছানো থেকে অনেক দূরে অবস্থান করছে।
সূত্র: আল জাজিরা

হরমুজ প্রণালির বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ বাড়লেও, এই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথে আস্থা পুনরুদ্ধার এখনও অনেক দূরের বিষয় বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
নিউ সাউথ ওয়েলস বিশ্ববিদ্যালয়ের নৌ-অধ্যয়ন বিভাগের সহযোগী গবেষক জেনিয়ার পার্করের মতে, প্রণালিতে ইরানের প্রভাব এবং ইরানের বন্দরগুলোকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্রের অবরোধ—এই দুই বিষয়কে একইভাবে দেখার সুযোগ নেই; বরং এদের মধ্যে মৌলিক পার্থক্য রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী অধিকাংশ বাণিজ্যিক জাহাজ সরাসরি মার্কিন অবরোধের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে না। বরং মূল উদ্বেগের কারণ হলো ইরানি নৌবাহিনী এবং ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)-এর পক্ষ থেকে বেসামরিক জাহাজের ওপর হামলার ঘটনা।
তিনি আল জাজিরাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বলেন, ‘এই দুই পরিস্থিতিকে একই ধরনের অবরোধ হিসেবে বিবেচনা করলে সমস্যার প্রকৃত রূপটি আড়ালে থেকে যায়। এতে করে সমাধানের জন্য কী করা দরকার, সেটিও স্পষ্টভাবে নির্ধারণ করা কঠিন হয়ে পড়ে।’
পার্কারের মতে, হরমুজ প্রণালির সংকট নিরসনে দুটি সম্ভাব্য পথ রয়েছে। প্রথমত, ইরানের পক্ষ থেকে জাহাজে হামলা বন্ধ করার বিষয়ে একটি কার্যকর চুক্তি হতে হবে। আর তা সম্ভব না হলে, আন্তর্জাতিকভাবে সমন্বিত সামরিক পদক্ষেপের মাধ্যমে এসব হামলা ঠেকাতে হবে।
একইসঙ্গে প্রণালিটি সম্পূর্ণভাবে মাইনমুক্ত এমন নিশ্চয়তা তৈরি করতে হবে এবং ভবিষ্যতে বাণিজ্যিক জাহাজে হামলার চেষ্টা হলে তাৎক্ষণিকভাবে প্রতিরোধের সক্ষমতা দেখাতে হবে।
তবে বাস্তবতা হলো, এসব শর্ত পূরণ করে স্থিতিশীলতা ফেরানোর মতো পরিস্থিতি এখনো তৈরি হয়নি। বিশ্লেষকের ভাষায়, হরমুজ প্রণালিকে নিরাপদ ও নির্ভরযোগ্য বাণিজ্যপথ হিসেবে পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় এখনো সেই লক্ষ্যে পৌঁছানো থেকে অনেক দূরে অবস্থান করছে।
সূত্র: আল জাজিরা

হরমুজ প্রণালিতে নিরাপত্তা ফেরাতে এখনো অনেক পথ বাকি
সিটিজেন ডেস্ক

হরমুজ প্রণালির বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ বাড়লেও, এই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথে আস্থা পুনরুদ্ধার এখনও অনেক দূরের বিষয় বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
নিউ সাউথ ওয়েলস বিশ্ববিদ্যালয়ের নৌ-অধ্যয়ন বিভাগের সহযোগী গবেষক জেনিয়ার পার্করের মতে, প্রণালিতে ইরানের প্রভাব এবং ইরানের বন্দরগুলোকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্রের অবরোধ—এই দুই বিষয়কে একইভাবে দেখার সুযোগ নেই; বরং এদের মধ্যে মৌলিক পার্থক্য রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী অধিকাংশ বাণিজ্যিক জাহাজ সরাসরি মার্কিন অবরোধের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে না। বরং মূল উদ্বেগের কারণ হলো ইরানি নৌবাহিনী এবং ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)-এর পক্ষ থেকে বেসামরিক জাহাজের ওপর হামলার ঘটনা।
তিনি আল জাজিরাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বলেন, ‘এই দুই পরিস্থিতিকে একই ধরনের অবরোধ হিসেবে বিবেচনা করলে সমস্যার প্রকৃত রূপটি আড়ালে থেকে যায়। এতে করে সমাধানের জন্য কী করা দরকার, সেটিও স্পষ্টভাবে নির্ধারণ করা কঠিন হয়ে পড়ে।’
পার্কারের মতে, হরমুজ প্রণালির সংকট নিরসনে দুটি সম্ভাব্য পথ রয়েছে। প্রথমত, ইরানের পক্ষ থেকে জাহাজে হামলা বন্ধ করার বিষয়ে একটি কার্যকর চুক্তি হতে হবে। আর তা সম্ভব না হলে, আন্তর্জাতিকভাবে সমন্বিত সামরিক পদক্ষেপের মাধ্যমে এসব হামলা ঠেকাতে হবে।
একইসঙ্গে প্রণালিটি সম্পূর্ণভাবে মাইনমুক্ত এমন নিশ্চয়তা তৈরি করতে হবে এবং ভবিষ্যতে বাণিজ্যিক জাহাজে হামলার চেষ্টা হলে তাৎক্ষণিকভাবে প্রতিরোধের সক্ষমতা দেখাতে হবে।
তবে বাস্তবতা হলো, এসব শর্ত পূরণ করে স্থিতিশীলতা ফেরানোর মতো পরিস্থিতি এখনো তৈরি হয়নি। বিশ্লেষকের ভাষায়, হরমুজ প্রণালিকে নিরাপদ ও নির্ভরযোগ্য বাণিজ্যপথ হিসেবে পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় এখনো সেই লক্ষ্যে পৌঁছানো থেকে অনেক দূরে অবস্থান করছে।
সূত্র: আল জাজিরা



